ফিলিপিনের বাংসামোরো সংগ্রামের অগ্রগতি – NDF-Mindanao

ফিলিপিনের বাংসামোরো সংগ্রামের অগ্রগতি – NDF-Mindanao

1925159_907246405975531_7929548259975701467_n

The National Democratic Front (NDF)-Mindanao called on the Moro people to further consolidate their ranks and intensify their struggle for self-determination. The call was made by NDF-Mindanao spokesperson Ka Oris after the bloody clash in Mamasapano, Maguindanao on January 25.

The January 25 attack by armed troops of the Philippine National Police Special Action Force (PNPSAF) in Barangay Tukanalipao, Mamasapano, a known Bangsamoro stronghold, was a direct affront to the right to self-determination of the Moro people.

The huge number of casualties inflicted by Moro fighters on the SAF is being exploited by a number of groups and politicians to fan the flames of anti-Moro chauvinism and cover up Aquino and the US’ responsibility in the bloody operation. The passage of the Bangsamoro Basic Law (BBL), a bill resulting from the peace talks between the GPH and the MILF is likewise in danger of being blocked.

Nonetheless, said Ka Oris, even if the BBL were enacted into law and implemented, growing numbers of Moro people are expected to join the armed struggle being launched by the Bangsamoro Islamic Freedom Fighters (BIFF) and the national democratic struggle embodied by the NDF, as the BBL is not designed to resolve the basic feudal and semicolonial system prevailing in the Bangsamoro areas.

Ka Oris stressed that the NDF has a commitment to the Moro people to support their struggle for self-determination. Thus, both forces can support each other against a common enemy.

The NDF-Mindanao called on the BIFF to brace itself for the definite intensification of military attacks on its ranks. It must strengthen itself and rapidly expand its area of maneuver to overcome the AFP-PNP’s encirclement campaign. The Bangsamoro areas and social terrain are fertile ground for developing expertise in guerrilla warfare and people’s war.

The NDF-Mindanao also called on the Filipino people to unite with the Moro people in their struggle for genuine self-determination and for national freedom and democracy, in order for just and lasting peace to prevail someday in Mindanao and the entire country.

 

Source- http://www.philippinerevolution.net


মার্কিন-অ্যাকুইনো শাসন এর রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে জনগণের সংগ্রাম জোরদার হচ্ছে – ফিলিপিন মাওবাদী পার্টির প্রচার

মার্কিন-অ্যাকুইনো শাসন এর রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে জনগণের সংগ্রাম জোরদার হচ্ছে – ফিলিপিন মাওবাদী পার্টির প্রচার সংখ্যা

10956059_918925874807584_2576959609591985480_n

 

বিস্তারিত জানার জন্যে সংখ্যাটি ডাউনলোড করুন – 

pdf -NDFP


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ-

10408598_406974866148258_5452235559198213091_n 10986935_406974899481588_8663821946867758011_n

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ-

-সিপিআই (মাওবাদী) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অরভিন্দজীকে গ্রেফতার করতে রাজ্য পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে। ছত্তিসগড় সীমান্ত সহ আন্তঃরাজ্য সীমান্তে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন সহ থানাগুলোকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। গুমলা জেলার গুরদাই অঞ্চলের চাম্পিপাত বনস পাহাড়ে পুলিশের সাথে ‘এনকাউন্টারে’ তিনি পালাতে সক্ষম হন। পুলিশের ধারণা, গুলিতে অরভিন্দজী আহত হয়ে থাকতে পারেন।

-শনিবার রাতে মাওবাদী এমসিপি মনিপুর (MCP Manipur) মনিপুরের সেন্ট্রাল ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্সে বোমা হামলা চালিয়েছে।

-মুঙ্গের, লাখিসারাই ও জামুই জেলায় সিআরপিএফ, এসটিএফ, এসএসবি ও জেলা পুলিশের তিন দিন ব্যাপী যৌথ অপারেশনে উচ্চ ক্ষমতাধর বিস্ফোরক, দুটি বড় ভূমি মাইন, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, পাঁচ হাজার মিটার দীর্ঘ বৈদ্যুতিক তার, খাকি পোশাক, ভূমি মাইন বিস্ফোরণের তরল পদার্থ ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ ও যুদ্ধ কৌশলের উপর কম্পিউটারাইজড নীতিমালা সহ মাওবাদী সাহিত্য আটক করা হয়।

-মহারাষ্ট্র ছত্তিসগড় সীমান্ত থেকে বাবুরাও ওরফে ভিনু মাদভী (২৩) নামে একজন মাওবাদীকে গ্রেফতার করেছে গাদচিরোলী পুলিশ। তার মাথার মূল্য ধার্য করা হয়েছিল ২ লাখ রুপি।

 সুত্র- http://www.nagpurtoday.in/naxal-carrying-rs-2-lakh-reward-arrested/02221416


জাপানিজ রেড আর্মি সদস্য সুটোমো শিরোসাকি জাপানে গ্রেফতার হয়েছেন

17069234-mmmain n-shirosaki-a-20150221-870x638

জাপানিজ রেড আর্মি সদস্য সুটোমো শিরোসাকি জাপানে গ্রেফতার হয়েছেন

শুক্রবার জাপানের রেড আর্মি সদস্য সুতোমু শিরোসাকিকে নারিতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে টোকিও পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ১৯৮৬ সালের মে মাসে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় জাপানি ও মার্কিন দূতাবাসে মর্টার হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন দূতাবাসে হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কারাদণ্ড ভোগ করেন।

১৯৭৭ সালে তাকে মুক্তি দেয়া হয় এবং ১৯৯৬ সালে নেপালে গ্রেফতার করা হয়। এই মধ্যবর্তী সময়ে তার কার্যকলাপ বিশদভাবে খতিয়ে দেখছে পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরো্র একটি বিশেষ তদন্ত ইউনিট। শিরোসাকির সাথে  জাপানী রেড আর্মির সাতজন সক্রিয় সদস্যের সাথে যোগাযোগ থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও ১৯৭৭ সালে জাপান এয়ারলাইনস  এর ইয়োদো এরোপ্লেন ছিনতাই করে উত্তর কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া কমিউনিস্ট মিলিট্যান্ট দলের পূর্ববর্তী অঙ্গসংগঠনের সদস্যদের সাথেও তার যোগাযোগ থাকতে পারে বলে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রেফতারি পরোয়ানায় উল্লেখ করা হয়, শিরোসাকি ১৯৮৬ সালের ১৪ই মে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জাপানি দূতাবাস লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটান।

সূত্র জানায়, শিরোসাকি তোকুশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি কমিউনিস্ট মিলিট্যান্ট দলের পূর্ববর্তী অঙ্গসংগঠনে যোগদান করেন এবং পড়াশোনা ছেড়ে দেন। তিনি দলের কার্যক্রম পরিচানার ফান্ড সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ডাকঘড় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা চালান। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তাকে টোকিও থেকে গ্রেফতার করা হয় ও ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সুত্র- 

http://www.nola.com/politics/index.ssf/2015/02/post_580.html

http://the-japan-news.com/news/article/0001950645


মাওবাদীদের সঙ্গ ছাড়েনি অসমের আদিবাসী সশস্ত্র সংগঠন আনলা

300px-Prepak_Cadres

ভারত –

আত্মসমর্পণ করে মূলস্রোতে ফেরার পরও মাওবাদীদের সঙ্গ ছাড়েনি অসমের আদিবাসী সশস্ত্র সংগঠন Adivasi National Liberation Army (ANLA)-আনলা এমনই দাবি করল পুলিশ।

তদন্তকারীদের বক্তব্য, ওই সংগঠনের সেনাধ্যক্ষ নির্মল ওরফে ডেভিড তির্কে অসমের কয়েকটি জেলার যুবকদের বাছাই করে প্রশিক্ষণের জন্য ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী শিবিরে পাঠানোর ছক কষেছিল। গত রাতে নির্মল ও তার ৩ সঙ্গী সঞ্জয় সিংহ গড়, পদ্মেশ্বর ঘাটোয়ার ও বোবাই ঘাটোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, জেরায় নির্মল জানিয়েছে, আদিবাসীদের লড়াই বাঁচাতেই সে ওই কাজ করছিল।

পুলিশ সূত্রের খবর, নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারির জন্য উত্তর-পূর্ব থেকে প্রশিক্ষণ শিবির আগেই সরিয়ে নিয়েছিল আনলা। সংগঠন মজবুত করতে ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্মলরা। উদালগুড়ি, নগাঁও ও গোলাঘাট থেকে আদিবাসী যুবকদের ভিন্রাজ্যের মাও-শিবিরে প্রশিক্ষণ নিতে পাঠানোর দায়িত্ব ছিল উদালগুড়ির সঞ্জয়, মেরাপানির পদ্মেশ্বরের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই অসমের ৩০ জন আদিবাসী যুবক ছত্তীসগঢ়ের প্রশিক্ষিণ শিবিরে পৌঁছেছে। আরও ২০ জনকে সেখানে পাঠানোর চেষ্টা চলছিল। তার আগেই আনলা নেতারা পুলিশের জালে ধরা পড়ে। গ্রেফতার হওয়ার পর নির্মল সাংবাদিকদের বলে, “আদিবাসীদের সমস্যা নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়। বাধ্য হয়েই আন্দোলন চালিয়ে যেতে হচ্ছে।” আজ নির্মলের মেরাপানি নাহরতলির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ৪টি পিস্তল উদ্ধার করে।

শিক্ষকতা ছেড়ে ২০০৩ সালে আনলা গঠন করেছিল নির্মল। ২০০৮ সালের নভেম্বরে ঝাড়খণ্ডের গুমলা থেকে ১০ সঙ্গী-সহ ওই নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০০৭ সালে চুংগাজানে রাজধানী এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ছিল নির্মল। শতাধিক মামলায় অভিযুক্ত নির্মলকে গ্রেফতার করে অসমে নিয়ে আসার পরও ফের রাজধানীকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটায় আনলা। ২০০৯-এর জানুয়ারিতে ওই সশস্ত্র সংগঠনের ২০ জন নেতা আত্মসমর্পণ করে। জামিন পেয়ে নির্মলও আত্মসমর্পণকারীদের দলে নাম লেখায়। ২০১১ সাল থেকে আনলা সংঘর্ষবিরতিতে রয়েছে। কিন্তু এ বার প্রকাশ্যে এল তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের যোগাযোগের বিষয়টি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালেই আইবি জানিয়েছিল, আনলার সাহায্য নিয়ে মাওবাদীরা গোলাঘাট ও নাগাল্যান্ডের ওখায় প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছে। সেখানে প্রায় শ’তিনেক সদস্য রয়েছে। সেই সময় থেকেই গোলাঘাট ও উজানি অসমে মাওবাদীদের উপস্থিতি বাড়ে। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে নাগাল্যান্ডের রালান এলাকার বাসিন্দারা আনলা ও মাওবাদীদের যৌথ শিবিরে হানা দিয়ে সেটি উৎখাত করেন।

 সুত্র – আনন্দবাজার পত্রিকা


“গণমুক্তির গানের দল”র তিন সংগঠককে গ্রেফতারের নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বিবৃতি –

ganomuktir-gaaner-dol

বাংলাদেশ –

বিবৃতি –
২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

গণমুক্তির গাণের দলের তিন সংগঠককে গ্রেফতারের নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবী!

এক বিবৃতিতে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক শান্তনু সুমন গণমুক্তির গাণের দলের তিন সংগঠক নাহিদ সুলতানা লিসা, শামা হক ও মাহবুব হাসান’কে গ্রেফতার ও আটকের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। একই সাথে অভিলম্বে তিনি গণমুক্তির গাণের দলের তিন সংগঠককে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান! উল্লেখ্য গত ২১ ফেব্রুয়ারীর প্রথম প্রহরে মগবাজারে গণমুক্তির গাণের দলের দেয়াল লিখনের সময় তাদের সন্দেহজনক বলে গ্রেফতার করে রমনা থানায় আটকে রাখে পুলিশ। পরে তাদের সেন্ট্রাল জেলে চালান করে দেয়। সন্দেহজনক বলে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হয় যে এই সরকার ও শাসক শ্রেণীর ফ্যাসিবাদ কতটা নগ্ন হয়ে পড়েছে। সংগঠন করার নুন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকার কিভাবে হরণ করা হচ্ছে।

ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক গণতান্ত্রিক সংগঠনের উপর এই ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজসহ জনসাধারণকে সোচ্চার হবার আহবান জানান।

বার্তা প্রেরক
ফয়সাল মাহমুদ
সদস্য,কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কমিটি;
সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য ।
অস্থায়ী যোগাযোগ: মধুর কেন্টিন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । সেল : ০১১৯৫২০০২১০

সূত্র-https://www.facebook.com/aisubd?fref=nf


ফিলিপিন মাওবাদী পার্টির প্রতি মণিপুর মাওবাদী পার্টির বার্তা –

11021192_422965057862122_4432190948963193376_n

Dear Comrades,

On behalf of our party, the Maoist Communist Party Manipur (Manipur Maoist) of the Revolutionary Mass Organizations and revolutionary people in Manipur, we send our warmest revolutionary greetings and heartfelt Yawolna Yaifare to the Central Committee of Communist Party of Philippines (CPP), Brave Filipino People’s Army, New People’s Army (NPA) and Its Revolutionary Masses.

As representing an Proletarian Internationalist Party, Manipur Maoist, It’s my pleasure to declare that An event called ‘ A Solidarity Evening with Filipino Comrades ‘ is to be organized in Manipur by our Party in support of the Revolution of the Filipino people led by Communist Party of Philippines (CPP) which is waging a victorious Peoples War as a part of the World Socialist Revolution, on the International Women’s Day that falls on the 8th March-2015.
There would be visual(video) show, discussion program and leaflet distribution in various schools, colleges, institutions, work places and revolutionary Areas focusing on how New People’s Army (NPA), People’s army of Philippines has been facing and encountering very bravely and firmly with great enthusiasm.
The world is progressing, the future is bright and no one can change this general trend of history. We should carry on constant propaganda among the people on the facts of world progress and the bright future ahead so that they will build their confidence in victory.

Red Thunder, the monthly journal of the party, in its continuous publication, the (XVIII) Issue will be published and distributed on this precious day. This volume consists and is mainly based on the background and current activities of the Revolution led by CPP.
Manipur Maoist was formed and established on the 10th August 2011. During this short span of time the Party can occupy and carve a special niche on the World Socialist Revolution when the party is organizing a Solidarity event in support of Filipino Revolution as an initial duty of the party on Proletarian internationalism. Manipur Maoist shall take its responsibility and perform its duty of Proletarian Internationalism persistently and consistently. This is the first kind of event in the history of Manipur Maoist taking the responsibility of proletarian Internationalism.

Long Live Marxism-Leninism-Maoism

Long live the proletarian Internationalism!

Long live the unity of the international Proletariat, revolutionary and democratic forces and the oppressed nations and peoples of the all over the world!

Yawolna Yaifare.

In Struggle,

Comrade Ngamtaaipa Meitei
International Department,
Maoist Communist Party Manipur.

সূত্র-https://www.facebook.com/pages/ManipurMaoist/262421733916456?fref=ts