বাংলাদেশঃ আগামীকাল রানা প্লাজা হত্যাযজ্ঞের দুই বছর- ৩টি প্রতিবাদী সমাবেশের সময়সূচী

11149299_954630541248902_3091466300052066861_n

 

1508034_10153252965325513_882100682705781667_n

 

10922725_1573749032876081_2732563769973564834_n

গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে –

শ্রমিক হত্যাকারী শোষকদের জোট-মহাজোটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

রানাপ্লাজা, তাজরিন্সহ সকল শ্রমিক হত্যার বিচার চাই!
২৪ এপ্রিল সকল কারখানা ছুটি চাই!
‘রানাপ্লাজা শ্রমিক হত্যা দিবস’ পালন করুন!
শ্রমিক জনতা জোট গড়
জোট-মহাজোট উৎখাত কর!-


—————–সমাবেশ——————
২৪ এপ্রিল ২০১৫ শুক্রবার, বিকেল ৪টা, শাহবাগ।
গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটি।
যোগাযোগঃ ০১৭১৩১২৩৭৯৪, ০১৯৩৭১২০৭৮৮, ০১৬৮০৭৪০১৯৮


বাংলাদেশঃ রানা প্লাজায় হত্যাযজ্ঞের দুই বছর- প্রতিবাদী পথ সমাবেশ

11149299_954630541248902_3091466300052066861_n


কমরেড সব্যসাচী গোস্বামীর নির্বাচিত রাজনৈতিক ছোট গল্প (২)- “মুক্তি চাই ও শ্লোগান”

কমরেড সব্যসাচী গোস্বামীর নির্বাচিত রাজনৈতিক ছোট গল্প ()- মুক্তি চাই ও শ্লোগান

 

ডাউনলোড করুন –

দুটি গল্প মুক্তি চাই ও শ্লোগান 

 

লেখক পরিচিতি

সব্যসাচী গোস্বামী। একজন আদর্শনিষ্ঠ বাম রাজনৈতিক আন্দোলনকর্মী। কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক। সত্তরের অস্থির রাজনৈতিক বাতাবরণে সব্যসাচীর জন্ম। বাবা-মার উদারপন্থী মনোভাব ও বাড়ির রাজনৈতিক পরিমণ্ডল তাঁর মানসিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছাত্রাবস্থা থেকেই প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি কোনও মোহ ছিল না। তাই মেধাবী হলেও, বিদ্যালয়ের বাঁধাধরা পঠনপাঠনে ছেলেবেলা থেকেই তেমন মন ছিল না। স্বজন-পরিজনদের অনেকেই ভেবেছিলেন যে বড় হলে হয়তো কেরিয়ারের প্রতি সচেতন হয়ে যাবেন, যেমনটা সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু সব্যসাচীর ক্ষেত্রে তেমনটা ঠিক ঘটে নি। ফলে বড় হয়েও প্রচলিত শিক্ষাতে কিছুটা সচেতনভাবেই অমনোযোগী রয়ে গেলেন। সাহিত্যের প্রতি নিবিড় অনুরাগে ধীরে ধীরে তিনি প্রগতিশীল সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। লেখেন অসংখ্য কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ।

যৌবনের শুরুতেই মার্ক্সীয় রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হতে শুরু করেন। ছাত্র বয়সেই প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। পরবর্তীকালে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট (আরএসএফ) – এর নেতা হিসেবে তিনি সর্বভারতীয় বিপ্লবী ছাত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া রেভ্যালিউশনারি স্টুডেন্টস্‌ ফেডারেশন’ (এআইআরএসএফ) – এর সাথে যুক্ত হন। ক্রমে ক্রমে রাজনীতি করাটা জীবনের সর্বোচ্চ কাজ বলে মনে হতে থাকে। এই নিয়ে পরিবারে বিতর্ক হলেও তিনি বলিষ্ঠভাবে মার্ক্সীয় মতাদর্শকে সামনে রেখে নিজের যুক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতেন। ছাত্রজীবন শেষ হলে আর পিছন ফিরে তাকানোর অবকাশ ছিল না, ততদিনে তিনি ছাত্র রাজনীতির সীমানা ছাড়িয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিতপ্রাণ এক কর্মী। মাওবাদী রাজনৈতিক আন্দোলনের মতাদর্শকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করে পার্টির জন্য সর্বক্ষণ কাজ করে যাওয়াটাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে স্থির করে ফেলেন।

২০০৫ সালের ১৭ মে উত্তর কলকাতার দেশবন্ধু পার্ক থেকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ ও মাওবাদী পার্টির সদস্য হওয়ার অভিযোগে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। একাধিক ভুয়ো সাজানো মামলায় জড়িয়ে তাঁকে প্রথমে পুরুলিয়া জেল, পরে ঝাড়গ্রাম, দমদম জেল ঘুরিয়ে কৃষ্ণনগর জেলে বন্দি করে রাখা হয়। কারাগারের বাইরে তিনি শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার সংগ্রামে সামিল ছিলেন। জেলের মধ্যেও তিনি তাঁর কমরেডদের সাথে একজোট হয়ে একই লড়াইতে সামিল ছিলেন। তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প লিখে জেলের চার দেওয়ালের বেড়া টপকে বাইরে পাঠাতেন। বিভিন্ন প্রকাশনা লেখাগুলি ছেপেছেন। তাঁর দু’টি কাব্যগ্রন্থই কারারুদ্ধ থাকাকালীন প্রকাশিত হয়েছে। সব্যসাচী দীর্ঘ ছয় বছর জেলে বন্দি ছিলেন। সম্প্রতি আদালতের রায়ে পুলিশের আনা সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি মুক্তি পান।

সব্যসাচীর চরিত্রের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো ওঁর নির্ভীকতা, দৃঢ়তা, বলিষ্ঠতা ও সমাজ-রাজনীতি-অর্থনীতি-সংস্কৃতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি। গঠনমূলক কাজে সবসময় মেতে থাকতে ভালোবাসেন। বিজ্ঞান ক্লাব গঠন, বিজ্ঞান প্রদর্শনীর আয়োজন, লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশ, কবিতা-গান-নাটক চর্চা প্রভৃতি কাজে নেতৃত্ব দিয়ে অল্প বয়স থেকেই সব্যসাচী খুব সহজেই সকলের মন জয় করে নেন।

প্রগতিশীল রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে একাত্মতা সব্যসাচীর চেতনার স্তরকে করেছে উন্নত, যা তাঁর লেখার বিষয়বস্তু নির্বাচনে ও প্রকাশভঙ্গিতে সুস্পষ্ট। বয়সে তরুণ হলেও তাঁর কবিতাগুলির ভাবগভীরতা, মননশীলতা, জীবন ও জগৎ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ঋজু বলিষ্ঠতা পাঠককে আকৃষ্ট করে, মুগ্ধ করে। তাঁর প্রকাশিত কবিতা সংকলন ‘এই সংলাপ ব্যক্তিগত’(২০০৯) এবং ‘প্রতীক্ষায়, প্রসব যন্ত্রণায়…’(২০১০) বইদুটি ইতিমধ্যেই বিদগ্ধ পাঠক সমাজের কাছে সমাদৃত হয়েছে। কবিতা ছাড়াও গল্প ও প্রবন্ধ রচনাতেও তাঁর বলিষ্ঠ কলম পাঠক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিনে সব্যসাচীর লেখা কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হয়।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : ‘গণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ থেকে প্রকাশিত ‘এই সংলাপ ব্যক্তিগত’ এবং ‘নিউ হরাইজন বুক ট্রাস্ট ‘থেকে প্রকাশিত ‘প্রতীক্ষায়, প্রসব যন্ত্রণায়…’ কাব্যগ্রন্থ দুটির লেখক পরিচিতি

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ

এই সংলাপ ব্যক্তিগত
প্রকাশক : গণ প্রতিরোধ মঞ্চ
প্রথম প্রকাশ : কলকাতা বইমেলা, ২০০৯

প্রতীক্ষায়, প্রসব যন্ত্রণায়…
প্রকাশক : নিউ হরাইজন বুক ট্রাস্ট
প্রথম প্রকাশ : কলকাতা বইমেলা, ২০১০ 

‘প্রতীক্ষায়, প্রসব যন্ত্রণায়…’ কাব্যগ্রন্থটির প্রাপ্তিস্থান
নিউ হরাইজন বুক ট্রাস্ট
৫৭/১ পটুয়াটোলা লেন,
কলকাতা – ৭০০ ০০৯

 


ভারতঃ জমি বিলের প্রতিবাদে দিল্লিতে আপের সভায় গাছে ঝুলে আত্মহত্যা এক কৃষকের

farmer-attempts-suicide-aap-anti-land-bill-rally-jantar-mantar-delhi-16190491

এবার দেশের রাজধানী দিল্লিতে কৃষকের আত্মহত্যা। জমি বিলের প্রতিবাদে জন্তর মন্তরে আম আদমি পার্টির সমাবেশে গলায় দড়ি দিয়ে গাছে  ঝুলে পড়ে আত্মঘাতী হলেন এক কৃষক।

হাসাপাতালে নিয়ে গেলে ওই কৃষককে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।  ফসলের ক্ষতির কারণেই তাঁকে আত্মঘাতী হতে হল বলে সুইসাইড নোটে জানিয়েছেন ওই কৃষক। রাজস্থানের বাসিন্দা গজেন্দ্র নামের ওই কৃষক এত লোকের সামনে কী করে গাছে উঠে আত্মহত্যা করলেন তাই নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক দলের মধ্যে  তরজা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অভিযোগ পুলিস ওই কৃষককে আত্মঘাতী হওয়া থেকে ঠেকানোর কোন চেষ্টাই করেনি। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলেচর অভিযোগ ওই কৃষক যখন আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন তখন আপের সভা চলা সত্ত্বেও তাঁকে গাছ থেকে নামানোর চেষ্টা আপের লোকেরা করেনি। দেশজুড়ে কৃষকদের আত্মহত্যার মিছিল চললেও নেতাদের কোন চিন্তা আছে বলে মনে হয় না, তাঁরা শুধু ভাষণ দিয়েই খালাস।

সুত্র – http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2133-2015-04-21-08-16-01


১১ দিন ধরে বুক পানিতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন ভারতের কৃষকেরা –

873505-protestst-1429612083-429-640x480

মধ্য ভারতের কৃষকেরা তাদের পানিতে তলিয়ে যাওয়া ভূমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বুক সমান পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমিতে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। গত মঙ্গলবার  অন্তত ৩০ জন কৃষক তাদের পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমিতে অবস্থান নেয়ার ১১ দিন অতিবাহিত করেছেন।  মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খান্ডোয়া জেলার নর্মদা নদীর বাঁধের কারণে কৃষকদের জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। কৃষক রাজা রাম বলেন, “মৃত্যুবরণ করলেও আমি পানি থেকে নড়ব না। আমি আমার জমিতে দাঁড়িয়ে আছি যেটা এখন একটা হ্রদে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। সরকার আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে”। রাম বলেন, “আমরা চাই অতি দ্রুত পানির স্তর নীচে নামিয়ে আমাদের জমি ফিরিয়ে দেয়ে হোক”। বাঁধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নর্মদা নদীতে তলিয়ে যাওয়া কৃষকদের জমি অধিগ্রহণে করা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এক দল পুরুষ ও নারী কৃষক এগারো দিন ধরে প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছেন।  প্রতিবাদ আন্দোলনে যুক্ত একজন কর্মী জানান, প্রতিবাদকারী কৃষকদের অনেকের চর্মরোগ  ও জ্বর দেখা দিয়েছে।

সূত্রঃ http://tribune.com.pk/story/873505/protesting-indian-farmers-stand-in-chest-deep-water-for-11-days/