ভারত- জেসন সি কুপার ও নির্মল সারথি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন –

jc

jc1

 

ভগত সিং এর যোগ্য উত্তরসূরি, ভারতের প্রকৃত দুই সাহসী সন্তান- কমরেড জেসন সি কুপার থুশাল নির্মল সারথীকে –

লাল সংবাদ/Red News এর পক্ষ থেকে লাল সালাম ।  

Advertisements

ভগত সিং এর ফাঁসি চেয়েছিলেন গান্ধী –

 images (2)ভগত সিং

11062979_893353947394165_918846902_n

ইংরেজদের সাথে আলোচনারত গান্ধী

মহাত্মা গান্ধী বুঝেছিলেন তিনি ভগত সিং এর মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে লঘুদণ্ডের দাবী করলে সেটি দেশের বৃহত্তর স্বার্থের পরিপন্থী হবে। করাচিতে কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পূর্বেই যত দ্রুত সম্ভব ভগত সিং এর ফাঁসি কার্যকর করার বিষয়ে গান্ধী তার নিজের লেখায় উল্লেখ করেছেন। গান্ধীর লেখা থেকে নীচে অংশবিশেষ তুলে ধরা হলঃ

এ প্রসঙ্গে গান্ধী নিজে “তরুণ ভারতে” লিখেছেন, “আমি হয়তো বিষয়টি নিষ্পত্তি করার একটি প্রক্রিয়া হিসেবে দণ্ড লঘু করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারতাম। কিন্তু এটি করা সম্ভব হত না। এ ব্যাপারে কার্যসভা আমার সাথে একমত পোষণ করেছে যে সাময়িক শান্তিচুক্তির নজির হিসেবে দণ্ড লঘু করার প্রস্তাব পেশ করা সঠিক হবে না। তাই আমি বিষয়টি কেবল উল্লেখই করতে পারতাম।”

সুতরাং, এতে দেখা যায় যে, মহাত্মা গান্ধী যদি চাইতেন তাহলে দণ্ড লঘু করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উত্থাপন করতে পারতেন। ভাইসরয় এর কাছে গান্ধী প্রার্থনা জানিয়ে বলেছিলেন, “ছেলেগুলোকে যদি ফাঁসি দিতেই হয়, তবে তা করাচির কংগ্রেস অধিবেশনের পরে না দিয়ে পূর্বেই যেন দেওয়া হয়”- সুতরাং তার পক্ষ থেকে ভগত সিং ও তার কমরেডদের মৃত্যুদণ্ড লাঘবের চেষ্টা করার বিষয়টি প্রত্যাশা করা যায় না। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় যে, লাহোরের সর্ব ভারতীয় ভগত সিং, রাজগুরু ও সুখদেব স্মৃতিরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে গান্ধীর কাছে এই তিন জাতীয় বীরের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের বিষয়ে গান্ধীর সহযোগিতা কামনা করলে তিনি কমিটির সাধারণ সম্পাদককে এ বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানান।

সূত্রঃ “History of the National Congress”

bhagat-singh2

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ১৯৩১ সালের ২৩শে মার্চ লাহোরে রাজগুরু ও সুখদেব সহ ভগত সিং এর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত সমর্থকরা তাঁকে ‘শহীদ’ উপাধিতে ভূষিত করে। ভগত সিংকে সুতলেজ নদী তীরে হুসেইনিওয়ালায় সমাধিস্থ করা হয়। বর্তমানে ভগত সিং এর স্মৃতিসৌধটি ভারতের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি নিবেদিত।

সূত্রঃ  dailysikhupdates.com


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ- ১৬/০৩/২০১৫, “মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কৌশলে সিআরপিএফ এর SWOT ম্যাট্রিক্স”

 kerala-300x166

-মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কৌশলে সিআরপিএফ এর SWOT ম্যাট্রিক্স

ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী বিরোধী অপারেশনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মাওবাদীদের শক্তি ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো খুঁজে বের করে তা নির্মূল করার উদ্দেশ্যে সিআরপিএফ SWOT (strength, weakness, opportunities and threats/শক্তি, দুর্বলতা, সম্ভাবনা ও হুমকি)  বিশ্লেষণ করার উ্দ্যোগ নিয়েছে। সোমবার রাঁচিতে সিআরপিএফ দপ্তরে এই বিশ্লেষণমূলক সভায় ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার থেকে সিআরপিএফ এর কোবরা ব্যাটেলিয়ন এর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করবে। এই যুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তি, দুর্বলতা, স্মভাবনা ও হুমকির জায়গাগুলো খূঁজে বের করাই এ বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য। রাজ্য সিআরপিএফ এর প্রধান রাকেশ কুমার বলেন । একটি যুদ্ধে শত্রুর শক্তিমত্তা ও দুর্বলতাগুলো জানা জরুরী। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ একটি কৌশলগত যুদ্ধ। তাদেরকে আরো ভালোভাবে বুঝতে এই বিশ্লেষণটি আমাদের সাহায্য করবে। আমরা বিচার বিশ্লেষণ করে তাদের দুর্বলতা ও শক্তির জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে পারব।

 crpf_759

-মাওবাদীদের বিরুদ্ধে মনস্তাত্বিক যুদ্ধের পরিকল্পনা রাজ্যের

ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী দমনে রঘুবীর দাস সরকারের কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে মনস্তাত্বিক যুদ্ধ চালনার জন্য পুলিশের একটি দল গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা। এছাড়া রাজ্য ও জেলা পর্যায়ে মাওবাদীদের দমনে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হবে বলে এক নির্দেশে জানিয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি (DG) ডি কে পান্ডে।

-কর্ণাটক বাজেটঃ আধুনিকায়নকে পাশ কাটিয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার গুরুত্ব প্রদান

কর্ণাটক রাজ্যটি মাওবাদী অধ্যুষিত না হওয়া সত্ত্বেও মাওবাদী নিধনে আরো তিনটি ইউনিট তৈরীর অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অথচ বাস্তবে, রাজ্য পুলিশের জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সরঞ্জামাদির উন্নয়নের পেছনে অর্থ ব্যয় করা অধিকতর জরুরী।

-পালামৌতে প্রাক্তন মাওবাদী নিহত

শনিবার পালামৌ এর চৈনপুরে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীদের হাতে গীরিওয়ার চৌধুরী (৩৪) নামে সিপিআই (মাওবাদী) এর এক প্রাক্তন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে রবিবার জানিয়েছে পুলিশ। আততায়ীদের কোন হদিশ বের করতে পারেনি পুলিশ। নিহতের মৃতদেহের পাশে কোন পুস্তিকাও পাওয়া যায়নি। গীরিওয়ার চৌধুরী সিপিআই (মাওবাদী) এর সদস্য ছিলেন তবে পরবর্তীতে সিপিআই (মাওবাদী) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গঠিত তৃতীয় প্রস্তুতি কমিটি ও ঝাড়খণ্ড প্রস্তুতি কমিটিতে যোগদান করেছিলেন। তার মাথায় বুলেটের ক্ষত দেখে তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

18naxal

-গাদচিরোলিতে মাওবাদী গ্রেফতার

গত সপ্তাহে মহারাষ্ট্রের গাদচিরোলি জেলায় পুলিশ ও সিআরপিএফ এক যৌথ অভিযানে রমেশ ধনরাম নেতাম (৪৩) নামে মাওবাদীদের ‘এলাকা নিরাপত্তা কমিটির’ এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে পুলিশ। তাকে ধরিয়ে দিতে ২ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। তাকে তিন দিন পুলিশী হেফাজতে রাখার পর ২৬শে মার্চ পর্যন্ত রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তিনি ‘টিপ্পাগড় দলম’ এর একজন সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

_51549559_jex_977978_de32-1

-ঝাড়খণ্ডে তিনজন মাওবাদী গ্রেফতার

সোমবার খুন্তি জেলার আরকি থানাধীন সাওমারাংবেদা গ্রাম থেকে তিনজন মাওবাদীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনকে ধরিয়ে দিতে ২ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ।

– PLFI ক্যাডার গ্রেফতার

শনিবার সিমদেগা জেলায় ইমানুয়েল হেমব্রম নামে সিপিআই (মাওবাদী) থেকে বিভক্ত হয়ে গঠিত পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PLFI) এর এক ক্যাডারকে একটি রাইফেল ও ছয়টি বুলেট সহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সূত্রঃ hindustantimes.com / timesofindia.indiatimes.com /business-standard.com


মাওবাদী শহীদ সমুদ্রুদু’র কবিতা –

এই কবিতাটি লিখেছেন সমুদ্রুদু, সমুদ্রুদুর মূল নাম ছিল কানাকারাজু, যিনি সিপিআই(এম এল)পিডব্লিউজি এর একজন কর্মী ছিলেন । তিনি ১৯৯১ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ভারত রাষ্ট্র কর্তৃক গ্রেফতার হন, তৎক্ষণাৎ তাকে অন্ধ্রপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় । এই কবিতাটি এন. ভেনুগোপাল  রাওয়ের “মাওবাদীদের বোঝার ক্ষেত্রে”  থেকে নেয়া।

10408501_1040624985953722_4737471825297503669_n


অনশনে অসুস্থ মাওবাদী বন্দি

jail1

 

পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন নিষ্ঠুর-অমানবিক-অবমাননাকর আচরণের শিকার হতে হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ৷ রাজ্য সরকার যে ভাবে সংশোধনাগার আইন বদলে রাজনৈতিক বন্দি স্বীকৃতির পথ রোধ করতে চেয়েছে, তাঁর প্রতিবাদ সেই চেষ্টার বিরুদ্ধেও৷ এই অভিযোগ-প্রতিবাদে টানা ১৮ দিনের অনশনে শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছে বিচারাধীন প্রবীণ মাওবাদী বন্দি অনুপ রায়ের ৷ ক’দিন আগেই তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সোমবার বিকেলে হাসপাতালে দেখতে আসা মানাবাধিকার কর্মীদের অনুরোধে অবশ্য ওআরএস গ্রহণ করেন অনুপবাবু ৷ মানাবাধিকার সংগঠন এপিডিআর-এর পক্ষ থেকে কারামন্ত্রী, আইজি (কারা) এবং জেল সুপারকে চিঠি দিয়ে আগাম জানিয়েই হাসপাতালে যাওয়া হয়েছিল বন্দির সঙ্গে দেখা করতে৷ পুলিশকর্মীরা নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন৷ শেষমেশ এপিডিআর-এর চার প্রতিনিধি এসএসকেএমের রিউমাটোলজি বিভাগে ভর্তি অনুপবাবুর সঙ্গে দেখা করেন ৷ ষাটোর্ধ্ব এই বন্দির গুরুতর শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানান চিকিত্সকেরা এপিডিআর কর্মীরা তাঁর অভিযোগ ও দাবিগুলি আদালত ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে জানানোর প্রতিশ্রুতি দেন অনুপবাবুকে ৷ তার পরেই তিনি ওআরএস গ্রহণে সম্মত হন বলে জানিয়েছেন এপিডিআর-এর সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ সেনগুপ্ত ৷ গত বছর ২৮ জানুয়ারি গ্রেপ্তারের পরে লালবাজারে নিষ্ঠুর-অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ সিপিআই (মাওবাদী)-র এই তাত্ত্বিক নেতার ৷ ইউএপিএ-তে বন্দি অনুপবাবুর আরও অভিযোগ, পুলিশ স্বীকারোক্তির নামে মিথ্যা তথ্য পেশ করেছে আদালতে ৷ গ্রেপ্তার-তল্লাশি বা সিজারের ক্ষেত্রেও নিয়মনীতি মানেনি ৷ ১৯৯২-র সংশোধনাগার আইন সংশোধন করে রাজনৈতিক বন্দি নির্ধারণের মাপকাঠিও বদলেছে সরকার ৷ গৌর চক্রবর্তী, তেলুগু দীপক বা ছত্রধর মাহাতোরা ‘৯২-র আইন অনুযায়ীই রাজনৈতিক বন্দির স্বীকৃতি পেয়েছেন ৷ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কনওয়ালজিত আলুওয়ালিয়া ২০১২-র ৮ অগস্ট এক রায়ে জানান, মাওবাদী বলে বা ইউএপিএ-তে বন্দি হলেই রাজনৈতিক বন্দির মর্যাদা অগ্রাহ্য করা যায় না ৷ এই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে ৷ আপিল মামলার শুনানি শেষ হয়নি ৷ সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিবেচনাধীন থাকাকালীনই নিয়মনীতি ভেঙে সরকার ‘৯২-এর আইন সংশোধন করে রাজনৈতিক বন্দির সংজ্ঞা বদলেছে৷ শীর্ষ আদালতে এ নিয়ে চলতি মাসেই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে ৷

সূত্র http://eisamay.indiatimes.com/city/kolkata/Maoist-leader-ill-at-jail-after-18-days-hunger-strike/articleshow/46588265.cms


গাদচিরোলি (মহারাষ্ট্র), মার্চ ২২-২৩, “জনগণের সংগ্রাম” শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের জন্য আমন্ত্রণ –

ভারত – 

গাদচিরোলি (মহারাষ্ট্র), মার্চ ২২-২৩,  “জনগণের সংগ্রাম” শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের জন্য আমন্ত্রণ

SH1

SH2

SH3

Invitation-page-001

Shedule-page-001

Shedule-page-002

সূত্র – http://sanhati.com/event/13058/


কলকাতা: যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে যৌথ সমাবেশ, মার্চ ১৯

কলকাতা: যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে যৌথ সমাবেশ, মার্চ ১৯ 

আয়োজনেযৌন নির্যাতন বিরোধী আমরা 

এই বছর আমরা আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সব ধরনের যৌন সহিংসতার  বিরুদ্ধে যৌথ সমাবেশ আয়োজন করতে যাচ্ছি। ১৯ শে মার্চ, বেলা ২.৩০ টায় আমরা কলেজ স্কোয়ারে জড়ো হবো এবং এখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর আমরা নির্মল চন্দ্র স্ট্রিট, বৌবাজার, সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, এস এন ব্যানার্জি রোড এবং রাণী রাসমণির এভিনিউ এ প্রদক্ষিণ করবো।

আমাদের ধারণা নোট সহকারে এর সঙ্গে সংযুক্ত করা হল।  আমাদের  এই উদ্যোগে আমরা আপনাকে সাথে চাই।

FINAL-Concept-Note-page-001

FINAL-Concept-Note-page-002

সূত্র – http://sanhati.com/event/13097/