ভারতঃ যৌন অসদাচরণের অপরাধে এক মাওবাদীকে গুলি করে হত্যা ও অপর একজনের পদাবনতি দিয়েছে সিপিআই (মাওবাদী)

0159

সিপিআই (মাওবাদী) এর দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক রচনায় দলের  অন্তত দুইজন উর্ধ্বতন ক্যাডারের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের ঘটনা বেরিয়ে এসেছে। তাদের দুজনের একজনকে পদাবনতি ও অপরজনকে জনতার আদালতে শুনানি ও তদন্তের পর মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ‘স্থানীয় এলাকার নারীদের সাথে এবং দলের নারী ক্যাডারদের সাথে উচ্ছৃঙ্খল, নৈরাজ্যবাদী ও অশালীন আচরণের’ অভিযোগে দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি অধীনস্থ কোম্পানি-২ এর কমান্ডার রামমূর্তি দোষী সাব্যস্ত হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, “২০০২ সালে বস্তারে কোম্পানি-১ এর সদস্য হিসেবে রামমূর্তি মাওবাদী আন্দোলনে যোগদান করে। উচ্ছৃঙ্খল ও নৈরাজ্যবাদী আচার আচরণের কারণে তাকে কোম্পানি-২ এ স্থানান্তর করা হয়। বারবার উপদেশ ও সংশোধনের চেষ্টা করার পরেও তার কোন পরিবর্তন হয়নি।

তাকে বাড়িতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হলে সে পুলিশের কাছে দলের সব তথ্য ফাঁস করে দেবার হুমকি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ তদন্ত ও উর্ধ্বতন নেতাদের অনুমতি সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জনগণের সামনে শুনানির ব্যবস্থা করা হয় এবং মৃত্যুদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত পুনরায় নিশ্চিত করা হয়।”

তবে রামমূর্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের স্থানটি এতে উল্লেখ করা হয়নি।

অপর এক ঘটনায় কমরেড এইতুর দক্ষিণ গাদচিরোলি কমিটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে দলের কমিটি সদস্য হিসেবে পদাবনতি প্রদান করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ করে একজন নারী ক্যাডার।

সূত্রঃ

http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/1-naxal-shot-dead-another-demoted-for-sexual-misconduct-cpi-maoist/


ভারতঃ মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে বন্দি অধ্যাপক সাইবাবার স্বল্প মেয়াদের জামিন হয়েছে

gn_saibaba_20150518.jpg

১ বছরের বেশি সময় জেলে বন্দি থাকার পর অবশেষে বোম্বে হাইকোর্ট থেকে মাত্র ৩ মাসের জন্য জামিন পেলেন দিল্লির অধ্যাপক জে এন সাইবাবা। চিকিত্সার জন্যই স্বল্প মেয়াদের জামিন সাইবাবাকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদালত। মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহে বন্দি অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দেওয়ার ভাবনার  কথা  কিছু দিন আগে রাজ্য সরকারকে জানায় বোম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহিত শা ও একে মেননের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে বেসরকারি হাসপাতলে  সাইবাবার চিকিত্সা  করানোর অনুমতি দিয়েছিল বোম্বে হাইকোর্ট। বন্দি অধ্যাপকের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই জামিনের আবেদনের পুনর্বিবেচনা করল হাইকোর্ট।

(মুম্বই: তিন মাসের সাময়িক জামিন পেলেন মাওবাদীদের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জি এন সাইবাবা। তাঁর স্বাস্থ্যের ক্রমাবনতি হতে থাকায় জামিন মঞ্জুর করল প্রধান বিচারপতি মোহিত শা ও বিচারপতি এসবি শুকরেকে নিয়ে গঠিত বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন  বেঞ্চ। মহারাষ্ট্র পুলিশ গত বছর গ্রেফতার করে সাইবাবাকে। তারপর থেকে তিনি নাগপুর জেলেই রয়েছেন। শারীরিক অক্ষমতার জন্য হুইলচেয়ারেই পড়ে থাকেন। ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁকে জামিনে ছেড়ে দিতে এদিন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় বেঞ্চ। বিচারপতিরা বলেছেন, সাইবাবাকে চিকিত্সার জন্য সাময়িক জামিনে ছেড়ে না দেওয়া হলে তাঁর যে প্রাণ সংশয় হতে পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। সাইবাবার মৌলিক অধিকার রক্ষায় সতর্ক রয়েছে এই আদালত।

পুর্ণিমা উপাধ্যায় নামে জনৈক সমাজকর্মীর লেখা চিঠি ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে সাইবাবার বিষয়টি হাতে নেয় হাইকোর্ট। এর আগে আদালত ডাক্তারের রিপোর্টও খতিয়ে দেখে। সাইবাবা এমন এক অসুখে ভুগছেন যার ফলে তাঁর মেরুদণ্ড ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে, এমনটাই বলা হয়েছে সেই রিপোর্টে। সেই প্র্রেক্ষাপটে বেঞ্চ বলেছে, সাইবাবার থেরাপি চাই, ব্যাথা-যন্ত্রণা লাঘবের চিকিত্সা দরকার। সর্বোপরি, পরিবার, প্রিয়জনেদের সেবাযত্নও চাই। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেলভুক্ত যে কোনও হাসপাতালে তাঁর চিকিত্সা হতে পারে।

তবে তিনি পালিয়ে গা ঢাকা দিতে পারেন বা তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে পারেন, এই যুক্তি দিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সাইবাবাকে জামিন দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। সরকারি কৌঁসুলির দাবি, সাইবাবার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। তাঁর ল্যাপটপ, বাড়ি থেকে মাওবাদী যোগসূত্রের একাধিক প্রমাণ মিলেছে।)

গত বছর মে মাসে দিল্লির ফ্ল্যাট  থেকে কার্যত অপহরণের কায়দায় ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী সাইবাবাকে  গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্রের পুলিস। এর পর তাঁকে রাখা হয়েছে নাগপুরের কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন বহু বিশিষ্টজন। কিন্তু সারাদেশে অসংখ্য গরীব মানুষ বিনা বিচারে বা জামিনের অর্থ জোগার করতে না পেরে জেলেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=2795


নেপালের মাওবাদী সংবাদঃ লিপুলেক চুক্তির বিরুদ্ধে সিপিএন-মাওবাদী ক্যাডারদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

jinping-main (1)

কাঠমান্ডু, ২৮শে জুন– ভারত ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত লিপুলেক চুক্তি বাতিলের দাবীতে কাঠমান্ডুর সুন্ধরাতে সিপিএন-মাওবাদীর ডাকা প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ বাধা দেয় ও প্রায় তিন ডজন ক্যাডারকে আটক করে।

কাঠমান্ডুর টেকুতে মেট্রোপলিটান পুলিশ রেঞ্জ প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, সিপিএন-মাওবাদী এর পলিটব্যুরো সদস্য তিলক পোখরেল সহ প্রায় ৩২ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট বিশ্ব রাজ পোখরেল বলেন, কাঠমান্ডুতে কোন ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ করার অনুমতি নেই কারণ সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ঘটনার পর কাঠমান্ডুকে জরুরী জোন হিসেবে ঘোষণা করে হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।

সূত্রঃ

http://www.ekantipur.com/2015/06/24/capital/cpn-maoist-cadres-stage-protest-against-lipulek-pact/406992.html

 


ভারতঃ শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের ধরতে ছবি সহ পোস্টার ছাপিয়েছে করিমনগর জেলা পুলিশ

28KNKMDHI-W026__HY_2455541f

শীর্ষ মাওবাদী নেতা মুপ্পালা লক্ষণ রাও ওরফে গণপতি সহ শীর্ষ মাওবাদী ক্যাডারদেরকে আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসার  আহ্বান জানিয়ে পোস্টার ছাপিয়েছে করিমনগর জেলা পুলিশ।

ঘটনাচক্রে, ৮ জন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সহ সিপিআই (মাওবাদী) এর মোট ১৯ জন মাওবাদী রয়েছে করিমনগর জেলার।

শীর্ষ মাওবাদী নেতা গণপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মল্লোজুলা ভেনুগোপাল রাও ওরফে প্রহ্লাদ, পুল্লুরি প্রসাদ রাও ওরফে চন্দ্রান্না, টিপ্পরি ত্রিপতি ওরফে সাঞ্জীব, কাদরি সত্যনারায়ণা রেড্ডি ওরফে সাধু ও মল্লা রাজি রেড্ডি ওরফে সাথেন্না; প্রত্যেককে ধরিয়ে দিতে ২৫ লাখ রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

পুলিশের পোস্টারে মাওবাদীদের বিভিন্ন দলম ও করিমনগর, খাম্মাম, ওয়ারাঙ্গাল অঞ্চল ও ছত্তিসগড় রাজ্যের ১১ জন মাওবাদীর ছবিও দেয়া হয়েছে যাদের প্রত্যেককে ধরিয়ে দিতে ৪ থেকে ৮ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

পোস্টারে লেখা আছে “জঙ্গলের জীবন ত্যাগ করুন, সমাজের মূলধারায় আসুন”। করিমনগরের সব গুরুত্বপূর্ণ মাওবাদী নেতাদের ছবি সংবলিত এই পোস্টার পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য জেলার বিভিন্ন অংশে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

পোস্টারে পুলিশের ফোন নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে এবং এলাকাবাসীর কাছে মাওবাদীদের ধরিয়ে দিতে পুলিশকে সতর্ক করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডি জোয়েল দাভিস মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে সরকারের পুনর্বাসনের আওতায় আসার জন্য আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, পুরস্কারের অর্থ আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মাওবাদীরা যাতে আত্মসমর্পণ করে সেটি নিশ্চিত করতে তিনি মাওবাদীদের আত্মীয় স্বজন ও অন্যান্যদের প্রতিও আহ্বান জানান।

সূত্রঃ

http://www.thehindu.com/news/national/telangana/police-extend-olive-branch-to-top-maoists/article7366083.ece


যুক্তরাষ্ট্রঃ বর্ণবাদী কনফেডারেট পতাকা নামিয়ে ফেললেন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত বিদ্রোহী মার্কিন নারী

image

concommenters0

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার আইনসভা ভবন থেকে কনফেডারেট পতাকা সরিয়ে নিয়েছেন এক বিক্ষোভকারী। বর্ণবাদের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত পতাকাটি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে এ ঘটনা ঘটল।

অবশ্য গত শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে পতাকাটি নামিয়ে ফেলার এক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে নতুন আরেকটি উত্তোলন করা হয়। পতাকা নামানোর ঘটনায় জড়িত কৃষ্ণাঙ্গ নারী ব্রি নিউসামকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৩০ ফুট উঁচু খুঁটি থেকে পতাকা নামাতে নিউসামকে সহায়তা করার অভিযোগে জেমস ইয়ান টাইসন নামের এক শ্বেতাঙ্গ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধেই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যের বিকৃতি ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিউসামকে গ্রেপ্তারের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তাঁর ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। ছবিতে দেখা যায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে পেছনে হাতকড়া পরা অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে। টুইটারে ফ্রিব্রি নামের হ্যাশটাগে হাজার মানুষ যোগ দেয়। অন্যদিকে অনলাইনভিত্তিক একটি জনহিতকর ওয়েবসাইট এক ঘণ্টারও কম সময়ে নিউসামের জামিনের জন্য ৮০ হাজার ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করে। একই সঙ্গে ‘কৃষ্ণাঙ্গদের বেঁচে থাকার আন্দোলনে সরাসরি হিস্যা নিতে’ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতেও তহবিল জোগাড় করা হয়।

গত সপ্তাহে অঙ্গরাজ্যটির চার্লসটনে একটি গির্জায় এক শ্বেতাঙ্গের গুলিতে ৯ কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হয়। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ডিলান রুফের (২১) অনলাইনে পোস্ট করা অনেক ছবিতে কনফেডারেট পতাকা দেখা যায়। এর পর থেকে পতাকাটি নিয়ে দেশে-বিদেশে বিতর্ক জোরালো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-১৮৬৫ সাল) দাসপ্রথা বিলোপের প্রশ্নে দেশটি বিভক্ত হয়ে পড়ে। দক্ষিণের ১১টি রাজ্য কেন্দ্রের দাসপ্রথা বিলোপের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেদের ‘কনফেডারেট স্টেট অব আমেরিকা’ বলে ঘোষণা দেয়। এই কনফেডারেট রাজ্যগুলোর সেনাবাহিনীর পতাকাই কনফেডারেট পতাকা হিসেবে পরিচিত।

নিউসাম এক বিবৃতিতে শনিবার বলেছেন, ‘আমরা আজই পতাকা সরিয়ে নিয়েছি। কারণ, আমরা আর দেরি করতে পারছিলাম না। সময় এখন নতুন অধ্যায় সূচনা করার, যেখানে শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য নিরসনের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।’ 

সূত্রঃ

AFP

http://www.washingtonpost.com/news/post-nation/wp/2015/06/27/woman-takes-down-confederate-flag-in-front-of-south-carolina-statehouse/


মার্কিনীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভয়ংকর বর্ণবৈষম্যবাদী শ্বেতাঙ্গরা

usa-white-24809

মার্কিনীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রতিশোধ পরায়ণ জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর চাইতেও বেশি ভয়ংকর বর্ণবৈষম্যবাদী শ্বেতাঙ্গরা। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

নাইন ইলেভেনের টুইন টাওয়ার হামলার পর ঘটে যাওয়া ২৬টি মামলা পর্যবেক্ষণ করে গবেষকরা এই তথ্য জানিয়েছেন। নিউ আমেরিকান ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা এই গবেষণাটি চালিয়েছে।

তাদের হিসেব অনুযায়ী বিগত বছরগুলোতে ২৬ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছে জঙ্গিদের হামলায়, অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গদের বর্ণবাদী আচরণের বলি হতে হয়েছে ৪৮ জনকে। সম্প্রতি সাউথ ক্যারোলাইনাতে একটি চার্চে হামলা করে নয়জনকে গুলি করে হত্যা করে শ্বেতাঙ্গ তরুণ ডিলান রুফ।

আটক হওয়ার পর সে স্বীকারোক্তি দেয় দেশে বর্ণবাদী অস্থিরতা সৃষ্টি করতেই হামলা চায় সে। এর আগে গত বছর শ্বেতাঙ্গ পুলিশের গুলিতে মাইকেল ব্রাউনসহ কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর।

সূত্রঃ http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BE


বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় আরমেনিয়ায় হাজারো জনগণের বিক্ষোভ

m

images

2

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে আরমেনিয়ায় বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। শনিবার রাতে ইয়েরেভান শহরের রাস্তায় নেমে আসে এসব বিক্ষুব্ধ মানুষ।

এসময় তারা সরকারবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে। সাতদিন ধরে চলা এই বিক্ষোভ এই দিন সবচেয়ে বেগবান হয়। গত ১৭ জুন আরমেনীয় সরকার বিদ্যুতের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। গত তিন বছরে তৃতীয়বারের মত বিদ্যুতের দাম বাড়ালো সরকার।

এরইমধ্যে বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে আলোচনায় বসার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট সের্জ সার্গসিয়ান। তবে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিক্ষোভকারীরা।

সূত্রঃ http://www.aljazeera.com/news/2015/06/armenian-protesters-refuse-disperse-energy-hike-150628190738076.html