ছবিঃ সিপিআই(মাওবাদী)’র কেন্দ্রীয় সদস্য শহীদ কমরেড পাটেল সুধাকর রেড্ডি

images

naxals

Patel_Sudhakar_Reddy

ganesh sudhakar rama krishna

25may_patel
cpi-maoist-central-committee-member-patel-sudhakar-reddy

20091106262200905

2009052557100101_77368e

 

সূত্রঃ ইন্টারনেট

Advertisements

বাংলাদেশঃ জাতীয় ছাত্রদলের বিবৃতি

Untitled

12036793_624358194372763_916472046747197329_n

এ লড়াই জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার

প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
জাতীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সংগ্রামী অভিনন্দন জানাচ্ছি। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এ দেশের ছাত্র-গণআন্দোলনের এক চির স্মরণীয় দিন। তৎকালীন স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের আমলে শরীফ কমিশন এক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। এ শিক্ষানীতির প্রস্তাবনায় বলা হয়, “শিক্ষা সম্পর্কে জনসাধারণের চিরাচরিত ধারণা অবশ্যই বদলাতে হবে। সস্তায় শিক্ষা লাভ করা যায় বলিয়া তাহাদের যে ভুল ধারণা রয়েছে, তা শীঘ্রই ত্যাগ করিতে হবে। যেমন দাম তেমন জিনিস এই অর্থনৈতিক সত্যকে অন্যান্য ব্যাপারে যেমন শিক্ষার ব্যাপারেও তেমনি এড়ানো দুষ্কর।” এ দেশের ছাত্রসমাজ সেদিন এই বৈষ্যম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলে। সামরিক শাসনের ছত্রছায়ায় প্রণীত এই শিক্ষানীতি সাধারণ ছাত্রদের শিক্ষাগ্রহণের সীমিত অধিকারের উপর আঘাত হানে। অপরদিকে খেটে খাওয়া মানুষের উপর চলছিল শোষণ-নিপীড়ন ও দমন-পীড়ন। যে কারণে শিক্ষা আন্দোলনের সাথে সাধারণ মানুষের দাবি দাওয়া এক হয়ে যায়। ক্রমেই এ আন্দোলন গণআন্দোলনে পরিণত হয়। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশে হরতাল আহ্বান করা হয় এবং এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে পেশাজীবী, শ্রমিক, কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষ। ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে নয়টায় বের হয় ছাত্র-জনতার বিরাট জঙ্গি মিছিল। মিছিল যখন হাইকোর্ট পার হয়ে আবদুল গণি রোডে প্রবেশ করে তখন পুলিশ গুলিবর্ষণ আরম্ভ করল। রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে বাবুল, মোস্তাফা ও ওয়াজিউল্লাহ।

সংগ্রামী সাথীরা,
দীর্ঘ ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের ছাত্র সমাজ তাদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট রয়েছে। ছাত্র সমাজের গণতান্ত্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। পূর্বের ধারাবাহিকতায় এ আন্দোলন আজও প্রাসঙ্গিক। ব্রিটিশ পর্ব থেকে পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলেও শাসক গোষ্ঠীর মূল চরিত্রের কোনরূপ পরিবর্তন হয়নি। তাই শিক্ষা সম্পর্কে সকল শাসকেরই দৃষ্টিভঙ্গি এক ও অভিন্ন। বাংলাদেশে নানা রূপে ক্ষমতাসীন সকল সরকারই শিক্ষাকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও সংকোচন নীতি বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখে চলেছে। ১৯৭১ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সকল সরকারই সাম্রাজ্যবাদের দালাল হওয়ায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ সহ সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বসংস্থাসমূহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে। শিক্ষা খাতও এ পরিকল্পনার বাইরে নয়। ১৯৯৩ সালে প্রণীত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রণীত ২০ বছর মেয়াদী কৌশলপত্র, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকে উৎসাহিত করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে পি.পি.পি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) এর মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে পুঁজি বিনিয়োগ শিক্ষা খাতে সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের অংশ।

প্রিয় বন্ধুরা,
বাংলাদেশ একটি নয়া ঔপনিবেশিক ও আধা সামন্তবাদী দেশ। এ দেশের সকল কিছুই পরিচালিত হয় প্রভু সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে ও নির্দেশে। পুজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার চলমান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক তথা সামগ্রিক সঙ্কটের প্রভাব আমাদের দেশেও কার্যকরী রয়েছে। পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কটের বোঝা তারা নয়া ঔপনিবেশিক দেশের জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে সঙ্কট থেকে পরিত্রাণের চেষ্টা করছে। ফলে আমাদের দেশের শ্রমিক কৃষক জনগণের ওপর দেশি বিদেশি শোষণ নিপীড়ন আরও তীব্র হচ্ছে। আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাজার প্রভাব বলয় রক্ষা ও সম্প্রসারণ করার প্রতিযোগিতার বিষয়টি সামনে আসছে। এই সুযোগে নয়া ঔপনিবেশিক দেশের দালালরা তাদের প্রভু বদল বা তাদের পছন্দ মতো প্রভু বেছে নেওয়ার প্রচেষ্টাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার প্রভাব আমাদের দেশেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে আমাদের দেশে স্বৈরতন্ত্র আরও তীব্র হচ্ছে। প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা জনগণ যে অতি সীমিত অধিকার পেত তাও আজ খর্ব করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার। তারই প্রেক্ষিতে সরকার একের পর এক কালাকানুন পাস করিয়ে চলেছে। সেই সাথে সরকার দেশের শ্রমিক কৃষক জনগণের সম্পদ বেপরোয়াভাবে লুটপাট করে চলেছে। জনগণ যাতে এর বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস না পায় তার জন্য বৃদ্ধি করে চলেছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও দলীয় সন্ত্রাস। শিক্ষাঙ্গনেও সন্ত্রাস ও শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষাকে একটি পণ্যে পরিণত করে শিক্ষার সুযোগ দেশের এলিট শ্রেণীর মধ্যেই সীমিত রাখার ষড়যন্ত্র চলছে। এর বিপরীতে শ্রমিক কৃষকের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সঙ্কুচিত করা হচ্ছে।

স্বৈরতন্ত্র যতই শক্তিশালী হচ্ছে, শ্রমিক কৃষক ছাত্র জনতার গণতান্ত্রিক অধিকার ততই খর্ব হচ্ছে। পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থায় চলমান সঙ্কট থেকে সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের লগ্নি পুঁজির সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ইত্যাদির মতো প্রতিষ্ঠান এদেশের ওপর সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের পরিকল্পনা চাপিয়ে দিচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে সাম্রাজ্যবাদের দালাল সরকার শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও শিক্ষা সঙ্কোচন নীতিকে জোরদার করেছে। সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের পরিকল্পনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দফায় দফায় বেতন ভাতা বৃদ্ধি করে শ্রমিক কৃষক জনগণের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন ভাতা বৃদ্ধি সহ ভ্যাট আরোপের কৌশল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনকে আরও বিপন্ন করে তুলেছে। চলতি বছরে উচ্চ মাধ্যমিকে ফলাফল বিপর্যয় সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও তাদের পরিবার পরিজনকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কোন বছরে শতভাগ পাসের নিশ্চয়তা প্রদান আবার কোন বছরে ফলাফল বিপর্যয় ঘটানো শিক্ষা ক্ষেত্রে এক চরম নৈরাজ্যের বহিঃপ্রকাশ। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, মাদককের ব্যবহার, নৈতিকতার অবক্ষয় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দালাল দেশীয় শাসক শোষক শ্রেণী পরিকল্পিতভাবেই শিক্ষাঙ্গনে এই সামগ্রিক নৈরাজ্য তৈরি করে রেখেছে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে এই সামগ্রিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে তেমন কোন জোরালো আন্দোলন সংগ্রামও গড়ে উঠছে না। ৬২ সালে স্বৈরাচারী আইউব সরকারের লাঠি, গুলিকে উপেক্ষা করে ছাত্র সমাজ যে ব্যাপক আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলেছিল এবং জনগণকে তাদের সমর্থনে রাস্তায় নামাতে সক্ষম হয়েছিল আজ তা বিরল। শিক্ষাঙ্গনে সাম্রাজ্যবাদ ও তার এ দেশীয় দালালদের স্বার্থরক্ষাকারী প্রতিক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব কর্তৃত্বই ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের দুর্বলাই এর কারণ। শিক্ষাঙ্গনে বিদ্যমান সঙ্কট ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে হলে প্রয়োজন সকল সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ।
আমাদের দেশের বিদ্যমান স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা জনগণের কোন গণতান্ত্রিক অধিকারেরই নিশ্চয়তা দেয় না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতান্ত্রিক শিক্ষাব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আজ প্রয়োজন গণমুখী শিক্ষাব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিকে গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবির সাথে ঐক্যবদ্ধ করে তীব্র ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলা। তাই আসুন, প্রতিক্রিয়াশীল সকল ধারার বিপরীতে ছাত্রসমাজের দাবি আদায়ে বিপ্লবী বিকল্প ধারার ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলতে জাতীয় ছাত্রদলের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হই। দৃঢ় কণ্ঠে দাবি তুলি-

() শিক্ষার সকল ব্যয়ভার রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।
(খ) সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের রক্ষক শিক্ষাব্যবস্থা বাতিল করে গণমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে দুর্বার ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলুন।
() শোষকগোষ্ঠীর পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও ছাত্ররাজনীতি বন্ধের সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত রুখে দাঁড়ান।
() ছাত্র আন্দোলনকে সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত করুন।

অভিনন্দনসহ
জাতীয় ছাত্রদল
প্রকাশঃ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫


ভারতঃ তেলেঙ্গনা সরকার নিজেদের জনগণকে হত্যা করছে !!!

11062155_1150105731672313_2111781750894714765_n

বিবেক কোডামানগুন্দলাকে হত্যার পর তেলেঙ্গনা পুলিশ এবার হত্যা করল কমরেড শ্রুতি থাঙ্গেল্লা ও বিদ্যাসাগরকে।

ওয়ারাঙ্গল জেলা থেকে আগত দুই উজ্জ্বল মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী কমরেড বিদ্যাসাগর(স্নাতক) এবং শ্রুতি থাঙ্গেল্লা (M.TECH)কে আজ ভোর রাতে এতুনাগারাম বনে পুলিশের এক সাজানো বন্দুকযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।

তারা উভয়েই আলাদা তেলেঙ্গনা রাজ্যের দাবীতে সংগ্রাম করেছিলেন, অথচ সেই রাজ্যের পুলিশের হাতেই তারা শহীদ হলেন!!! কমরেড শ্রুতি ২০১৪ সালে সিপিআই(মাওবাদী) পার্টিতে যোগ দেন আর সাগর মাত্র কিছুদিন আগেই যোগ দেন।

কমরেড শ্রুতির বাবা সুদর্শন থাঙ্গেল্লা একজন শিক্ষক, তেলেঙ্গানা কবি ও ১৯৯০ সাল থেকে তেলেঙ্গনা আন্দোলনের একজন নিবেদিত সক্রিয় কর্মী। কমরেড সাগর সম্পর্কে এখন কিছু জানা যায়নি।

এর আগেও ঠিক একই ভাবে তেলেঙ্গনা-ছত্তিসগড় সীমান্তে তেলেঙ্গনা পুলিশের সাজানো ভুয়া এনকাউন্টারে হত্যা করা হয় ১৯ বছরের যোদ্ধা বালক কমরেড বিবেক কোডামানগুন্দলাকে।

তেলেঙ্গনা প্রশাসনের লজ্জা হওয়া উচিত, কারণ যে শহীদরা তেলেঙ্গনা রাজ্যবাসীদের অধিকারের বিষয়ে প্রশাসনের লোকদের চাইতেও বেশী সংগ্রাম করেছে, তাদেরকেই প্রশাসন হত্যা করল।

কমরেড শ্রুতি থাঙ্গেল্লাবিদ্যাসাগর অমর হোক

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক


ভারতঃ ওয়ারঙ্গলে পুলিশের সাজানো ভুয়া ‘সংঘর্ষে’ নিহত দুই মাওবাদী

Maoists_1

মঙ্গলবার ভোররাতে তেলেঙ্গনা রাজ্যের ওয়ারাঙ্গলে পুলিসের ভুয়া এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে ২ মাওবাদী। পুলিসের দাবি দুপক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের জেরেই মৃত্যু হয়েছে ওই ২ মাওবাদী, নিহত মাওবাদীদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হয়েছে একটি কার্বাইন পিস্তল ও একটি ৩০৩ রাইফেল। পুলিসের সন্দেহ ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে আরো ৩ মাওবাদী। পর্যবেক্ষকদের মতে দীর্ঘ কয়েক বছর পর ফের মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিসের গুলির লড়াই প্রমাণ করছে এই অঞ্চলে ফের মাওবাদীরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে।

এর আগেও তেলেঙ্গনা-ছত্তিসগড় সীমান্তে পুলিশের সাজানো ভুয়া এনকাউন্টারে নিহত হয় ১৯ বছরের বালক বিবেক

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=4862