ভারত- ৭ বছর পর বেকসুর খালাস, আদিবাসী নারী বলছেন, তিনি নির্যাতিত হয়েছিলেন –  

“I was never involved in any Maoist activity… What was my fault?”

 

 

১৭ বছর বয়সী কাওাসি হিমদে, দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াদা জেলায় ২৩ জন পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত  এই অভিযোগে ২০০৮  সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  গ্রেফতারের সময় তিনি ছিলেন শক্ত-সামর্থ্যবান একটি অল্প বয়স্ক মেয়ে  ।

দান্তেওয়াদার একটি আদালত তার দোষ না পাওয়ায় ,  তিন দিন আগে জেল থেকে বের হয়ে ক্লান্ত কাওাসি হিমদে  বলেন . “আমি কোনো মাওবাদী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলাম না, তবুও, আমার জীবনের সাত বছর হারিয়ে গেছে. আমি পুলিশী নির্যাতন দ্বারা সৃষ্ট অসংখ্য স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছি। আমার দোষ কি ছিল ?

হিদমে ২০০৭ সালের জুলাই মাসে বস্তারের এররাবর গ্রামে ৩৫০ জন মাওবাদীর একটি দলে যুক্ত ছিলেন, যারা পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত বলে অভিযুক্ত হন ও একই সাথে ভারতীয় পেনাল কোড আইন ৩০২, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯  ধারা ও অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযুক্ত হন।

বস্তার এর আদিবাসীদের মাওবাদী মোকাবেলার নামে নানা হয়রানি ও নির্যাতন শিকার কিভাবে হয়, হিদমে তার একটি আদর্শ কেস স্টাডি । বুধবার জেল গেট থেকে হিদমেকে গ্রহণ করতে আসেন , আদিবাসী কর্মী সোনি সোরি।

 “তিনি নির্দোষ ছিল, কিন্তু এটা বুঝতে রাষ্ট্রীয় সিস্টেম  সাত বছর সময় নেন. তার ক্ষেত্রে মামলা অনেক মাস আগে সম্পন্ন করা হয়েছে, কিন্তু রায় … বিলম্বিত হয় ” – বলেন হিদমের পক্ষে আইনি লড়াই এ অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট শালিনী গেরা ও সিনিয়র আইনজীবী  বিছেম পণ্ডী। তারা বলেন- প্রসিকিউশন দ্বারা উপস্থাপিত প্রমাণ অসার ছিল।

“মিস গেরা বলেন. -“হিদমের নামে প্রথমে এফ আই আর করা হয়নি। ঘটনার ৫ মাস পর কিছু পুলিশ হঠাৎ অভিযোগ করে যে,  মাওবাদীরা উক্ত ঘটনাস্থলে তার নাম ধরে ডেকেছিল। অথচ কোন সাক্ষী  তাকে চিহ্নিত করেনি।

হিদমে বলেন-  “আমি ২০০৮ এর জানুয়ারিতে গ্রেফতার হই, এরপর প্রথম তিন মাস আমাকে বিভিন্ন থানায় রেখে অকথ্য সব নির্যাতন করেছে। নির্যাতনের ফলে এখন আমার স্বাস্থ্য এতই খারাপ যে, আমি আর বিয়ের কথা ভাবতে পারি না।

সুত্র

https://in.newshub.org/acquitted-after-7-years-tribal-woman-says-she-tortured-14521145.html


ভারতের গণযুদ্ধে শহীদ নারী (৫), কমরেড কুরসাম চিন্নাক্কা

Untitled

কমরেড কুরসাম চিন্নাক্কা

কমরেড কুরসাম চিন্নাক্কা খাম্মাম জেলার কোঙ্গালা গ্রামের ডোরলা জাতির মেয়ে। তিনি ছিলেন দু’সন্তানের মা। তার স্বামী ১৯৮৩ সালে বিপ্লবী বাহিনীতে যোগ দেন। সন্তানদের হোস্টেলে ভর্তি করিয়ে ১৯৮৫ সালে তিনিও সশস্ত্র স্কোয়াডে যোগ দেন। বর্বর নিপীড়নের মধ্যে থেকেও তিনি দৃঢ়তার সাথে এগিয়ে যান। ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় কাজ করার জন্য তিনি স্বামীর সাথে বস্তার গমন করেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাষার দেয়াল অতিক্রম করে তিনি মাদ্যা আদিবাসীদের সাথে মিশে যান, তাদের বিশ্বাস ও ভালবাসা অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালের ৪ঠা মার্চ  তিনি পুলিশের এক নিষ্ঠুর ঘেরাও আক্রমণে নিহত হন।

    অনগ্রসর জাতিতে জন্মেও কমরেড চিন্নাক্কা সচেতন মনে সন্তান বিচ্ছেদ সহ্য করে মুক্তি সংগ্রামে আত্মবলিদান করেন। যে কোন বাধা অতিক্রম করে মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিতে তার দৃষ্টান্ত অতি অবশ্যই নারী কমরেডদের অনুপ্রাণিত করবে।

সুত্র – 

http://bannedthought.net/India/CPI-Maoist- Docs/Women/WomenMartyrsNaxalbariTo2010-Vol-1.pmd.pdf


USA- মুমিয়া আবু জামাল হাসপাতালে; পরিবার তার সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না –

free-mumia

বিখ্যাত আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ লেখক, বিপ্লবী মুমিয়া আবু জামালকে গতকাল ৩০ শে মার্চ দুপুর ১ টায় Schuykill মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, Pottsville, এ ইনটেনসিভ কেয়ার ভর্তি করা হয়েছে । সংবাদের উৎস –  International Concerned Family and Friends of Mumia Abu-Jamal (ICFFMAJ) । উৎস থেকে আরও জানা যায়, প্রশাসনের নির্দেশে তার স্ত্রীকে দেখা করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক অ্যাকশন সেন্টার জানায়, মুমিয়া আবু জামাল  নিয়মিত ইনসুলিন গ্রহণ করেন। হাসপাতালের বাইরে মুমিয়ার ১৫ জন সমর্থকের সাথে পুলিশী অবরোধ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে ।

উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক মুমিয়া আবু জামালকে ৩২ বছর ধরে কারাগারে থাকতে হয়েছে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার মিথ্যা অভিযোগে। কিন্তু এই সাংবাদিক যুক্তরাষ্ট্রের অসংগঠিক শ্রমিক ও গরীব জনগণের দুঃখ-দূর্দশার কথা দৃঢ়তার সাথে তুলে ধরেছেন তার লেখনীর মাধ্যমে। পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে অনেক রাজবন্দী এভাবে কারাদন্ড ভোগ করছেন। মারুন শুটাজ সেখানে কারাবন্দী হয়ে আছেন ১৯৯১ সাল থেকে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে এমন একটি দেশ যে দেশে রয়েছে বিশ্বের মোট কারাবন্দীর ২৫ শতাংশ, যদিও এইদেশটির জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪ %। মার্কিন কারাবন্দীদের তিন ভাগের দুই ভাগই হচ্ছে উপনিবেশ-কবলিত দেশগুলো থেকে আসা শ্রমিক, ল্যাটিন আমেরিকান ও আফ্রিকান বংশদ্ভুত। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফ বি আই’র হিসেব অনুযায়ী শ্বেতাঙরা অপরাধে জড়িত হবার ক্ষেত্রে কারো চেয়ে পিছিয়ে না থাকলেও প্রতি আটজন কৃষ্ণাঙ্গ বন্দী বা ল্যাটিন আমেরিকান বংশদ্ভুত বন্দীর মোকাবেলায় মাত্র একজন শ্বেতাঙ্গ কারাবাস করছেন। এভাবে দেখা যায় মার্কিন আইন প্রয়োগ ও কারাগার ব্যবস্থা উপনিবেশবাদ ও বর্ণবাদ-ভিত্তিক।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারী কমিশন এক্ট-২০০৬ অনুযায়ী দেশটির প্রেসিডেন্ট যে কোনো মার্কিন নাগরিককে অবৈধ শত্রুসেনা হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে বিনা অভিযোগে ও বিনা বিচারে বন্দী রাখতে পারবেন।

images (2)

journalist

মুমিয়ার বন্ধু, পরিবার এবং সমর্থকরা সকলকে আহবান জানিয়েছেন, নিম্নলিখিত নম্বরে কল দিয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুমতি প্রদানের জন্য (যাতে করে মুমিয়ার সাথে তার স্ত্রী দেখা করতে পারেন)।

Call these numbers now to demand hospital visitation rights for Mumia’s family:

Richard Ellers

Director, PA Department of Corrections Health Care Services
rellers@pa.gov
(717) 728-5311(717) 728-5311

John Wetzel
Secretary, PA Department of Corrections
(717) 728-4109(717) 728-4109

Schuylkill Medical Center
420 S Jackson St, Pottsville, PA
(570) 621-5000(570) 621-5000

SCI Mahanoy
Superindendent John Kerestes
(570) 773-2158(570) 773-2158

সুত্র- https://servethepeoplephilly.wordpress.com/2015/03/30/breaking-mumia-abu-jamal-hospitalised-family-cannot-contact-him/

 


কমরেড শেখ আলী হায়দারের অকাল মৃত্যুতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি –

11066563_553772411431342_3127881530553548103_n

তারিখ – ৩০/০৩/১৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আজ ৩০ মার্চ’১৫ সোমবার দুপুর ২টা ঢাকা ইব্রাহিম মেমোরিয়াল কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এর অন্যতম নেতা শেখ আলী হায়দার। তাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডাঃ এম.এ করিম ও সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেঃ জেনাঃ (অব) এম. জাহাঙ্গীর হোসাইন, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি খলিলুর রহমান খান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুল আলম চৌধুরী, জাতীয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুল হক লিকু ও যুগ্ম-আহ্বায়ক তৌফিক হাসান পাপ্পু, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহম্মেদ, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আক্তারুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির আহ্বায়ক রাজিয়া সুলতানা ও যুগ্ম-আহ্বায়ক জিন্নাত আরা প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ প্রয়াতের শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতিও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বার্তা প্রেরক
প্রকাশ দত্ত
সহ-সাধারণ সম্পাদক
মোবাঃ ০১৯-২৪০৪-৮১৩৯।


ভারতের গণযুদ্ধে শহীদ নারী (৪), কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা

   

কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা

নালগোন্ডা জেলার দুপ্পালী গ্রামের হরিজন পরিবারের একমাত্র কন্যা কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীতে ছাত্রীবস্থায় বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেন। হায়দ্রাবাদে পলিটেকনিকের ছাত্রী থাকাকালে তিনি নগরীর র‍্যাডিকেল ছাত্র ইউনিয়ন(RSU)এ সক্রিয় ও অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। হায়দ্রাবাদের মহিলা সামাজিক কল্যাণ হোস্টেলে তিনি দৈনন্দিন দাবীদাওয়ার ইস্যুতে সংগ্রামে ছাত্রীদের উদ্বুদ্ধ করেন। জমজ নগরীর বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন(RSU), বিপ্লবী যুবলীগ(RYL) ও বিপ্লবী লেখক সংঘ(RWA) আয়োজিত প্রতিটি সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি নিয়মিত যোগ দিতেন। ১৯৮৪ সালে পুলিশ কর্তৃক অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তারকৃত একজন মেডিকেল ছাত্রীর সাথে কেবলমাত্র তিনিই দেখা করতে যাওয়ার সাহসিকতা প্রদর্শন করেন। এজন্য পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করে, আর পার্টির গোপনীয়তা বের করার জন্য তাকে লাঞ্ছিত করে। তিনি সাহসিকতার সাথে সকল নির্যাতন সহ্য করেন, একটি শব্দও তার কাছ থেকে বের করতে পারেনি। সি আই ডি’র লোকেরা পার্টি-সদস্যদের ধরার জন্য তার পিছু পিছু নগরীতে ঘুরতো। কিন্তু তিনি সব সময় তাদের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়াতেন। ১৯৮৫ সালের গ্রীষ্মের “গ্রামে চলো অভিযান”-এ তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

   পরবর্তীতে তিনি সার্বক্ষণিক পেশাদার বিপ্লবী হন এবং ছাত্র আন্দোলনে কাজ করেন। সর্বভারতীয় বিপ্লবী ছাত্র ফেডারেশন (AIRSF)-এর সম্মেলন উপলক্ষে ছাত্রদের মিছিলে সরকার অনুমতি না দিলে কমরেড স্বর্ণলতা ৩০০ জন নারী প্রতিনিধির নেতৃত্ব দেন ও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্না দেন। এখানে পুলিশের লাঠিচার্জে তিনি আহত হন এবং মিছিল থেকে গ্রেফতার হন।

  কঠোর পুলিশী দমন-পীড়ন ও তার ওপর বিশেষ নজরদারী সত্ত্বেও কমরেড স্বর্ণলতা কিছুদিনের জন্য নগরীর শ্রমিক এলাকায় কাজ করেন। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্টির পরামর্শে তিনি পূর্ব গোদাবরী-বিশাখাপত্তনম পাহাড়ী এলাকায় যান ও সশস্ত্র গেরিলা হিসেবে তান্দাভা ও কোরাকোন্দা দলমে’ কাজ করেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি আদিবাসী কৃষক জনগণের সাথে একাত্ম হয়ে যান। শীঘ্রই তাদের ভাষা সংস্কৃতি আত্মস্থ করেন এবং আদিবাসী কৃষকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন লাভ করেন।

  ১৯৮৭ সালের ২৬ শে এপ্রিল তান্দাভা দলমের ওপর পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায়। কমরেড স্বর্ণলতা অসীম সাহসিকতায় শত্রুদের প্রতিরোধ করলেন, এমনকি দলমের কমান্ডার গুলির আঘাতে পড়ে যাওয়ার পরেও। পরে স্বর্ণলতা আহত হলেন ও পুলিশের হাতে ধরা পরেন। এই অসহায় পরিস্থিতিতেও তিনি সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সাথে সকল অত্যাচার সহ্য করেন, পার্টি-বাহিনীর গোপনীয়তা রক্ষা করেন। পুলিশ তাকে হত্যা করে ও মরদেহ গুম করে।

  জনগণকে সংগঠিতকরণে ও বিপ্লবী রাজনীতি প্রচারে কমরেড স্বর্ণলতার অক্লান্ত, অদম্য, দুর্বার যোদ্ধা মনোভাব সকল নারী কমরেডদের  জন্য এক মহান আদর্শ।

(দলম হচ্ছে নিয়মিত গেরিলা স্কোয়াড, যার সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১১ পর্যন্ত)

 সুত্র – 

http://bannedthought.net/India/CPI-Maoist- Docs/Women/WomenMartyrsNaxalbariTo2010-Vol-1.pmd.pdf


ইতালি – “ব্যাপক শ্রমিকদের পূঁজি অধ্যয়ন” শীর্ষক অনলাইন পাঠচক্রের আয়োজন করেছে- পিসিএম ইতালি

italy

 

 

 

 

Source – http://maoistroad.blogspot.com/


ভারতের পিএলজিএ এক দশকের মার্চ-PLGA(পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি) সুভেন্যুর ২০১০

18115_439634829528478_8426270355738193206_n
pw

11071406_1048375898511964_4677466451506955262_o 11071803_1048375895178631_5524538254743645233_o 11076184_1048375891845298_6971382491073281262_o 11088491_1048375888511965_4408939752502024366_o

 

11062747_1048375721845315_8518743416040067552_o

 

 

সূত্র – https://www.facebook.com/lalsalampage/posts/1048375995178621