মিরপুরে পুলিশী হত্যাকাণ্ডের শিকার শ্রমজীবী তরুণেরা !

বাংলাদেশ-

মিরপুরে পুলিশী হত্যাকাণ্ডের শিকার শ্রমজীবী তরুণেরা !

রাজধানীর মিরপুর কাজীপাড়ার বাইশবাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার গুলিবিদ্ধ চার জনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।তারা হলেন, মিনিবাসের হেলপার সুমন, রবি দাস (১৭) ও রবিন (১৬)। অন্যজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

20655_bji2

রোববার রাতে ওই চার তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মর্গে রবিনের লাশ শনাক্ত করেন তার চাচা জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি পাবনার সুজানগর উপজেলায়। রবিনের দাদী হালিমা বেগম তাকে লালন-পালন করে বড় করেছেন। মিরপুরের কালশি কবরস্থানের পাশে তাদের বাসা। তিনি জানান, রবিন বয়সে তরুণ। সে রাজনীতি বোঝে না। কোনো দলের কর্মীও নয়। অভাব-অনটনের কারণে বাসে হেলপার হিসেবে কাজ করত সে। মিরপুর-উত্তরা রুটে প্রজাপতি পরিবহনের বাসে হেলপার ছিল। তিনি জানান, রোববার রাত ১০টার দিকে রবিন বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর সে বাসায় ফেরেনি। পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে ছবি দেখে তারা মর্গে এসে রবিনের লাশ শনাক্ত করেন।

অন্য দিকে মর্গে ছেলে সুমন দাসের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার বাবা জনি দাস। তিনি মুচির কাজ করেন। অভাবের সংসার। এ কারণে সন্তানেরাও কাজ করে। সুমন পল্লবী সুপার বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করত। কালশি কবরস্থানের পাশে তাদের বাসা। তিনি জানান, রোববার সকালে সুমন বাসা থেকে বের হয়ে তার দোকানে গিয়ে ২০ টাকা নেয়। বলেছে সে বাসে হেলপারি করতে যাচ্ছে। এর পর থেকে সুমন আর বাসায় ফেরেনি। দুই দিন পর মর্গে ছেলের গুলিবিদ্ধ লাশ শনাক্ত করেন। খেটেখাওয়া ছেলের কী অপরাধ তা তিনি জানেন না। সুমন কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মীও নয় বলে জানান তিনি। ভারী কণ্ঠে জনি দাস বলেন, ‘আমরা দিন আনি, দিন খাই। আমার ছেলে কোনো রাজনীতি করে না। আমার ছেলেকে কেন পুলিশ গুলি করে মারল?’

পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।ঘটনার পর থেকেই পুলিশ দাবি করে আসছে, ওই চার জন গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।

তবে এলাকাবাসী বলছে, গণপিটুনির ঘটনা ঘটেনি। তারা শুধু এলোপাতাড়ি গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছেন। নিহতদের শরীরে ৫৪টি গুলির চিহ্ন দেখা গেছে। এছাড়া পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে গুলির চিহ্নের কথা উল্লেখ থাকলেও পিটুনির কোন চিহ্নের কথা উল্লেখ নেই।

এদিকে পুলিশ নিহতদের নাশকতাকারী দাবি করলেও লাশের স্বজনরা বলছেন, নাশকতাতো দূরের কথা তারা রাজনীতিও করে না।পুলিশ ওদের ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।

Advertisements

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ-

???????????????????????

 

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ- 

  • ইমামগঞ্জ এলাকায় মাওবাদীদের বিস্ফোরণে একজন কোবরা জওয়ান খতম ও ১৫ জন আহত হয়েছে। মাওবাদী নিধনে নিয়োজিত কোবরা জওয়ানদের বহনকারী গাড়িটি দুমারিয়া-ইমামগঞ্জ এলাকার সালাইয়া মোর এর নিকটবর্তী হলে এই বিস্ফোরণ ঘটে। রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে মাওবাদীরা এই বিস্ফোরণ ঘটায় বলে পুলিশের ধারণা।
  • সোমবার বস্তারের বিভাগীয় সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক জরুরী সভায় ছত্তিসগড়, উড়িষ্যা, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্র প্রদেশ ও মহা্রাষ্ট্রের সীমান্ত এলাকায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যৌথভাবে কঠোর দমন অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এই পাঁচটি রাজ্যের পুলিশ, সিআরপিএফ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ।
  • উড়িষ্যার মালকানগিরি জেলা থেকে তিনজন মাওবাদী নারীকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ জওয়ানরা।

 

সূত্রঃ timesofindia.indiatimes.com/ odishasuntimes.com


“মাওবাদীদের অর্থ আদায় অন্যায় নয়” – বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জিতনরাম মাঝি

মাওবাদীদের অর্থ আদায় অন্যায় নয়বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জিতনরাম মাঝি

1942524

পরোক্ষে মাওবাদীদের সমর্থনে মুখ খুলে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জিতনরাম মাঝি৷ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী  সকলের সামনেই মাওবাদীদের জোর করে অর্থ আদায়কে সমর্থন করেন৷ বিষয়টি আদৌ অন্যায়  কিছু নয় বলে জানান৷

সোমবার নিজের বাসভবনে জনতার দরবারে অনুষ্ঠানে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনছিলেন মাঝি৷ এর পর তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন৷ সেখানে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “ঘরবাড়ি, রাস্তা প্রভৃতি সরকারি নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারদের কাছ থেকে মাওবাদীরা লেভি হিসাবে যে  অর্থ আদায় করছে তাতে দোষের কিছু নেই৷ কারণ এই সমস্ত ঠিকাদাররা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ৷ সরকারের টাকা লুঠপাট করছে৷ মাওবাদীরা কি বিদেশি? যারা মাওবাদী হিসাবে পরিচিত তারা আমাদের সমাজেরই অংশ৷ বন্দুকের ভয় দেখিয়ে নয়, উন্নয়নের মাধ্যমেই তাদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে হবে ৷” মাওবাদীদের সঙ্গে কথা বলতে কি তিনি প্রস্ত্তত–এ প্রশ্নের উত্তরে মাঝি বলেন, “কেন নয় ৷ এর আগে অনেক মুখ্যমন্ত্রী এবং লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণের মতো নেতা মাওবাদীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনেছেন৷” মাঝি আরও বলেন, “ঠিকাদাররা  একটি তিন চার লাখ টাকার কাজকে ১১ লাখ টাকার বলে উল্লেখ করেন ৷ ফলে একটি প্রকল্পে কমপক্ষে তাঁদের অতিরিক্ত সাত-আট লাখ টাকা লাভ হয়৷ কারণ ঠিকাদাররা অত্যন্ত নিম্নমানের মালপত্র দিয়ে কাজটি সারেন ৷ দফতরের বিভিন্ন্ কর্মী, ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যোগসাজশ করেই তাঁরা এই কাজ করেন ৷ তাই মাওবাদীরা ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করলেও তাঁদের ছ’ লাখ টাকা লাভ থাকে৷ এতে অন্যায় কোথায়৷” ।

সুত্র – sangbadpratidin.in


প্রশাসনের হাতে এল ভারতের মাওবাদীদের হেলিকপ্টার ধ্বংসের প্রশিক্ষণের ভিডিও ক্লিপ –

sukma-mao-attack-gfx

রায়পুর: আকাশপথে হেলিকপ্টাককে ধ্বংস করার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগঢ়ের মাওবাদী অধ্যূষিত বস্তার জেলার জঙ্গল এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো বা ফেরত নিয়ে আসা এবং ভিআইপি-দের যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে অনেক সময় দ্রুত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে গিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভবপর হয়। এই হেলিকপ্টারকেই এবার টার্গেট করল মাওবাদীরা। হেলিকপ্টার ধ্বংস করার বিষয়ে মাওবাদী বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি ভিডিও প্রশাসনের হাতে এসেছে। এতে রাজ্য প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হয়েছে। Read the rest of this entry »


সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে “সিঁদ” ভারতের মাওবাদীদের

civic-police

সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে সিঁদ মাওবাদীদের

সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে আন্দোলন বাধানোর চেষ্টায় রয়েছে মাওবাদীরা৷ অনিয়মিত বেতন-সহ আর্থিক নানা দাবিদাওয়া নিয়ে সিভিক ভলান্টিয়াররা গত বছর আন্দোলনে সামিল হয়েছিল৷ রাস্তায় নেমে মিটিং-মিছিল-সভা-সমাবেশ কোনও কিছুতেই পিছপা হয়নি তারা৷ সেই সময় কোনও মতে তা সামাল দিয়েছিল রাজ্য সরকার৷ সরকারি কর্তারা পরে এই অশান্তির প্রশাসনিক ময়নাতদন্ত করে যে খবরাখবর পেয়েছেন, তা অবশ্য আরও বড় মাপের সমস্যার অশনি সঙ্কেত দিয়েছে৷ কারণ, সরকারের কাছে খবর সিভিক ভলান্টিয়ারদের ধূমায়িত অসন্তোষ আন্দোলনের পথে নিয়ে যেতে উসকানি ছিল খোদ মাওবাদীদের৷ তাদের ভূমিকা ছিল আগুনে ঘি ঢালার মতোই৷ ফলে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে নবান্নের কর্তাদের শিরঃপীড়া বেড়েছে বই কমেনি৷ কারণ, মাওবাদীরা আরও বড় মাপের আন্দোলন বাধানোর জন্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে অনুপ্রবেশের চেষ্টা সহজে ছেড়ে দেবে, তা মনে করার কোনও কারণ দেখছেন না রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকেরা৷ মাওবাদীদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে হিসাবে সিভিক ভলান্টিয়াররা অত্যন্ত ‘সফট টার্গেট’৷ কারণ, সিভিক পুলিশের সদস্যরা বয়সে কুড়ি থেকে ত্রিশের মধ্যে৷ বেশির ভাগই আর্থিক ভাবে দুর্বলতর পরিবারের সদস্য৷ অন্যদিকে, রাষ্ট্রের উর্দিবাহিনীর প্রান্তিক অংশ হলেও সিভিক পুলিশ মাওবাদীদের অনুপ্রবেশের পক্ষে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও উর্বর জমিও বটে৷ উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে ঘোষণা করেছেন যে কলকাতা-সহ রাজ্যে এক লক্ষ ত্রিশ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারদের চুক্তির পুর্ননবীকরণ হবে৷ এই ব্যাপারে তোড়জোড় চলছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও৷ এর মধ্যে পাঁচ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার কর্মীকে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে৷ তবে, সরকার অন্তত অদূর ভবিষ্যতে নতুন করে আর কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে নারাজ৷ কারণ, রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের তাগিদেই মমতা-সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার বাহিনী তৈরির মতো ‘জনপ্রিয়’ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷ কিন্ত্ত, নবান্নের আর্থিক টানাটানির সংসারে সিভিক ভলান্টিয়ার বেতনের ভার বহন করাও ক্রমেই সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে৷ অন্যদিকে স্বাভাবিক ভাবেই দৈনিক ১৪১ টাকা ৮০ পয়সা ভাতায় মন ভরার কথা নয় সিভিক ভলান্টিয়ারদের৷ আর, এই অসন্তোষ পুঁজি করেই এগোতে চাইছে মাওবাদীরা৷ নবান্নের কর্তারা জেনেছেন রাজ্যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মাওবাদীদের যে ‘মাথা’গুলি সক্রিয় ছিল, তাঁদের কেউ কেউ এই ব্যাপারে মাথা ঘামাচ্ছেন ৷ কোনও কোনও মানবাধিকার সংগঠনের শীর্ষ ব্যক্তিরাও কেউ কেউ সিভিক পুলিশের বিষয়ে ‘সমব্যাথী’ বোধ করছেন বলেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর৷ এই সব সংগঠন আদতে মাওবাদীদের ‘ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন’ হওয়ায় সরকারি কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে৷ অবশ্য সরকারও চুপ করে বসে নেই৷ সিভিক ভলান্টিয়ারদের উপর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে৷ এর সমান্তরাল ধারায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতন যেন নিয়মিত হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকছে সরকার৷ যাতে আর্থিক অনটনকে চাঁদমারি না করে তার রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে না পারে মাওবাদীরা৷

সূত্র – http://eisamay.indiatimes.com/


রাজ্য রাজি, তবু কেন্দ্রের আপত্তিতে আটকে ভারতের মাওবাদী মুখপাত্রের মুক্তি

 gour-655x360

কেন্দ্রের আপত্তি। তাই রাজ্য রাজি থাকলেও মুক্তি পাচ্ছেন না রাজনৈতিক বন্দি মাওবাদী মুখপাত্র গৌর চক্রবর্তী। বাম আমলের শেষের দিকে UAPA ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিল স্বঘোষিত এই মাওবাদী মুখপাত্রকে। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক বন্দির স্বীকৃতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গৌর চক্রবর্তী। হাইকোর্টে সেই আবেদনের বিরোধিতা করেছিল রাজ্য। কিন্তু, তারপর পরিস্থিতি বদলেছে,সম্প্রতি গৌর চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থা ও বয়সের কথা উল্লেখ করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন তাঁর স্ত্রী। একই আর্জি জানিয়ে APDR-র তরফে  চিঠি দেন সুজাত ভদ্র।

গৌর চক্রবর্তী স্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে রাজ্য। কিন্তু, যেহেতু তাঁকে UAPA ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তাই মুক্তি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতি চেয়ে চিঠি দেয়  রাজ্য সরকার। কিন্তু, রাজি হয়নি কেন্দ্র। কেন্দ্রের যুক্তি, UAPA তে আটক গৌর চক্রবর্তীকে ছেড়ে দিলে তেলেগু দীপক, ছত্রধর মাহাতোর মতো মাওবাদী নেতাদেরও মুক্তি দিতে হবে। যা কার্যত অসম্ভব। ফলে রাজ্যের সদ্দিচ্ছা থাকলেও, আপাতত জটিলতায় আটকে গৌর চক্রবর্তীর মুক্তি।

সুত্র – http://ntcn.in/