‘মহাত্মা গান্ধী এদেশের প্রথম কর্পোরেট স্পনসরড এনজিও’, অরুন্ধতী রায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

36175-a-roy

বুকার পুরস্কার বিজয়ী লেখিকা ও সমাজকর্মী অরুন্ধতী রায়ের মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তৈরি হল বিতর্ক। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন গান্ধীজী এ দেশের প্রথম ”কর্পোরেট স্পনসরড এনজিও।” তবে এই টুকুতেই থামেননি তিনি। এর সঙ্গেই যোগ করলেন ”দলিত, মহিলা ও গরীবদের নিয়ে মহাত্মা গান্ধী যা লিখে গেছেন, তারপর তাঁকে পুজো করা এ দেশের বৃহত্তম ভণ্ডামি।”

অরুন্ধতী রায়ের এই মন্তব্যের পরেই উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেই  বিতর্ক দেখা যায়। এক যুবক উঠে বলেন ”জাতীর জনক”-কে এই ভাবে তিনি ”কর্পোরেটের দালাল” বলতে পারেন না। তার উত্তরে অরুন্ধতী জানান ”আমি ওনাকে নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করেছি। ১৯০৯ থেকে ১০৪৬ পর্যন্ত উনি যা যা লিখে গেছেন তার ভিত্তিতেই এই মন্তব্য করেছি।”

‘গড অফ স্মল থিংস”-এর লেখিকা দশম গোরখপুর সিনেমা অফ রেসিসটেন্সের  মুখ্য অতিথি ছিলেন। গোরখপুরের গোকুল অতিথি ভবনে চিত্রশিল্পী চিত প্রসাদ, কম্যুউনিস্ট নেতা গোবিন্দ পানসারে ও বাংলাদেশের সমাজকর্মী, লেখক অভিজিৎ রায়ের স্মরণে একটি আলোচনা সভায় বক্তৃতা রাখার সময় এই মন্তব্য করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের ছত্রে ছত্রে এ দেশের ‘কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত সিস্টেমের’ প্রতি তীব্র সমালোচনা ছিল। তাঁর মতে এই দেশ নরেন্দ্র মোদী নয় আসলে চালাচ্ছেন আম্বানি, টাটার মত বড় বড় শিল্পপতিরা। এই ‘বেনিয়ারাজ’ বড় বড় মিডিয়া হাউস থেকে ছোট ছোট শিল্প, সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে, মত অরুন্ধতীর।

তাঁর মতে এই কর্পোরেট হাউসগুলো বাক স্বাধীনতার বিরোধী।

তাঁর বক্তব্যে আম্বেদকারকে উদ্ধৃত করে লেখিকা বলেন পুঁজিবাদ ও জাতিভেদ প্রথা সমাজের সব থেকে বড় শত্রু।

তাঁর মতে ফোর্ড ও রকফেলার ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য পৃথিবীটাকে ”পুঁজিবাদের রমরমার জন্য সুরক্ষিত করে তোলা।”

সুত্র – http://zeenews.india.com/bengali/nation/mahatma-gandhi-was-first-corporate-sponsored-ngo-of-the-country-arundhati-roy_126144.html


তুরস্ক ও উত্তর কুর্দিস্তানে নারীদের বিদ্রোহ- এমএলকেপি (MLKP) (তুরস্কের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি)

6

তুরস্কের মেরসিনে এক গাড়িচালক কর্তৃক ২০ বছর বয়সী ছাত্রী ওজগেকান আসলান নৃশংস ভাবে খুন হবার পর তুরস্ক ও উত্তর কুর্দিস্তানের দশ হাজার নারী বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নৃশংসতার প্রতিবাদে মেরসিন, গাজী আনতেপ, আংকারা, ইস্তাম্বুল, আমেদ, হাক্কারি, মানিসা, আয়দিন, সানাক্কালে, সানলিউরফা, ত্রাবজন, নুসায়বিন, সিরত, ইউকসেকোভা, দগুবায়াজিত, মুস, ভান, আগরি, দেরিক ও আরো অনেক শহরে বিক্ষোভ চলেছে। নারীর উপর সহিংসতা, পুরুষের সামাজিক কর্তৃত্ব ও পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বিদ্রোহের নিশান হাতে নিয়ে তুরস্ক ও উত্তর কুর্দিস্তানের সর্বত্র নারীরা সংগ্রামে যুক্ত হয়েছে।

এমন অনেক সংগ্রামে নারীরা তাদের ভাই, পিতা, প্রেমিক ও স্বামীদের সহিংসতার বিরুদ্ধেই কেবল নয়, একই সাথে এইসব সহিংসতার প্রতিপালক AKP (তুর্কি: Adalet ve Kalkınma Partisi) (Justice and Development Party) সরকারের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই সরকারের নেতা এরদোগান ও দাভুতাগলু যখন নারীদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ প্রোপাগান্ডা চালায়, তখন এর ফলাফল হিসেবে সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ ও সহিংসতার দায়ভারও তাদের। তারা যখন জনসমক্ষে বক্তব্য রাখে যে নারী ও পুরুষ প্রাকৃতিকভাবে সমান হতে পারে না, যখন তারা বলে নারীদের কীভাবে হাসা উচিত ও কতজন শিশু জন্ম দেওয়া উচিত, তখন তারা সরাসরি তুর্কি সমাজে নারীদেরকে দাস হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা করে। এই রাজনীতির ফলস্বরূপ, গত ১২ বছরে AKP এর শাসনামলে নারীর প্রতি সহিংসতা ১৪০০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

এটা কেবল নথিভুক্ত ঘটনাগুলোর সংখ্যার হিসাব। সহিংসতা শুধু গৃহে নয়, বরং রাস্তায়, বাসে, ট্রেনে, কর্মক্ষেত্রে, বিদ্যালয়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ও জীবনের সব ক্ষেত্রে নিয়মিত সহিংসতার শিকার হচ্ছে নারীরা। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হলেও সহিংসতাকারী পুরুষদের কোন ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয় না। গত ১৫ বছরে ৩৫০ জন পুরুষ, সৈনিক ও কারারক্ষীকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছিল কিন্তু তাদের কাউকেই শাস্তি প্রদান করা হয়নি। সরকারি তথ্যমতে, গত ১৫ বছরে প্রায় ৫০% নারী তাদের প্রেমিক ও স্বামী কর্তৃক শারীরিক ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। ৬০% এর বেশী পুরুষ ঘোষণা করেছে তারা এই সহিংসতাকে সঠিক ও প্রয়োজনীয় বলে মনে করে। এই ধরনের পরিস্থতিতে নারীদের বিদ্রোহ ও ক্ষোভ ন্যায়সঙ্গত। পুরুষতন্ত্র ও AKP সরকারের বিরুদ্ধে নারীদের বিদ্রোহ একে ন্যায়সঙ্গত করে তুলেছে।

এই সংগ্রামকে বিভিন্ন পথে চালিয়ে যেতে হবে। ফ্যাসিবাদী AKP সরকার কিংবা পুঁজিবাদ, কারো কর্তৃত্বেই যে নারীদের মুক্তি অর্জিত হবে না এই চেতনাটি সৃষ্টি করতে হবে। বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পতন ও সমাজতন্ত্র কায়েমের ক্ষেত্রে শ্রমিক ও মজুর নারীদের অবশ্যই বাস্তব আগ্রহ থাকতে হবে। রোজাভায় জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব ও একইসাথে নারীদের বিপ্লবের পর মুক্তাঞ্চল গুলোর দিকে তাকালে, নারীমুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে এই বিপ্লবের প্রভাব চোখে পড়ে। রোজাভা বিপ্লবে কোবান অঞ্চলের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের প্রথম সারীতে ছিল নারীরা। সেই প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে তারা মধ্য প্রাচ্যের সকল মানুষ ও বিশ্বের সকল নারীর কাছে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। ঠিক এভাবে দুইদিক থেকে শোষিত নারীদেরকে অবশ্যই তুরস্কের বিপ্লবী ও শ্রমিক আন্দোলনের প্রথম সারীতে যোগদান করতে হবে ও ফ্যাসিবাদী AKP সরকারের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সুত্র – signalfire.org


মাওবাদী অধ্যুষিত লাতেহারের বারওয়াধি ব্লক অফিসের সামনে প্রকাশ্যেই পথের ধারে মলত্যাগ কৃষকদের

pooprotestBIG_635623654920897078

বিক্ষোভ‚ ধর্না‚ অবস্থান ‚ মিছিল এসব চলছিলই | এ বার সেই তালিকায় যোগ হল এক অভিনব প্রতিবাদ | কেন্দ্রের জমি বিলে প্রস্তাবিত সংশোধনীর প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্যে মলত্যাগ করলেন | শনিবার এই ঘটনা ঘটে ঝাড়খণ্ডের লাতেহারে |

মাওবাদী অধ্যুষিত লাতেহারের বারওয়াধি ব্লক অফিসের সামনে জমায়েত হন প্রায় ৬০ জন প্রতিবাদী কৃষক | রাস্তার ধারে বসে প্রকাশ্যেই মলত্যাগ করেন তাঁরা | বিজেপি শাসিত ঝাড়খণ্ডে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদে চমকে উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব |

আদিবাসী কৃষকদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁদের বক্তব্য‚ শুধু লাতেহার নয় ‚ গোটা ঝাড়খণ্ড জুড়ে আগামী দিনে এই ধরনের অভিনব প্রতিবাদের উদ্যোগ নেওয়া হবে |

সূত্র – http://www.banglalive.com/News/Detail/10086/a-poo-protest-by-land-owners


ভারত- অসমে প্রায় ৬০ জন জেহাদি ( জে এম বি ) ও ৩০ জন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে বলে জানাল রাজ্য সরকার।

 5

স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে মন্ত্রী রকিবুল হুসেন আজ বিধানসভায় জানান, অসমে ৮টি জঙ্গি সংগঠন এখন সক্রিয়। আরও ১৩টি জঙ্গিদল সংঘর্ষবিরতিতে রয়েছে। রাজ্যে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছে এনডিএফবি সংবিজিৎ বাহিনী। সংবিজিৎ ও জি বিদাইয়ের নেতৃত্বে থাকা ওই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ২৭০ জন। এর পর রয়েছে পরেশ বরুয়ার নেতৃত্বাধীন আলফা। যাদের সদস্য সংখ্যা ২৪০। সরকারি হিসেবে, রাজ্যে কেএলও ‘লিঙ্কম্যানের’ সংখ্যা ৭০ জন। কোনও নাশকতা না ঘটালেও রাজ্যে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি মডিউলের বাড়বাড়ন্ত নিয়েও চিন্তায় অসম সরকার। পুলিশের সন্দেহ, জেএমবি সদস্যরা নিজেরা কোনও নাশকতায় জড়াচ্ছে না। রাজ্যে থাকা ‘মুসলিম ইউনাইটেড লিবারেশন টাইগার্স-অসম’ (মুলটা), হরকত উল মুজাহিদিনের ‘স্লিপার সেলের’ সঙ্গে যোগাযোগ রাখাই এখন জেএমবি মডিউলের সদস্যদের উদ্দেশ্য। রাজ্যে মুলটার নেতৃত্বে রয়েছে মনসুর ওরফে সোনমণি। হরকতের মাথা মৌলানা ফকরুদ্দিন ওরফে আক্রাম মাস্টার। জামাতের নেতা জাহিদুল ইসলাম ওরফে এহসার। বর্ধমানে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে শাহনুর আলম, তার স্ত্রী সুজিনা, ভাই জাকারিয়া-সহ ১৪ জন জেএমবি সদস্যকে অসমে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শাহনুর ও তার সঙ্গী রফিকুল ও সাইখুলকে এনআইএ কলকাতায় নিয়ে গিয়েছে। ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট না দিতে পারায় সুজিনা ও জাকারিয়া সম্প্রতি জামিন পেয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কোলের শিশু-সহ সুজিনাকে জেলে রাখতে সমস্যা হচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে তেমন কোনও প্রমাণও জোগাড় করা যায়নি। জেরায় সুজিনা সব সময় স্বামীর উপরে দায় ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দু’টি মাদ্রাসায় ধর্মশিক্ষা নেওয়া ছাড়া তার বিরুদ্ধে জেহাদি কাজে সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমাণ মেলেনি। একই ভাবে, শাহনুরের ভাই জাকারিয়ার বিরুদ্ধেও তেমন জোরদার তথ্য জোগাড় করতে পারেনি পুলিশ।


সরকারি সূত্রে খবর, জেহাদিদের পাশাপাশি সুনীলজির মতো মাওবাদীর নেতৃত্বে অসমে জঙ্গি চিন্তাধারা ছড়াচ্ছে। এ রাজ্যে সেনাধ্যক্ষ টিংরাজ ওরাং। মূলত কার্বি আংলং, গোলাঘাট জেলায় ঘাঁটি গড়েছে মাওবাদীরা। তা ছাড়া, বরাক ও বড়োভূমির চা বাগানে আদিবাসী যুবকদের দলে টানছে। প্রাক্তন আনলা নেতার সঙ্গে ঝাড়খণ্ড-ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদীদের যোগাযোগ প্রমাণিত। উজানি অসম ও অরুণাচলেও তাদের গতিবিধি রয়েছে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে রাজ্যে ৭টি নাশকতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৮৮ জনকে। 
পুলিশ জানিয়েছে, জামাতের ‘মডিউল’-এর বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ বা অস্ত্র শিক্ষার প্রমাণ মিলছে না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৃতদের যোগাযোগের কথা পুলিশ জানতে পারলেও, তা প্রমাণ করা যাচ্ছে না। সুজিনা, জাকারিয়াদের জেলে রেখে তাই লাভ হচ্ছিল না। পুলিশের বক্তব্য ছিল, সুজিনা ও জাকারিয়া জামিন পেলে, তাদের উপর নজর রেখে আরও কিছু সূত্র মিলতে পারে।

 

 

সুত্র http://www.anandabazar.com/national/jamaat-ul-terrorist-hide-in-assam-1.126871


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ – ২৩/০৩/২০১৫, মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত পুলিশের ২ কমান্ডো

naxal-Maoists-AFP1

মহারাষ্ট্রে মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত পুলিশের ২ কমান্ডো

নাগপুর, ২৩ মার্চ : মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হল পুলিশের কমান্ডো বাহিনীর ২ জওয়ান। জখম হয়েছেন আরও ১ কমান্ডো। তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের গাডচিরোলি জেলায় মাওবাদীদের নিয়ন্ত্রিত জঙ্গলে।

নকশাল বিরোধী অভিযানের আই জি রবিন্দ্র কদম জানায়, বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে গতকাল মহারাষ্ট্র- ছত্তিশগড় সীমান্ত লাগোয়া কাঙ্কার জেলার টিকামেদা গ্রাম নিকটবর্তী গাত্তা-জরাবান্ডি জঙ্গলে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী ও মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষিত বাহিনী C -৬০। ছত্তিশগড় পুলিশও এই অভিযানে যোগ দিয়েছিল। মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারান C-৬০-র ২ কমান্ডো।

সুত্র http://www.firstpost.com/india/maharashtra-two-police-commandos-killed-naxal-encounter-gadchiroli-2167935.html

দ্রুত বিচারের দাবীতে উড়িশ্যায় ৭ জন মাওবাদী নেতার আমরণ অনশন

মামলার দ্রুত বিচারের দাবীতে আজ থেকে উড়িষ্যার ঝাড়পদ কারাগারে  দন্না কেশব রাও ওরফে আজাদ সহ সাত জন মাওবাদী আমরণ অনশন শুরু করেছে। আজাদের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের অগাস্টে ভিএইচপি নেতা স্বামী লক্ষণানন্দ স্বরস্বতীকে খতমের অভিযোগ রয়েছে। অনশনরত মাওবাদীদের নাম প্রকাশ করেনি ঝাড়পদ কারাগারের সুপারিন্টেনডেন্ট।  তিনি জানান,  মাওবাদী নেতারা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, তাদের বিচার কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি না করা পর্যন্ত তারা আমরণ অশন চালিয়ে যাবেন। কেশব ২০১১ সালের ১৮ই এপ্রিল অন্ধ্র প্রদেশের ডিজির কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাকে ধরিয়ে দিতে সেসময় ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। স্পেশাল জোনাল কমিটি সদস্য কেশব রাও অন্ধ্র-উড়িষ্যা সীমান্তে(AOB) আই এ এস(Indian Adminstrative Service) অফিসার  অপহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, একই সাথে (AOB) অঞ্চলে থাকা কালে বেশ কিছু থানা ও পুলিশ সদস্য খতম করেন  ।

সুত্রhttp://odishasuntimes.com/119326/7-maoists-on-fast-unto-death-in-odisha-jail-seeking-speedy-trial/


পেরুর লাল সংবাদ – হুয়ারমাকাতে পেরু কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য গ্রেফতার-

 

1475845

পেরু কমিউনিস্ট পার্টির (PCP) উত্তর আঞ্চলিক কমিটির সদস্য ৪৩ বছর বয়স্ক সেফেরিনো গার্সিয়া তিকলিয়াহুয়াঙ্কাকে (কমরেড পেরেগ্রিনো) অনেক বছর ধরে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে খোঁজা হচ্ছিল। ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি পার্টির সশস্ত্র কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন। হুয়ারমাকাতে  DIVINCRI(National police of Peru) এর চিকলায়ো শাখার এজেন্টরা তাকে গ্রেফতার করে।

সুত্র – signalfire.org