বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিক্ষোভ সংবাদ

z

z1

z3

z4

CH9pLgUUsAAVXlU

বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেছে বর্ণবাদবিরোধীরা। মার্কিন জাতীয়তাবাদীরাও পাল্টা বিক্ষোভ করে পতাকা পোড়ানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ করেছে ৫ শতাধিক মানুষ। এছাড়া চীনের হংকং, ইকুয়েডর, চিলিতেও হয়েছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ।

বুধবার নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে আমেরিকান পতাকা পুড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বর্ণবাদবিরোধী মার্কিনিরা। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি এ বিক্ষোভে অংশ নেন শ্বেতাঙ্গরাও।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, মুখে সাম্যের কথা বললেও যুক্তরাষ্ট্র আসলে বর্ণবাদী রাষ্ট্র।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য, বর্ণবাদ এখনো যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। আমেরিকান পতাকা আর শ্বেতাঙ্গদের কনফেডারেট পতাকার মধ্যে পার্থক্য খুব সামান্যই।’

তবে, বর্ণবাদবিরোধী গোষ্ঠী ‘ডিজআর্ম এনওয়াইপিডি’র এ বিক্ষোভে জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করার নিন্দা জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী মার্কিনিরা।

এক মার্কিন নারী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই পতাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে। এ পতাকার জন্য অনেকে প্রাণ দিয়েছেন।’

আরেক মার্কিনি বলেন, ‘বর্ণবাদের সঙ্গে পতাকার কোনো সম্পর্ক নেই। বর্ণবাদী আচরণ করা ব্যক্তিগত বিষয়।’

বর্ণবাদ ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষে-বিপক্ষে এমন বিক্ষোভের দিন ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ হয়। কিয়েভে মার্কিন দূতাবাসের সামনে ওই বিক্ষোভে অংশ নেয় কয়েকশ যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনকর্মী। তারা অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মদদে পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমনের নামে রক্ত ঝরাচ্ছে ইউক্রেন সরকার। শান্তির স্বার্থে মার্কিনিদের ইউক্রেন ছাড়ার আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।

বুধবার চীনের হংকংয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। সিটি নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ে চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদে রাস্তায় নামে শতশত বিক্ষোভকারী।

লাতিন অ্যামেরিকার দেশ চিলিতে শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ও ইকুয়েডরে উত্তরাধিকার সম্পত্তির ওপর নতুন কর নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো’য় বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের সংঘর্ষ হয়।

সূত্রঃ http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD


তেল আবিবের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ MLKP যোদ্ধা হালিল আকসাকাল (মজলুম আক্তাস) সমাহিত

1

2

3

11053414_1603057033277305_7097852914600746596_n

তেল আবিবের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ এমএলকেপি যোদ্ধা হালিল আকসাকালকে (মজলুম আক্তাস) ২৭শে জুন তার শহর হাতায়ে সমাহিত করা হয়।

হাতায়ে শহরে জন্মগ্রহণকারী এমএলকেপি যোদ্ধা হালিল আকসাকাল তেল আবিয়াবে শহীদ হন। হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে তার শহরে তাকে সমাহিত করা হয়। ২৭শে জুন বেলা ১১টায় তার মৃতদেহ সেরিনওলের রাস্তায় আনা হয় এবং পরে গাড়িবহরে করে তাকে হারবিয়েতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় Pro-Kurdish Peoples’ Democratic Party (HDP) এর সহ সভাপতি ফিগেন ইউকসেকদাগ,  HDP এর আদানা শহরের ডেপুটি দানিস বেক্তাস ও Socialist Party of the Oppressed (Turkish: Ezilenlerin Sosyalist Partisi, ESP) এর সভাপতি সুলতান উলুসয় উপস্থিত ছিলেন।

জনতা হারবিয়ে আলি ইসমাইল কোর্কমাজ বুলভার্দে জমায়েত হয়ে স্লোগান, হর্ষধ্বনি ও হাততালির মাধ্যমে হালিল আকসাকালকে স্বাগত জানায়। হাজার হাজার মানুষ অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

আলি ইসমাইল বুলভার্দে পদযাত্রা শুরু হয়। মৃতদেহ প্রথমে হালিল আকসাকালের বাড়িতে আনা হয় ও পরে কারিয়ের সমাধিতে আনা হয়। এসময় “কমরেড হালিল অমর”, “বিপ্লবী সংহতি দীর্ঘজীবী হোক”, “কোবানি প্রতিরোধ দীর্ঘজীবী হোক”, “কমরেড হালিল দীর্ঘজীবী হোক, কমিউনিস্ট সংগ্রাম দীর্ঘজীবী হোক” ইত্যাদি স্লোগান দেয়া হয়।

সমাধিতে এক মিনিটের নীরবতা পালনের পর HDP এর সহ সভাপতি ফিগেন ইউকসেকদাগ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “মধ্য প্রাচ্যে বর্বরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমাদের সমর্থন দেয়া উচিৎ। গতকালের গণহত্যার জন্য মানবতার কাছে এদের জবাবদিহিতা করতে হবে। আমাদের স্মৃতিতেই শুধু নয়, কমরেড হালিল আমাদের সংগ্রামের মেঝেও বেঁচে থাকবেন। এখন আমাদের সামনে সত্যিকারের মিশন। আমরা তার নিশান ও তার লড়াইকে উর্ধ্বে তুলে ধরব।”

গেজি পার্ক আন্দোলনে শহীদদের পরিবার, রোজাভার শহীদ বেদরেত্তিন আকদেনিজের পরিবার, আলি আক্তাসের পরিবার ও DHF সহ বিভিন্ন বিপ্লবী, গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক সংগঠন অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয়।

সূত্রঃ 

http://www.signalfire.org/2015/06/30/sehid-ma-biymut/


ভারতঃ জঙ্গলমহলের মাওবাদী ইস্যু নিয়ে বৈঠক, শহরে ডিজি

image

জঙ্গলমহলের পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হল মেদিনীপুরে। বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি জি এম পি রেড্ডি, আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (আইবি)-এর পদস্থ কর্তারা। ছিলেন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপাররা।
পুলিশের এক সূত্রে খবর, জঙ্গলমহলে নতুন করে মাওবাদীদের প্রভাব বাড়ার আশঙ্কা এ দিনের বৈঠকে উড়িয়ে দেননি রাজ্য পুলিশের কর্তারা। বরং তাঁদের পরামর্শ, কোনও সূত্র থেকে খবর এলেই সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখতে হবে। মাওবাদীরা যেখানে যেখানে আশ্রয় নিতে পারে, সেখানে নজরদারি বাড়াতে হবে। বৈঠক শেষে ডিজি বলেন, ‘‘পর্যালোচনা বৈঠক হল। দু’মাস আগেও এখানে এসে বৈঠক করেছি। জঙ্গলমহলের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু তথ্য আসছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’ তবে কি ফের সক্রিয় হচ্ছে মাওবাদীরা? এ বার অবশ্য ডিজির জবাব, ‘‘উদ্বেগজনক কিছু নয়।’’ তবে  জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সাংগঠনিক চাঁদা চেয়ে মাওবাদীরা ব্যসায়ীদের চিঠি দেওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ।
জঙ্গলমহল সত্যিই হাসছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে খোদ রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা-রিপোর্টই। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, মাওবাদীরা ফের সাংগঠনিক চাঁদা চেয়ে ব্যবসায়ীদের চিঠি দেওয়া শুরু করেছে। মাওবাদী স্কোয়াডের সদস্যরা দল বেঁধে এসে এই এলাকায় থেকেও যাচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রামের কয়েকজনকে ইতিমধ্যে মাওবাদীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইবি। পরিবর্তীত এই পরিস্থিতিতে জঙ্গলমহলে তল্লাশিতে ফাঁক রাখতে চাইছে না পুলিশ। পশ্চিম মেদিনীপুরে গত কয়েক মাসে কয়েকটি এলাকা থেকে মাওবাদীদের নাম লেখা পোস্টার মিলেছে। ছত্রধর মাহাতোদের সাজা হওয়ার পরপরই শালবনির বাগমারির জঙ্গল থেকে বেশ কিছু পোস্টার উদ্ধার হয়। সাদা কাগজের লাল কালিতে কোনও পোস্টারে লেখা ছিল, ‘ছত্রধর মাহাতোদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল কেন বাংলার দিদি জবাব দাও’, কোনওটিতে লেখা ছিল, ‘কিষেনজিকে আলোচনার নাম করে মারা হল কেন বাংলার দিদি জবাব দাও,’ আবার কোনও পোস্টারে লেখা ছিল, ‘লালগড় বিদ্রোহের পথে সমস্ত মানুষ এক হও’। বেলপাহাড়ি, ধেড়ুয়া, গোয়ালতোড় থেকেও এমন পোস্টার উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ অবশ্য পোস্টার উদ্ধারের বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতেই নারাজ। পুলিশের দাবি, এগুলো মাওবাদীদের কাজ নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের কথায়, “এগুলো মাওবাদীদের পোস্টার নয়।” এক সোর্সের খবরের ভিত্তিতে বুধবারও গোয়ালতোড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। পুলিশ সুপার ভারতীদেবীর অবশ্য দাবি, “এটা রুটিন তল্লাশি। এমন তল্লাশি চলেই।”

পুলিশের একাংশ অবশ্য এই সময়টাকে খুব হালকা ভাবে দেখতে নারাজ। রাজ্য পুলিশের এক কর্তার কথায়, “ছত্রধরদের সাজা হল। তার পরপরই পোস্টার উদ্ধার হল। কয়েকটি এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয়দের আনাগোনার খবরও মিলছে। তারা এলাকায় থেকেও যাচ্ছে। বিষয়টিকে খুব হালকা ভাবে নিতে ভুল হবে।” রাজ্যে পালাবদলের পর  ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর মৃত্যু হয় শীর্ষ মাওবাদী নেতার কিষেণজির। কিষেনজির মৃত্যুর পর অবশ্য রাজ্যে কোনও মাওবাদী-নাশকতার ঘটনা ঘটেনি। তবে ‘কিষেনজির বদলা আমরা নেবোই’ এমন লেখা পোস্টারও জঙ্গলমহল থেকে উদ্ধার হয়েছে। মাস কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার ঘাটশিলার চেকাম জঙ্গলে মাওবাদীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এক কোবরা জওয়ান প্রাণ হারান। ঘটনাস্থল থেকে বেলপাহাড়ির দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। ঝাড়খণ্ডের এই ঘটনায় চিন্তা বাড়ে জেলা পুলিশের। পুলিশেরই এক সূত্রে খবর, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড সীমান্ত থেকে মাঝেমধ্যে এ জেলার কিছু এলাকায় ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরা। নতুন করে ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা চলছে। পুলিশের অবশ্য দাবি, সীমানাবর্তী এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা রয়েছে। কোন কোন এলাকায় মাওবাদীরা নতুন করে প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে, বৈঠকে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। চার জেলার পুলিশ সুপারই নিজ নিজ জেলার পরিস্থিতির কথা জানিয়ে দেন। রাজ্য পুলিশের এক কর্তা মানছেন, “মাওবাদীরা হয়তো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রত্যাঘাতের পথ খুঁজছে। এক সময় জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের প্রভাব ছিল। ফলে, পথঘাট সবই ওদের চেনা।’’ বৈঠকে জঙ্গলমহল এলাকার প্রতিটি থানাকে আরও সতর্ক করে দেওয়ারও নির্দেশ দেন রাজ্য পুলিশের পদস্থ কর্তারা।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/state/%E0%A6%9C%E0%A6%99-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%B2-%E0%A6%A8-%E0%A7%9F-%E0%A6%AC-%E0%A6%A0%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0-%E0%A6%A1-%E0%A6%9C-1.165656