আইএসকে রক্ষা করছে তুরস্ক : কমিউনিস্ট পিকেকে প্রধান সেমিল বায়িক

কুর্দিদের ওপর হামলা চালিয়ে তুরস্ক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে রক্ষার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির কুর্দি কমিউনিস্ট নেতা। কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) প্রধান নেতা সেমিল বায়িক বিবিসিকে বলেছেন, কুর্দিদের ঠেকাতেই আইএসকে বাঁচাতে চান তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তুরস্ক পিকেকের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিন্তু নিরপেক্ষ পর্যবেকরা বলেছেন, আইএসের তুলনায় অনেক বেশি হামলার মুখে পড়েছে পিকেকের যোদ্ধারা।
পিকেকেসহ কুর্দি যোদ্ধারা সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে প্রশংসাযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা কয়েকটি দেশের মতো তুরস্কও পিকেকেকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। জুলাইয়ে উত্তর ইরাকে পিকেকের ওপর বোমা হামলা করে সংগঠনটির সঙ্গে অস্ত্রবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করে তুরস্ক।

কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) প্রধান নেতা সেমিল বায়িক

কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) প্রধান নেতা সেমিল বায়িক

সূত্রঃ http://www.dainikamadershomoy.com/2015/08/11/42045.php

Advertisements

কমিউনিস্ট পিকেকে’র অবস্থানে তুর্কি হামলা

PKK-Troops-Photo-James-Gordon

তুরস্কের হাক্কারি প্রদেশে কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি’র (পিকেকে) অবস্থান লক্ষ্য করে মঙ্গলবার ১৭ দফা বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সরকারি বাহিনী। খবর আল জাজিরার। তুর্কি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান ও ইরাক সীমান্ত সংলগ্ন হাক্কারি প্রদেশে কমিউনিস্টদের লক্ষ্য করে ১৭টি হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে হাক্কারির কাছে সিরনাক প্রদেশের একটি সেনাঘাঁটিতে পিকেকে’র সদস্যরা হামলা চালিয়েছে। ২০ মিনিটব্যাপী ওই সংঘর্ষে এক সৈনিক নিহত হয়েছে। বিঙ্গল প্রদেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেখানে সেনা সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে পিকেকে’র এক যোদ্ধা নিহত হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির কমিউনিস্ট কুর্দিদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে তুর্কি প্রশাসন। ইরাকেও পিকেকে’র যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে তারা। এদিকে সরকারের এ অভিযানের পরপরই দেশটিতে সরকারী বাহিনীর উপর কমিউনিস্ট হামলার পরিমাণ বেড়ে গেছে।

সূত্রঃ http://www.bbc.com/news/world-europe-33859991


মেক্সিকোয় এক সংগঠকের রহস্যজনক মৃত্যু

মিগেল অ্যাংগেল জিমেনেজ ব্ল্যাংকো

মিগেল অ্যাংগেল জিমেনেজ ব্ল্যাংকো

মেক্সিকোয় গত বছর ৪৩ নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া এক সংগঠকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুয়েরেরো রাজ্যে একটি শহরে নিজ বাসার কাছে মিগেল অ্যাংগেল জিমেনেজ ব্ল্যাংকো নামে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তবে, কে বা কারা তাকে হত্যার পর তার লাশ সেখানে ফেলে চলে গেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। গত বছর অপহরণের পর পুড়িয়ে মারা নিখোঁজ ৪৩ ছাত্রের কবর অনুসন্ধান এবং সেখানকার বেশ কয়েকটি কবর খোঁড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মিগেল।

এদিকে, দেশটির একই শহরে গত এক সপ্তাহে অন্তত ১৫ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

সূত্রঃ http://news.yahoo.com/body-mexican-vigilante-group-leader-found-behind-taxi-111423790.html


নারীরা শক্তিশালী হলে পুরুষরা ভয় পায়, কারণ নারীর শক্তি তার শাসনকে ধ্বংস করে দিতে পারে— (আবদুল্লাহ ওসালান, কুর্দি নেতা ও কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি- পিকেকে এর প্রতিষ্ঠাতা)

tumblr_nstzugNPPC1sx76vio2_r1_1280


ফিলিপিনঃ NPA এর গণযুদ্ধকে সমর্থন করুন

npa-4

ফিলিপিনে-শুক্রবার সকালে বারাঙ্গে রাওয়িসে মাওবাদী দমন অভিযান পরিচালনাকালে ফিলিপিন আর্মির দ্বিতীয় ইনফ্যানট্রি ব্যাটেলিয়নের সৈন্যরা মাওবাদী নিউ পিপলস আর্মি-(NPA) এর একটি অস্থায়ী ক্যাম্পের মুখোমুখি হয়। মাওবাদী গেরিলারা ক্যাম্পের নিরাপত্তার স্বার্থে পেতে রাখা একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ও গুলিবর্ষণ করে, যতক্ষণ পর্যন্ত না সরকারী সেনারা মারাঙ্গে মামল্যাডের দিকে পিছু হটে। বোমায় আহত চার সরকারী সৈন্যকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

সূত্রঃ http://maoistroad.blogspot.com/2015/08/philippines-support-peoples-war-npa.html


মাওবাদীরা কখনো ভুলে না, কখনো ক্ষমা করে নাঃ একটি বিশ্লেষণ(রিপোর্ট-১)

ভারতের মাওবাদী প্রভাবিত জেলা সমূহ

ভারতের মাওবাদী প্রভাবিত জেলা সমূহ

ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্টের (Institute for Conflict Management) সহকারী গবেষক, মৃণাল কান্ত দাস ভারতের মাওবাদীদের উপর একটি গবেষণা রিপোর্ট তৈরি করেছেন।

লাল সংবাদ‘ রিপোর্টটি বাংলায় ধারাবাহিক ভাবে (রিপোর্ট-১) প্রকাশ করছে- 

Maoists_1

 মাওবাদীরা কখনো ভুলে না, কখনো ক্ষমা করে নাঃ একটি বিশ্লেষণ

২০১৫ সালের ২২শে জুলাই মহারাষ্ট্রের গাদচিরোলি জেলার এটাপল্লী এলাকার মৌজা কোটমি গ্রামের কাছে মাধব ওয়ারলু পদ্মা (৩৮) নামে সিপিআই (মাওবাদী) এর প্রাক্তন এক ক্যাডারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে তার প্রাক্তন কমরেডরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, এই প্রাক্তন মাওবাদীকে হত্যা করে হয়েছে কারণ মাওবাদীরা তার আত্মসমর্পণের বিপক্ষে ছিল। সে ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে আত্মসমর্পণ করেছিল। ২০০৫ সাল থেকে ১০ বছর ধরে সিপিআই (মাওবাদী) এর কাসানসুর দলমে(সশস্ত্র স্কোয়াড) ছিলেন পদ্মা।

২২শে জুন থেকে ৫ই জুলাই এর মধ্যে মাওবাদীরা তাদের চারজন সিনিয়র ক্যাডারদের হত্যা করে। তাদের একজন দরভা বিভাগীয় কমিটির সদস্য হেমলা ভগত যিনি অত্র এলাকার মাওবাদীদের মিলিটারি গোয়েন্দা শাখার প্রধান; আরেকজন হেমলা ভগতের স্ত্রী কোসি কুরসেম যিনি মাওবাদী ফ্রন্ট সংগঠন দণ্ডকারণ্য আদিবাসী কিষাণ মজদুর সংঘের সাথে কাজ করতেন; তৃতীয় জন হলেন দরভা এলাকার দরভা বিভাগীয় কমিটির সদস্য মাসা পোদিভামি ওরফে বদরু এবং চতুর্থজন হলেন হিঞ্জ যিনি আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন।

মালাঙ্গির এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি আয়াতু ছত্তিসগড় বস্তার বিব হাগের কমরেডদের কাছে আটক আছে বলে জানা গেছে।

১লা জানুয়ারিতে বিজাপুর জেলার কোট্টাপল গ্রামে কোরসা জগরাম ওরফে শিবাজী নামে পশ্চিম বস্তার বিভাগের এক প্রাক্তন গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধানকেও মাওবাদীরা হত্যা করে; সে ২০১২ সালে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। আত্মসমর্পণের পর বিজাপুর পুলিশ জগরামকে গোপনীয় সৈনিক (গুপ্তচর) হিসেবে নিয়োগ দেয়। শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের সাথে তার নৈকট্য ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপর বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য হামলার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার কারণে জগরাম পুলিশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন গোয়েন্দা তথ্যদাতা ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ কর্মকর্তা স্বীকার করেন, “তার মৃত্যু আমাদের জন্য একটা বড় ধরনের ক্ষতি”।

দক্ষিণ এশিয়া সন্ত্রাসবাদ পোর্টাল (SATP) কর্তৃক সংগৃহীত আংশিক তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সালের ২রা অগাস্ট পর্যন্ত ৭০ জন আত্মসমর্পণকারী ক্যাডারকে হত্যা করেছে সিপিআই (মাওবাদী)।

(চলবে)


যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ শোষণঃ ফার্গুসনে জরুরি অবস্থা জারি

far-29153

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্গুসনে কৃষ্ণাঙ্গ শোষণের প্রতিবাদে সহিংস পরিস্থিতির কারণে সোমবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সেন্ট লুইস কাউন্টির নির্বাহী স্টিভ স্টেনজার জানান, ফার্গুসন ও এর আশেপাশের জেলায় পুলিশ অবিলম্বে জরুরি অবস্থা কার্যকর করছে।
নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ মাইকেল ব্রাউনকে পুলিশের গুলি করে হত্যার এক বছর পূর্তির প্রাক্কালে শনিবার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় এবং তা অব্যাহত থাকে। রোববার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৮ বছর বয়সী টাইরোনি হ্যারিসের গুলিবিদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি সহিংসরূপ নেয়। এরপরই কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেয়।
এদিকে পরে টাইরোন হ্যারিসের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলাসহ কয়েকটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া পুলিশ ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে। আহত হ্যারিসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মিসৌরির গভর্নর জে নিক্সন বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। পেনসিলভেনিয়ার পির্টসবার্গে পুলিশের এক সমাবেশে অ্যাটর্নি জেনারেল লরেটা লিঞ্চ রোববারের সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
সোমবার সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফার্গুসনের বাইরের মূল মহাসড়ক বিক্ষোভকারীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে। পুলিশও শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অ্যাক্টিভিস্ট কর্নেল ওয়েস্টসহ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ মাইকেল ব্রাউনকে হত্যা করে। নভেম্বরে আদালত পুলিশকে অভিযুক্ত করার সিদ্ধান্ত না নিলে ফার্গুসন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি শহরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। ফার্গুসনের যেসব এভিনিউয়ে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে সেখান থেকেই ব্রাউনের পিতা মাইকেল ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নেতৃত্বে শনিবার বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।
সূত্রঃ http://www.samakal.net/2015/08/11/154829