ভারতঃ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ায় ‘কিষেণজি হত্যার প্রতিবাদে’ মাওবাদী পোস্টার

বারিকুলের শুশুনিয়া গ্রামে রবিবার সকালে তোলা ছবি।

বারিকুলের শুশুনিয়া গ্রামে রবিবার সকালে তোলা ছবি

বেলপাহাড়ির পরে বাঁকুড়া। ‘কিষেণজিকে হত্যার প্রতিবাদে’ এ বার পোস্টার মিলল বাঁকুড়ার বারিকুলে। এক সময়কার মাওবাদী প্রভাবিত বাঁকুড়ার বারিকুলে রবিবার সকালে মাওবাদীদের নামাঙ্কিত এমনই বেশ কিছু পোস্টার পড়ে। পোস্টারে ‘কিষেনজিকে হত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’ বলে আহ্বান জানানো হয়েছে।

ওই পোস্টার পড়ার খবর পেয়েই এ দিন সকালে পুলিশ তা সরিয়ে নিয়ে যায়। এ দিকে ‘কিষেণজি জিন্দাবাদ, কিষেণজি অমর রহে’— লেখা এই পোস্টার ও ব্যানারকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পোস্টারে ২৮ জুলাই থেকে ৩ অগস্ট উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে শহিদ সপ্তাহ পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন সকালে বারিকুল থানা, মণ্ডলডিহা ফাঁড়ির পাশে, শুশুনিয়া, রসপাল, ভেলাবাঁধি, সুতান, মাজগেড়িয়া, ঝিলিমিলি-সহ কয়েকটি গ্রামের দেওয়ালে ও গাছে মাওবাদীদের পোস্টার-ব্যানার দেখা যায়। বাঁকুড়ার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার অনুপ জায়সবালের সঙ্গে এ দিন দুপুরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে জেলা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা ওই পোস্টার ও ব্যানারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, “ওই সব পোস্টার আদৌ মাওবাদীরা দিয়েছে, নাকি ওদের নাম দিয়ে এলাকাকে ফের সন্ত্রস্ত্র করার জন্য অন্য কেউ করছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/state/maoist-poster-at-bankura-for-protest-of-kishenji-murder-1.182587


ভারত/পশ্চিমবঙ্গঃ জঙ্গলমহলে মাওবাদী পোস্টার

mao-postar-326x235

জঙ্গলমহলে ফের সক্রিয় মাওবাদীরা? নতুন করে জঙ্গলমহলের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে মাওবাদীদের পোস্টার উদ্ধার হয় আজ রবিবার। যা নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুলিশমহলে। যদিও এখনও এলাকায় মাওবাদীরা খুব একটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে না পুলিশ একাংশ। তবে, নতুন করে এলাকায় মাওবাদী আনাগোনা শুরু তা কার্যত স্বীকার করে নিচ্ছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তবে আজ রবিবার যে মাও পোস্টারগুলি উদ্ধার হয়েছে তা শুধুমাত্র এলাকায় আতঙ্কের জন্য লাগানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে জঙ্গলমহলের বেশ কয়েকটি এলাকায় মাওবাদী পোস্টার লাগানো দেখতে পান এলাকাবাসী। যা নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে তড়িঘড়ি এলাকা থেকে পোস্টারগুলি সরিয়ে ফেলে পুলিশ। নতুন করে মাওগড় জঙ্গলমহলে পোস্টার পড়ায় উৎসুক এলাকাবাসী।

সূত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/jangalmahal-area-surrounding-the-horrors-of-mao-posters.html


মার্কসবাদী ফার্ক গেরিলাদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করল কলাম্বিয়া সরকার

8f43570ee3d52a745fb8ce4d71e8e2b0_XL

কলাম্বিয়া সরকার দেশটির মার্কসবাদী ফার্ক গেরিলাদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করেছে। দু’পক্ষ টেকসই শান্তি চুক্তির বিষয় আলোচনা করতে সম্মত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিমান হামলা স্থগিত করা হয়।

কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল স্যান্তাস এ হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর কার্টাজেনায় এক সামরিক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট স্যান্তাস।

অবশ্য একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ফার্ক গেরিলারা দেশটির অবকাঠামো বা বেসামরিক মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিলে বিমান হামলা বন্ধ রাখার বিষয়টি বাতিল করা হতে পারে।

চলতি মাসের ২০ তারিখে ফার্ক গেরিলারা এক তরফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার পর বিমান হামলা বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। গেরিলাদের অতর্কিত হামলায় ১১ সেনা নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এপ্রিলে এ বিমান হামলা শুরু করেছিল কলাম্বিয়ার সেনাবাহিনী।

উল্লেখ্য, মার্কসপন্থী ফার্ক গেরিলারা ল্যাটিন আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে বড় গেরিলা গ্রুপ; এবং ১৯৬৪ সাল থেকে তারা সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে আসছে। দলটি ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া, মার্কিন মদদপুষ্ট কলম্বিয়া সরকার, বহুজাতিক কোম্পানি ও নয়া উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে গরীব মানুষদের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে যাচ্ছে।


ভারতঃ কথিত গুলিযুদ্ধে সিনিয়র মাওবাদী নেতা নিহত

IMG_0877 (1)

মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিশের কথিত সংঘর্ষে মারা গেল এক সিনিয়র মাওবাদী জোনাল কম্যান্ডার। মৃত ওই মাওবাদীর নাম শিবানন্দন ভগত ওরফে সিলভেস্টার। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ভোরে গুমলার চৈনপুর থানা এলাকার সিউইল গ্রামে। পুলিশ জানায়, সিলভেস্টারকে ধরার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল সরকার। পুলিশের ভাষ্য মতে, আগাম খবর পেয়ে পুলিশ সিউইল গ্রাম ঘিরে ফেলে। শুরু হয় মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিশের কথিত গুলিযুদ্ধ। সিলভেস্টার মারা যায়। দিলবর নায়েক নামে আর এক মাওবাদী পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। বাকিরা অবশ্য জঙ্গলে পালিয়েছে। আটক মাওবাদীর কাছ থেকে একটি এ কে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্রঃ http://www.ibnlive.com/news/india/senior-naxal-leader-shot-dead-in-jharkhand-1025348.html


বাংলাদেশঃ কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কমিউনিস্ট নেতা নিহত

কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর পলাশ মালিথার লাশ নিয়ে পুলিশ

কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর পলাশ মালিথার লাশ নিয়ে পুলিশ

1a11694509ebe77ac719ad6770fb276a_XL

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পলাশ মালিথা (২৮) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও পুলিশ দাবি করে।

শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ভাঙ্গাবটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পলাশ মালিথা মিরপুরের আমলা খামারপাড়া গ্রামের আবুল মালিথার ছেলে। পুলিশের দাবি, পলাশ মালিথা পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন আহমেদ জানান, রাতে ভাঙ্গাবটতলা এলাকার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে দড়ি বেঁধে একদল ‘চরমপন্থী’ অবস্থান করছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে টহলরত পুলিশ তাদের ঘিরে ধরে। এ সময় সেখানে থাকা চরমপন্থী সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে চরমপন্থীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ পলাশকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, নিহত পলাশ মালিথা (২৮) প্রায় এক ডজন মামলার আসামি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধারালো অস্ত্র, একটি শাটারগান ও তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে।

উল্লেখ্য যে, কথিত বন্দুক যুদ্ধ নিয়ে পুলিশ সবসময়ই একই গল্প সাজিয়ে আসছে। সেই গল্পে এবারে বলি হলেন পলাশ মালিথা ।

সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/Khulna/article1001501.bdnews