ভারতঃ পুলিশি অভিযান বিহার-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে নারী মাওবাদীর মৃত্যু

images (2)

পুলিশের গুলিতে বিহার-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে এক নারী মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের আই জি (সিআরপিএফ) রাকেশ কুমার মিশ্র জানিয়েছেন, রবিবার সকালে বিহার-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকায় গয়া-হাজারিবাগ-চাত্রা জেলার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। তখনই মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াইয়ে এক নারী মাও কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন সকাল আটটা নাগাদ পুলিশি অভিযান শুরু হয়। পুলিশের কাছে আগে থেকেই খবর ছিল সকালের দিকে বিহার পার করে মাওবাদীদের একটি দল ঝাড়খণ্ডের দিকে যাবে। সেই মতো ২৫ জন মাওবাদীর একটি দল সীমান্ত পেরোনোর সময়েই অতর্কিতে হামলা চালায় পুলিশ।

সুত্রঃ http://www.jagarantripura.com/news/2015/05/7194


ভারতঃ হেলিকপ্টার বানাচ্ছে মাওবাদীরা, সঙ্গে IED বিস্ফোরক

HYPVSKPORTFOLIO55_jpg_689f

নিজস্ব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মাওবাদীরা হেলিকপ্টার বানাচ্ছে বলে দাবি করল সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)। এক্ষেত্রে মূলত তারা ব্যবহার করছে মোটরবাইকের ইঞ্জিন। শুধু হেলিকপ্টারই নয়, দূর নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরক (IED)-ও তারা তৈরি করছে বলে দাবি CRPF-এর।

গত সপ্তাহে বিহারের গয়ায় CRPF-এর হাতে ধরা পড়ে শীর্ষস্তরের তিন মাওবাদী সদস্য, যারা নিজেরাই হেলিকপ্টার ও রিমোট নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরক তৈরির চেষ্টা করছে বলে জেরায় জানতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র দেখেই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোটরবাইকের ইঞ্জিনের সঙ্গে আরও কিছু যন্ত্রপাতি জুড়ে microlight helicopter বানানোর চেষ্টা করছে মাওবাদীরা।

জিজ্ঞাসাবাদে মাওবাদীরা জানিয়েছে, তাদের তৈরি হেলিকপ্টারে দু-জন চাপতে পারবে। মাও অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে উড়বে এই হেলিকপ্টার। হিরো হোন্ডা বাইকের ইঞ্জিনই তারা ব্যবহার করছে। মাওবাদীদের হেলিকপ্টার তৈরির কোনও নকশা তাদের হাতে এসেছে কি না, এ বিষয়ে কিছু জানাতে চায়নি CRPF।

এর আগেও মাওবাদীরা একবার হেলিকপ্টার তৈরির চেষ্টা করেছিল। এমনকী রকেট তৈরির চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু, মাওবাদীদের সেই উদ্যোগ ফলপ্রসু হয়নি।

সুত্রঃ http://eisamay.indiatimes.com/nation/naxals-trying-to-build-helicopters-remote-controlled-explosives-show-documents-sources/articleshow/47331775.cms


বাংলাদেশঃ আগামীকাল ২০শে মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও–ছাত্র জোট।।ছাত্র ঐক্য

২০মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচী সফল করুন!

বর্ষবরণ উৎসবে যৌন নিপীড়নের বিচারের দাবীতে সংগঠিত হোন!

11150801_837577396318497_8447328817421630332_n
না! আমরা এই যৌন নিপীড়ক নরপশুদের বিচার না হয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবনা! যৌন নিপীড়কদের রক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন,পুলিশ,সরকারের সমস্ত ন্যাক্কারজনক তৎপরতার ঘৃণাভরা প্রতিবাদ জানাই আমরা। ইনসাফ চাইতে ডিএমপি ঘেরাও কর্মসূচীতে গিয়েছিল ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীরা। সারা দেশের মানুষ দেখেছে কিভাবে নেতা কর্মীদের বুটের লাথি দিয়ে,লাঠির বাড়ি মেরে ফ্যাসিস্ট-বর্বর হামলা চালিয়েছে পুলিশ। কিভাবে যৌন নিপীড়কদের মদদদাতা পুলিশের আইজিপি বর্ষবরণে ঘৃণ্য যৌননিপীড়নের অপরাধকে দুষ্টুমী আখ্যায়িত করে সামনের দিনে আরো যৌন নিপীড়ন ঘটানোর জন্য নরপশুদের ব্ল্যাং চেক দিয়ে দিয়েছেন!
বর্ষবরণ উৎসবে যৌন নিপীড়নের ঘটনার ১ মাস পরেও বিচার পাচ্ছিনা আমরা। আর এই বিচারহীনতার কুৎসিত আবহাওয়ায় ভেতরেই সোনারগাঁয়ে গণধর্ষণের শিকার হল আমার গার্মেন্ট শ্রমিক বোন। হবিগঞ্জে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে মা বাবার কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে নরপশুরা,মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুলে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ১ম শ্রেণী ও ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী! আমরা কি বুঝতে পারছি কী বীভৎস কদর্যতার ভেতর আমরা বাস করছি?
চুপ করে থাকা নয় আর। প্রতিরোধের শক্তিতে সংগঠিত হোন! আমাদের উৎসব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চলাফেরার রাস্তা,গণপরিবহন,অফিস আদালত সবকিছু এই বর্বরদের হাতে চলে গেছে। এই বেপোরোয়া নরপশুদের মদদ দিয়ে যাচ্ছে নিস্ক্রিয় প্রশাসন, বর্বর পুলিশ ,ফ্যাসিস্ট সরকার। ঐদিকে লুটেরা কর্পোরেট কো¤পানীগুলো নারীকে পণ্যসর্বস্ব জীব হিসেবে উপস্থাপন করার কদর্য পরাবাস্তবতা তৈরী করেছে টিভি,সিনেমা,বিলবোর্ড,মিডিয়া,সবখানে! ফ্যাসিস্ট সরকার, মুনাফালোভী কো¤পানী,বীভৎস শাসন ব্যবস্থার তৈরী ঘৃণ্য পুঁজ-রক্ত সব বেরিয়ে গেছে এই বিচারহীনতার দেশে।
লড়াইয়ে শামিল হোন, বন্ধুরা! এই লড়াই শুধু বর্ষবরণে নির্যাতিত নারীর নয়, এই লড়াই ঘরে-বাইরে,অফিস আদালতে,গ্রামে গঞ্জে দিনের পর দিন ভয়াবহ যন্ত্রণা আর গ্লানির মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করা প্রতিটি নারীর লড়াই। প্রত্যেক গণতান্ত্রিক নাগরিকের লড়াই।

আওয়াজ তুলুনঃ
১। বর্ষবরণ উৎসবে যৌন নিপীড়কদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার এবং নিস্ক্রিয় পুলিশ
কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২। ছাত্র ইউনিয়নের ডিএমপি ঘেরাও কর্মসূচীতে পুলিশী হামলার বিচার করতে হবে।
৩। যৌন নিপীড়কদের মদদদাতা ঢাবি প্রক্টরকে অপসারণ করতে হবে।
৪। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী ,হবিগঞ্জ্, জামালপুর,পার্বত্য চট্টগ্রামে শিশু-ধর্ষক ,সোনারগাঁয়ে গার্মেন্ট শ্রমিক ধর্ষণ সহ সারা দেশে ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
৫। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যৌন নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা কার্যকর করতে হবে।

কর্মসূচীঃ
২০মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও
সময়ঃ দুপুর ১২টা।
জমায়েতঃ অপরাজেয় বাংলা

প্রগতিশীল ছাত্র জোট
সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য
যোগাযোগঃ মধুর ক্যান্টিন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,০১৯১১০৩৩৩৯৩,০১৭১৯৩২৬৩৬৭ ১৫/৫/২০১

সূত্রঃ https://web.facebook.com/events/566541693487177/