ভারতঃ ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী অ্যাকশন, ৩০টি লরিতে আগুন

truck1

রাঁচি: ঝাড়খণ্ডে ফের মাওবাদী অ্যাকশন। বোকারোর সেন্ট্রাল কোলফিল্ড লিমিটেড বা সিসিএলের ৩০ টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিল মাওবাদীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে ওই সিসিএলে চড়াও হয় মাওবাদীদের প্রায় ১০০ জনের একটা দল। এর পরে নিরাপত্তারক্ষীকে আক্রমণ করে চলে যেতে বলে তারা। নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দিলে সিসিএলের ৩০টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় মাওবাদীরা। সিসিএল আদিবাসীদের স্বার্থে আঘাত করছে এই অভিযোগে মাওবাদীরা হামলা চালায়।

মাওবাদীদের খোঁজে ঝাড়খণ্ড পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত কয়েকমাস যাবত ঝাড়খণ্ডের ১৮ টা জেলাতেই মাওবাদী আগ্রাসন বেড়েছে। ঘটনার জেরে রাঁচি থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরের ওই কয়লাখনিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের ২৪টি জেলার মধ্যে ১৮টিতেই মাওবাদীরা সক্রিয়। বাকী জেলা গুলোতে তাদের সাংগঠনিক বিস্তৃতি দিন দিন বাড়ছে।

সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/city/ranchi/Maoists-torch-30-vehicles-in-Jharkhand/articleshow/48211475.cms

Advertisements

২০৪ দিনে আমেরিকায় খুন ২০৪ জন

dead2

ওয়াশিংটন: নিজেদের সামরিক বাহিনীতে বছরে সবথেকে বেশি খরচ করে তাঁরা। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কিংবা যুদ্ধে একজনও নাগরিক মারা গেলে সে দেশের সরকার পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এহেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই প্রতিদিন খুন হন একজন করে। সদ্য প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি বছরে ২০৪ দিনে আমেরিকায় খুন হয়েছেন ২০৪ জন। বৃহস্পতিবার সেদেশে সর্বশেষ মানব নিধনের ঘটনাটি ঘটেছে লুসিয়ানা প্রেক্ষাগৃহে। সেই ঘটনায় খুন হন ৬ জন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকায় এপ্রিল মাসেই মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। মে মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। জুন মাসে মারা গিয়েছেন ৪১ জন। জুলাইয়ে সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। ওহিও, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ ইয়র্কে মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ১০, ১৪ ও ১৬ জন।

সরকারের দেওয়া তথ্য উসকে দিয়ে এক এফবিআই কর্তা কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, আমেরিকায় সবথেকে বেশি বিপজ্জনক আল কায়েদা নয় আইএস। কারণ ইসলামিক স্টেট বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিককে প্রশিক্ষণ দিয়ে বলছে, সিরিয়ায় গিয়ে যুদ্ধ করার দরকার নেই। নিজেদের ঘর থেকেই যুদ্ধ শুরু কর।

সূত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/204-mass-shooting-cases-in-us-in-2015.html


তুরস্কঃ সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অর্থহীন জানাল মাওবাদী PKK

pkk-seizes-control-from-isis-88288ypg871

তুর্কি সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতি অর্থহীন বলে শনিবার বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিল মাওবাদী সংগঠন PKK। গতকাল রাতে উত্তর ইরাকে PKK এর শিবিরে বিমান হামলা চালায় তুর্কির সরকারি সেনারা। উত্তর ইরাকের কান্দি পার্বত্য এলাকায় পিকেকে’র অন্তত পাঁচটি ক্যাম্পে হামলা চালায় তুর্কি বিমান। এতে ওন্দার আসলান নামে একজন মাওবাদী নিহত ও অন্য ৩ জন আহত হয়। PKK এর অভিযোগ তাদের খতম করতেই মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন ISIS কে মদত দিচ্ছে তুর্কি। কয়েকদিন আগে বামপন্থী যুব সমাবেশে হামলায় চালিয়ে ৩২জনকে হত্যা করে IS। এর পিছনে সরকারের মদত আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই বদলা নিতে কয়েকদিন আগে ২ জন তুর্কি পুলিশকে খতম করেছে মাওবাদী PKK। ওই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ISকে সহযোগিতার প্রমাণ ছিল।

PKK-Troops-Photo-James-Gordon

সূত্রঃ http://news.yahoo.com/pkk-says-conditions-turkey-truce-no-longer-place-152404724.html


ভারতঃ মারা গেলেন বিপ্লবী লেখক সংঘ বা ভিরাসমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ‘চালসানি প্রসাদ’

চালসানি প্রসাদ

বিপ্লবী লেখক কমরেড চালসানি প্রসাদ

বিপ্লবী লেখক সংঘের অনুষ্ঠানে চালসানি প্রসাদ

বিপ্লবী লেখক সংঘের অনুষ্ঠানে চালসানি প্রসাদ

নিজ বাসায় মারা গেলেন কমরেড চালসানি প্রসাদ

নিজ বাসায় মারা গেলেন কমরেড চালসানি প্রসাদ

৮৩ বছর বয়সে মারা গেলেন বিপ্লবী লেখক সংঘ বা ভিরাসমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা চালসানি প্রসাদ। বিশাখাপত্তনমের সিতাম্মাধারায় এইচ বি কলোনির নিজ বাসায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১ নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। দুই মেয়েকে সাথে নিয়েই থাকতেন তিনি। তার স্ত্রী কয়েক বছর আগেই মারা যান।

বাসায় এ্যাম্বুলেন্স পৌছার আগেই হৃদরোগে তিনি মারা যান।

চালসানি প্রসাদ, কৃষ্ণ জেলার ভাটলাপেনুমাররুতে এক কমিউনিস্ট পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন পুরো জীবনটাই মার্কসবাদী আদর্শে পরিচালিত হন। জরুরী অবস্থা চলাকালীন তিনি আটক হন এবং তার মার্কসবাদী মতাদর্শ ও ঘোষণাগুলোর কারণে বেশ কয়েকবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কারণ রাষ্ট্র ভিরাসমকে সিপিআই(মাওবাদী) এর অঙ্গ সংগঠন হিসেবে মনে করে। অবসরপ্রাপ্ত এই কলেজ শিক্ষক আগাগোড়াই মাওবাদী আদর্শে বিশ্বাস করতেন। সিপিআই মাওবাদীরও ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি।

প্রসাদ বিশাখাপত্তনমে মিসেস এ.ভি.এন এ কলেজ থেকে রাজনীতি প্রভাষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি নিজেকে ছাত্রদের কাছে প্রিয় বন্ধু হিসেবে তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি তাদের ব্যক্তিত্বের উন্নয়নে আগ্রহী ছিলেন। তিনি শ্রী শ্রী, রবি শাস্ত্রী, রাঙ্গানায়াকাম্মা এবং বিভিন্ন জনদের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

একজন উৎসুক পাঠক, চালসানি প্রসাদের এইচ বি কলোনির বাসায় হাজার হাজার বই বস্তাবন্দী অবস্থায় আছে, এগুলোর বেশীর ভাগই দুষ্প্রাপ্য। তিনি অনেক বিষয় নিয়ে গভীর ভাবে আলোচনা করতে পারতেন এবং একজন লেখকের মর্যাদা যাই হোক না কেনো, তিনি যে কোন ভালো লেখার সঠিক মূল্যায়ন করতেন এবং একই সময়ে অন্যান্য সুপ্রতিষ্ঠিত লেখকদের মত যদি তিনি ভুল করতেন বা কিছু লিখতেন তবে সেটা সমাজের স্বার্থবিরোধী হত।

তিনি একজন বামপন্থী হতে পারেন, কিন্তু বিশ্বনদ সত্যনারায়ণের একটি সাহিত্য সভায়ও অনুপস্থিত থাকতেন না, কারণ তিনি তার লেখার জন্যে সবসময় প্রশংসিত হতেন।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/national/andhra-pradesh/chalasani-prasad-passes-away/article7464236.ece


অরণ্যের দিনরাত্রি – ছত্তিসগড়ে মাওবাদীদের সাথে ২৩ দিনের ধারাবাহিক গল্প (৬ষ্ঠ পর্ব)

একটি বিপ্লবের অরণ্যের জীবনের গল্প

(লাল সংবাদ প্রতিবেদনটি বাংলায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করছে)

ষষ্ঠ পর্ব:

( এক দুর্লভ সুযোগ। মাওবাদীদের ক্যাম্পে বাস করে, তাদের সাথে একত্রে খাবার ভাগ করে খেয়ে, ল্যাপটপে সিনেমা দেখেএবং মাওকে নিয়ে বিতর্ক চালিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদক আশুতোষ ভরদ্বাজ ছত্তিসগড়ে ২৩ দিন কাটিয়ে এলেনমাওবাদীদের সাথে। গত বছরের (২০১৪) ফেব্রুয়ারিতে ছত্তিসগড়ের অবুঝমাদ অরণ্যে প্রবেশের দুর্লভ অনুমতি পেয়ে যানআশুতোষ ভরদ্বাজ। অবুঝমাদ মাওবাদীদের একটি মুক্তাঞ্চল। এখানে মাওবাদীদের নেটওয়ার্ক মানবদেহের ধমনীর থেকেও বেশীবিস্তৃত। এটি বিপ্লবের অরণ্যে জীবনের গল্প)

মাওবাদীদের ঘাঁটি এলাকা

মাওবাদীদের ঘাঁটি এলাকা

ইতোমধ্যে, পাকিস্তান বেশ ভালই রান তাড়া করছে আর মান্দভীর অস্বস্তি বাড়ছে। রাত হয়ে গেছে, রাতের খাওয়া শেষ কিন্তু রেডিওতে এখনো অনেকে কান পেতে আছে। তারপর পরিস্থিতি হঠাৎ বদলে গেল। ভুবনেশ্বর কুমার ৪৯তম ওভারে ২টি উইকেট নিলেন এবং ৫০তম ওভারের প্রথম বলে আর অশ্বিন পাকিস্তানের নবম উইকেটটি নিলেন। মান্দভী বললেন, “বলেছিলাম না, বিপ্লবের জন্য ভারতকে জিততেই হবে”। এরপর শহীদ আফ্রিদি পরপর কয়েকটি ছক্কা পেটালেন। পাকিস্তান ১ উইকেটে জিতে গেল। মান্দভী তেরপলের উপর চুপচাপ শুয়ে পড়লেন। জয়লালের মুখে স্নেহময় হাসি, চোখে ঝিলিক; তার বয়স ২২ কিন্তু তাকে আরো অল্প বয়স্ক দেখাচ্ছে। ওর বাম কাঁধের ইনসাস রাইফেলটা ওর ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি শরীরটাকে প্রায় ঢেকে ফেলেছে আর ডান কাঁধে ঝুলছে পিঠ ব্যাগ। একটা পেন গান আর একটা ধারালো ছুরি ধরে একটা হাত দিয়ে কোমরের থলিটাকে সে ক্রমাগত উপরের দিকে টানতে থাকে; তার সরু কোমর বেয়ে থলিটা শুধু নিচের দিকে নেমে যায়। সে পার্টিতে আছে সাত বছর হল এর মধ্যে কোন বন্দুকযুদ্ধে অংশ নেয়নি সে, নেয়ার ইচ্ছেও তার নেই। সে বলল, “নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে জনগণকে সংগঠিত করা আমার কাজ”। একটি স্থানীয় সংগঠন স্কোয়াডের প্রধান হিসেবে ১,০০০ বর্গ কিলোনিটারের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ১০টা গ্রামে জয়লাল পার্টির কার্যক্রম দেখাশোনা করে থাকে। সে প্রতিদিন গ্রামবাসীদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে এবং তাদেরকে সতর্ক করে দেয় যে যদি বস্তারে সরকার ও শিল্প কারখানা ঢুকে তাহলে তারা তাদের ভূমি কেড়ে নেবে। সে অশিক্ষিত গোন্ডি আদিবাসীদেরকে ‘বিশ্বাসঘাতক পলাশীর যুদ্ধ’ ও ‘১৯৪৭ সালের ভুয়া স্বাধীনতা’ সম্পর্কে বলে। জয়লাল মাওবাদীদের এমন একটা দিকের প্রতিনিধিত্ব করে যে দিকটি সম্পর্কে মানুষ খুব কমই জানে। সাধারণত সবার কল্পনায় থাকে যে গেরিলারা শুধু হামলা চালায় আর হত্যা করে। কিন্তু সিপিআই (মাওবাদী) এর বিশালাকৃতির রাজনৈতিক শাখা দৃশ্যের পেছনে থেকে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে এবং গ্রামবাসীদের মাঝে মাওবাদীদের প্রতি সমর্থনকে ধরে রেখেছে।

আদিবাসী গ্রামীণ পরিবারে মাওবাদীরা

আদিবাসী গ্রামীণ পরিবারে মাওবাদীরা

স্থানীয় পর্যায়ে এই কাজগুলোর মাধ্যমে ক্যাডাররা বিশ্বাস করে যে তারা গ্রামগুলো দিয়ে পর্যায়ক্রমে শহরগুলোকে ঘেরাও করতে পারবে। রাজনৈতিক শাখার খুব কম সংখ্যক ক্যাডারদের পুলিশের খাতায় নাম আছে- তারা ছদ্মবেশে কাজ করা আর্মি। জয়লাল বলল, “আমরা একটা রাজনৈতিক দল যেখানে নানা ধরনের কার্যক্রম রয়েছে”। রাজনৈতিক শাখা গ্রামগুলোতে জনতার আদালতগুলোকে (নির্বাচিত গ্রামবাসীদের নিয়ে গঠিত হয় জনতার আদালত) দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে এবং সরকারের কার্যক্রম গুলোকে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। বস্তারের অনেক গ্রামে পঞ্চায়েতের পরিবর্তে জনতার আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বস্তারে ১০,০০০ এর বেশী মাওবাদী সমর্থিত পঞ্চায়েত নির্বাচিত হয় বাধাহীনভাবে। প্রতি বছর প্রায় ১০০ কোটি রূপির প্রকল্প দেখাশোনা করবে এই পঞ্চায়েতগুলো। এই অর্থের অতি সামান্য অংশ হলেই তা মাওবাদীদের খোরাকের জন্য যথেষ্ট। এ্যামবুশে অংশগ্রহণ না করলেও রাজনৈতিক শাখার সদস্যরা অস্ত্র বহন করে এবং গ্রামগুলোতে মৌলিক পর্যায়ের দুইটি বাহিনী গঠন করে থাকে- একটি জন মিলিশিয়া ও অপরটি গ্রাম রক্ষক দল। মিলিশিয়ারা মূলতঃ মাওবাদীদের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করে। গ্রাম রক্ষক দলের সদস্যরা হালকা অস্ত্র বহন করে এবং সশস্ত্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে। মাওবাদীদের প্লাটুন ক্যাডারদেরকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই দলগুলো থেকে নেয়া হয়। ওদের প্রতি আদিবাদীদের সমর্থনের একটা প্রধান কারণ হল গ্রামবাসীদের কাছে তেমন কোন বিকল্প পথ নেই। গ্রামবাসীরা বলে, “আমরা যখনই বাইরে যাই, পুলিশ আমাদেরকে থামিয়ে হয়রানি করে, বলে আমরা গুপ্তচর”। ফলশ্রুতিতে, আদিবাসীদেরকে মাওবাদীদের সাথে আবদ্ধ থাকতে হয়; মাওবাদীরা ওদের অধিকার সম্পর্কে কথা বলে, ইতিহাস ও মতাদর্শ নিয়ে কথা বলে। একবার, জয়লাল একটা বিতর্কিত জন আদালতে (Peoples Court) সভাপতিত্ব করেছিল। ২০১৩ সালে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত কোঙ্গের গ্রামের অধিবাসী কাওয়াসি চন্দ্রাকে তার স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানদের সামনে পিটিয়ে হত্যা করে প্রায় ২০০ জন গ্রামবাসী। জয়লাল বলল, গ্রামবাসীরা এই শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মাঝেমাঝে এই ধরনের শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

(চলবে)


নেপালে নতুন সংবিধান বিরোধী বিক্ষোভে গ্রেফতার ২০০ মাওবাদী

a

নেপালে নতুন খসড়া করা সংবিধানের বিরুদ্ধে এবং ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত বাণিজ্য জোরদার করতে স্বাক্ষরিত লিপুলেক চুক্তির প্রতিবাদে গত শুক্রবার মাওবাদীদের ডাকা দেশব্যাপী ধর্মঘটে প্রায় ২০০ মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাওবাদীরা গাড়িতে আগুণ ও স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেয়।

b

সিপিএন-মাওবাদী (চাঁদ),বিক্রম চাঁদের নেতৃত্বে মাওবাদীরা কাঠমান্ডু ও অন্যান্য বড় শহরের রাস্তায় যানবাহন চলাচল, বেশীরভাগ বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ করে দেয়। বিক্ষোভের সময় সহিংসতা প্রতিরোধে কাঠমান্ডু সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় শত শত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়। গত এপ্রিলে দেশে একটি বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হানার পরে এটাই প্রথম জাতীয় ধর্মঘট।

c

পুলিশ কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য পার্শ্ববর্তী এলাকায় রাস্তা ব্লক এবং ভাংচুরের জন্যে  ১৯০ জন মাওবাদী সক্রিয় কর্মীকে ধরপাকড় করে বলে পুলিশ জানায়। আন্দোলনরত কর্মীরা বিক্ষোভের সময় বিভিন্ন যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়, পুলিশ এ পর্যন্ত কোন হতাহতের বিষয়ে রিপোর্ট করেনি।

বিক্ষোভ চলাকালীন মাওবাদীদের মুখপাত্র খড়গ বাহাদুর বিশ্বকর্মা এএফপিকে বলেন- “এই খসড়া জনগণ, নৈতিকতা এবং গণযুদ্ধের আশা বিরোধী”।
সংঘাতের বিষয়ে উল্লেখ তিনি বলেন, “সংবিধানে আদিবাসী, জাতিগত এবং লিঙ্গ বৈষম্যের সমস্যার সমাধান নেই ” – তাই এই সংবিধানের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছি।

সূত্রঃ http://www.hindustantimes.com/world-news/200-maoists-arrested-in-protest-against-new-nepal-constitution/article1-1372729.aspx

http://www.dailystar.com.lb/News/World/2015/Jul-24/308084-nepal-arrests-60-over-constitution-protest.ashx