ভারতঃ পুলিশি এনকাউন্টারে নিহত মাওবাদী নেত্রী

naxalsstory

রায়পুর: পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মাওবাদীদের সশস্ত্রবাহিনী পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির মহিলা কমান্ডারের৷ মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে শুরু হয় দু’পক্ষের গুলির লড়াই৷ বস্তারের ইন্সপেক্টর জেনারেল এসকে কাল্লুরি জানান, এদিন মীরতুর পুলিশ থানা এলাকায় সিআরপিএফ ডিআইজি-র নেতৃত্বে মাওবিরোধী অভিযানে নামে এসটিএফ-এর দুটি দল, ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এবং সিআরপিএফের বিশেষ দল৷ খণ্ডযুদ্ধের পর ওই মহিলা মাও কমান্ডারের দেহ উদ্ধার করা হয়৷ পাশাপাশি দুটি হাত বোমা ও একটি রাইফেলও উদ্ধার করে পুলিশ৷অন্যদিকে, দান্তেওয়াড়ার কিরন্ডুলে পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় তিন মাওবাদীকে৷

সুত্রঃ http://www.thehindu.com/news/national/other-states/woman-maoist-killed-three-arrested-in-chhattisgarh/article7274554.ece


ভারতঃ ভগত্ সিংকে বুঝতে চাওয়ায় কি IIT M এর স্টাডি সার্কেলে কেন্দ্রের কোপ ?

IITM

IIT M এর  আম্বেদকর-পেরিয়ার স্টাডি সার্কেলকে( APSC) কার্যত বেআইনি ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল এরা IITর নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করছে তারা।

 নরেন্দ্র মোদি ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে নাকি বিদ্বেষ ছড়ান হচ্ছে। অন্যদিক APSC তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে IIT M এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবেকান্দ স্টাডি সার্কেল, বন্দেমাতরম, হরে রাম হরে কৃষ্ণ ইত্যাদি নানা নামে দক্ষিণপন্থীরা তাদের আদর্শ ও মত প্রচার করে এসেছে। APSC-র তরফে দাবি করা হয়েছে গত ১ বছর ধরে তারা ছাত্রদের মধ্যে লিফলেট বা সভার মাধ্যমে দেশের বেশ কিছু সমস্যাকে তুলে ধরেছে। যেমন কৃষিতে হামলা- কয়লা প্রকল্প, কৃষিতে জিএম এর প্রভাব, শ্রম আইনের সংশোধন। তাছাড়া IIT M এ হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদেও সরব হয়েছে তারা। এর সঙ্গে ভগত্ সিং ও আম্বেদকরের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে APSC। APSC র দাবি এগুলোর কোনটাই দেশের সংবিধানের বিরোধী নয়। APSC জানিয়েছে জনসাধরণের করের টাকায় তৈরি হওয়া IIT জনসাধরণের উন্নতির স্বার্থে কাজ করা উচিত। তাই তারা IITM এর অধিকর্তার আদেশ মানবেনা বলে জানিয়েছে।

 APSC  দাবি ক্যাম্পাসের এক RSS সমর্থক স্মৃতী ইরানির দফতরে  একটি চিঠি ও তাদের বিলি করা একটি লিফলেট পাঠান।এর পরই  সরকারের তল্পিবাহক অধিকর্তা জানিয়েছেন IIT M এর কোন সভা ঘর ব্যবহার করতে পারবে না APSC।   স্টাডি সার্কেলের আগে আগে IIT র নাম ব্যবহার করতে পারবেন না APSC।

সুত্রঃ http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2364-iit-m


ভারতঃ খাম্মামে পুলিশের গুপ্তচরকে খতম করেছে মাওবাদীরা 

0

শনিবার রাতে ভদ্রচালান বিভাগের চারলামণ্ডলের উঞ্জুপ্ল্লী জঙ্গল এলাকায় ৩০ বছর বয়সী এক আদিবাসী পুলিশের গুপ্তচরকে খতম করেছে মাওবাদীরা। সূত্র জানায়, নিহতের নাম কুরুসাম বালাকৃষ্ণ (৩০)। তার বাড়ি ভেঙ্কটপুরমের লক্ষীপুরম গ্রামে। সূত্র আরো জানায়,  সন্দেহভাজন মাওবাদীরা তাকে জঙ্গল এলাকায় ধরে নিয়ে যায় ও পুলিশের গুপ্তচর হিসেবে তার ভূমিকা নিয়ে জেরা করে ও শনিবার মধ্যরাতের দিকে তাকে হত্যা করে। মাওবাদীরা তার মৃতদেহ পুসুগুপ্পা গ্রামের দিকে কুটচা সড়কে ফেলে রাখে এবং মৃতদেহের পাশে সিপিআই (মাওবাদী) এর নাম উল্লেখ করে একটি পোস্টার ফেলে রাখে। এতে বালাকৃষ্ণকে পুলিশের গুপ্তচর হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সূত্রঃ

http://www.thehindu.com/news/national/telangana/maoists-kill-police-informer/article7269815.ece


বাংলাদেশঃ ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের প্রতিনিধি, হাজার হাজার সংখ্যালঘু হত্যাকারী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে সোচ্চার হোন!

10313389_729152913880663_7388921962198893514_n

৫ জুন দেশব্যাপী ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিবাদ বিক্ষোভে যোগ দিন ! ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের প্রতিনিধি, হাজার হাজার সংখ্যালঘু হত্যাকারী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে সোচ্চার হোন!

* ভারতের গোয়েন্দারা বাংলাদেশে কেন ?
* হাজারের উপরে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যাকারী ভারতের বিএসএফ কেন বিজিবিকে প্রশিক্ষণ দেবে ?
* ভারতীয় কোম্পানির স্বার্থে সুন্দরবন ধ্বংস করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কেন ?

বন্ধুরা,
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে তার জমিদারী সফর করতে আসছেন! হ্যাঁ বন্ধুরা! জমিদারীই তো ! ২০১০ সালে কুখ্যাত হাসিনা-মনমোহন গোপন চুক্তি করার পর থেকেই আমাদের বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের জমিদারীতে। এই চুক্তি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিকে ভারতের নিরাপত্তা নীতির অধীনস্ত করেছে। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিটের নামে করিডোর দিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেছে। আমরা তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছিনা, অথচ ভারতীয় কোম্পানীর স্বার্থে সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপালে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে প্রশ্ন করতে চাই বাংলাদেশ কি ভারতের করদ রাজ্য???? !!!!


বন্ধুরা,
ফেলানীর রক্ত শুকিয়ে গেছে সীমান্তের কাঁটাতারে। গত ১০ বছরে ফেলানীসহ হাজারের উপর বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ! সেই বিএসএফ এর কাছে ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি। সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দমনের নামে ভারতীয় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির গোয়েন্দারা নিয়মিত বাংলাদেশে আসছে। এনএসআই, র‍্যাব, ডিজিএফআই, বিজিবি, এসবিসহ বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে বৈঠক করছে তারা।

কি চান নরেন্দ্র মোদী ? এই উগ্র-সাম্প্রদায়িক আরএসএস এর আদর্শধারী নরেন্দ্র মোদী ২০০২ সালে গুজরাটে ২০০০ এর বেশি সংখ্যালঘু মুসলমানকে হত্যা করেছে। সেই গণহত্যার বিচারতো দুরের কথা বরং মোদী এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ! ভারতের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনী কাশ্মীর-ঝাড়খন্ড—-মনিপুর-আসাম-ত্রিপুরা-উত্তর প্রদেশ সহ সারা ভারতজুড়ে বিভিন্ন জাতি-ধর্মের সংখ্যালঘুসহ গরীব ভারতীয় জনগণের উপর দমন- পীড়ন-ধর্ষণ-ভ’মি দখল-সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এই হচ্ছে ফ্যাসিস্ট ভারতের আসল চেহারা! এটি বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কাছে পরিষ্কার যে,দক্ষিণ এশিয়ার ভ’-রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করার লক্ষ্য নিয়েই নরেন্দ্র মোদির এই বাংলাদেশ সফর। আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক জনগণের প্রতিরোধ দমন করার জন্য ভারতের দরকার বাংলাদেশের সরকারের মত একটি গোলাম সরকার ।

ভারতের গোলামীর প্রতিদানে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী জনপ্রতিনিধিত্বহীন জাল ভোটের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে ভারত। তাই ভারতের স্বার্থ রক্ষা করা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সাম্রাজ্যবাদী ভারতের হাতে তুলে দিয়ে চিরস্থায়ী গদি দখল করাই আওয়ামী সরকারের প্রধান এজেন্ডা।

বন্ধুরা,
৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ মানুষ রক্ত দিয়েছিল কি পিন্ডির গোলামী থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লীর গোলামী করার জন্য? আজকে ছাত্র সমাজকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে যে দেশ আমরা পেয়েছি তাকে ভারতের সাম্রাজ্যবাদী থাবা থেকে মুক্ত করা জন্য লড়াই-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। আমেরিকা-ভারতের তাবেদার আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামাত-জাতীয় পার্টির শাসনব্যবস্থা উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার- শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই লড়াই বেগবান করতে আপনিও ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দিন।

mn
***৫ জুন দেশব্যাপী বিক্ষোভ , ঢাকায় বিক্ষোভ ও মোদীর কুশপুত্তলিকা দাহ, বিকেল ৪ টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে 

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন
৩৩ তোপখানা রোড, মেহেরবা প্লাাজা, ৪-জি (৫ম তলা), ঢাকা-১০০০। ফোন- ০১৭১৯৩২৬৩৬৭, ০১৭২২৩৯৮৪৯৪,   তারিখঃ ২৫/৫/২০১৫

সুত্রঃ   https://www.facebook.com/events/1587750011465299/