ভারতঃ মুখ্যমন্ত্রীকে চরম সাজার হুমকি মাওবাদীদের

file

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীকে চরম সাজা পেতে হবে। ছত্রধর মাহাতোর যাবজ্জীবন সাজা হওয়ার পর জেল থেকেই হুমকি দিলেন ১২ জন মাওবাদী। প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ১২ জন মাওবাদী এই হুমকি দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, জেল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি পাঠাচ্ছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই অনশন শুরু করেছেন ১২ জন। তাদের অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক করেছেন ছত্রধরের সঙ্গে। আর ক্ষমতায় আসার পর তাকেই শাস্তি দিচ্ছেন।

ছত্রধর রাষ্ট্রদ্রোহী হলে আপনিও রাষ্ট্রদ্রোহী, ক্ষমতায় আসার আগে ছত্রধরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ক্ষমতায় এসে  বিশ্বাসঘাতকতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী । স্মারকলিপিতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে এই কথা লিখেছেন মাওবাদী বন্দিরা। শুধু আপনার জন্য পরিবর্তন আসেনি বলে স্মারকলিপিতে দাবি মাওবাদী বন্দিদের। মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জেলবন্দি মাওবাদীরা জানিয়েছে এর জন্য তাঁকে চরম ফল পেতে  হবে।

অন্যদিকে, ছত্রধরও সাজা ঘোষণা হওয়ার পর একই কথা বলেছেন। ছত্রধরের মতে তাঁর সঙ্গে বর্তমান শাসক দলের লোকেরও যোগ ছিল। তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রয়োজন ফুরোতেই তাকে সাজা দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন ছত্রধর।

সুত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/cm-threatened-by-maoist.html


ভারতের মাওবাদী ও শ্রমজীবী শ্রেণী

Noyyal_2401266f

                         তিরুপুরে নোয়াল নদী তীরবর্তী একটি বস্তি, এখানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বসবাস করে

এম গোপালকৃষনান এর লেখা মানারকাদিগাই’ (Manarkadigai) উপন্যাসটি সম্ভবত তিরুপুরের রূপান্তর নিয়ে লেখা প্রথম সাহিত্য। এম গোপালকৃষনান বলেন, “বর্তমান সময়ে তিরুপুরের শ্রমজীবী শ্রেণীর একটি বড় অংশ এসেছে অন্যান্য রাজ্য থেকে। কারখানার মালিকদের প্রয়োজন শ্রমিকের, শ্রমিকদের অতীত খতিয়ে দেখার মতো সময় তাদের নেই। তিরুপুর শহরের নিজস্বতা বলতে এখন আর কিছু নেই, যে কেউ পরিচয়পত্র ছাড়াই এখানে বসবাস করতে পারে।” তবে সিপিআই (মার্কসবাদী) এর দক্ষিণ তিরুপুরের বিধানসভার সদস্য থাংগাভেল বলেন, জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে শ্রমিকদের সচল করতে পারাটা  ট্রেড ইউনিয়ন কর্মীদের পক্ষে যেখানে একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়  হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে মাওবাদীদের পক্ষে ক্যাডার সংগ্রহ করা অসম্ভব ব্যাপার। থাংগাভেল বলেন, “তিরুপুরে স্থানীয় জনগণের চাইতে অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা লোকসংখ্যা বেশী, একারণে রাজনৈতিক পুস্তিকা সহ অন্যান্য প্রচারণামূলক কাগজপত্র আমাদেরকে হিন্দিতে ছাপাতে হয়। কাজের বাইরে অন্য কিছুর পিছনে ব্যয় করার মতো সময় শ্রমিকদের খুব কম থাকে।”

(সংক্ষেপিত)

সূত্রঃ

http://www.thehindu.com/news/national/tamil-nadu/tirupur-in-throes-of-radical-changes/article7189409.ece?ref=tpnews