ভারতঃ মাওবাদীদের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিস্তারিত খোঁজখবর সংগ্রহ করছে পুলিশ

download
কানপুরঃ সম্ভাব্য মাওবাদী হামলা ঠেকাতে কেরালার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ মাওবাদী হামলার ব্যাপারে জোরদার তদন্ত চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মাওবাদীদেরকে প্রকাশ্যে ও গোপনে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে স্থানীয় পুলিশ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চকে । এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মী ও বাম মতাদর্শিক সংগঠনগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ব্যক্তিদের উপর কড়া নজরদারী রাখছে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোর মাধ্যমে সমর্থন প্রদানকারী, অর্থনৈতিক ভাবে সহায়তা প্রদানকারী এবং অতীতে মাওবাদী দলের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল এমন ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান করে দেখছে পুলিশ।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকজন সরকারী কর্মকর্তা মাওবাদীদের সহায়তা করছে এবং বেশ কয়েকজন আঞ্চলিক রাজনৈতিক নেতা সহ সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ তাদেরকে আশ্রয় দিচ্ছে। কারাগারে বন্দী মাওবাদীদের আত্মীয় স্বজন ও অভিবাসী শ্রমিকদেরকেও পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হচ্ছে।

সূত্রঃ
http://www.kaumudi.com/innerpage1.php?newsid=64531

Advertisements

ভারতঃ আনাগোনা বাড়ছে মাওবাদীদের, ‘খোকাদা’কে নিয়ে বিভ্রান্ত পুলিশ

300845-naxals-6565

ছত্রধর মাহাতোর সাজাকে ঢাল করেই কি জঙ্গলমহলে ফের নিজেদের জমি তৈরির কাজে নেমে পড়ল মাওবাদীরা? গত তিন-চারদিনে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় হঠাত্‍ করেই মাওবাদী তত্‍পরতা বেড়ে যাওয়ায় এমন আশঙ্কাই করছেন গোয়েন্দারা৷ এক সময় মাও অধ্যুষিত বেলপাহাড়ি, লালগড়ে এখন ঝাড়খণ্ড থেকে মাঝে মধ্যেই ঢুকছে ছয়-সাতজনের সশস্ত্র স্কোয়াড৷ এদের নেতৃত্বে থাকছেন মাওবাদী কমান্ডার রঞ্জিত পাল৷ দীর্ঘ সময় পুরুলিয়ার অযোধ্যা স্কোয়াডের দায়িত্বপ্রান্ত রঞ্জিত কাজও শুরু করেছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন জঙ্গল এলাকায়৷

শুক্রবার এক গোয়েন্দা কর্তা জানান, ‘বর্ষা এগিয়ে আসছে, সুতরাং জঙ্গল আরও গভীর হচ্ছে৷ সেই সুযোগটা নেওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরা৷ শুধুমাত্র পশ্চিম মেদিনীপুরের অন্তত পাঁচ জায়গায় মাওবাদীদের আনাগোনার খবর জানতে পেরেছি আমরা৷ কিন্তু সব কটা খবরই এসেছে ওরা গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার পর৷ এটাই উদ্বেগের৷’ জানা গিয়েছে, গোয়েন্দাদের উদ্বেগ বেড়েছে একটি অজানা নামকে ঘিরেও৷ বেলপাহাড়ি এলাকায় ‘খোকাদা’ নামে ওডিশার বাসিন্দা এক ব্যক্তি এসে সংগঠন বাড়ানোর কাজ শুরু করেছেন মাসখানেক আগে৷

এক গোয়েন্দা কর্তার ব্যাখ্যা, ‘এই অজানা নামগুলিকে নিয়েই সমস্যা৷ কারণ অনেক পরে হয়তো জানা যাবে ওই ব্যক্তি আসলে কে? এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০০০ সালের শুরুর দিকেও৷ সে সময় বেলপাহাড়ির পুকুরিয়া গ্রামে মাওবাদী নেতা কিষেণজি প্রথম সাংগঠনিক কাজ শুরু করেছিলেন ‘বিমলদা’ নাম নিয়ে৷ যখন আমরা জানতে পারি বিমলদাই আসলে কিষেণজি, ততদিনে অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে৷’ জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগের মতো আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে না মাওবাদীরা৷ আবার তারা প্রথম দিকের মতো ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান শুরু করেছে৷ গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, বেলপাহাড়ির ভূমিপুত্র হলেও মদন মাহাতোর কাজকর্মে মাওবাদী নেতৃত্ব খুশি নয়৷ ফলে তারা মদনকে সাংগঠনিক কাজ থেকে দূরে রেখেছে৷ ছত্তিসগড়ে গা ঢাকা দিতে চলে যাওয়া মহিলা নেত্রী তারাকেও ফিরিয়ে আনা হয়েছে ঝাড়খণ্ডে৷ এবং এই ঝাড়খণ্ডের সীমানাকেই ব্যবহার করা হচ্ছে এ রাজ্যে নতুন করে জমি তৈরির জন্য৷

শুক্রবার এক পুলিশ কর্তা বলেন, আসলে মাওবাদীরা জঙ্গলমহলে নতুন করে জল মাপতে চাইছে৷ বিভিন্ন পঞ্চায়েতে তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে গোলমালকে কতটা কাজে লাগানো যায় তা দেখতে দিনের বেলা গ্রামে ঢুকে আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেরিয়েও যাচ্ছে তারা৷ কমিটির বহু নেতা বাঁচার স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলেও তাদের অনেকেই পুরোনো মনোভাব পাল্টাতে পারেনি৷ তাদের গতিবিধির উপরেও নজরদারি চলছে৷ যেমন, লালগড় অঞ্চলে জনসাধারণের কমিটির এক প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ বাঁশতলায় রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানোর মতো ঘটনার পর সংগঠনের কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন৷ সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ফিরে এসে শাসকদলে নাম লেখান৷ এ ধরনের লোকেদের বিরুদ্ধেও মাওবাদীরা কৌশলে প্রচার শুরু করেছে৷ খুব সম্প্রতি রামগড়ে এক ঠিকাদারের কাজে অসন্ত্তষ্ট হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটকে রেখেছিলেন৷ পরে পুলিশ খবর পেয়ে আসায় তাদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়৷ দীর্ঘক্ষণ ঝামেলার পর সেই ঠিকাদারকে ছাড়া হয়৷ চলতি মাসের গোড়ায় বেলপাহাড়ির ভুলাভেদা পঞ্চায়েত অফিসে একশো দিনের কাজের টাকা না পেয়ে সরকারি কর্মীদের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে আটকে রাখেন গ্রামবাসীরা৷ এর পিছনেও মাওবাদীদের মদত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশকর্তাদের৷

জানা গিয়েছে, ছত্রধর মাহাতোর সাজা হওয়ার বিষয়টি নিয়েও জঙ্গলমহলে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাওবাদীরা৷ তাদের স্ট্র্যাটেজি, গ্রামের লোকেদের মধ্যে প্রচার করতে হবে যে উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলন করায় ছত্রধরকে সাজা দেওয়া হয়েছে৷ অথচ সেই আন্দোলনের জেরে উন্নয়ন যখন শুরু হল তখন শাসকদলের কিছু নেতারাই সব লুটে নেওয়ার চেষ্টা করছেন৷ আপাতত দলের তরফে এই প্রচারের দায়িত্ব পেয়েছেন রঞ্জিত পাল৷ ইতিমধ্যেই আজনাশুলি, আগুইবনির মতো জঙ্গল এলাকাগুলিতে যাতায়াত শুরু করেছেন তিনি৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসীর কথায়, দিন পনেরো আগে রঞ্জিত পাল আরও কয়েকজনকে গিয়ে আজনাশোলে এসেছিল৷ গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাবও দেয়৷ কিন্তু দশ-বারোজনের বেশি গ্রামবাসী সেই বৈঠকে যাননি৷

শুক্রবার জঙ্গলমহলের কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক কর্তা বলেন, ‘৬ মাস আগে মাওবাদী নেতা বিকাশ ওদলচুয়ায় ঢুকেছে বলে আমরা জানতে পারি৷ রাতে সেখানেই হানা দিয়েছিলাম৷ তবে তার পাঁচ মিনিট আগেই সে ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায়৷ আগে এ সব খবর দ্রুত আমাদের কাছে চলে আসছিল৷ এখনও খবর আসছে ঠিকই, কিন্তু বড্ড দেরিতে৷ এটাই আমাদের চিন্তা বাড়িয়েছে৷’

সূত্রঃ

 http://banglaheadline.com/2015/05/17/%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0/


পুঁজিবাদী ব্রিটেনে তিন মাসে ১১ হাজার পরিবার গৃহহীন

12


যুক্তরাষ্ট্রঃ বাল্টিমোর বিদ্রোহের থিম সং “RIGHT BACK” (মিউজিক ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ কর্তৃক নিহত কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ফ্রেডি গ্রে স্মরণে মিউজিক ভিডিও


ভারতঃ রাজস্থানে ট্রাক্টর চাপা দিয়ে নিম্নবর্ণের ৪ দলিতকে হত্যা করল উচ্চবর্ণের জাঠরা

rajdalit

রাজস্থানের নগৌর জেলায় জমির দখল ঘিরে উত্তেজনার জেরে উচ্চবর্ণের জাঠদের ট্রাক্টরের তলায় প্রাণ দিতে হল ৪ দলিতকে।

হামলার সময় দলিত মহিলাদেরও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। ৪০ বছর আগে  ১৫০০ টাকার বিনিময় ২৪ বিঘা জমি জাঠদের কাছে বন্ধক রাখে এক দলিত পরিবার। সেই জমি নিয়েই বিবাদের জেরেই ট্রাক্টর দিয়ে ৪ দলিতকে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে জাঠদের বিরুদ্ধে। বৃহষ্পতিবারের এই নারকীয় হত্যাকান্ড ফের দেখিয়ে দিচ্ছে প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও দলিত- আদিবাসীরা উচ্চবর্ণের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অথচ তাই নিয়ে কোথাও তেমন  কোন হইচই নেই। বৃহষ্পতিবারের ঘটনা জয়পুর থেকে মাত্র ২৫০ কিমি দূরে এক গ্রামের।

সুত্রঃ http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2276-2015-05-16-12-44-21


TKP/ML TIKKO(তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি-মার্কসবাদী লেনিনবাদী) এর গেরিলা ট্রেনিং- মে ২০১৫


MKP(মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি-তুরস্ক এবং উত্তর কুর্দিস্তান) এর সশস্ত্র শাখা, বসন্তকালীন-২০১৫ (ভিডিও)