ছবির সংবাদ –

তারা(তুরস্ক) আমাদের জনগণকে হত্যা করে। আমরা সশস্ত্র না হলে কি ঘটত কে জানে ? কে জানে, আরো কি সংখ্যক জনগণকে তারা হত্যা করবে? কমিউনিস্ট পিকেকে গেরিলারা কখনোই তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে না। যেই আমাদের জনগণের ক্ষতি করবে, তাকেই হত্যা করা হবে। কারো মনে করা উচিত নয় যে, এই জনগণের আত্মরক্ষার কোন উপায় নেই। আমরা আমৃত্যু এই জনগণকে রক্ষা করে যাব । তারা আমাদের জানিয়েছে, আমরা এখন তুরস্কের শক্তি সম্পর্কে ধারণা পাব। আমরা বলেছি, তারা যদি আমাদের কুর্দিদের এবং কুর্দি জনগণের শক্তি সম্পর্কে ধারণা করতে চায়, তবে আইএসআইএসের সাথে তাদের জোট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা উচিত।”

পিকেকে'র নারী যোদ্ধা

কমিউনিস্ট পিকেকে’র নারী যোদ্ধা


সিপিএন-মাওবাদী ক্যাডারদের গ্রেফতার করেছে ভারতীয় এসএসবি

Lipulake_20150811084330_20150811085526

দারচুলা, আগস্ট ১১– মোহন বৈদ্য নেতৃত্বাধীন সিপিএন-মাওবাদী অধিভুক্ত সর্ব নেপাল জাতীয় স্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নের-বিপ্লবী এর দশ জন কর্মী ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (এসএসবি) কর্তৃক দারচুলাতে গ্রেফতার হয়েছে।

সিপিএন-মাওবাদী কর্মীরা ‘লিপুলেক বাঁচাও ক্যাম্পেইন’ নিয়ে পর্যায়ক্রমে দারচুলাতে পৌঁছায়। SSB (Armed Border Force) সিপিএন-মাওবাদী এর ক্যাডারদের নিয়ন্ত্রণ করে ও তাদের থেকে লিপুলেকের মানচিত্র, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও পুস্তিকা জব্দ করে। ভারতীয় সীমান্তের কাছে তাদেরকে গ্রেফতার করার খবর নিশ্চিত করেছে দারচুলার জেলা প্রশাসন অফিস।

সূত্রঃ http://www.ekantipur.com/2015/08/11/top-story/cpn-maoist-cadres-arrested-by-indian-ssb/409302.html


কমিউনিস্ট পিকেকে অবস্থানে তুর্কি বিমানের হামলা; পাল্টা হামলায় সেনা নিহত

তুর্কি জঙ্গিবিমান

তুর্কি জঙ্গিবিমান

কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে গেরিলা অবস্থানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে তুরস্কের বিমান বাহিনী। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান পিকেকে গেরিলা-বিরোধী অভিযান জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করার পর জঙ্গিবিমান থেকে এসব অবস্থানে ব্যাপক বোমা হামলা চালানো হলো।

তুর্কি সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফের দেয়া বিবৃতি অনুসারে, গতকাল (মঙ্গলবার) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিরনাক প্রদেশে জঙ্গিবিমান থেকে বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় অংশ নেয় দুটি এফ-১৬ জঙ্গিবিমান এবং দুটি বিমান বিধ্বংসী কামানের অবস্থানে বোমা বর্ষণ করে। এছাড়া, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় হাক্কারি প্রদেশে পিকেকে’র অন্তত ১৭টি অবস্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তবে, এসব হামলায় পিকেকে গেরিলাদের কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায় নি।

এদিকে, তুর্কি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পিকেকে গেরিলাদের পাল্টা হামলায় এক সেনা নিহত হয়েছে।


সম্পাদকীয়ঃ CPG (m-l) গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী লেনিনবাদী) কর্তৃক ‘লাল সংবাদ’ এর অনুবাদ প্রকাশ সম্পর্কিত বক্তব্য

kkeml_eng

 

সুরুক হত্যাকাণ্ডের উপর গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী লেনিনবাদী) এর প্রেস বিবৃতি

 CPG (m-l) Press statement for Suruc attack  শীর্ষক সংবাদটি  গত ২৪/০৬/২০১৫ তারিখে লাল সংবাদ বাংলায় প্রকাশ করে।

লাল সংবাদ‘ এর বাংলা অনুবাদটি, CPG (m-l)- গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী লেনিনবাদী) তাদের ওয়েবসাইটে- kkeml.gr গত ২৬/০৬/২০১৫ প্রকাশ করেছে।  উল্লেখ্য যে, এটাই  CPG (m-l) এর ওয়েব সাইটে প্রকাশিত প্রথম বাংলা অনুবাদ।

মহান আন্তর্জাতিকতাবাদী অবস্থান থেকে CPG (m-l) বাংলা ভাষার সংবাদকে তুলে ধরায় তাদের প্রতি “লাল সংবাদ” সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। এতে করে গ্রীক ভাষাভাষীরা বাংলা ভাষাভাষী দেশ ও রাজ্য গুলোর প্রগতিশীল আন্দোলন সম্পর্কে ধারণা রাখবে।

সংবাদ সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর – 

অনেক পাঠক আমাদের জানিয়েছেন, CPG (m-l)গ্রীসের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী লেনিনবাদী) এর ওয়েবসাইটে আমাদের অনুবাদ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তাদের সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ আছে কিনা? এ সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য আবারো তুলে ধরছি – 

বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন ভিত্তিক সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রকাশনা “লাল সংবাদ”। পৃথিবীর যেখানে কোন না কোন ভাবে প্রগতিশীল চিন্তা এবং মতাদর্শ প্রকাশের স্বাধীনতাকে দমিয়ে রাখার নিয়ত চেষ্টা চলছে, সেসব মত ও সংবাদকে সকলের কাছে সহজলভ্য করে তুলতে প্রকাশে বাধাগ্রস্ত সংবাদ ও প্রকাশনাগুলোকে “লাল সংবাদ” এ প্রকাশ করতেই আমাদের এ প্রয়াস।

 “লাল সংবাদ” সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি ফেসবুক ও ব্লগ ভিত্তিক সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রকাশনা। এর সাথে কোন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, নেটওয়ার্ক কিংবা গোষ্ঠীর কোন সম্পর্ক নেই। বিশ্বের শোষিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত গণমানুষের সংগ্রামের প্রতি আমাদের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। বিশ্বের দেশে দেশে যেখানেই প্রতিক্রিয়াশীল সরকার প্রগতিশীল চিন্তাকে দমন করার চেষ্টা করে, সেইসব দমিয়ে রাখা প্রকাশনা এবং দলিলাদী সমূহকে সকলের কাছে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের প্রকাশিত এ সকল দলিলাদী, প্রকাশনা ও ছবির অর্থ এই নয় যে আমরা এগুলোর সাথে একমত। আমরা কোন ভাবেই কোন দল বা সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি না।

আমরা পরিস্কারভাবে জানাচ্ছি যে, আমরা কোন বিদেশী কিংবা দেশী সংগঠনের অধীনস্থ নই; এবং কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের সাথে সংঘবদ্ধভাবে আমরা আমাদের কোন কাজ ও সংবাদ প্রকাশ করি না। আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে প্রচুর পরিমাণে সংবাদ পেয়ে থাকি। সেগুলো থেকে কোনগুলো প্রকাশ করা হবে তা সম্পূর্ণ আমরাই বাছাই ও নির্ধারণ করে থাকি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংবাদগুলো আমাদের কাছে কারা পাঠাচ্ছে, তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও বিশ্বাস কী, তা আমরা জানি না এবং আমরা কোন ভাবেই তাদের পক্ষ হয়ে কাজ করছি না। আমরা কোন ব্যক্তি বা সংগঠনকে কোন প্রকার সাহায্য, সহযোগিতা, কিংবা কোন প্রকার উপদেশ প্রদানমূলক কার্যক্রম এর সাথে যুক্ত নই।

পরিশেষে, সকল পাঠকদের “লাল সংবাদ” এর সাথে থাকার জন্যে লাল সালাম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। কমরেডগণ, ভালো থাকুন-সুস্থ থাকুন।”


ভারত/পশ্চিমবঙ্গঃ মমতা উচ্ছেদে সশস্ত্র লড়াইয়ের মাওবাদী-ডাক

মাওবাদীদের ‘কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো’ বিবৃতি দিয়ে জানাচ্ছে, তাদের কাছে ‘মমতার আসল চরিত্র অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে’। এতটাই পরিষ্কার হয়েছে যে, ‘মমতা সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে লালগড় আন্দোলনের মতো দুর্বার ও সশস্ত্র জঙ্গি আন্দোলন’ গড়ে তুলতে রাজ্যের জনগণের উদ্দেশে আহ্বান জানাচ্ছে মাওবাদীরা।

image

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দিন কয়েক আগে রাজ্যকে সতর্ক বার্তা পাঠিয়ে জানিয়েছে, কিষেণজির হত্যার বদলা নিতে মাওবাদীদের ৭০-৮০ জনের একটি দল ঝাড়খণ্ড থেকে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগে বড় হামলা চালাতে পারে। গোয়েন্দাদের একাংশের খবর, ওই বাহিনীতে ছত্তীসগঢ়ের কয়েক জন নারী মাওবাদীও আছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার বলেন, ‘‘শুধু ১৫ অগস্ট বলে নয়, মাওবাদী বা অন্য কোনও জঙ্গি সংগঠনের যে কোনও রকম পদক্ষেপের উপরে আমরা কড়া নজর রাখছি।’’ এই পরিস্থিতিতে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরোর এই প্রকাশ্য বিবৃতিটি খুবই তাৎপর্যবাহী।

বিবৃতিতে মাওবাদীরা স্বীকার করে নিয়েছে যে, মমতার শ্রেণিচরিত্র নিয়ে তাঁদের ধারণার অভাব ছিল এবং লালগড় আন্দোলন পর্বে তাঁকে সমর্থন করাটাও দলের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। পাঁচ বছর পরে তাদের উপলব্ধি, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সরকারে আসার পরে জনগণের মৌলিক সমস্যার একটিরও সমাধান হয়নি। তৃণমূল আমলে উৎকোচ গ্রহণ ও দুর্নীতি অনেকটাই বেড়েছে, সারদা কেলেঙ্কারি যার একটা নমুনা মাত্র।… আসলে ক্ষমতায় আসার জন্য মাওবাদীদের ব্যবহার করেছেন মমতা ও তাঁর দল’। ওই বিবৃতিতেই দাবি করা হয়েছে, মাওবাদীদের পলিটব্যুরো সদস্য ও ‘লালগড় আন্দোলনের প্রিয় নেতা’ কিষেণজিকে হত্যার ষড়যন্ত্রে ‘মমতার লিপ্ত থাকার ঘটনা আজ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।

নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ না ভুয়ো সংঘর্ষ? ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর কিষেণজি কী ভাবে মারা যান, এই বিতর্ক সম্প্রতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কারণ, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গত মাসে বেলপাহাড়ির এক জনসভায় মন্তব্য করেন- ‘কিষেণজিকে হত্যা করাটা মমতা সরকারের একটা সাফল্য’। তার দিন দশেকের মধ্যেই মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি তাদের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরোর বিবৃতিটি প্রকাশ্যে এনেছে। যদিও বিবৃতিটি জারি করা হয়েছিল গত বছর অক্টোবর মাসে, সিপিআই (মাওবাদী) পার্টি প্রতিষ্ঠার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে। কিন্তু এত দিন এটি গোপনে রাখা হয়েছিল।

naxal

মাওবাদীদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘লালগড়ের উত্তাল সময়ে বিপ্লবী আন্দোলনকে বিপথগামী করতেই বন্ধুর ভেক ধরে উপস্থিত হন মমতা ও তাঁর দল তৃণমূল। সে সময়ে মমতার মিটিং-মিছিলে নিজেদের সমর্থক পাঠানোটা ভুল হয়েছিল। বেশি দিন ভাঁওতা দেওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। এটা মমতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য’।

‘পশ্চিমবঙ্গের জনগণের কাছে সিপিআই (মাওবাদী)-র আহ্বান’ শীর্ষক এই বিবৃতিটিতে বলা হয়েছে, মমতার ‘প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্র’ যেমন তাঁর সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, তেমনই গত সওয়া চার বছরে মমতা নিজের মুখোশ নিজেই উন্মোচন করেছেন। উদাহরণ হিসাবে মাওবাদীরা বলছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে কোনও মাওবাদী বন্দির ক্ষেত্রেই তিনি সেটা প্রয়োগ করেননি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে জঙ্গলমহল থেকে যৌথ বাহিনী প্রত্যাহার করার কথা থাকলেও মমতা আজও সেটা করেননি।

মমতা ২০১০-এর ৯ অগস্ট লালগড়ে এক জনসভায় ‘মিথ্যা সংঘর্ষে মাওবাদী নেতা কমরেড আজাদকে হত্যা করা হয়েছে’ বলে সুবিচার চান। মাওবাদীদের বক্তব্য, নিজেকে প্রগতিশীল হিসেবে জাহির করতেই মমতা ওই কথা বলেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সেই সব বিশ্বাস করে তাঁর প্রতি মোহগ্রস্ত হয়েছিলেন। ‘’ক্ষমতায় এসে মমতা ১৮০ ডিগ্রি ডিগবাজি খেয়েছেন’- মন্তব্য মাওবাদীদের।

মমতাকে না-চেনার ভুলের মতো আরও একটি ভুল ওই বিবৃতিতে মাওবাদীরা স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ‘লালগড়ে হত্যা ও লাশ গায়েব করাটাও ভুল হয়েছিল’।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/state/maoist-threats-to-mamata-banerjee-1.192096


পেরুতে পুলিশ-কৃষক সংঘর্ষ, নিহত এক

22 DE NOVIEMBRE DEL 2010 POBLADORES DE ISLAY PROTESTAN POR PROYECTO TIA MARIA DE MINERA SOUTHERN PERU, AREQUIPA. FOTO ROLLY REYNA EL COMERCIO

পেরুর পশ্চিমাঞ্চলীয় জুনিন এলাকায় পুলিশের সাথে কৃষকদের সংঘর্ষে অন্তত একজন কৃষক নিহত ও ৫০ আহত হয়েছে।

বুধবার জুনিনে স্থানীয় কৃষকদের একটি বিক্ষোভ সমাবেশে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারী কৃষকদের অভিযোগ, সম্প্রতি সেখানকার টিয়া মারিয়া খনিতে দেড় বিলিয়ন ডলারের আকরিক তোলার যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে তাতে সৃষ্ট ধোঁয়া ও বর্জ্য আশপাশের ফসলি জমির মারাত্মক ক্ষতি করবে।

এসময় তারা মহাসড়ক আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ সমাবেশ বন্ধ করতে ও কৃষকদের ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে গেলে একজন কৃষক নিহত হয়।

সূত্রঃ http://somoynews.tv/