‘লাল সংবাদ’ এর প্রতি কলম্বিয়ার মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক’ এর বার্তা

farc-flag

 

লাল সংবাদএর প্রতি কলম্বিয়ার মার্কসবাদী গেরিলা দলফার্কএর বার্তা

Thank you very much comrades, your website is interesting and we feel glad to have people on the other side of the world who show their solidarity with us! For our news in English: www.farc-epeace.org. Keep up the good work!”   FARCEP

নোটঃ 

[কলম্বিয়ার সর্ববৃহৎ মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক‘ এক বার্তায় তাদের বিপ্লবী সংবাদ সমুহ নিয়মিত বাংলায় প্রকাশ করায় ‘লাল সংবাদ‘কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ‘লাল সংবাদ‘ দীর্ঘদিন ধরে ‘ফার্ক‘ এর গেরিলা সংগ্রামের সংবাদ সমূহ বাংলায় প্রকাশ করে আসছে। ]

লাল সংবাদ‘ এ প্রকাশিত ‘ফার্ক‘ সংবাদ সমুহ পড়তে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন –

ফার্ক-লাল সংবাদ

farc_tropa_tres


ভারতঃ এনআইএ, সিআইডি অফিসারদের শত জেরার মুখেও নীরব মাওবাদী নেত্রী নির্মলা

image

মাওবাদী নেত্রী নির্মলা বিশ্বাস ওরফে বেলাদিকে জেরা করে তার বোন-ভগ্নিপতির হদিস পেতে চায় এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি অফিসাররা। গত শুক্রবার শিলচরে এসে গোয়েন্দাদের একটি দল তাঁকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বোন বা ভগ্নিপতি সম্পর্কে একেবারেই মুখ খুলতে চাননি নির্মলা। গোয়েন্দাদের প্রশ্নে চুপ ছিলেন গ্রেফতারকৃত আমিরউদ্দিন আহমেদও। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, জেরার মুখে এক সময় তারা ভেঙে পড়বেন। সব কথা তখন বলে দেবেন। সে জন্য তাঁদের কলকাতায় নিয়ে যেতে চায় পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি।

মাওবাদী নির্মলা ও আমির ২০ অগস্ট কাছাড় জেলার কাটিগড়ায় গ্রেফতার হন। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছিল চা জনগোষ্ঠীর তিন যুবককে। তাঁদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ২৮ অগস্ট  ধরা হয় আরও তিন জনকে। আট জনকে কখনও একসঙ্গে, কখনও আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দা অফিসাররা। তবে নির্মলা ও তার পরিচিতজনদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহেই বেশি জোর দেয়া হয়। সে জায়গায় তারা অনেকটাই সফল বলে কাছাড়ের পুলিশ সুপার রজবীর সিংহ দাবি করেন। তার কথায়, ‘‘মাওবাদী নেত্রীর সম্পর্কে সংগৃহীত তথ্য ওই সংস্থার তদন্তকারীরা আপাতত চলে গিয়েছেন। শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কয়েক দিনের মধ্যে তাঁকে নিতে ফিরে আসবেন।’’

পুলিশ সুপার জানান, নির্মলা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড। তাঁর বোন শ্রদ্ধাও মাওবাদী নেত্রী। ভগ্নীপতি গৌর চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদীদের প্রথম মুখপাত্র। নির্মলার মতো তাঁদেরও পুলিশ অনেক দিন ধরে খুঁজে বেড়াচ্ছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, শ্রদ্ধাও তাঁর দিদির মতো আসামেই কোথাও লুকিয়ে রয়েছেন।

এ দিকে, তদন্তকারী দলের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ায় আট মাওবাদীকে আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/%E0%A6%9C-%E0%A6%B0-%E0%A7%9F-%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%AC-%E0%A6%A8-%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B2-%E0%A6%A7%E0%A6%A8-%E0%A6%A6-%E0%A6%97-%E0%A7%9F-%E0%A6%A8-%E0%A6%A6-%E0%A6%B0-1.200985


কলকাতাঃ আগামী মঙ্গলবার (১/৯/১৫) বন্দী মুক্তি কমিটির বিক্ষোভ

11911049_10207634939657451_992281949_n

ar

প্রেসিডেন্সি জেলে অনশনরত রাজবন্দীদের সংহতিতে ও রাজবন্দীদের প্রতি প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অমানবিক, অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে আগামী মঙ্গলবার(১/৯/১৫) প্রেসিডেন্সি জেল গেটে বিক্ষোভ।
-বন্দীমুক্তি কমিটি-


সিপিআই(মাওবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড গণপতির ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার (৬ষ্ঠ পর্ব)

মাওবাদী তথ্য বুলেটিনকে (MIB) দেয়া সিপিআই(মাওবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড গণপতির সাক্ষাৎকারটি বাংলায় প্রকাশ করছে লাল সংবাদ

সাক্ষাৎকারটি প্রতি শনিবার ও বুধবারের পরিবর্তে প্রতি রবিবারবৃহস্পতিবার ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হচ্ছে –

c

comrades-ka7g-621x414livemint

(ষষ্ঠ পর্ব)

গত দশকের নতুন, অনন্য ও অভূতপূর্ব অর্জনের উপর দাঁড়িয়ে ভারতীয় বিপ্লব নিশ্চিতভাবেই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নতুনতর, বৃহত্তর ও গৌরবতর বিজয় লাভের পথে এগিয়ে যাবে 

ঐক্যবদ্ধ পার্টির দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সিপিআই(মাওবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড গণপতি মাওবাদী তথ্য বুলেটিনকে (MIB) সাক্ষাৎকারটি প্রদান করেন-

মাওবাদী তথ্য বুলেটিনঃ পার্টি বলশেভিকীকরণ প্রচারণার প্রয়োজন বোধ করল কেন? এটা থেকে আপনারা কী ধরনের ফলাফল আশা করছেন?

গণপতিঃ ২০১৩ সালে পার্টির ভেতরে বলশেভিকীকরণ প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানায় আমাদের পার্টি এবং বর্তমানে পার্টি, PLGA ও গণ সংগঠনগুলোতে এই প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়া সমাপ্ত হতে আরো সময় লাগবে আর কেবল তখনই যাচাই করা সম্ভব হবে বলশেভিকীকরণের মাধ্যমে পার্টিকে নতুনভাবে গঠন করার কাজ কতটুকু সফল হল। রাশিয়ান বলশেভিক পার্টি নামে পরিচিত CPSU(B) বিশ্বে প্রথমবারের মতো বুর্জোয়া শ্রেণীকে উৎখাত করে প্রলেতারিয়েত একনায়কত্ব কায়েম করে। যেসময় বিশ্বে কোন কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসেনি সেসময় এই পার্টি মেহনতি ও শ্রমজীবী জনতাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে। মানব ইতিহাসে বলশেভিক পার্টি সর্বপ্রথম সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটায়। সুতরাং এই পার্টিকে আমরা মডেল হিসেবে গ্রহণ করছি এবং এর থেকে শিক্ষা নিয়ে এর বৈশিষ্ট্যসমূহকে আত্মস্থ করে আমাদের পার্টিকে এরকম একটি প্রলেতারিয়েত পার্টিতে রূপান্তরের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। এই কারণে আমরা এর নাম দিয়েছি বলশেভিকীকরণ প্রচারণা (Bolshevisation Campaign)।

অন্যদিকে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (CPC) মডেলটিও আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ একটি আধা ঔপনিবেশিক, আধা সামন্তবাদী পশ্চাদপদ কৃষি প্রধান দেশে দীর্ঘস্থায়ী গণযুদ্ধের লাইনের উন্নতি ঘটিয়ে, একটি জনতার বাহিনী ও একটি সফল যুক্তফ্রন্ট গঠন করে মুক্তাঞ্চল স্থাপনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি একটি সফল বিপ্লব ঘটিয়ে সমাজতন্ত্র কায়েম করতে সক্ষম হয়েছিল। সুতরাং CPC এর বৈশিষ্ট্যগুলো জানা ও সেগুলো আত্মস্থ করা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ চীন ও ভারতের মধ্যে বেশ কিছু মিল রয়েছে। গঠিত হবার পর থেকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (CPC) রাশিয়ান বলশেভিক পার্টি CPSU(B) কে মডেল ধরে নিজেদের শক্তিশালী করে গড়ে তোলার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে গেছে। তাই এই পার্টির অভিজ্ঞতাকে মনে রেখে বিশেষ করে মহা বিতর্ক (Great Debate ) ও মহান প্রলেতারিয়েত সাংস্কৃতিক বিপ্লব থেকে প্রাপ্ত শিক্ষার আলোকে আমরা এই প্রচারণা চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমরা এই দুটি পার্টিকে আমাদের মডেল হিসেবে গ্রহণ করে পার্টির বলশেভিকীকরণের প্রচেষ্টা চালাব কিন্তু তা হবে আমাদের পার্টির দীর্ঘ বিপ্লবী ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার আলোকে।

এই প্রচারণা চালানোর কারণগুলো হল-

(১) দেশব্যাপী শত্রুর হামলার ভেতরে পরিবর্তন ঘটেছে। আক্রমণ তীব্রতর হয়েছে;

(২) পার্টিতে বেশ কিছু বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে এবং বর্তমানে আন্দোলন অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছে।

(৩) পার্টিতে কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কমরেডদের সংখ্যা বেশী; এই কারণে পার্টিতে প্রলেতালিয়েত দৃষ্টিভঙ্গি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

(৪) সমাজে ও বিপ্লবী যুদ্ধে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে, সে অনুযায়ী যথাযথ কৌশল পর্যালোচনা ও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমাদের ত্রুটি; এবং

(৫) পার্টির ভেতরে বড় ধরনের কিছু অপ্রলেতারিয়েত ধারার অস্তিত্ব রয়েছে।

এই বিষয়গুলোকে মনে রেখে এই চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে ও সাংগঠনিকভাবে পার্টিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পার্টিতে মতাদর্শগত ও রাজনৈতিক মানের উত্তরণের জন্য আমরা বলশেভিকীকরণ প্রচারণা গ্রহণ করেছিলাম। এর মাধ্যমেই কেবল পার্টি PLGA কে একটি ক্ষমতাশালী অস্ত্রে পরিণত করতে পারবে এবং আন্দোলনের গণভিত্তিকে মজবুত করতে পারবে। আর এর মধ্য দিয়েই কেবল বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিকে অতিক্রম করে আমরা সামনে এগোতে পারব। কিছু বাস্তব লক্ষ্য অর্জন করার জন্য আমরা এই প্রচারণাকে পরিকল্পতিভাবে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করার মাধ্যমে আমরা কিছু ফলাফল আশা করছি। এই প্রচারণা বিশ্ব প্রলেতারিয়েত দৃষ্টিভংগির মাধ্যমে পার্টিকে পুনরায় গঠন করবে এবং পার্টির অভ্যন্তরে বিশেষ করে নতুনদের ভেতরে একে প্রসারিত করবে।

মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের অধ্যয়নকে বর্ধিত করে সমগ্র পার্টিকে এবিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে এটি সম্ভব হবে। এর ফলে সমগ্র পার্টি, পার্টির প্রতিটি ইউনিট নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্য সম্পর্কে একটি পরিস্কার ধারণা পাবে এবং বর্তমান সংকট মুহূর্তে যেসমস্ত বাস্তব লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে হবে সেগুলো পরিস্কারভাবে বুঝতে সমর্থ হবে। এর মাধ্যমে মাও নির্দেশিত কাজ করার তিনটি কৌশল গভীরভাবে বোঝা সম্ভবপর হবে এবং এতে করে আমাদের কাজ করার ধরন উন্নত হবে। গোপন পার্টির গঠন ও কার্যক্রম সম্পর্কে এটি আমাদের ধারণা বৃদ্ধি করবে; যে সমস্যাগুলো দেখা দিচ্ছে সেগুলো দ্রুত সমাধান করতে সাহায্য করবে এবং গেরিলা যুদ্ধ সচল রাখার মূলনীতিগুলোর বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। পার্টির ভেতরে চলমান অপ্রলেতারিয়েত ধারাকে সংশোধন করে এরর বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে পার্টির ভেতরে সচেতনতা ও সতর্কতা বৃদ্ধি করবে।

এর মাধ্যমে চিন্তা, কাজ ও শৃঙ্খলার ঐক্য মজবুত হবে ও বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে, জনগণের সাথে দৃঢ়ভাবে সংহতি স্থাপন এবং তাদেরকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য সংগ্রামে সংগঠিত করার মাধ্যমে পার্টির গণভিত্তি শক্তিশালী হবে। কৃষি বিপ্লবে কৃষকদেরকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করে কৃষক ছাড়াও অন্যান্য জনগণ ও শহরের জনগণের মাঝে বিশেষ তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রেও এটি নেতৃত্ব দেবে। এর ফলে পরিবর্তিত আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা বিষয়ে জানাবোঝা্র ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে ও সে অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করতে হবে; এভাবে সফলতার সাথে আন্দোলনের অগ্রগতি ঘটবে। আমরা আশা করছি এই প্রচারণা আমাদের কমরেডদেরকে দৃঢ় করে তুলবে যাতে করে বিপ্লবের পথ ধরে আসা কঠিনতম পরিস্থিতি ও ঝুঁকি মোকাবেলা করার মতো সচেতনতা তারা প্রদর্শন করতে পারে এবং প্রাণপণে শত্রুর সাথে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তাদের প্রস্তুতিকে তীব্রতর করতে পারে। আর সব শেষ যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তা হল, আমরা আশা করছি এর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বকে এবং আন্দোলনকে শত্রুর নিষ্ঠুরতম আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হব। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদকে এই প্রচারণার কেন্দ্রে রেখে এবং গভীরভাবে আঁকড়ে ধরার মধ্য দিয়ে এতক্ষণ যেসকল ফলাফলগুলোর কথা উল্লেখ করা হল সেগুলো অর্জন করা সম্ভব হবে।

(চলবে)


তুরস্কঃ মিলিটারি পোস্টে হামলা চালালো TKP/ML – TİKKO এর নারী গেরিলারা

tkp-ml-tikko1

একিন ওয়ানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে TKP/ML – TİKKO  এর নারী গেরিলাদের পরিচালিত হামলায় ২ মিলিটারি নিহত হয়েছে।

২৭শে অগাস্ট দেরসিমের গেয়িকসুতে পুনর্নির্মাণাধীন একটি মিলিটারি পোস্টে সকাল ৭টা ১০ মিনিট নাগাদ TKP/ML – TİKKO এর গেরিলারা হামলা চালায়। এতে ২ সৈনিক নিহত হয়।

কমরেড একিন ওয়ানের হত্যার বদলা হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

Translated from: http://www.etha.com.tr/Haber/2015/08/28/kadin/tkpmltikko-kadin-gerillalarindan-eylem/

সূত্রঃ https://nouvelleturquie.wordpress.com/2015/08/28/tkpmltikko-female-guerrillas-on-action/


ভারতঃ মাওবাদী নির্মলাকে জেরা করতে শিলচরে এনআইএ

21regarrest

মাওবাদী নেত্রী নির্মলা বিশ্বাস ওরফে ‘বেলাদি’কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার একটি দল আজ শিলচরে পৌঁছেছে। তার মধ্যে রয়েছে এনআইএ, আইবি এবং পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি অফিসাররা। তারা নির্মলার সঙ্গে গ্রেফতারকৃত আমিরউদ্দিন আহমেদকেও জেরা করবে।

২০ অগাস্ট ভোরে নির্মলা ও আমিরউদ্দিন সহ পাঁচজন মাওবাদীকে কাটিগড়া থানার জালালপুর চা বাগান থেকে গ্রেফতার করা হয়। দু’জনকে জেলে পাঠালেও নির্মলা, আমির ও সিধু ওরাংকে দু’দফায় পাঁচ দিন করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ দিকে, তাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে এ দিন আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মাওবাদী মামলার তদন্তকারী অফিসার কাছাড়ের ডিএসপি সুধাংশুকুমার দাস জানান, নির্মলাকে গ্রেফতারের পরই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে জানানো হয়। তারাও নিজস্ব সূত্র ব্যবহার করে নির্মলা ও আমির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল। সঙ্গে চলছিল জিজ্ঞাসাবাদ। কিন্তু নির্মলা বা আমিরের কাছ থেকে কোনও তথ্য বের করা বেশ কঠিন কাজ বলে স্বীকার করেছে পুলিশ।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/nia-team-reached-silchar-1.200073


ভারতঃ পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি কারাগারের ৩০ জন রাজনৈতিক বন্দী অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে

11911049_10207634939657451_992281949_n

মাওবাদীদের সাবেক মুখপাত্র গৌর চক্রবর্তী

ar

মাওবাদী নেতা অর্ণব দাম

কারা প্রশাসন কর্তৃক কারাবন্দীদের অধিকার সংকোচনের প্রতিবাদে মাওবাদীদের সাবেক মুখপাত্র গৌর চক্রবর্তী সহ পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি কারাগারের ৩০ জন রাজনৈতিক বন্দী ২৮শে অগাস্ট ২০১৫ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন পালন করছেন। অনশন পালনরত সকল রাজনৈতিক বন্দীদের উপর প্রেসিডেন্সি কারা কর্তৃপক্ষ solitary confinement (২৪ ঘন্টার লক আপ) চাপিয়ে দিয়েছে। কারা কল্যাণ কর্মকর্তা অর্ণব দামকে (অনশনরত রাজনৈতিক বন্দীদের একজন) হুমকি দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোন ডাক্তার আসেনি কিংবা কোন মেডিকেল চেক আপ হয়নি। রাজনৈতিক বন্দীরা বলেছে, “যদি কোন অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ ও পশ্চিমবঙ্গের  রাজ্য সরকার দায়ী থাকবে”। গৌর চক্রবর্তী, সদানল্লা রামকৃষনন, অখিল ঘোষ, সন্তোষ দেবনাথ, বিমল মল্লিক, বাপি মুদি, দীপক কুমার, দীনেশ ওয়াংখেদে, অর্ণব দাম, মোহন বিশ্বকর্মা, সুকুমার মণ্ডল, শম্ভু চরণ পাল সহ ৩০ জন রাজনৈতিক কারাবন্দী অনশন পালন করছেন।

তাদের সাথে সংহতি জানান।

বন্দী মুক্তি কমিটি