ভারতঃ মাওবাদীদের সহায়তা দিচ্ছে এনজিও, দাবী করল পুলিশ

images (3)

রাজ্য ও তামিলনাড়ু পুলিশ জানিয়েছে ভারতের মাওবাদীরা (সিপিআই- মাওবাদী) কিছু সামাজিক কর্মী, এনজিও, মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের থেকে সক্রিয় সহায়তা পাচ্ছে এবং নিজেদের পুনর্বিন্যাস করছে। এক উর্ধ্বতন গোয়েন্দা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, “তামিলনাড়ুতে কোন মাওবাদী কার্যক্রম নেই এ ধরনের তথ্য তুলে ধরার ব্যাপারে কিছু সাংবাদিকের অতি উৎসাহে আমরা অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছি। আমরা জানি যে মাওবাদীরা রাজ্যে সক্রিয় এবং তারা সকল দলিত সম্প্রদায়ের তরুণদের তাদের পতাকার নীচে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। গত দুই বছরে মাওবাদীরা ও তাদের ফ্রন্ট সংগঠনগুলো বিভিন্ন স্থানে অনেকগুলো প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।” ইতোমধ্যে, কয়েকদিন আগে কোয়েম্বাটোর থেকে পাঁচজন মাওবাদীর গ্রেফতারের ঘটনায় তামিলনাড়ু সরকার ইরোদ, কোয়েম্বাটোর ও নীলগিরি জেলায় মাওবাদী দমন অপারেশন জোরদার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক বিভাগে একজন করে সাব-ইনস্পেক্টর ও সাতজন কনস্টেবল আছে। তাদের প্রধান কাজ হল জঙ্গল এলাকায় মাওবাদী কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করা।

সূত্র- http://www.dailypioneer.com/nation/maoists-being-helped-by-ngos-police.html

Advertisements

যুক্তরাষ্ট্রে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা

file (1)

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয় এক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

শনিবার মিসিসিপির হ্যাটিসবার্গে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় টেলিভিশন স্টেশন ডাব্লিউডিএএম জানিয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশেরই একটি গাড়ি নিয়ে গুলিবর্ষণকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরে স্থানীয় একটি রেল গুদামের কাছে পুলিশের গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ডাব্লিউডিএএম জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের খোঁজে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে।

এলাকাটি মিসিসিপির জ্যাকসন শহর থেকে ১২৯ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে পুলিশের এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি, অপরদিকে হ্যাটিসবার্গ পুলিশ বিভাগের সঙ্গে ঘটনা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগও করা যায়নি।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ি, গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তাদের হ্যাটিসবার্গের ফরেস্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবেদন দেওয়া ডাব্লিউডিএএম-র সাংবাদিক রায়ান মুর এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছেন, একটি ট্র্যাফিক সিগন্যালে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হন, এরপর সন্দেহভাজন গুলিবর্ষণকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/world/article966196.bdnews


মোদীর সফরে মাওবাদী হাতে আটক ২৫০, মুক্তি, জনতার আদালতে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

2afeab2c-6f96-4d23-8a29-b70f89aa5714wallpaper1

কথিত উন্নয়নের বার্তা নিয়ে এ বারে মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তিনি গিয়ে ওঠার আগে রাত থেকেই কমপক্ষে দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে রেখে মাওবাদীরা বুঝিয়ে দিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের উপরে তাদের আদৌ আস্থা নেই। মাওবাদীদের দাবি, এলাকার ভূ-সম্পদ লুঠ করে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়াই এই দুই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ দিন রাতে ওই গ্রামবাসীদের ছেড়ে দিলেও, মাওবাদীরা ‘জন আদালত’-এ বিচার করে এক জনকে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মোদীর সভাস্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জিরম উপত্যকায়। দু’বছর আগে ঠিক এখানেই কংগ্রেসের কনভয়ে বড়সড় হামলা চালিয়ে বেশ কয়েক জন নেতাকে হত্যা করেছিল মাওবাদীরা।

ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদী অধ্যুষিত দন্তেওয়াড়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ গিয়েছিলেন রাজীব গাঁধী। এর তিন দশক পরে গেলেন মোদী। কলকাতায় যাওয়ার আগে তাঁর এই সফরের লক্ষ্য ছিল দুটি: এক, মাওবাদী অধ্যুষিত এই একটি জেলাতেই ২৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পৌঁছে দেওয়া। যে প্রকল্পে ইস্পাত কারখানা থেকে রেল লাইন পাতা হবে। দুই,  মাওবাদীদের সুস্থ জীবনে ফেরার বার্তা দেওয়া।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই মাওবাদীরা বয়কটের ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, সুকমা জেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, শুধুই দেশি-বিদেশি কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ এই সব প্রকল্প ঘোষণা করছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠ করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। সেই কারণেই কেন্দ্র জমি বিল আনতে চাইছে। বস্তারে হচ্ছে সেনা প্রশিক্ষণ স্কুলও। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি তাই কেন্দ্রের ‘ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের সরকার’-এর বিরুদ্ধে সংগঠিত জঙ্গি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দন্তেওয়াড়ায় শান্তি-বার্তা দিয়ে মোদী কলকাতায় পৌঁছে গেলেও রমন সরকারের মাথাব্যথা হয়ে ওঠে আটক করে রাখা গ্রামবাসীদের মুক্তির বিষয়টি। আলোচনার পথেই তাঁদের মুক্ত করার চেষ্টা চালাতে থাকে রাজ্য প্রশাসন। রাতে এক জন বাদে সবাইকেই ছেড়ে দেয় মাওবাদীরা। সদারাম নাগ এক জন শুধু জীবিত ফেরেননি। ‘জন আদালতে দোষী’ হওয়ায় মাওবাদীরা তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

images (2)

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাওবাদী মোকাবিলার পথ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ইউপিএ আমলের এই নীতি থেকে অনেকটাই সরে এসে রাজনাথ সিংহের অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি খসড়া নীতিও তৈরি করে। যেখানে বলা হয়, দরকারে স্থলসেনা ও বায়ুসেনাকেও মাওবাদী মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে। এই খসড়া সমালোচনার ঝড় তোলে। দেশের সেনাকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে বন্দুক তুলতে নির্দেশ দেওয়া যায় কি না, এ নিয়ে বিতর্ক হয় বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে মোদী আজ মাওবাদী গড়ে গিয়ে যে ভাবে উন্নয়নের কথা বললেন, সেখানকার মানুষের দুঃখ-বেদনা বোঝার কথা বললেন, তাতে স্পষ্ট, কেন্দ্র এখন দ্বিমুখী রণকৌশল নিয়েই এগোতে চাইছে। এক দিকে কড়া হাতে মাওবাদী মোকাবিলার প্রস্তুতি চালানো। এর পাশাপাশি, উন্নয়নের মাধ্যমে মাওবাদীদের থেকে সাধারণ মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

মোদী এই সফরে দু’টি কাজই করতে চাইলেন। চলতি বছরে এপ্রিল পর্যন্ত ছত্তীসগঢ়ে ১৮৮টি মাওবাদী হামলা হয়েছে। নিহত ৪৬ জন। এই অবস্থায় মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান ও গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করলেন। আর তাঁর বক্তব্যে জোর পেল দ্বিতীয় পথটি।

সূত্রঃ

http://www.hindustantimes.com/india-news/pm-modi-to-visit-dantewada-today-maoists-call-for-bandh/article1-1345390.aspx


গত ১৫ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের হাতে ১৫০০ জনের প্রাণহানি

images

USA

 

images (1)

 

 

সূত্রঃ

http://www.vocativ.com/news/190536/what-16-months-of-police-killings-in-the-u-s-looks-like/


“WE SHALL OVER COME-আমরা করবো জয়”- গানের সুরকার কারাওয়ানের জীবনাবসান

a


দোষী সলমন জামিন পায়, অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে দোষ না করেও জেলে পচতে হয়

yhg

সলমন খান মত্ত অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ মারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও সাজা না কেটে জেলে থাকেন অথচ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে ১ বছর ধরে জেলে পচতে হচ্ছে। গত বছর মে মাসে তাঁর দিল্লির ফ্ল্যাট থেকে কার্যত অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় সাইবাবাকে। এর পর জানা যায় মহারাষ্ট্র পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করেছে। সাইবাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কোন মাওবাদী নেতাকে কম্পিউটার চিপ দিয়েছিলেন। অভিযোগ মাত্র, তাঁর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ এখনও প্রমাণ  হয়নি। তা সত্ত্বেও ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী  এই অধ্যাপককে  রাখা হয়েছে কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মত ৩ লক্ষের বেশি বিচারাধীন বন্দি সারা দেশে জেলে পচে মরছেন। এই বিষয় বিস্তারিত একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে কাফিলা(kafila) ওয়েবসাইটে।

সুত্রঃ http://kafila.org/2015/05/10/much-better-to-run-over-the-poor-than-to-speak-up-for-them/#more-25354