২০ মার্চ দিনব্যাপী গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটির প্রতিবাদী পদযাত্রা

10994972_1554809764770008_7903103235070871398_n

আওয়ামী জোটের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও আন্দোলনের নামে বিএনপি জোটের হামলা-সন্ত্রাস রুখে দাঁড়ান।
বিদেশী হস্তক্ষেপ না! মিলিটারী না! সংস্কারপন্থী না!

জনগণের জোট গড়
জোট-মহাজোট উখাত কর!

সংগ্রামী জনতা,
বিএনপি জোটের হরতাল-অবরোধে আগুনে পুড়ছে শত শত মানুষ। আওয়ামী জোট সরকারের পুলিশি নির্যাতন, গণগ্রেফতার, ক্রসফায়ার,
গুমসহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস অতীতের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষমতায় গিয়ে জাতি ও জনগণকে লুটে-পুটে খাওয়ার জন্যই শাসক শ্রেণীর দুই জোট আজ জনগণকে বলির পাঠায় পরিণত করেছে। এ সংঘাতে রাশিয়া, চীন এবং ভারত আওমী সরকারকে এবং আমেরিকার নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদ বিএনপি জোটকে মদদ দিয়ে চলছে। ‘গণতন্ত্রের’ নামে এ সংঘাত-হানাহানিতে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের বিন্দুমাত্র স্বার্থ নাই। জনগণ আজ বাঁচতে চায়; এ দস্যুদের হাত থেকে মুক্তি চায়। হয় আজ জনগণের প্রতিরোধ এ হানাহানি রুখে দেবে নয়ত জনগণ তাদের সংঘাতের বলি হবে। সুতরাং একমাত্র জনগণের প্রতিরোধই গণদুশমনদের পিছু হটতে বাধ্য করবে। ঘটাবে গণশক্তির নতুন উত্থান। আসুন শ্রমিক-কৃষক-জনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্টার লক্ষ্যে এ দুই জোটের গণবিরোধী সংঘাত জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে জনগণের জোট বাঁধি, দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

আমাদের দাবীঃ
১. গণবিরোধী সংঘাত-হানাহানি আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া চলবে না
২. পুলিশি নির্যাতন, ক্রসফায়ার, গ্রেফতার বাণিজ্য, দলীয় সন্ত্রাস ও জনগণের উপর পেট্রোলবোমা হামলা বন্ধ কর।
৩. শ্রমিক-কৃষক-জনতার সভা-সমাবেশ এবং মত প্রকাশের অধিকার চাই
৪. রাজনীতিতে ভারত, আমেরিকাসহ বিদেশীদের হস্তক্ষেপ ও বিদেশীদের পা চাটা বন্ধ কর।
৫. জীবনের নিরাপত্তাসহ সকল কর্মক্ষম নাগরিকের জন্য কাজ, শ্রমিক-কর্মচারীদের মানুষের মত বাঁচার মত মজুরী ও কৃষকের ফসলের ন্যায্য মুল্য দিতে হবে।

কর্মসুচীঃ
২০ মার্চ দিনব্যাপী প্রতিবাদী পদযাত্রাঃ
সভাস্থান ও যাত্রাপথঃ শাহবাগ(প্রারম্ভিক সমাবেশ সকাল ১০টা)-কাটাবন –হাতিরপুল বাজার(পথসভা)-বাটার সিফনাল-গাউছিয়া-নীলক্ষেত(পথসভা)-আজিমপুর-বকশিবাজার(পথসভা)-চানখারপুল-(দুপুরের খাবার)-বঙ্গবাজার-বিআরটিসি বাস টার্মিনাল(পথসভা)-প্রেসক্লাব(সমাপণী সমাবেশঃ বিকালঃ ৪:০০টা)

আহ্বানঃ গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটির উপরিউক্ত বক্তব্য ও দাবীর প্রতি সহমত পোষণকারী সকল সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারাও এ কর্মসূচি আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করুন। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি মাত্র, এর সফলতা নির্ভর করে আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতার ওপর। তাই কর্মসূচী সফল করতে সামর্থ্য অনুযায়ী আপনাদের সহযোগিতার হাত বাড়ান। যোগাযোগঃ ০১৭১৭৮৫২৪৫৯, ০১৭৯০১০৮৪২৬, ০০১৯৫২০০২১০ ।

গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটি ভূক্ত সংগঠন সমুহঃ
১.শ্রমজীবী সংঘ, ২.নির্বাণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ৩.মৌলিক বাংলা, ৪.সংস্কৃতির নয়া সেতু, ৫.জাগরণের পাঠশালা, ৬.দাবানল, ৭.গণ-সংস্কৃতি পরিষদ, ৮.মঙ্গলধ্বনি, ৯.কমিউনিস্ট ইউনিয়ন, ১০.যুবপরিষদ, ১১.স্বাধীন বাংলা চলচ্চিত্র আন্দোলন, ১২. প্রগতির পরিব্রাজক দল(প্রপদ), ১৩. জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ এবং প্রগতিশীল ব্যক্তিবর্গ।

সূত্র – https://www.facebook.com/events/768461966595263/


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ –

4 4-1

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ– ০৪/০৩/২০১৫

-নরেন্দ্র ওরাং, অর্জুন ওরাং ও বরসিং তেরানকে গ্রেফতারের একদিন পর পুলিশ জানিয়েছে বরাক উপত্যকায় মাওবাদীদের উপস্থিতিকে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। সোমবার কাচারের এসপি জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত মাওবাদীদের কাছে মাওবাদী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাগজপত্র পাওয়া গেছে।

-সম্প্রতি, মাওবাদী অধ্যুষিত দশটি রাজ্যে মাওবাদী নিধন অভিযানে পুলিশকে সহায়তা দিতে সিআরপিএফ এর ৫৯৩টি কোম্পানীকে মোতায়েন করা হয়েছে।

-মঙ্গলবার ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াদা জেলা থেকে তিনজন মাওবাদী নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের প্রত্যেককে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ।

-মঙ্গলবার সিআরপিএফ এর ইন্সপেক্টরের জেনারেল জানিয়েছে তামিলনাড়ু ও কেরালার পুলিশ তাদের কাছে আবেদন জানালে মাওবাদী নিধন অপারেশনে তারা রাজ্য পুলিশকে সহায়তা প্রদান করবে।

-মঙ্গলবার ব্লগার জেসন সি কুপার ও এডভোকেট থুশার নির্মল সারথির জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে কেরালা হাই কোর্টের দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি বেঞ্চ। তাদের বিরুদ্ধে মাওবাদী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে আদালত।

-ঝাড়খন্ডের মাওবাদী সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো তদন্ত করতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের নিযুক্ত করছে সরকার।

সূত্রঃ

assamtribune.com/business-standard.com/satp.org/thehindu.com/timesofindia.indiatimes.com/ptinews.com

5 5-1

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ– ০৫/০৩/২০১৫

-বুধবার সারন্দাকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে ধরে মাওবাদীদের দশটি ঘাঁটি এলাকায় এর প্রতিফলন এই উন্নয়ন প্রকল্পে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার । 

-আত্মসমর্পণ করা মাওবাদীদেরকে ত্রাণ সহায়তার পরিমাণ ৫০০০ রুপি থেকে ১০০০০ রুপিতে উত্তীর্ণ করেছে অন্ধ্র প্রদেশ সরকার।

-মাওবাদীদের কাছে মোবাইলের সিম বিক্রি করায় আরওয়াল জেলায় তিনজন গ্রেফতার

-করিমনগর জেলা কারাগারে মাওবাদীদের জন্য কোন বিশেষ সেল না থাকায় সন্দেহভাজন মাওবাদী নেতা যসপাল সিং ও অখিলেশ যাদভকে বৃহস্পতিবার করিমনগরের জেলা কারাগার থেকে হায়দ্রাবাদের চারলাপল্লীর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০০৯ সালে অন্ধ্র প্রদেশের প্রাক্তন এসেম্বলি স্পীকার দুদ্দিল্লা শ্রীপদ রাওকে খতমের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে যসপাল সিং ও অখিলেশ যাদভের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য যে, এই খতমের ঘটনায় শীর্ষ মাওবাদী নেতা মুপ্পালা লাখমানা রাও (গণপতি)কেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

-AFSPA (Armed Forces Special Powers Act) প্রত্যাহারের বিপক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউনিয়ন মিনিস্ট্রি থেকে নেয়া অবস্থানের বিরুদ্ধে বুধবার মনিপুরের ইম্ফলে  মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কর্মীরা মনিপুর প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে। এতে আইনটিকে ‘নির্যাতনের চিহ্ন’ আখ্যা দিয়ে এটি বাতিলের আবেদন জানানো হয়।

সূত্রঃ telegraphindia.com/thehansindia.com/timesofindia.indiatimes.com/e-pao.net

6

ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ– ০৬/০৩/২০১৫

-সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টায় রয়েছে মাওবাদীরা-IB এর আশংকা প্রকাশ

মাওবাদীদের আন্দোলন ঠেকাতে সরকারের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনাকে নস্যাত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাওবাদীরা, জানিয়েছে আইবি (Intelligence Bureau)। সরকারের কল্যাণমূলক কার্যক্রমের প্রভাব কতটুকু, তা মার্কসবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে দেখার পরিকল্পনা করেছে মাওবাদীরা। এই বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য হল এমএনআরিজিএ (MNREGA) এর মত প্রোগ্রাম ,  ভূমি সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নারী, শিশু, ভূমিহীন মজুর ও উৎখাত হওয়া কৃষকদের অবস্থার  উন্নয়ন ঘটিয়ে তাদের জন্য কোন আয়ের ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা। আইবি আরো জানিয়েছে, মাওবাদীদের গ্রামীণ ক্যাডার ও তাদের সমর্থিত গ্রামের ঘাঁটি এলাকাগুলোতে এসকল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব খতিয়ে দেখাই মাওবাদীদের এ জরিপ কার্যক্রমের লক্ষ্য।

সূত্রঃ dailymail.co.uk


এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-ভারত . গত ৩০ শে জানুয়ারি বাড়ীতে প্রাপ্ত মাওবাদী পন্থী উপকরণের বেআইনী কর্মকান্ড সন্দেহে কেরালা থেকে গ্রেফতারকৃত দুই মানবাধিকার কর্মী জেসন সি কুপার ও নির্মল সারথির অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছে …

release1

Two human rights activists arrested in Kerala on suspicion of being involved in unlawful activities because they had ‘pro-Maoist’ materials in their homes must be immediately and unconditionally released, Amnesty International India said today.
On 30 January, the Kerala police arrested Jaison C Cooper and Thushar Nirmal Sarathy in Kochi and Kozhikode respectively. They were denied bail on 3 March, and continue to be held in judicial custody.“Indian courts have stated on multiple occasions that mere possession of certain literature cannot be considered a crime. The National Human Rights Commission has asked for a report from the Kerala police on the arrests. Authorities must ensure that the two men are protected from torture and other ill-treatment,” said Shemeer Babu, Programmes Director, Amnesty International India.The investigating officer in the case told Amnesty International India that the men had supported banned armed Maoist groups and also supported an attack on the National Highway Authority of India’s project office in Kochi on 29 January. The men were arrested under India’s principal anti-terror legislation, the Unlawful Activities (Prevention) Act (UAPA).

However, the investigating officer admitted that the only existing evidence against the men was that the police had found pamphlets and materials ‘supporting Maoist groups’ in their homes, including a book titled ‘Why Maoism?’ in Jaison Cooper’s home. The police also said that they had found in Thushar Sarathy’s house a document signed by a leader of the banned Communist Party of India (Maoist) armed group giving him power of attorney.

Thushar Nirmal Sarathy’s wife believes that her husband was arrested because he is an active member of several groups protesting against land acquisition by the state government. Jaison C Cooper has also been actively engaged in protests against land acquisitions and forced evictions.

In recent weeks, the Kerala police have detained several people across the state on suspicion of being supporters of banned Maoist armed groups. Some have been subsequently released.

“Human rights activists in Kerala must be able carry out their work without intimidation or harassment and authorities must take prompt action against those who violate their rights,” said Shemeer Babu.

In April 2011, the Supreme Court observed while granting bail to Binayak Sen – an Amnesty International Prisoner of Conscience – that “the mere possession of Naxalite literature does not make a person a Naxalite”.

In November 2010, the Gujarat High Court ruled in the Vishvanath case that “possession of material without there being any overt act or actual execution of such ideas by itself would not form or constitute any offence.” In October 2012, the Bombay High Court stated in the Jyoti Babasaheb Chorge case: “That the possession of certain literature having a particular social or political philosophy would amount to an offence, though such literature is not expressly or specifically banned under any provision of law, is a shocking proposition in a democratic country like ours.”

Background Information

The UN Human Rights Committee, which monitors the implementation of the International Covenant on Civil and Political Rights – to which India is a state party – has stated: “No person may be subject to the impairment of any rights under the Covenant on the basis of his or her actual, perceived or supposed opinions… The right to freedom of expression [includes] the right to seek, receive and impart information and ideas of all kinds regardless of frontiers.”

Parts of the UAPA do not meet international human rights standards and are likely to lead to human rights violations. Amendments to the Act in 2008 extended the minimum period of detention of suspects from 15 to 30 days and the maximum period of such detention from 90 to 180 days. These amendments also avoided adequate pre-trial safeguards against torture and other cruel, inhuman or degrading treatment or punishment of detainees, reversed certain evidential burdens of grave crimes and required, in certain circumstances, accused persons to prove their innocence.

Source – http://democracyandclasstruggle.blogspot.com/

মাওবাদীদের ঘাঁটি বরাক উপত্যকায় –

imageশিলচরে গ্রেফতারকৃত ৩ মাওবাদী

ভারত-

মাওবাদীদের ঘাঁটি বরাক উপত্যকায়, আশঙ্কায় পুলিশ

মাওবাদীরা ঘাঁটি গড়েছে বরাক উপত্যকায় এমনই আশঙ্কা করছে পুলিশ, প্রশাসন।

পুলিশকর্তাদের একাংশের বক্তব্য, আগে বরাককে করিডর হিসেবেই ব্যবহার করত মাওবাদী জঙ্গিরা। এখান দিয়ে সহজেই বাংলাদেশে যাতায়াত করত তারা। আলফা সন্ত্রাস চলাকালীন কাছাড়-করিমগঞ্জ-হাইলাকান্দিকে নিরাপদ আশ্রয় করে মাওবাদীরা।

গত কাল শিলচর থেকে তিন মাওবাদী জঙ্গিকে গ্রেফতার করার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। তদন্তকারীরা জানান, কয়েক বছর ধরে বরাকে ঘাঁটি রয়েছে মাও-জঙ্গিদের। বিভিন্ন সংগঠনও তাদের মদত দিয়েছে। যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় করেছে মাওবাদীরা। চা বাগান শ্রমিক বসতিগুলিতে জঙ্গি মতাদর্শ প্রচার করেছে। দেওয়া হয়েছে অস্ত্র প্রশিক্ষণও। এর আগে, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে শিলচরে ধরা পড়েছিলেন সিপিআই (মাওবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অনুকূলচন্দ্র নস্কর ওরফে পরেশদা। পুলিশ অতিথিশালার সামনে এক চায়ের দোকান থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরেশদাকে জেরা করলেও, মাও সংগঠনের অন্য কারও নাম মেলেনি।

কাছাড়ের এসপি দিগন্ত বরা জানান, মাওবাদীরা যে এখানে বসে কাজকর্ম চালাচ্ছে, বিভিন্ন সূত্রে সেই খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গত রাতে রূপাছড়া এলাকা থেকে নরেন ওরাং, অর্জুন ওরাং ও বরসিং টেরন নামে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। আজ আদালত ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়। পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, টেরন অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষিত। আগেও বরাকে কয়েক বার সে ঘুরে গিয়েছে। গত তিন মাস ধরে এখানেই থাকত। পাশাপাশি, মাওবাদী সংগঠনের বিভিন্ন মাপের নেতাও থেকে গিয়েছেন রূপাছড়ার নরেনের বাড়িতে। গোয়েন্দাদের অনুমান, বরাকের কোথাও ওই জঙ্গি সংগঠনের আঞ্চলিক দফতরও রয়েছে। এখন সেটির খোঁজ চলছে।

রাজ্য পুলিশের আইজি এস এন সিংহ বলেন, “চা বাগানই শুধু নয়, অন্য এলাকাতেও জাল ছড়াতে চেয়েছে জঙ্গিরা। দরিদ্র, পিছনের সারিতে থাকা মানুষ তাদের টার্গেট। বরাকের লাগোয়া আন্তর্জাতিক সীমান্তের জন্য মাও-জঙ্গিরা বাড়তি সুবিধাও পাচ্ছে।” পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত নরেন ও অর্জুনের ঘর থেকে প্রচুর মাওবাদী নথি, বইপত্র মিলেছে। এসপি জানান, কৃষক শ্রমিক মহাসমিতির সঙ্গে মাওবাদীদের যোগসূত্র খুঁজে দেখা হচ্ছে।

এদিকে মাওবাদী সন্দেহে সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতারের বিরুদ্ধে শিলচরে বিক্ষোভ দেখাল ভারতীয় কৃষক-শ্রমিক মহাসমিতির শতাধিক সমর্থক। হাজির ছিলেন সংগঠনটির নেতা শ্রীপদ ধর। তাঁরা ধৃতদের মুক্তি দাবি জানান।

সুত্রhttp://www.anandabazar.com/