তুরস্কঃ বামপন্থীদের সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে কুর্দী জনগণ ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

turkey-clash-26894

তুরস্কের সিরীয়া সীমান্তবর্তী শহর সুরুক-এ বামপন্থীদের সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে এ-ঘটনার প্রতিবাদে ইস্তাম্বুলে কুর্দী জনগণের সঙ্গে পুলিশের তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের সরকার আইএস জঙ্গিদের মদদ দিচ্ছে এই অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক দেয় কুর্দীরা।

এদিকে আত্মঘাতী এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তুর্কি সিরিয়া সীমান্তবর্তী কোবানি শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্রে এ হামলা চালানো হয়।

তুরস্কের সুরুক শহরে বামপন্থীদের সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলার প্রতিবাদ জানাতে ইস্তাম্বুলের তাকসিম স্কয়ারে শতশত কুর্দি জনগণ জড়ো হলে জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ বিক্ষোভকারী জনগণ পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করেছে। সন্ত্রাসী হামলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য সরকারকে দায়ী করে জনগণ অভিযোগ করে তুরস্ক সরকার জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে সমর্থন এবং লালন পালন করছে।

সুরুক শহরে এ হামলা এমন সময় হয় যার মাত্র কিছুদিন আগেই সিরিয়া সীমান্তে কুর্দি বাহিনী, বিদ্রোহী দল, সরকারী সেনাবাহিনী এবং আইএস’র মধ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকি এড়াতে তুরস্ক অতিরিক্ত সেনাসদস্য মোতায়েন করে।

তবে, তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে সন্ত্রাসী হামলা বলে উল্লেখ করেছে। এক নারী আত্মঘাতী এই বোমা হামলা চালিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে তুরস্ক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, বামপন্থীদের প্রায় ৩শ’ তরুণ একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘আমারা সংস্কৃতি কেন্দ্রে‘ উপস্থিত হয়েছিলেন। তারা কোবানিতে আটকে থাকা বেসামরিক লোকজনের জন্য ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সোস্যালিস্ট ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ফেডারেশন– এর এসব সদস্যদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয় বলে জানায় তুরস্কের বিভিন্ন গণমাধ্যম।

আত্মঘাতী বোমা হামলাটি যে এলাকায় ঘটে সেখানকার বেশিরভাগ বাসিন্দা কুর্দি। তাদের অনেকেই আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে।

সূত্রঃ http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7

Advertisements

নেপালঃ পুষ্প কমল দহলের দিকে পাথর লিক্ষেপ করল বিক্ষোভকারীরা

Dahalsprogramme_20150720064611

লাহান, ২০ জুলাই- সোমবার মাধেশি মোর্চা, মোহন বৈদ্য নেতৃত্বাধীন সিপিএন-মাওবাদী ও মাতৃকা যাদব নেতৃত্বাধীন মাওবাদী পার্টির ক্যাডাররা ইউসিপিএন (মাওবাদী) এর চেয়ারম্যান পুষ্প কমল দহলের দিকে পাথর নিক্ষেপ করে। সিরাহা জেলার মিরচাইয়াতে মোহন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খসড়া সংবিধান বিষয়ে জন মতামত সংগ্রহের এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পরপর পুলিশ ও ক্যাডারদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। মিরচাইয়া পুলিশ জানিয়েছে আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। দুপুর ২টার দিকে ক্যাডাররা সংবিধানের খসড়া কপি ছিঁড়ে ফেলে ও পাথর নিক্ষেপ করতে আরম্ভ করে। এ ঘটনার পর থেকে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

সূত্রঃ

http://www.ekantipur.com/2015/07/20/top-story/cadres-pelt-stone-at-dahal-in-lahan/408170.htmlTwo Maoists arrested in Bihar


তুরস্কে বামপন্থী যুব সমাবেশে আই এসের হামলা, নিহত ৩০

সমাবেশ শুরুর পূর্বে

সমাবেশ শুরুর পূর্বে

হামলার পরে

হামলার পরে

হামলার পরে

হামলার পরে

নিহত কমরেডরা

নিহত কমরেডরা

ইস্তানবুল, ২০শে জুলাই— সিরিয়া সীমান্তে তুরস্কের সুরুক শহরে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণে অন্তত ৩০জন নিহত ও ১০০-র বেশি আহত হয়েছেন। সোমবার এই আক্রমণ হয়েছে সুরুকের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বামপন্থী যুব সংগঠনগুলির সভা চলাকালীন। হতাহতরা বামপন্থী যুব আন্দোলনের নেতা-কর্মী। ইসলামিক স্টেটের সন্ত্রাসবাদীরা এই আক্রমণ চালিয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, প্রচণ্ড শক্তিশালী বিস্ফোরণে জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়েছে।

সিরিয়ার কুর্দ- নিবিড় শহর কোবানের ঠিক বিপরীতে সীমান্ত পেরিয়েই সুরুক। দূরত্ব আনুমানিক ১০কিলোমিটার। রেশম শিল্পের জন্য একদা বিখ্যাত সুরুকে সিরিয়ার শরণার্থীদের বড় একটি শিবিরও রয়েছে। প্রায় ৩৩হাজার শরণার্থী সেখানে রয়েছেন। সুরুকের অধিবাসীদেরও বড় অংশ কুর্দ। কোবানে শহরে ইসলামিক স্টেটের আক্রমণের বিরুদ্ধে মরিয়া লড়াই হয়েছে, নিজেদের শহর বাঁচাতে প্রাণ দিয়েছেন বহু মানুষ। কোবানের এই লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানাতেই সুরুকের আমারা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সোমবার সোস্যালিস্ট ইউথ ফেডারেশনের ডাকে কনভেনশন অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। বিভিন্ন বামপন্থী যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন। ইস্তানবুল, আঙ্কারা, আন্তাকায়া থেকেও প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। স্থানীয় সময় দুপুর বারোটার একটু পরে কনভেনশনের সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য যখন সাংবাদিক সম্মেলন হচ্ছিল তখনই বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের মূল ধাক্কা লাগে কনভেনশন হলের ঠিক বাইরের প্রাঙ্গণে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছে, আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলেই মনে হয়। তুরস্কের সরকার জানিয়েছে, এই কাজ ইসলামিক স্টেট সন্ত্রাসবাদীদেরই। সালনিউফ্রা প্রদেশের গভর্নর বলেছেন, আত্মঘাতী মহিলা সন্ত্রাসবাদী এই আক্রমণ চালিয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগান এই আক্রমণের নিন্দা করেছেন। ২০১৩-র মে মাসে রেহানলিতে বিস্ফোরণের পরে এটিই তুরস্কে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ।

টেলিভিশনের ছবি ও সোস্যাল মিডিয়ায় পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের পরে আগুনও ধরে যায়। রক্তাক্ত দেহ বাগানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। রক্তের স্রোত ভেসে যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণ খুবই শক্তিশালী ছিলো। সমগ্র এলাকা কেঁপে ওঠে। আহতদের বেসরকারি গাড়ি করেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সও আসে। তবে এই সময়েই চিৎকার-চেঁচামেচির মধ্যে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়েছে বলে অভিযোগ।

যুব সংগঠনগুলির ওই কনভেনশন থেকে স্থির হয়েছিল, কোবানেয় ঢুকে বিধ্বস্ত শহর পুনর্নির্মাণের কাজে তারা হাত লাগাবে। শিশুদের জন্য খেলনা, অন্যান্য সামগ্রী জড়োও করা হয়েছিল। বিস্ফোণের পরে দেখা যায় সেই খেলনাও পড়ে আছে রক্তস্রোতের মধ্যে। কোবানের লড়াইয়ের সময়ে তুরস্কের সরকার কোনো সাহায্য করেনি। বস্তুত, চার বছরের বেশি সময় ধরে তুরস্কের মদতে সিরিয়ায় সরকারবিরোধী সশস্ত্র শক্তিগুলি পুষ্ট হয়েছে। জাবাত-উল-নুসরার মতো ঐস্লামিক গোষ্ঠীগুলিকে প্রত্যক্ষ মদত দিয়েছে তুরস্কের সরকার। দক্ষিণ তুরস্কের সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদীরা দলে দলে সিরিয়ায় ঢুকেছে। অন্যদিকে, সিরিয়া থেকে হাজার হাজার শরণার্থী তুরস্কে এসে আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন।

সূত্রঃ http://www.ynetnews.com/articles/0,7340,L-4682069,00.html

http://www.bbc.com/news/world-europe-33593615


ভারতঃ মাওবাদী তরুণীদের ধর্ষণের অভিযোগ

242_42414

রাঁচির হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে অসুস্থ দুই তরুণীকে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তরুণীদের পরিবারের অভিযোগ, দু’জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত রাতে বোকারোর বাসিন্দা ওই দুই তরুণীকে রামগড়ের জেলা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন পরিজনরা। চিকিৎসকরা তাঁদের জানান, প্রাথমিক পরীক্ষায় দুই তরুণীকে একাধিক বার ধর্ষণের চিহ্ন মিলেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কী ভাবে ওই ঘটনা ঘটল, কারা তাতে জড়িত তা ওই দু’জনের পরিবারের লোকদের কাছ থেকে জানা যায়নি। রামগড়ের পুলিশ সুপার এম তামিলওনাম বলেন, ‘‘দুই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।’’

উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত যত মাওবাদী নারী ধর্ষিত হয়েছেন, তার সবই রাষ্ট্রের পুলিশ ও তাদের গোয়েন্দা এজেন্টদের হাতেই হয়েছে। পুলিশ নিজেরা এসব ধর্ষণ  করে, পরে ঘটনা গুলো ধামা চাপা দেয়ার জন্যে নানা গল্প সাজিয়ে আসছে।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD-%E0%A6%AF-%E0%A6%97-1.179625#


ভারতঃ ‘কেরালা পুলিশ ও সরকার আমাকে মাওবাদী বানিয়েছে’- সাইনা

download (7)

কোয়েম্বাটোরঃ পুলিশের হয়রানির ফলে শিকড়হীন ও বাসস্থানচ্যুত হয়ে মাওবাদী নেতা রূপেশের স্ত্রী সাইনা ২০০৮ সালে কেরালার তৎকালীন মুখ্য মন্ত্রী ভি এস আচুদানন্দনকে একটি চিঠি লেখেন। নিপীড়নকারী রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রতিনিয়ত পুলিশের হয়রানি কীভাবে তাকে মাওবাদী আন্দোলনে যোগদান করতে বাধ্য করেছে সে বিষয়ে চিঠিতে লেখেন তিনি। ই-মেইলটিতে সাইনা বর্ণনা করেছেন কীভাবে গ্রেফতার এড়াতে এক রাতে হঠাৎ তাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। আবেগের সাথে স্মরণ করেন তিনি বুঝতে পারছিলেন না যে তিনি আর কখনো সন্তানদের সাথে তার বাড়িতে ঘুমাতে পারবেন না। ই-মেইলে তিনি লিখেছেন, “আমার বাচ্চারা অনেক দিন ধরে কাঁঠাল খাওয়ার জন্য আর ওদের ইউনিফর্ম পরার জন্য অপেক্ষা করে ছিল; সেগুলো ওদেরকে ছেড়ে চলে যেতে হল। আমাদের সব প্রিয়জনদের ছেড়ে বাড়ি ছেড়ে আমরা পালালাম। সেই সন্ধ্যায় আমরা জানলাম পুলিশ আমার বাড়িতে আমার ল্যাপটপের জন্য হামলা চালিয়েছে অথচ ঐ ল্যাপটপ আমার ছিলই না।” “বাচ্চাদেরকে ওদের নানির বাড়িতে নিরাপদে পৌঁছে দিয়ে আমি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাই। জেনেছিলাম পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই আমার বাড়িতে হানা দিয়েছিল। খবরের কাগজে পড়েছি আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সি ও UAPA (Unlawful Activities Prevention Act) এর অধীনে অভিযোগ আনা হবে।”

আন্ডারগ্রাউন্ডে যাবার আগে কেরালা হাই কোর্টের ক্লার্ক ছিলেন সাইনা। তিনি তার চিঠিতে লিখেছেন, যেহেতু তিনি শ্রমিকদের সাথে সংহতি জানিয়েছিলেন এবং প্রায়ই ইউনিয়ন নেতাদের সাথে ও কোচিন ইকোনোমিক জোনের শ্রমিকদের সাথে কিংবা আদিবাসীদের সাথে আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকতেন, সেহেতু সরকার সবসময় তাকে ভাতা ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করেছে। তিনি বর্ণনা করেছেন পুলিশ কীভাবে তাকে হয়রানি করা শুরু করল। বামধারার ম্যাগাজিন ‘পিপলস মার্চ’ এর সম্পাদক গোভিন্দন কুট্টির সাথে সাক্ষাৎ করতে একটি সত্য অনুসন্ধানী দলের সাথে তিনি ভিয়ুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান। এসময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করে; পুলিশের দাবী ছিল তিনি নাম ভাঁড়িয়ে কুট্টির সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন।

তবে সাইনা ও জওহারলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশের এই দাবী মিথ্যে প্রমাণিত হয়। জওহারলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীরই নাম ভাঁড়িয়ে কারাগারে ঢোকার অভিযোগ আনা হয়েছিল সাইনার বিরুদ্ধে। দুই দিন পর সাইনা দাবী করেন পুলিশ চারজন ব্যক্তিকে মাওবাদী হিসেবে অভিযুক্ত করেছে এবং তাদেরকে আশ্রয় দেবার অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করেছে; নন্দীগ্রামে সহিংসতার উপর কেরালায় সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন এই চারজন। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রাম আন্দোলন কর্মীদেরকে পুলিশ টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। কলমাসেরি থানায় লক আপে ঢুকিয়ে পুলিশ তাদের পোশাক খুলে ফেলে। আমার বাচ্চারা এক রাত কারাগারে কাটাতে বাধ্য হয়।” “ছাড়া পাবার পর আমাদেরকে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকতে বাধ্য করা হয় যাতে করে প্রমাণ হয় যে আমরা সন্ত্রাসী না কিংবা গোপন কোন সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে আসা মাওবাদী না। ব্রংকাইটিসের চিকিৎসা চলাকালীন সাইনা জানতে পারেন মল্ল রাজা রেড্ডি ও তার স্ত্রীকে আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হবে। “আমাকে বলা হয়েছিল যদি আমি বাচ্চাদের নিয়ে শীঘ্রই পালিয়ে না যাই তাহলে আমার ভাগ্যও গোভিন্দন কুট্টির মতো হবে।”

সাইনা ই-মেইল শেষ করেছেন এভাবে, “আমি উপলব্ধি করেছি কমিউনিস্ট মতাদর্শের প্রতি আমার জোরালো অবস্থান আমার সরকারি চাকরীকে প্রচণ্ড নিরাপত্তাহীন করে ফেলেছিল। আমি উপলব্ধি করেছি আমরা ন্যায্য প্রশ্ন করা শুরু করলে রাষ্ট্রযন্ত্র আমাদেরকে হত্যা করবে। আমি বুঝেছি, যে ব্যক্তির চিন্তা ও কর্ম রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত, বিদ্রোহ ছাড়া তার আর কোন পথ নেই। আমাকে মাওবাদী বানিয়েছে আপনার পুলিশ এবং সরকার।”

সূত্রঃ  

http://www.newindianexpress.com/states/tamil_nadu/Kerala-Police-Government-Made-Me-a-Maoist/2015/07/19/article2928272.ece