সরকারী সেনাদের উপর ফিলিপিন মাওবাদীদের হামলায় নিহত ১ সেনা, আহত ৪

NPA

গত শনিবার সন্ধ্যা ৫.৩০টায় দক্ষিণ ফিলিপিনের মিসামিস প্রদেশে মাওবাদী কমিউনিস্টদের গেরিলা শাখা নিউ পিপলস আর্মি-NPA এর ৩০জন যোদ্ধা, সরকারী সেনাদের উপর ২০ মিনিটের গেরিলা হামলা চালালে এক সরকারী সেনা নিহত, ২ জন সাধারণ নাগরিক সহ ৪ জন সেনা আহত হয়। এছাড়া এক সরকারী সেনাকে মাওবাদীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। ১৯৬৯ সাল থেকে ফিলিপিনের ৮১টি প্রদেশের মধ্যে ৬০টি প্রদেশেই ফিলিপিন কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা NPA এর ৪০০০ জন গেরিলা যোদ্ধা নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গণযুদ্ধ চালিয়ে আসছে।

সূত্রঃ http://en.trend.az/world/other/2416281.html


ঋণচুক্তি করায় গ্রিস প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ

images (1)

ব্যয় সংকোচন শর্ত মেনে নিয়ে ঋণচুক্তিতে আসায় গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাসের বিরোধিতা করে এ চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ। এমনকি নিজ দল ও জোটের নেতা ও এমপিদের বিরোধিতার মুখেও পড়েছেন তিনি।

এ কারণে বুধবার ঋণচুক্তিটি সিপরাস গ্রিক পার্লামেন্টে পাশ করাতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, চুক্তির বাস্তবায়ন এবং অর্থনীতি পুনর্গঠনে দাতাগোষ্ঠী সবসময় গ্রিসের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিনির্ধারকরা।

গ্রিকদের বহু প্রতীক্ষিত ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে গ্রিসের রাজপথ। কারণ ঋণের সঙ্গে গ্রিসের ওপর আবারো চাপিয়ে দেয়া হয়েছে কর বাড়ানো, পেনশন ভাতা কমানো, শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারিকরণের মতো কঠিন ব্যয় সংকোচন শর্ত

প্রথমে ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে গণভোট, এরপর আবার সেই ব্যয় সংকোচন নীতিতেই সমর্থন, সিপরাসের এমন দ্বৈত আচরণে স্তম্ভিত গ্রিসের সাধারণ মানুষ।

একই রকম প্রতিক্রিয়া গ্রিসের অনেক রাজনৈতিক নেতা ও এমপির। গ্রিসের সাবেক কূটনীতিক. বলছেন, এ চুক্তির মধ্য দিয়ে গ্রিসের ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা নিশ্চিত হলেও এ চুক্তির বাস্তবায়ন হলে গ্রিস আসলে জার্মানির উপনিবেশে পরিণত হবে

ব্রাসেলসের সম্মেলন শেষে দেশে ফিরে সিপরাস বিরোধীদল শুধু নয় নিজের দল এবং সরকারের কোয়ালিশন সদস্যদেরও সমালোচনার মুখে পড়েন ।

গ্রিসের এই উত্তাল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইউরোজোন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিনির্ধারকরা সিপরাসকে এই বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন যে, গ্রিসের পুনর্গঠনে পুরো ইউরোপ কাজ করবে। ঋণচুক্তি বিষয়ে গ্রিক পার্লামেন্ট ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে বলেও আশাবাদ তাদের।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য সোমবার গ্রিসের সাথে ৮ হাজার ৬’শ কোটি ডলারের ঋণচুক্তিতে আসে দাতাগোষ্ঠী। তবে পাশাপাশি গ্রিসের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয় কঠিন ব্যয় সংকোচন নীতি।

এসব নীতিগুলো গ্রিসের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

সংকট সমাধানের মতামত:

গ্রীস সংকট ও গণভোট সম্পর্কে ইতালির মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি (PCm Italy)

2015-02-04t160405z_905415275_pm1eb241aae01_rtrmadp_3_eurozone-greece-france.jpg_1718483346

গ্রীসের প্রলেতারিয়েত জনগণ যারা ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাদের সাথে সংহতি জানাচ্ছে ইতালির মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি। সিরিজা সরকার ও ‘ত্রৈকা’র মধ্যে যে কোন চুক্তি গ্রীসের জনসাধারণের জীবনযাত্রা ও কাজকর্মের অবনতি সাধন করবে; তাই  সাধারণ সংগ্রাম ও অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই আক্রমণের জবাব দিতে হবে ও যে কোন মূল্যে একে প্রতিরোধ করতে হবে। সিরিজার গণভোটের সিদ্ধান্ত একটি অদূরদর্শী কৌশলগত চাল যার কোন পরিপ্রেক্ষিত নেই।

যদি ‘না’ জয়ী হয় (যেটা আমরা নিশ্চিতভাবে চাই), পরিস্থিতি কিছুই বদলাবে না; ত্রৈকার ব্ল্যাকমেইল চলতেই থাকবে এবং আরো বৃদ্ধি পাবে। ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী সরকারদের মদদে ব্ল্যাকমেইল যদি চলতেই থাকে এবং ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয় তবে সেটি হবে জীবন্ত আত্মহত্যার শামিল এবং এতে করে সরকারের পতনের রাস্তা উন্মুক্ত হবে, ত্রৈকা ও গ্রীক বুর্জোয়াদের হাতে নতুন একটা সরকার তৈরী হবে। কিন্তু সর্বোপরি সিরিজা সরকার এর ব্যর্থতার দায়ভার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়ার সুযোগ পাবে।

সুতরাং, PCm Italy সংহতি জানাবার সব উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে, কিন্তু ‘না’ এর ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকছে এবং গ্রীসের কমিউনিস্ট ও বিপ্লবী শক্তিকে সমর্থন জানাচ্ছে যাদের সাথে সিরিজার নির্বাচনী, সংসদীয় ও সরকারতন্ত্রীয় কর্মকাণ্ডের কোন মিল নেই।

PCm Italy

সূত্রঃ http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%8B%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD

http://www.signalfire.org/2015/07/01/pcm-italy-about-greece-crisis-and-referendum-unofficial-traslation/


ভারতঃ ছত্তিশগড়ে ৪ স্পেশাল পুলিশ অফিসারকে অপহরণ করল মাওবাদীরা

maoist1-655x360

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে ৪  স্পেশাল পুলিস অফিসারকে মাওবাদীরা অপহরণ করছে বলে জানাচ্ছে মিডিয়া।

সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ চারজন পুলিশ অফিসারকে অপহরণ করে মাওবাদীরা। সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়ের বাইজাপুর জেলার কুতুরু পুলিশস্টেশন সংলগ্ন এলাকা  থেকে অপহরণ করা হয়েছে এই চারজনকে। পুলিশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল আরকে ভিজ মাওবাদীদের হাতে চারজন পুলিশের অপহরণ হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “কুতুরু পুলিশ স্টেশন সংলগ্ন এলাকা দিয়ে একটা বাস যাচ্ছিল। সেই সময় হঠাৎ মাওবাদীরা বাসে উঠেই অপহরণ করে ওই চারজনকে।” অপহরণ হওয়া চারজনের মধ্যে রয়েছে জয়দেব যাদব, মঙ্গল সোধি, রাজু তেলা ও রামা মাঝি। এরা প্রত্যেকেই কনস্টেবল পোস্টের পুলিশ কর্মী। অপহৃত চারজন পুলিশ অফিসারের খোজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

তবে এর ঠিক পুলিস নয়। আদিবাসী যুবকদের সামান্য বেতনে মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই করতে নামিয়েছে ছত্তিশগড় সরকার। যদিও এদের নিয়োগকে বেআইনি বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তা সত্ত্বেও কী করে এরা পুলিসের হয়ে কাজ করছেন তা মিডিয়া রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট নয়। এদিন ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় মাওবাদীদের করা IED বিস্ফোরণে ২ CRPF জওয়ান জখম হয়েছেন।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=3240