ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ – ১৭/০৩/২০১৫- পুলিশের গুলিতে ছত্তিসগড়ে নিহত ১৭ জনের মৃত্যু ছিল একতরফাঃ অনুসন্ধানে জানা যায়

10338299_885814468107293_6439450216347584856_n

 – মঙ্গলবার ব্লগার জেসন সি কুপার ও এডভোকেট থুশার নির্মল সারথীর জামিন মঞ্জুর করেছে কেরালা হাই কোর্ট।  মাওবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীলতার অভিযোগে গত ৩০শে জানুয়ারি থেকে তাদেরকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছিল। তাদেরকে তাদের পাসপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ও প্রতি সোমবার থ্রিক্ককারা কারা সহকারী কমিশনারের কাছে হাজিরা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও, সেশন আদালতের নির্দেশ ব্যতীত তাদের কেরালা ছেড়ে কোথাও যাবার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

naxal

-পুলিশের গুলিতে ছত্তিসগড়ে নিহত ১৭ জনের মৃত্যু ছিল একতরফাঃ অনুসন্ধানে জানা যায়

২০১২ সালের ২৮শে জুন ছত্তিসগড়ের বিজাপুর জেলায় সারকেগুদা, কট্টেগুদা ও রাজপেনতা গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী ও আদিবাসীদের ভেতর এনকাউন্টারে নিহত ১৭ জন আদিবাসীর নিহত হবার ঘটনায় তদন্তকারী কমিশনের কাছে সাক্ষীদের চাক্ষুস অভিজ্ঞতা থেকে প্রকাশ পেয়েছে পুলিশ তাদের উপর একতরফাভাবে গুলিবর্ষণ করেছিল। পুলিশ গ্রামবাসীদেরকে মাওবাদী দাবী করে বলেছিল যে তারাই পুলিশের উপর গুলি ছুঁড়েছিল; অন্যদিকে গ্রামবাসী জানিয়েছিল, ফসল বোনার উৎসবের পরিকল্পনা করতে সেদিন রাতে আদিবাসীরা একটি সভায় জমায়েত হয়েছিল, তারা ছিল নিরস্ত্র। সাক্ষ্য থেকে গ্রামবাসীদের দাবীই সত্য বলে প্রমাণিত হয়। তদন্ত কমিশনের কাছে সারকেগুদা গ্রামের ২২ বছর বয়সী এক গ্রামবাসী সাক্ষ্য দেন, “সভায় পুলিশ এসে ‘ওদেরকে ধর, গুলি কর’ বলে চতুর্দিক থেকে গুলি বর্ষণ করতে শুরু করল। আমরা বললাম আমরা গ্রামবাসী, কিন্তু ওরা থামল না।”

fire

 -পুলিশের এনকাউন্টারের প্রতিবাদে সরকারের সেচ প্রকল্পের বাহনে আগুন দিয়েছে মাওবাদীরা

রবিবার রাতে  নুয়াপাড়া জেলায় ইন্দ্র সেচ প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী ও বাহনে অগ্নিসংযোগ করেছে মাওবাদীরা। তাদের ফেলে যাওয়া ব্যানারে উল্লেখ ছিল পুলিশ সাজানো এনকাউন্টারে মাওবাদীদের নির্বিচারে হত্যা করছে।

-ছত্তিসগড়ে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়েছে মাওবাদীরা

সোমবার সুকমা জেলার পোলামপল্লী থানার সহকারী সাব-ইন্দপেক্টরকে পিটিয়েছে সিপিআই (মাওবাদী) এর ক্যাডাররা।

সূত্রঃ business-standard.com/scroll.in /zeenews.com/ satp.org


“বিচার চেয়ে লড়াইয়ের নাম যদি মাওবাদ হয়, তবে আমরা মাওবাদ-ই”- রুপাছড়ার সাতকাহন (১)

18jp

 

সুত্র – http://samayikprasanga.in/epaper.php?pn=1