“ফার্কের মধ্যে নারী গেরিলা যোদ্ধারা স্বীকৃতি অর্জন করেছেন”- নারী গেরিলা কমান্ড্যান্ট এরিকা মন্তেরো

Pastor-Erika

কলম্বিয়ার মার্ক্সবাদী সশস্ত্র গেরিলা গোষ্ঠী ফার্কের নারী গেরিলা কমান্ড্যান্ট এরিকা মন্তেরোর সাক্ষাৎকার

Coming from the banana plantations, a young Erika left with a backpack full of dreams for the jungle of Urabá to join the FARC-EP’s 5th Front.

It was the 6th of June 1978 and she left in the hope to find a life beyond the persecution by the then government of Turbay Ayala and his Security Statute. Erika is today a veteran guerrilla combatant, Comandante of the Block Ivan Rios, in Havana as a member of both the Technical Sub-Committee — which is to address the third item on the Agenda “End of Conflict” — and the Gender Sub-Commission.

With a soft and reflective voice and the same uncomplicated nature of 37 years ago, she answers questions poised by the FARC Women’s Editorial.

M.F.: What was behind your decision to join the Guerrilla Movement?

Erika Montero: I was a militant of the Communist Youth. The Turbay government had begun to persecute the entire popular movement. A State of Emergency had been declared under the Security Statute which granted the President the authority to establish Military Commands and Mayor Offices, to judge popular leaders in verbal war councils by special judges with covered faces, known as faceless justice.

This persecution affected trade unionists, youth and agrarian leaders and community organizers and so rather than face such uncertainty I decided to apply for membership of the FARC guerrilla movement. Read the rest of this entry »

Advertisements

কলম্বিয়ার মার্ক্সবাদী সশস্ত্র গেরিলা গোষ্ঠী ফার্কের প্রস্তাব –

images (4)images (5)

কলম্বিয়ার বিশ্ব সুন্দরীকে ‘মিস ইউনিভার্স’ সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির মার্ক্সবাদী গেরিলা গোষ্ঠী ফার্ক। নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মিস ইউনিভার্স পাউলিনা ভেগার (২২) প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছে ফার্ক। তবে পাউলিনা ভেগা এখনও গেরিলাদের এ আহ্বানে সাড়া দেননি। রোববার এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। গত দুই বছর ধরে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফার্ক গেরিলারা। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সরকারের বিরুদ্ধে গেরিলারা যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। বিভিন্ন সময় কলম্বিয়া সরকারের সঙ্গে তাদের সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও তা আবার নানা কারণে ভেস্তে গেছে। 

সরকার ও ফার্কের পক্ষ থেকে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু কিউবার রাজধানী হাভানায় দুই পক্ষের আলোচনা ঝুলে রয়েছে। এই অবস্থায় ফার্ক চাইছে, সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তির জন্য মধ্যস্থতা করুক বিউটি কুইন পাউলিনা ভেগা।

ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ফার্কের রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত। কিন্তু স্থায়ী সংঘাত মীমাংসায় শান্তিচুক্তির বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। মিস ইউনিভার্স ২০১৪-এর মুকুট জয়ের পর পাউলিনা ভেগা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি কলম্বিয়ায় শান্তি দেখতে চান। তার ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে ফার্ক তাদের বিবৃতিতে আহ্বান জানিয়েছে, পাউলিনা ভেগা যেন শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতা করেন। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সাল থেকে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করে ফার্ক .

Source – http://farc-epeace.org/


মাদারীপুরে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। জেলগেট থেকে ধরে নিয়ে হত্যা

বাংলাদেশ –

বুলেটিন/২
গণসংবাদ সংস্থা, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

মাদারীপুরে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। জেলগেট থেকে ধরে নিয়ে হত্যা

মাদারীপুর জেলার সদর থানার খোয়াজপুর ইউনিয়নের রাজারচর অধিবাসী বিকাশ মন্ডল ও তার ভাইকে গত জানুয়ারীর শেষার্ধে র‌্যাব তাদের বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। বিকাশ মন্ডলের ভাইকে পরদিন ছেড়ে দিলেও বিকাশ মন্ডলকে ছাড়েনি। সর্বহারা পার্টির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গেছে। বন্দী থাকা অবস্থায় কয়েকবার তাকে নিয়ে গভীর রাতে র‌্যাব রাজারচর গ্রামে টহল দিয়েছে বলেও জানা যায়। কিন্তু গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর বেলা মাদারীপুরের মাদ্রা বাজারের নিকট বিকাশ মন্ডলের লাশ মাথায় বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ১০০ গজের মধ্যে সম্প্রতি একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। পুলিশ ক্যাম্পটি স্থাপন করা হয় সর্বহারা পার্টির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য। পুলিশ ক্যাম্পের একেবারে নিকটেই ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বিকাশ মন্ডলকে হত্যা করা হয়, অথবা অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে তার লাশ সেখানে এনে ফেলে রাখা হয়। যা পুলিশ ক্যাম্পের জ্ঞাতসারেই হয়েছে বলে ধারণা করা সঙ্গত।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতারের পর র‌্যাব বিকাশ মন্ডলের উপর অমানুষিক অত্যাচার চালায়। পরে ৫৪ ধারায় (সন্দেহজনক) কোর্টে চালান দেয়। ২ ফেব্রুয়ারি বিকাশ মন্ডলের বাবা কোর্ট থেকে ছেলের জামিন নেন। এজন্য তাকে বিভিন্ন জায়গায় ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। কিন্তু জেল থেকে মুক্ত হওয়া মাত্র জেলগেট থেকে র‌্যাব পুনরায় বিকাশ মন্ডলকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তার কৃষক বাবার সামনেই এ ঘটনা ঘটে। তার পর দিনই তার লাশ পাওয়া যায় মাদ্রা পুলিশ ক্যাম্পের নিকটে।
এই হত্যার সাথে আওয়ামী মন্ত্রী শাজাহান খান, তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান সফিক খান ও স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত রয়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্রচার মাধ্যমে খবরটিকে বিকৃত করে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার বলে প্রচার করা হয়। পরে প্রচার করা হয় যে, সর্বহারা পার্টির অন্তর্কলহে তাকে হত্যা করা হয়। যা সম্পূর্ণই বানানো ও মিথ্যা।
নিজেরা হত্যা করে এই ধরনের ডাহা মিথ্যা প্রচার তারা পূর্বেও দিয়েছে। বিগত ১৬ অক্টোবর মাদ্রা এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসের গডফাদার নৌমন্ত্রি শাজাহান খানের নির্দেশে আওয়ামী স্থানীয় পান্ডারা মাদ্রা গ্রামের মাজেদ মোল্লাকে হত্যা করে প্রচার দেয় সর্বহারা পার্টির কর্মী বলে। এর পর থেকে মাজেদ মোল্লার খুনীদের পুলিশ ক্যাম্প বসিয়ে পাহারা দিচ্ছে রাষ্ট্র ও আওয়ামী নেতারা। মাজেদ মোল্লার আত্মীয় এই কেসের তদবির করতে গেলে এই আওয়ামী সন্ত্রাসীরাই তাকেও মারপিট করে মাথা ফাটিয়েছে। হত্যার হুমকী দিয়েছে।
বিকাশ মন্ডল পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির একজন প্রাক্তন কর্মী বলে জানা যায়। এই পার্টির সংগঠন উচ্ছেদের জন্য সন্ত্রাসী গডফাদার শাজাহান খান ও রাষ্ট্রের যে পরিকল্পনা, বিকাশ মন্ডলের হত্যা তারই অংশ। দেশব্যাপী আওয়ামী জোট সরকার আজ যে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে তার বহিপ্রকাশও ঘটেছে এই হত্যাকাণ্ড। ক্রসফায়ার, গুম ও গুপ্তহত্যার মধ্য দিয়ে যে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড – আওয়ামী সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র চালাচ্ছে তার প্রতিবাদ, নিন্দা ও প্রতিরোধ করা সকল গণতান্ত্রিক শক্তির দায়িত্ব।   

Source – গণসংবাদ সংস্থা


ভারতে মাওবাদীদের নিয়ন্ত্রিত বস্তার অঞ্চলে আদিবাসীদের নৃত্য

বস্তারের আদিবাসী নৃত্য  10984237_792803227468379_8048116814577165265_n 10995991_792803137468388_2565762814316565012_n

 

দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে যুক্ত ভারতের বস্তারের এই আদিবাসী সম্প্রদায় রাষ্ট্র কর্তৃক চরম অবহেলিত, নিপীড়িত ও শোষিত হচ্ছে, অভাবের তাড়নায় গাছের শিকড় খেয়ে জীবন ধারণের মতো পরিস্থিতির শিকার তারা। অধিকার বঞ্চিত ও অভাব থেকে মুক্তির আশায়  এই সব আদিবাসীরা এখন দলে দলে মাওবাদীদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন।

Source- Times of India


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদঃ ১৫/২/২০১৫ তারিখের

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদঃ ১৫/২/২০১৫ তারিখের

-শনিবার কাংকার জেলার আন্তগড় থানার গোদবিনপল গ্রামের নিকটবর্তী জঙ্গলে মাওবাদীরা একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। মাওবাদী নিধন কাজে নিযুক্ত বিএসএফ এর ১৪৬ ব্যাটেলিয়নকে লক্ষ্য করে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে জানা যায়। তবে এতে কোন জওয়ান হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।

-২০শে ফেব্রুয়ারি পাঁচটি রাজ্যে বন্ধ এর ডাক দিয়েছে সিপিআই (মাওবাদী)। একে সামনে রেখে মাওবাদীরা পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র জানিয়েছে, পোস্টারগুলোতে বৃহৎ কর্পোরেট কোম্পানীগুলোর বক্সাইট খনির প্রজেক্ট, উপকূলীয় করিডোরের পাশে উন্মুক্ত প্রজেক্ট ও পলাভারাম প্রজেক্টের বিপক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়েছে।

-শনিবার সিপিআই(মাওবাদী)এর বিশেষ গেরিলা স্কোয়াড এর সদস্য মাদাকাম দেবা (২০) ও মিলিশিয়া কমান্ডার পডিয়ুম অন্ধ সহ চারজনকে বিস্ফোরক সহ গ্রেফতার করেছে ভদ্রচালাম সাব ডিভিশন পুলিশ। কোরকাটপাডু জঙ্গলে পুলিশের উপর হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে তারা বিস্ফোরক পুঁতে রাখার পরিকল্পনা করেছিল বলে পুলিশের দাবী।

-শনিবার থেকে নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদী নিধনে আঙ্গুল-কেওনঝার সীমান্তে চিরুনী অভিযান জোরদার করেছে। আঙ্গুল জেলার পল্লাহারায় মাওবাদীরা দুই দিন আগে পুলিশের এক গুপ্তচরকে খতম করে।

সূত্রঃ nyoooz.com/ thehindu.com/ newindianexpress.com