কমরেড স্তালিনের দুর্ধর্ষ প্রত্যাবর্তন

Stalin

সঙ্কটগ্রস্ত পুঁজিবাদের অবস্থাটা হলো সেই কাদায় আটকে যাওয়া পাখির মতো। কাদায় জড়ানো ল্যাজ ছাড়াতে গিয়ে ঠোঁট ডুবে যাচ্ছে কাদায়, আবার কাদা থেকে ঠোঁট তুলতে গেলে কাদায় জড়িয়ে যাচ্ছে ল্যাজ।”      — স্তালিন

স্তালিন ৫লক্ষ ১৯হাজার ১৭। নেভেস্কি ৫লক্ষ ২৪হাজার ৫৭৫।

মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজার কম ভোট পেয়ে স্তালিন তৃতীয়। নেভেস্কি শীর্ষে।

আসলে স্তালিন এক নম্বরেই থাকতেন। যদি না ছ’মাস ধরে দেশজুড়ে চলা এই ভোটের একেবারে শেষ মুহূর্তে অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার জন্য সংগঠকরা আবেদন না করতেন। এবং স্তালিন এক নম্বরে ছিলেনও। একবার নয়, দু’-দু’বার। যদিও, শেষে সবাইকে বিস্মিত করে, সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে প্রথম হন ত্রয়োদশ শতকের রুশ যুবরাজ আলেকজান্ডার নেভেস্কি। যাকে আজকের রাশিয়া প্রায় চেনে না বললেই চলে। নেভেস্কির পিছনে ছিল আজকের ক্রেমলিন। ছিল পুতিন, মেদভেদেভের সমর্থন। তাঁকে জাতীয় নায়ক হিসেবে প্রচার করে ক্রেমলিন। লক্ষ্য ছিল রাজতন্ত্রকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসা। দু’নম্বরে ইয়োটর স্টলিপিন। বিশ শতকের গোড়ার সময়ের প্রধানমন্ত্রী, যিনি কাজ করেছেন শেষ জার দ্বিতীয় নিকোলাসের আমলে, পুতিনের কাছে যিনি ‘রোল মডেল।’

তবু স্তালিন তৃতীয়। কুড়ি বছর আগে, বার্লিনের প্রাচীর ভাঙার দিন রাশিয়ার মহান ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের তালিকায় এই স্তালিনই ছিলেন দশ নম্বরে। আর আজ, মানুষের রায়ে ‘রাশিয়ার সর্বকালীন সেরা নেতৃত্বের’ তালিকায় স্তালিন উঠে এসেছেন তিন নম্বরে। পেয়েছেন ৫লক্ষের ওপর ভোট।

ছ’মাস ধরে পঞ্চাশ লক্ষের বেশি মানুষ ফোনে এবং ইন্টারনেটে তাঁদের এই মতামত দেন। রাশিয়ার মানুষ বেছে নেন প্রথমে পাঁচশ জনের মধ্যে পঞ্চাশ জনকে। সেখান থেকে শীর্ষ বাছাই বারো জনকে।

এবং এই বারোতে আছেন ভ্লাদিমির লেনিনও। ছ’নম্বরে।

তালিকায় কোনও জীবিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন না। স্তালিনকে ‘স্বৈরাচারী’ বলা নোবেল জয়ী ভাড়াটে লেখক আলেকজান্ডার সলঝনেৎসিনের মৃত্যুর পর তাঁকে যুক্ত করা হলেও, খুব সামান্যই ভোট পান তিনি। পঞ্চাশে থাকলেও, ১২’তে আসার আগেই হারিয়ে যান নিকিতা ক্রুশ্চেভ থেকে বরিস ইয়েলৎসিন।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, ভোটারদের অধিকাংশ ছিলেন তরুণ, যাঁরা স্তালিনকে দেখেননি।

বছর ছয়েক আগের শীত। ২১ডিসেম্বর, ২০০৯। স্তালিনের ১৩০তম জন্মবার্ষিকী। স্তালিনের স্তুতি করে লেখা একটি স্তবক নতুন করে বসানো হয়েছে মস্কোর অন্যতম ব্যস্ত মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ হলে। ঢেলে সাজানো হয়েছে ১৯৪৯তে তৈরি কুরস্কায়া স্টেশনের রোটান্ডা। তাতে লেখা হয়েছে ১৯৪৪এ সোভিয়েত জাতীয় সঙ্গীতের একটি লাইন, ‘স্তালিন আমাদের শিখিয়েছেন মানুষের প্রতি আনুগত্য, তিনি আমাদের উদ্দীপ্ত করেছেন শ্রমের জন্য, বীরত্বের জন্য।’

স্তালিনের মৃত্যুর ৫৯বছর। ক্রুশ্চেভ তাঁর বিরুদ্ধে ‘ব্যক্তিপূজার’ অভিযোগ তোলার পর, রাতারাতি রাশিয়ার রাস্তা, সরকারী দপ্তর থেকে মুছে ফেলা হয় স্তালিনের নাম, তাঁর ছবি। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে চিরস্থায়ী করে রাখা তাঁর মরদেহ সরিয়ে দেওয়া হয় ক্রেমলিনের মুসোলিয়ামে ভ্লাদিমির লেনিনের পাশ থেকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব ও শৌর্যের বিপুল খ্যাতি সত্ত্বেও ছেঁটে ফেলা হয় স্তালিনগ্রাদ শহরের নাম। ভেঙে ফেলা হয় স্তালিনের বহু স্মৃতিসৌধ।

‘ফিরিয়ে দিতে হবে স্তালিনগ্রাদের নাম।’ ঠিক এইমুহূর্তে ভলগার কোলে একসময়ের স্তালিনগ্রাদ, আজকের ভলগোগ্রাদে চলছে সই সংগ্রহ অভিযান। সংগ্রহ করতে হবে অন্তত ১,০০,০০০সই। তাহলেই বিল আনা যাবে সংসদে। রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি (সি পি আর এফ)-র কর্মীরা তাই যাচ্ছেন বাড়ি। রাশিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির যা শক্তি, তার চেয়ে অনেক বেশি গণভিত্তি রয়েছে এই শহরে।

লালফৌজের সবচেয়ে গৌরবজনক লড়াই এই স্তালিনগ্রাদে। নেতৃত্ব মার্শাল জুকভ। শুরুতে নাৎসিরা শতকরা ৭৫ ভাগ অংশই দখল করে ফেলে। শেষে স্তালিনগ্রাদের এক বীরত্বপূর্ণ লড়াই। বিজয়।

‘আমি নিশ্চিত একদিন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবেই। স্তালিনগ্রাদের বিজয়ের পর দুনিয়ার প্রায় সব দেশে রাস্তা, স্কোয়ার, বুলেভার্ডের নামকরণ করা হয়েছে স্তালিনগ্রাদ। সেকারণে ভলগোগ্রাদকে তার প্রকৃত নাম — স্তালিনগ্রাদ ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।’ বলেছেন সি পি আর এফের চেয়ারম্যান গেন্নাদি জুগানভ। স্তালিনগ্রাদ যুদ্ধের বর্ষপূর্তিতে, রাউন্ড টেবিল বৈঠকে। ‘ইউরোপের বহু শহরই যে স্তালিনগ্রাদের নায়ককে অমর করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদৌ কোনও দুর্ঘটনা নয়।’ বলেছেন টেলিভিশন ভাষ্যকার ভ্লাদিমির রুদাকভ। ব্রাসেলস, প্যারিসে রয়েছে স্তালিনগ্রাদ স্ট্রিট। ‘অথচ রাশিয়ার মানচিত্রে এই নাম অনুপস্থিত গত পঞ্চাশ বছর ধরে। ইতিহাসের কৌতুকই বটে!’ সি পি আর এফের নিকোলাই কার্তিনোভা বলেছেন, রাশিয়ায় সবাই স্তালিনকে ভালোবাসেন এমন নয়। ‘তবে অধিকাংশই মনে করেন, স্তালিন যা করেছিলেন, তার মধ্যে নেতিবাচক দিকগুলির চেয়ে ইতিবাচক দিকই বেশি।’

আজ আবারও দাবি উঠছে স্তালিনকে ফেরানো হোক ক্রেমলিনে। জাবত্রাঁ পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক আলেকজান্ডার প্রোখানভ যেমন বলেছেন, ‘স্তালিনের থাকা উচিত ক্রেমলিনেই। তাঁর প্রতি আজ বিপুল আগ্রহ। কারণ, আজকের নেতাদের প্রতি মানুষ আস্থা হারিয়েছেন। শক্তিশালী ও প্রাজ্ঞ নেতার অভাবে মানুষ আবার পিছনের দিকে তাকাতে বাধ্য হচ্ছেন, যখন দেশে ছিল মহান নেতৃত্ব, জনগণের প্রকৃত জনক। এবং স্তালিন তাঁদের মধ্যে প্রথম।’ টেলিভিশনের ডাকসাইটে সঞ্চালক নিকোলে প্রোজদভ বলেছেন, ‘স্তালিন একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। বইয়ে তাঁর ভূমিকার বস্তুগত মূল্যায়ন হওয়া উচিত।’ আজ আবার বইয়ের দোকানে স্তালিন ও তাঁর সময়কে নিয়ে লেখা বইয়ের ভিড়। এবং অধিকাংশই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা। প্রাদেশিক শহরগুলিতে মেরামত করা হচ্ছে স্তালিনের মূর্তি। একসময়ের স্তালিনগ্রাদ, আজকের ভলগোগ্রাদে প্রথম বেসরকারী জাদুঘরের নাম রাখা হয়েছে স্তালিনের নামে।

মস্কোর রাস্তায় ফের বসানো হয়েছে আশি ফুট উঁচু ইস্পাতের তৈরি সোভিয়েত আমলের সবচেয়ে পরিচিত অসাধারণ ভাস্কর্য। সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ার মুখ। হাতে কাস্তে হাতুড়ি নিয়ে ‘শ্রমিক ও যৌথ খামারের কৃষক রমণীর’ দৃপ্ত পদক্ষেপ। স্তালিন পুরস্কার পাওয়া অনন্যসাধারণ স্থাপত্য। পার্টির মুখপত্র প্রাভদা পত্রিকায় সি পি আর এফের অন্যতম শীর্ষ নেতা ইভান মেলিনিকভ বলেছেন, ‘এই স্মারক-সৌধটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য বিপুল। এবং অবশ্যই আমরা খুশি। মস্কো শহরের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। তবে অন্যদিকটিও ভুললে চলবে না। এটি আসলে শ্রম ও শ্রমিকের স্বীকৃতি। বহু শতাব্দী ধরে শোষণের পর সোভিয়েত ছিল শ্রম ও শ্রমিকের পক্ষে। এখন রাষ্ট্রের চরিত্রের পরিবর্তন হয়েছে। শ্রম ও শ্রমিকের ভূমিকার পরিবর্তন হয়েছে। স্মারক সৌধটি ফিরেছে, কিন্তু সে যুগ এখনও ফিরে আসেনি।’

স্তালিন দেবদূত ছিলেন না। ছিলেন না কোনও অবতার।

স্তালিন মানুষ ছিলেন। এটা ঠিক, কিছু ভুল-ভ্রান্তি তাঁরও ছিল। এবং এই ভুলভ্রান্তি, ব্যক্তিপূজাকে আড়াল করা নয়। বরং তার থেকে ভবিষ্যতের শিক্ষা নেওয়াই মার্কসবাদীদের কাজ। কিন্তু তা করতে গিয়ে তার ফাঁক দিয়ে মূল বিষয়টি যেন হারিয়ে না যায়।

স্তালিন মানে, ট্রটস্কিবাদকে পরাস্ত করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তত্ত্বকে বাস্তবে রূপায়িত করা। স্তালিন মানে, স্থায়ী বিশ্ববিপ্লব না হলে কোনও একটি দেশে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা গঠন অসম্ভব — লিঁও ট্রটস্কির এই তত্ত্বকে পরাজিত করে একটি দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদান।

স্তালিন মানে, একটি অনগ্রসর কৃষিপ্রধান, সামন্তবাদী ও জারতন্ত্রের শোষণে শোষিত, বঞ্চিত, রিক্ত রাশিয়াকে শিল্পে, কৃষিতে, শিক্ষা, বিজ্ঞানে পুঁজিবাদী দেশগুলির সমকক্ষ গড়ে তোলা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুঁজিবাদী দেশগুলির চেয়েও উন্নত অবস্থায় নিয়ে আসার মহান কৃতিত্ব।

স্তালিন মানে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের শক্তিশালী অর্থনৈতিক বিকাশ। গত শতকের তিনের দশকের গোড়ায়, মহামন্দায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী শক্তির যখন শ্বাসরোধ হওয়ার অবস্থা, তখন স্তালিনের সোভিয়েত ইউনিয়ন অর্থনৈতিক বিকাশে বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থানে। এবং এটা নেহাতই কাকতালীয় ছিল না। বরং, এটি ছিল দু’টি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মতাদর্শগত ভিন্নতার অনিবার্য প্রতিফলন। স্তালিনের সোভিয়েতে অর্থনীতি ছিল পরিকল্পিত অর্থনীতির ভিত্তিতে সমাজতন্ত্র। আর এই বিকাশ শুধু পরিমাণগত বৃদ্ধির কারণেই নয়, অর্জিত হয়েছিল অর্থনীতির গুণগতমান উন্নয়নের কারণেও। যে ভিতের নকশা তৈরি করেছিলেন স্বয়ং স্তালিন।

মহামন্দার চার বছর আগেই ১৯২৫এ, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির চতুর্দশ কংগ্রেসে স্তালিন বলেছিলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর, স্বাধীন এবং দেশীয় বাজারের ওপর ভিত্তি করে আমাদের দেশকে তৈরি করা উচিত… আমাদের অর্থনীতি আমাদেরই নির্মাণ করা উচিত, যাতে আমাদের দেশ পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার লেজুড় না হয়, পুঁজিবাদী উন্নয়নের সার্বিক প্রকল্পের মধ্যে এটি ছিল না, তার সহযোগী সংস্থাগুলি আমাদের অর্থনীতিকে উন্নত করেনি, যেমন করেছে বিশ্ব পুঁজিবাদে, এটি ছিল আমাদের দেশের শিল্প ও কৃষি অর্থনীতির জোটবন্ধনের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন অর্থনৈতিক ইউনিট।’

সেদিন স্তালিন বলেছিলেন, ‘উন্নত দেশগুলির তুলনায় আমরা পঞ্চাশ থেকে একশ বছর পিছিয়ে আছি। আগামী দশ বছরে মধ্যে আমাদেরকে এই দূরত্ব অতিক্রম করতেই হবে। হয় এটা আমাদের করতে হবে, নাহলে ওরা আমাদের গুঁড়িয়ে দেবে।’ এবং স্তালিনের সোভিয়েত তা করে দেখিয়েছিল।

স্তালিনের নেতৃত্বে সোভিয়েতে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯২৮-৩২) ছিল সার্বিক অগ্রগতির এক উৎসমুখ। পরিকল্পনার প্রথম চার বছরেই কৃষি, শিল্প, শিক্ষাসহ সবকটি মৌলিক ক্ষেত্রেই দেখা যায় গড়পড়তা ৯৩ শতাংশ সাফল্য। রীতিমতো তাক লগিয়ে দেওয়া অগ্রগতি। প্রথম পরিকল্পনার চার বছরে সোভিয়েতে শিল্পোৎপাদন বেড়ে যখন দ্বিগুণ, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তা কমে ৫৭শতাংশ, ব্রিটেনে ১৮শতাংশ, জার্মানিতে ৪০শতাংশ এবং ফ্রান্সে ৩০শতাংশ।

স্তালিন মানে, দুর্ধর্ষ নাৎসী বাহিনী ও হিটলারের দস্যুদের পরাস্ত করে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসসাধন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয় এবং ইউরোপের জন্য স্বাধীনতা।

স্তালিন মানে, পরমাণু অস্ত্রের মালিকানা শুধু একচেটিয়া আমেরিকার হাতে না — পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে কোনও বড় যুদ্ধ না, এবং নয় আর কোনও হিরোশিমা-নাগাসাকি।

স্তালিন মানে, লেনিন প্রদর্শিত পথে আন্তর্জাতিকতাবাদের প্রসার। লেনিনের সমস্ত প্রবন্ধ ও অভিজ্ঞতাকে সূত্রায়িত করে লেনিনবাদের প্রচার।

স্তালিন মানে, বিভিন্ন জাতি-উপজাতির (প্রায় একশ’) সুদৃঢ় ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠা।

চার বছর আগে ত্রয়োদশ কংগ্রেসে স্তালিনের ঐতিহাসিক ভূমিকার পুনর্মূল্যায়ন করে কমিউনিস্ট পার্টি অব রাশিয়ান ফেডারেশন (সি পি আর এফ)। পরের বছর ২৪মার্চ পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ‘জোশেফ স্তালিনের ১৩০তম জন্মবার্ষিকী নিয়ে’ গ্রহণ করে একটি প্রস্তাব। দেশজুড়ে হয় মিটিং-মিছিল, সভা-সমাবেশ, সেমিনার। হয় কনসার্টও। বিলি করা হয় এক লক্ষের উপর ‘অর্ডার অব স্তালিন’। পার্টি সদস্যদের মধ্যে, পার্টির বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে। জুগানভ বই লেখেন স্তালিন সম্পর্কে। শিরোনাম স্তালিন ও আজকের রাশিয়া। এবং বাজারে পড়তেই বই শেষ। নতুন সংস্করণ। ফের নতুন সংস্করণ।

লেখক – শান্তনু দে, ২২/১২/২০১২



Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.