কবি ভারাভারা রাওয়ের কবিতা –

11081284_1048008465215374_506274865915604338_n


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ – ২৮/০৩/২০১৫, বিপ্লবী সাহিত্য সহ কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া ( এম এল- জনশক্তি )র ৫ জন কর্মী গ্রেফতার

cartel-gmhc-india-junio-2011-1-744x1024

ঝাড়খণ্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে এনকাউণ্টারে হত ২ মাওবাদী

 লাতেহারের বরানির জঙ্গলে পুলিশ ও মাওবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল দুই মাওবাদীর। আহত হয়েছে এক মহিলা মাওবাদী। মৃতদেহ শনাক্ত করার পাশাপাশি জখম এক মহিলা মাওবাদীকে গ্রেফতার করে তাঁকে লাতেহারের সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছে পুলিশ – জানিয়েছে পুলিশের এস পি অজয় লিন্ডা।  স্থানটি লাতেহার সদর থানা থেকে ৮ কি মি দূরে ।

পুলিশ জানায়, গত কাল গভীর রাত ২টা থেকে শেষ রাত ৪টা পর্যন্ত বরানির জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের তুমুল গুলির লড়াই হয়। মাওবাদীরা দলে ষাট-সত্তর জন মতো ছিল বলে পুলিশের দাবি। নিহত দুই মাওবাদীর নাম অনিরুদ্ধ সিংহ (৩৫) ও প্রবীণ (২০)। আহত মহিলা মাওবাদীর নাম লালমণি দেবী (২০) বলে জানিয়েছে লাতেহারের জেলা পুলিশ। যদিও বেসরকারি সূত্রের খবর, উভয় পক্ষের নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তার কারণ জঙ্গলের ভিতরে খুব কাছাকাছি দূরত্বের মধ্যে দু’পক্ষের গুলির লড়াই হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি ডি কে পাণ্ডে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। গত ২১ শে মার্চ রবিবার লাতেহারের মুরমু গ্রামে বিজেপি সমর্থক এক জমিদার পরিবারের তিন সদস্যকে তাঁদের বাড়ির ভিতরেই গুলি করে খতম করে মাওবাদীরা। সে ক্ষেত্রে  সন্দেহের তির ছিল মাওবাদীদের দিকেই।  নিহতরা হলেন লাল বালকিশোরনাথ সহদেব, লাল প্রমোদনাথ সহদেব ও লাল জয় কিশোরনাথ সহদেব। তাঁরা ঝাড়খণ্ডের দূষণ পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বালমুকুন্দ নাথ সহদেবের আত্মীয়। মুরমু গ্রামের জমিদার সহদেব পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদীদের নিশানায়। একাধিকবার জমিদার পরিবারটিকে আক্রমণ করেছে মাওবাদীরা। রবিবারের  ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস ঘোষণা করেছিলেন, মাওবাদীদের জবাব দেওয়া হবে। তারপর থেকেই গত দু’দিন ধরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল।


সুত্র –  
http://zeenews.india.com/news/jharkhand/two-maoists-killed-in-encounter-with-security-forces-in-jharkhand_1569143.html

তেলেঙ্গনায় ৫ জন নকশাল গ্রেফতার

গত ২৭ শে মার্চ নিজামাবাদ জেলার মাছারেড্ডি পুলিশ,       কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া ( এম এল- জনশক্তি )র ৫ জন কর্মী যথাক্রমে ভেম্পাতি কুমার ওরফে গাঙ্গান্না, এদুলাকান্তি লিঙ্গা রেড্ডী ওরফে শ্যাম প্রাসাদ রেড্ডী, জাঙ্গালাম শাঙ্কর, চান্দুপাটলা  সুরেশ ওরফে সুরি এবং আক্কুলা রাজুকে গ্রেফতার করেছে  – রিপোর্ট দি হিন্দু

পুলিশ সুপার এস. চন্দ্রশেখর রেড্ডী জানায়- রতঙ্গিরি জঙ্গলে নকশালরা জমায়েত হচ্ছে এই খবর পেয়ে পুলিশের এস আই জি. নরেশ তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নকশালরা তাদের দেখে পিছু হটে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করার কিছু পরেই তাদের গ্রেফতার করা হয়, একই সাথে দেশী তৈরি রিভলবার ও পিস্তল, ৫০ ডেটোনেটোরস, ১৬ রাউন্ড গুলি, বিপ্লবী সাহিত্য, বিবৃতি ও ডায়েরী উদ্ধার করা হয়।

সুত্র –  http://www.satp.org/satporgtp/detailed_news.asp?date1=3/28/2015&id=9#9


৩৫ বছর আগে আজকের দিনেঃ জেনোয়ায় চারজন কমিউনিস্ট ক্যাডারকে হত্যা করে পুলিশ

1

 

2

১৯৮০ সালের ২৮শে মার্চ গুপ্তচর প্যাট্রিজিও পেসি প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইতালির সন্ত্রাস দমন কমান্ডো (anti-terrorist commandos) রেড ব্রিগেডের গুপ্ত আশ্রয়স্থলে অতর্কিত হামলা চালায় ও চারজন ক্যাডারকে গুলি করে হত্যা করে। সেসময় সংশোধনবাদী ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ও গুপ্তচর গুইদো রোসাকে বর্জন করার বিষয়টি নিয়ে রেড ব্রিগেডের সাথে সংশোধনবাদী ইতালি কমিউনিস্ট পার্টির (PCI) জীবনমরণ সংগ্রাম চলছিল।

 

3

 

আন্নামারিয়া লুদমান (০৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ – ২৮শে মার্চ ১৯৮০) – ধনী পরিবার হতে আসা রেড ব্রিগেডের রাজনৈতিক কর্মী ।

 

4

 

রবার্ট ডুরা ( ১২ ই সেপ্টেম্বর ১৯৫০ – ২৮ শে মার্চ ১৯৮০) –ইস্পাত কারখানার শ্রমিক ও Lotta Continua, LC (The Continuous Struggle) এর প্রাক্তম সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে রেড ব্রিগেডের সদস্য হিসেবে এর নির্বাহী কমিটিতে কাজ করেন।

5

 

লরেঞ্জো বেটাসসা (৩০শে মার্চ, ১৯৫২- ২৮শে মার্চ, ১৯৮০)ঃ ফিয়াট গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী। তিনি রেড ব্রিগেডের অনেক সশস্ত্র হামলায় জড়িত ছিলেন।

6

পিয়েরো পাঞ্চিয়ারেল্লি (২৯শে অগাস্ট ১৯৫৫- ২৮শে মার্চ, ১৯৮০) – ল্যান্সিয়া গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও সত্তরের দশক থেকে রেড ব্রিগেডের ক্যাডার। তিনি ১৯৭৮ সালের ৯ই মে আন্ডারগ্রাউণ্ডে চলে যান।

 

সুত্র – signalfire.org 


ভারতের গণযুদ্ধে শহীদ নারী (৩), কমরেড লোথা রাজেশ্বরী

maoists-danger-in-india

কমরেড লোথা রাজেশ্বরী

কমরেড লোথা রাজেশ্বরী ইস্টার্ন ঘাটের পশ্চাদপদ বাগতা জাতির মেয়ে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার গ্যাল্লিকোন্ডা গ্রামে তার জন্ম। তিনি ১৭ বছরেরও কম বয়সে ১৯৮৫ সালের জানুয়ারী মাসে সশস্ত্র  কৃষক গেরিলা স্কোয়াডে যোগ দেন। কিন্তু তার বাবা-মা প্রথমে তাকে এই বলে নিরস্ত্র করতে চাইল যে এত অল্প বয়সে গেরিলা জীবনের কঠোরতা সহ্য করা অত্যন্ত কস্টকর হবে। কিন্তু তিনি যুক্তির মাধ্যমে তাদের বোঝাতে সক্ষম হলেন যে, যেখানে সমতলের তরুণ ছেলেমেয়েরা পাহাড়-পর্বত ও অরণ্যের কঠিন জীবনকে অতি সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হচ্ছে সেখানে পাহাড়ী এলাকায় জন্মে ও লালিত হয়ে এসব সামলে নেয়া তার পক্ষে সহজতর হবে। বাহিনিতে যোগ দিয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি লিখতে ও পড়তে শিখলেন। তিনি আদিবাসীদের কাছে তাদের নিজস্ব ভাষা ও প্রবচন দিয়ে রাজনৈতিক বিষয়াদি ব্যাখ্যা করতেন। তিনি জনগণকে সংগঠিত করতে খুবই দক্ষ ছিলেন। জুথির মতো জনপ্রিয় লোথা রাজেশ্বরী অল্পকালের মধ্যেই আদিবাসী নারীদের অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেন, কারণ তিনি সমাজে নারীদের উপর বিদ্যমান পশ্চাদপদ আদিবাসী রীতিনীতি ও পারিবারিক নিপীড়নের মতো বিষয়গুলি তাদের নিজেদের ভাষায় প্রবাদ প্রবচন ব্যবহার করে বাস্তব অবস্থার ব্যাখ্যা করে তাদের সংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও চালিত করতেন।

   ১৯৮৫ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর বুরুগু পাকালা গ্রামের পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে ঘুমন্ত স্কোয়াডকে পুলিশ বাহিনী এক বিশ্বাসঘাতকের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসে ঘিরে ফেলে। চারজন কমরেড সরে পড়ার সুযোগ নিতে সক্ষম হন। কমরেড রাজেশ্বরী সমেত ৫ জন গেরিলাকে পুলিশ ধরে গাছের সাথে বেধে ফেলে এবং নির্যাতন চালিয়ে গুলি করে হত্যা করে। একই এলাকায় এ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটিশ শাসকরা অ্যালুরি সীতারামারাজুকে গুলি করে হত্যা করেছিল।

    আদিবাসী জীবনের পশ্চাদপদতা, শিক্ষাদীক্ষায় অনগ্রসরতা, তরুণ বয়স কোন কিছুই কমরেড রাজেশ্বরীকে মুক্তি সংগ্রামের অটল উদ্যম থেকে বিরত করতে পারেনি। মাত্র ৮ মাস সময়কালের স্বল্প পরিসরে নিজের জীবন দিয়ে কমরেড রাজেশ্বরী বাস্তবে প্রমাণ করেন যে, কেউ অধ্যবসায় দ্বারা শ্রেষ্ঠ যোদ্ধার দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম, যদি তিনি অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে দৃড়প্রতিজ্ঞ, তাদের জন্য কমরেড রাজেশ্বরী এক চির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সুত্র

http://bannedthought.net/India/CPI-Maoist- Docs/Women/WomenMartyrsNaxalbariTo2010-Vol-1.pmd.pdf


torino-2-8ee09

 

 

২০০২ সালে শ্রম বাজার পুনর্গঠন উপদেষ্টা মারকো বিয়াগিকে খতমের অভিযোগে The Red Brigades-Communist Combatant Party (Italian: Brigate Rosse) এর মারকো মাৎজাসালমা, রবার্তো মোরান্দি ও নাদিয়া লিয়োসিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে তুরিনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

সুত্র- Via Riscossa Proletaria per il Comunismo


ইকুয়েডরে ব্রাজিলিয়ান মাওবাদী যোদ্ধাদের প্রতি সংহতি –

 

Libertad-Igor-fdlp-ec-723x1024

libertad-Igor-1-1024x682

libertad-Igor-2-1024x682

Libertad-Igor-3-1024x577

Libertad-Igor-4-1024x768

Libertad-Igor-5-1024x768

Libertad-Igor-6-1024x682

Libertad-Igor-Amanecer-universitario

Como no podía ser de otra manera, el proletariado y pueblo del Ecuador han plegado a la campaña internacional en demanda a la libertad de Igor Méndes y demás presos políticos en Brasil. En una sostenida campaña que tuvo tres componentes en tiempo-acción, se realizaron un sinnúmero de pintas y la pega-entrega de miles de hojas volantes y afiches en distintas ciudades del país. Es importante resaltar que en esta campaña participaron de manera activa el Frente Femenino Popular, las organizaciones de estudiantes de la Universidad Técnica de Ibarra y de la Universidad Central en Quito, así como la importante participación de la Brigada “Cleomar Rodrígues de Almeida” que se sumó a esta tarea internacionalista.

Le necesidad de difundir a los pueblos del mundo la falsa ilusión constitucionalista sobre la que se apoya la reformista Dilma Rousseff y la cruenta campaña que viene desplegando no solo contra jóvenes estudiantes que se manifiestan en contra del camino burocrático y la expresiones fascistas del régimen, sino también en contra de la sevicia con la que está obrando el gobierno y el estado persiguiendo, encarcelando y asesinando a los campesinos pobres del Brasil. Manifestamos la firme decisión del proletariado y pueblo del Ecuador de mantenerse en permanente alerta y combate al protervo régimen de Dilma Rousseff quién coludido con el imperialismo y con los regímenes títeres que mimetizados en el falso discurso revolucionario llevan adelante reestructuraciones de los viejos estados para evolucionar las formas de explotación y sometimiento a las masas trabajadoras y oprimidas.

EL PROLETARIADO Y PUEBLO DEL ECUADOR DEMANDA LA INMEDIATA LIBERACIÓN DE LOS PRESOS POLÍTICOS EN BRASIL.

Via FDLP

 

সূত্র –  signalfire.org


ভারতের গণযুদ্ধের সমর্থনে আন্তর্জাতিক কমিটি সংবাদ –

ic

১। The International Committee to Support the People’s War in India –ICSPWI (ভারতের গণযুদ্ধের সমর্থনে আন্তর্জাতিক কমিটি) বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ও সম্ভাব্য সময়সূচী অনুযায়ী যে কোন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমর্থকদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্পেইনকে অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে এ কমিটির সমর্থকদের ও ভারতের গণযুদ্ধের সকল আন্তর্জাতিক সমর্থকদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছে।

২। ICSPWI সকল সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিক্ষোভে ও মে দিবসের সমাবেশে গণযুদ্ধের প্রতি আন্তর্জাতিক ঐক্যের উপস্থিতিকে আহ্বান জানাচ্ছে।

৩। ICSPWI আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গৃহীত -‘ভারতীয় জনগণের জন্য যুদ্ধ নয়’-শীর্ষক অগ্রবর্তী প্রচেষ্টাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। তাদের এই পরিকল্পনা প্রয়োজনীয় দ্রুততার সাথে সফল বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের যে কেউ যদি আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে আমরা আবারো আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে আহ্বান জানাচ্ছি।

৪। ICSPWI ঘোষণা করছে যে এর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ নতুন প্রকাশনাসমূহ বের করা হবে যা চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে গণযুদ্ধের প্রতি সমর্থন সৃষ্টিতে কৌশলগত দিক থেকে মূল্যবান এবং উন্নয়ন ও জ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি কার্যকরী মাধ্যম হতে পারে।

৫। ICSPWI আগামী ২১শে জুন উত্তর ইতালিতে সকল সমর্থক সংগঠনগুলোর জন্য উন্মুক্ত একটি পূর্ণাঙ্গ সভা অনুষ্ঠিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

ICSPWI

csgpindia@gmail.com

২৩-০৩-২০১৫

p1-en

সুত্র– signalfire.org