কমরেড শেখ আলী হায়দারের অকাল মৃত্যুতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি –

11066563_553772411431342_3127881530553548103_n

তারিখ – ৩০/০৩/১৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আজ ৩০ মার্চ’১৫ সোমবার দুপুর ২টা ঢাকা ইব্রাহিম মেমোরিয়াল কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এর অন্যতম নেতা শেখ আলী হায়দার। তাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডাঃ এম.এ করিম ও সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেঃ জেনাঃ (অব) এম. জাহাঙ্গীর হোসাইন, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি খলিলুর রহমান খান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুল আলম চৌধুরী, জাতীয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুল হক লিকু ও যুগ্ম-আহ্বায়ক তৌফিক হাসান পাপ্পু, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহম্মেদ, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আক্তারুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির আহ্বায়ক রাজিয়া সুলতানা ও যুগ্ম-আহ্বায়ক জিন্নাত আরা প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ প্রয়াতের শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতিও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বার্তা প্রেরক
প্রকাশ দত্ত
সহ-সাধারণ সম্পাদক
মোবাঃ ০১৯-২৪০৪-৮১৩৯।

Advertisements

ভারতের গণযুদ্ধে শহীদ নারী (৪), কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা

   

কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা

নালগোন্ডা জেলার দুপ্পালী গ্রামের হরিজন পরিবারের একমাত্র কন্যা কমরেড মাদ্দেলা স্বর্ণলতা উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীতে ছাত্রীবস্থায় বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেন। হায়দ্রাবাদে পলিটেকনিকের ছাত্রী থাকাকালে তিনি নগরীর র‍্যাডিকেল ছাত্র ইউনিয়ন(RSU)এ সক্রিয় ও অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। হায়দ্রাবাদের মহিলা সামাজিক কল্যাণ হোস্টেলে তিনি দৈনন্দিন দাবীদাওয়ার ইস্যুতে সংগ্রামে ছাত্রীদের উদ্বুদ্ধ করেন। জমজ নগরীর বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন(RSU), বিপ্লবী যুবলীগ(RYL) ও বিপ্লবী লেখক সংঘ(RWA) আয়োজিত প্রতিটি সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি নিয়মিত যোগ দিতেন। ১৯৮৪ সালে পুলিশ কর্তৃক অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তারকৃত একজন মেডিকেল ছাত্রীর সাথে কেবলমাত্র তিনিই দেখা করতে যাওয়ার সাহসিকতা প্রদর্শন করেন। এজন্য পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করে, আর পার্টির গোপনীয়তা বের করার জন্য তাকে লাঞ্ছিত করে। তিনি সাহসিকতার সাথে সকল নির্যাতন সহ্য করেন, একটি শব্দও তার কাছ থেকে বের করতে পারেনি। সি আই ডি’র লোকেরা পার্টি-সদস্যদের ধরার জন্য তার পিছু পিছু নগরীতে ঘুরতো। কিন্তু তিনি সব সময় তাদের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়াতেন। ১৯৮৫ সালের গ্রীষ্মের “গ্রামে চলো অভিযান”-এ তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

   পরবর্তীতে তিনি সার্বক্ষণিক পেশাদার বিপ্লবী হন এবং ছাত্র আন্দোলনে কাজ করেন। সর্বভারতীয় বিপ্লবী ছাত্র ফেডারেশন (AIRSF)-এর সম্মেলন উপলক্ষে ছাত্রদের মিছিলে সরকার অনুমতি না দিলে কমরেড স্বর্ণলতা ৩০০ জন নারী প্রতিনিধির নেতৃত্ব দেন ও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্না দেন। এখানে পুলিশের লাঠিচার্জে তিনি আহত হন এবং মিছিল থেকে গ্রেফতার হন।

  কঠোর পুলিশী দমন-পীড়ন ও তার ওপর বিশেষ নজরদারী সত্ত্বেও কমরেড স্বর্ণলতা কিছুদিনের জন্য নগরীর শ্রমিক এলাকায় কাজ করেন। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্টির পরামর্শে তিনি পূর্ব গোদাবরী-বিশাখাপত্তনম পাহাড়ী এলাকায় যান ও সশস্ত্র গেরিলা হিসেবে তান্দাভা ও কোরাকোন্দা দলমে’ কাজ করেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি আদিবাসী কৃষক জনগণের সাথে একাত্ম হয়ে যান। শীঘ্রই তাদের ভাষা সংস্কৃতি আত্মস্থ করেন এবং আদিবাসী কৃষকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন লাভ করেন।

  ১৯৮৭ সালের ২৬ শে এপ্রিল তান্দাভা দলমের ওপর পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায়। কমরেড স্বর্ণলতা অসীম সাহসিকতায় শত্রুদের প্রতিরোধ করলেন, এমনকি দলমের কমান্ডার গুলির আঘাতে পড়ে যাওয়ার পরেও। পরে স্বর্ণলতা আহত হলেন ও পুলিশের হাতে ধরা পরেন। এই অসহায় পরিস্থিতিতেও তিনি সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সাথে সকল অত্যাচার সহ্য করেন, পার্টি-বাহিনীর গোপনীয়তা রক্ষা করেন। পুলিশ তাকে হত্যা করে ও মরদেহ গুম করে।

  জনগণকে সংগঠিতকরণে ও বিপ্লবী রাজনীতি প্রচারে কমরেড স্বর্ণলতার অক্লান্ত, অদম্য, দুর্বার যোদ্ধা মনোভাব সকল নারী কমরেডদের  জন্য এক মহান আদর্শ।

(দলম হচ্ছে নিয়মিত গেরিলা স্কোয়াড, যার সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১১ পর্যন্ত)

 সুত্র – 

http://bannedthought.net/India/CPI-Maoist- Docs/Women/WomenMartyrsNaxalbariTo2010-Vol-1.pmd.pdf


ইতালি – “ব্যাপক শ্রমিকদের পূঁজি অধ্যয়ন” শীর্ষক অনলাইন পাঠচক্রের আয়োজন করেছে- পিসিএম ইতালি

italy

 

 

 

 

Source – http://maoistroad.blogspot.com/


ভারতের পিএলজিএ এক দশকের মার্চ-PLGA(পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি) সুভেন্যুর ২০১০

18115_439634829528478_8426270355738193206_n
pw

11071406_1048375898511964_4677466451506955262_o 11071803_1048375895178631_5524538254743645233_o 11076184_1048375891845298_6971382491073281262_o 11088491_1048375888511965_4408939752502024366_o

 

11062747_1048375721845315_8518743416040067552_o

 

 

সূত্র – https://www.facebook.com/lalsalampage/posts/1048375995178621


কবি ভারাভারা রাওয়ের কবিতা –

11081284_1048008465215374_506274865915604338_n


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ – ২৮/০৩/২০১৫, বিপ্লবী সাহিত্য সহ কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া ( এম এল- জনশক্তি )র ৫ জন কর্মী গ্রেফতার

cartel-gmhc-india-junio-2011-1-744x1024

ঝাড়খণ্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে এনকাউণ্টারে হত ২ মাওবাদী

 লাতেহারের বরানির জঙ্গলে পুলিশ ও মাওবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল দুই মাওবাদীর। আহত হয়েছে এক মহিলা মাওবাদী। মৃতদেহ শনাক্ত করার পাশাপাশি জখম এক মহিলা মাওবাদীকে গ্রেফতার করে তাঁকে লাতেহারের সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছে পুলিশ – জানিয়েছে পুলিশের এস পি অজয় লিন্ডা।  স্থানটি লাতেহার সদর থানা থেকে ৮ কি মি দূরে ।

পুলিশ জানায়, গত কাল গভীর রাত ২টা থেকে শেষ রাত ৪টা পর্যন্ত বরানির জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের তুমুল গুলির লড়াই হয়। মাওবাদীরা দলে ষাট-সত্তর জন মতো ছিল বলে পুলিশের দাবি। নিহত দুই মাওবাদীর নাম অনিরুদ্ধ সিংহ (৩৫) ও প্রবীণ (২০)। আহত মহিলা মাওবাদীর নাম লালমণি দেবী (২০) বলে জানিয়েছে লাতেহারের জেলা পুলিশ। যদিও বেসরকারি সূত্রের খবর, উভয় পক্ষের নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তার কারণ জঙ্গলের ভিতরে খুব কাছাকাছি দূরত্বের মধ্যে দু’পক্ষের গুলির লড়াই হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি ডি কে পাণ্ডে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। গত ২১ শে মার্চ রবিবার লাতেহারের মুরমু গ্রামে বিজেপি সমর্থক এক জমিদার পরিবারের তিন সদস্যকে তাঁদের বাড়ির ভিতরেই গুলি করে খতম করে মাওবাদীরা। সে ক্ষেত্রে  সন্দেহের তির ছিল মাওবাদীদের দিকেই।  নিহতরা হলেন লাল বালকিশোরনাথ সহদেব, লাল প্রমোদনাথ সহদেব ও লাল জয় কিশোরনাথ সহদেব। তাঁরা ঝাড়খণ্ডের দূষণ পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বালমুকুন্দ নাথ সহদেবের আত্মীয়। মুরমু গ্রামের জমিদার সহদেব পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদীদের নিশানায়। একাধিকবার জমিদার পরিবারটিকে আক্রমণ করেছে মাওবাদীরা। রবিবারের  ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস ঘোষণা করেছিলেন, মাওবাদীদের জবাব দেওয়া হবে। তারপর থেকেই গত দু’দিন ধরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল।


সুত্র –  
http://zeenews.india.com/news/jharkhand/two-maoists-killed-in-encounter-with-security-forces-in-jharkhand_1569143.html

তেলেঙ্গনায় ৫ জন নকশাল গ্রেফতার

গত ২৭ শে মার্চ নিজামাবাদ জেলার মাছারেড্ডি পুলিশ,       কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া ( এম এল- জনশক্তি )র ৫ জন কর্মী যথাক্রমে ভেম্পাতি কুমার ওরফে গাঙ্গান্না, এদুলাকান্তি লিঙ্গা রেড্ডী ওরফে শ্যাম প্রাসাদ রেড্ডী, জাঙ্গালাম শাঙ্কর, চান্দুপাটলা  সুরেশ ওরফে সুরি এবং আক্কুলা রাজুকে গ্রেফতার করেছে  – রিপোর্ট দি হিন্দু

পুলিশ সুপার এস. চন্দ্রশেখর রেড্ডী জানায়- রতঙ্গিরি জঙ্গলে নকশালরা জমায়েত হচ্ছে এই খবর পেয়ে পুলিশের এস আই জি. নরেশ তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নকশালরা তাদের দেখে পিছু হটে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করার কিছু পরেই তাদের গ্রেফতার করা হয়, একই সাথে দেশী তৈরি রিভলবার ও পিস্তল, ৫০ ডেটোনেটোরস, ১৬ রাউন্ড গুলি, বিপ্লবী সাহিত্য, বিবৃতি ও ডায়েরী উদ্ধার করা হয়।

সুত্র –  http://www.satp.org/satporgtp/detailed_news.asp?date1=3/28/2015&id=9#9


৩৫ বছর আগে আজকের দিনেঃ জেনোয়ায় চারজন কমিউনিস্ট ক্যাডারকে হত্যা করে পুলিশ

1

 

2

১৯৮০ সালের ২৮শে মার্চ গুপ্তচর প্যাট্রিজিও পেসি প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইতালির সন্ত্রাস দমন কমান্ডো (anti-terrorist commandos) রেড ব্রিগেডের গুপ্ত আশ্রয়স্থলে অতর্কিত হামলা চালায় ও চারজন ক্যাডারকে গুলি করে হত্যা করে। সেসময় সংশোধনবাদী ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ও গুপ্তচর গুইদো রোসাকে বর্জন করার বিষয়টি নিয়ে রেড ব্রিগেডের সাথে সংশোধনবাদী ইতালি কমিউনিস্ট পার্টির (PCI) জীবনমরণ সংগ্রাম চলছিল।

 

3

 

আন্নামারিয়া লুদমান (০৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ – ২৮শে মার্চ ১৯৮০) – ধনী পরিবার হতে আসা রেড ব্রিগেডের রাজনৈতিক কর্মী ।

 

4

 

রবার্ট ডুরা ( ১২ ই সেপ্টেম্বর ১৯৫০ – ২৮ শে মার্চ ১৯৮০) –ইস্পাত কারখানার শ্রমিক ও Lotta Continua, LC (The Continuous Struggle) এর প্রাক্তম সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে রেড ব্রিগেডের সদস্য হিসেবে এর নির্বাহী কমিটিতে কাজ করেন।

5

 

লরেঞ্জো বেটাসসা (৩০শে মার্চ, ১৯৫২- ২৮শে মার্চ, ১৯৮০)ঃ ফিয়াট গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী। তিনি রেড ব্রিগেডের অনেক সশস্ত্র হামলায় জড়িত ছিলেন।

6

পিয়েরো পাঞ্চিয়ারেল্লি (২৯শে অগাস্ট ১৯৫৫- ২৮শে মার্চ, ১৯৮০) – ল্যান্সিয়া গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও সত্তরের দশক থেকে রেড ব্রিগেডের ক্যাডার। তিনি ১৯৭৮ সালের ৯ই মে আন্ডারগ্রাউণ্ডে চলে যান।

 

সুত্র – signalfire.org