ছবিঃ কুর্দি মা ও তাদের মেয়েরা –

কুর্দি মা তাদের মেয়েরা – 

যখন সন্তানেরা YPG/J এর যোদ্ধা হিসেবে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে, তখন তাদের মায়েরা তাদের বাসস্থান রক্ষার্থে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন।

1

2

3

Advertisements

ছবিঃ কমিউনিস্ট ‘পিকেকে’র নারী গেরিলাদের সাম্প্রতিক ছবি

নারীরা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে, এটা নিয়ে পুরুষরা সবসময় ভীত থাকে। কারণ একজন নারীর শক্তি তার শাসন/আধিপত্য ধ্বংস করে দিতে পারেআব্দুল্লাহ ওসালান, কুর্দি নেতা ও পিকেকে’র প্রতিষ্ঠাতা

1

2

3

4

5

6

8


বাংলাদেশঃ দাম বৃদ্ধি, ভ্যাটসহ সরকারের গণবিরোধী কর্মসূচির আশু ফল।। হাসন লাল

দাম বৃদ্ধি, ভ্যাটসহ সরকারের গণবিরোধী কর্মসূচির আশু ফল।। হাসন লাল

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

প্রতিক্রিয়াশীল আওয়ামী নেতৃত্বাধীন সরকার যে গণবিরোধী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ইতিমধ্যেই তার ফল ধরতে শুরু করেছে।

দ্রব্যমূল্য

তিন মাস হতে চলল সব্জির দাম দুই তিন গুণ বেড়েছে, কয়েক মাস হল প্রথমে পেঁয়াজ আর পরে কাঁচা মরিচের দাম তিন গুণ হয়েছে। বন্যার আগেই রোজার অসিলায় এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরের অসিলা হল ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ও বাংলাদেশে পাচার-রফতানি হ্রাস। পরের অসিলা হল বন্যা। এসব অসিলায় প্রতি বছরই এ ধরণের সংকট তৈরি করা হয়। ফলে জনগণ এগুলো কিনতে গিয়ে নিঃস্ব হয় আর পকেট ভারী হয় বুর্জোয়া ধনিক শ্রেণির। তারা অল্প দামে এসব জিনিস কৃষকদের কাছ থেকে কিনে রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বহু গুণ বেশি দামে বেঁচে। এই মুনাফাখোররাই আলীগ, বিএনপি, জাপা, জামাত প্রভৃতি বুর্জোয়া-সামন্ত দলগুলোর ভিত্তি।

বন্যা

বাংলাদেশে ও তার উজান ভারতে অতি বৃষ্টির ফলে যে বন্যা তার ফল উভয় দেশকেই ভোগ করতে হলেও এদেশকে ভাটি হওয়ার কারনে অতি ফল ভোগ করতে হয়। এছাড়া পরিবেশ দূষণ, জনগণ বিরোধী প্রকৃতি বিরোধী রাস্তা ঘাট সেতু নির্মাণ প্রভৃতি কারণে নদী ভরাট হয় আর পর্যাপ্ত পানি সাগরে যেতে পারেনা। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী বন্যায় ফসল নষ্ট হয়, ঘরবাড়ী গবাদী পশুর ক্ষতি হয়। এবারকার বন্যায় বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এলাকার আমন ফসল নষ্ট হয়েছে। বহু ঘরবাড়ী গবাদী পশুর ক্ষতি হয়েছে। প্রতিক্রিয়াশীল শাসক সম্প্রদায় জনগণকে এর ক্ষতিপুরণ প্রদান করেনা, বরং রিলিফের নামে তাদের দালালদের টাকা কামাইয়ের ধান্দা করে দেয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এলেও বাংলাদেশে তেলের দাম কমানো হয়নি

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার অযুহাতে অতীতে সরকার তেলের দাম বাড়ালেও, দীর্ঘদিন যাবত তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমতে কমতে যখন তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে তখন সরকার তেলের দাম না কমিয়ে বরং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। এনিয়ে সাতবার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে আলীগ সরকার। আর গ্যাসের দাম দ্বিতীয়বার বাড়ানো হয়েছে। বিদেশ থেকে সস্তায় তেল কিনে এদেশে তিনগুণ বেশী দামে বিক্রী করে সরকার ইতিমধ্যে বিশাল টাকা কামিয়েছে যা তাদের নেতা মন্ত্রী আমলাদের ভোগ বিলাসে ব্যয় হবে, সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদের কাছে পাচার হবে। সরকারী কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে যা তারা জনগণের উপর বর্ধিত করারোপ করে ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে সংগ্রহ করতে চায়।

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়লো। কেন?

তেলের মূল্য কমে গিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ যখন কমে গেছে তখন তারা বিদ্যুতের মূল্য আরো বৃদ্ধি করেছে নিজেদের ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের জন্য আরো মুনাফা এনে দিতে। কুইক রেন্টালের নামে ভারতীয় কোম্পানীগুলোর হাতে বন্দী হয়ে গেছে বিদ্যুৎ শক্তি। সরকার বলছে যে গ্যাস দশ বছর পর শেষ হয়ে যাবে। আর সরকার কোন জনকল্যানমুখী সরকার নয়। সুতরাং তারা খুব পরিষ্কারভাবে বলে যে সাশ্রয়ী মুল্যে (তাদের ভাষায়) গ্যাস জনগণকে তারা দেবেনা। গ্যাসের লাইন বন্ধ করে বোতলজাত গ্যাস ব্যবহারে জনগণকে বাধ্য করবে যা মানুষকে তিন চারগুণ বেশি দাম দিয়ে কিনতে হবে। তাই, এই দশ বছরে জনগণ গ্যাস তুলনামূলক কম দামে ব্যবহার করতে যাতে না পারে আর শোষক শ্রেণি যাতে আরো মুনাফা কামাতে পারে আর বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে পারে আরো মুনাফা তার ব্যবস্থা তারা করবে। আর কৃষিভিত্তিক এই দেশে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সুবিধা না থাকায় এর সংযোগ পাওয়াটাই এসব এলাকার মানুষের কাছে মুখ্য। এই সুযোগটাও সরকার নিচ্ছে।

জ্বালানী ও খনির প্রশ্নটি মালিকানার প্রশ্ন

তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি জ্বালানীর মালিকানা জনগণের হাতে নেই। আমাদের যে খনিজ সম্পদ আছে তার মালিকানাও নেই জনগনের হাতে বরং সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদের হাতে। আমাদেরই সম্পদ তারা আহরণ করে আমাদেরি কাছে বহু গুণ বেশী দামে বিক্রী করছে। এই অতি মুনাফা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করছে আর তারা তার একটা অংশ তাদের এদেশীয় দালালদের দেয়।

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার উপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপ ছাত্র আন্দোলনের মুখে বানচাল

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার্থীদের শতকরা ৬৫ ভাগই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। কয়েকটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধনি ও উচ্চ মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা পড়লেও অধিকাংশগুলোতে সাধারণ নিম্ন মধ্যবিত্ত ছেলেমেয়েরা অনেক অর্থ ব্যয় করে পড়ে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের খরচের ভার লাঘব নিশ্চয় সরকার করবেনা, কিন্তু আরো বাড়াবে। ঠিক তাই।

শিক্ষার্থীদের কঠোর আন্দোলনের মুখে বানচাল সরকারী ভ্যাট

সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেনা অধিকাংশ শিক্ষার্থী। অধিকন্তু সেখানে রয়েছে সেশন জট। তাই, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আর গত্যন্তর থাকেনা। প্রথমে দশ শতাংশ হারে পরে সাড়ে সাত শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপের ফলে তীব্র বিক্ষোভে ফেঁটে পড়ে শিক্ষার্থীরা। সরকার ভণ্ডামী করে বলে যে ভ্যাট বিশ্ববিদ্যালয়য় কর্তৃপক্ষ দেবে। এটা শিশুশ্রেণীর শিক্ষার্থীরাও বোঝে কীভাবে কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে অর্থ আদায় করে, সবাই জানে এটা শিক্ষার্থীদেরই দিতে হবে। ফলে সরকারী ভণ্ডামী শিক্ষার্থীদের ক্রোধ আরো বৃদ্ধি করে। অবশেষে সরকার ভ্যাট প্রত্যাহার করে। প্রমাণিত হল এই তরুণ তরুণীরা একটা শক্তি যা যে কোন সময় সংগঠিত হতে পারে। প্রতিক্রিয়াশীলদের এই যে শোষণের চরিত্র তারা বুঝতে পারলেন তা আরো গভীরভাবে বোঝা দরকার। তাহলে তারা ভবিষ্যত সাম্যবাদী সমাজ গড়ার লড়াইয়ে অংশ নিতে পারবেন। যে লড়াই অনেক অনেক কঠিন।।

সূত্রঃ http://sarbaharapath.com/?p=1661


ভারতঃ ‘সাংগঠনিক পরিধি বাড়াচ্ছে মাওবাদীরা’ – কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট

naxal4

image

চাকুলিয়া, পটমদা, সুলিয়াপাদা। পশ্চিমবঙ্গের ভূগোলে একটিও পড়ছে না। কিন্তু মাওবাদী কাজকর্ম নিয়ে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দাদের কণ্ঠস্থ ওই সব নাম। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে এই রাজ্যের ফেরার মাওবাদী নেতারা স্কোয়াড নিয়ে ওই সব এলাকা দিয়েই পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে ঢুকছে এবং তারপর ফিরে যাচ্ছে সেই পথেই।

এত দিন বৈঠকে, সতর্কবার্তায় এই সব কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু এ বার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও চলতি বছরের প্রথম ছ’মাসে মাওবাদী কার্যকলাপ নিয়ে তাদের পর্যালোচনায় জানিয়ে দিল, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের কিছু এলাকায় সংগঠনকে চাঙ্গা করার কাজ পুরোদমে শুরু করেছে মাওবাদীরা।

কাল, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর সিপিআই(মাওবাদী) প্রতিষ্ঠার এগারো বছর পূর্ণ হচ্ছে। ঠিক তার মুখে মাওবাদী কার্যকলাপ নিয়ে ষান্মাষিক পর্যালোচনা রিপোর্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আশঙ্কা করছে, পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ড— এই তিনটি রাজ্যের সংযোগস্থলকে নিজেদের কব্জায় আনতে চাইছে মাওবাদীরা। যে কারণে ঝাড়খণ্ডের চাকুলিয়া, পটমদা কিংবা ওড়িশার সুলিয়াপাদা ধরে মাওবাদীরা ঢুকছে এই রাজ্যে।

একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই নথিতে বলা হয়েছে, খাস কলকাতায় তাদের কাজকর্ম নতুন ভাবে শুরু করার জন্য ঝাঁপিয়েছে মাওবাদীদের গণ সংগঠনগুলি। এবং সেই লক্ষ্যে জেল থেকে কিছু দিন আগে ছাড়া পাওয়া মাওবাদীদের দু’-তিন জন প্রাক্তন শীর্ষ পদাধিকারী নিয়মিত এখানে যাতায়াতও শুরু করেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাদের নথিতে কলকাতায় মাওবাদীদের গণ সংগঠন বলতে মানবাধিকার ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কাজ করা দু’টি সংগঠনকে ইঙ্গিত করেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রকের যুগ্ম-উপ অধিকর্তা ডন কে জোস স্বাক্ষরিত ওই নথিতে এ বছর পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদী হিংসার একটিও ঘটনা এখনও ঘটেনি বলে জানানো হলেও এ রাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দারা উদ্বিগ্ন অন্য কারণে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাওবাদী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনার নিরিখে ছত্তীসগঢ়ের সঙ্গে প্রায় সমানে সমানে পাল্লা দিচ্ছে ঝাড়খণ্ড। যে রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের একেবারে লাগোয়া। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ষান্মাসিক ওই পর্যালোচনা রিপোর্টে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল এলাকাকে মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই তথ্যই দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে এই রাজ্যের পুলিশকর্তাদের কপালে।

রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষকর্তার কথায়, ‘‘ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীরা শক্তিশালী হলে পশ্চিমবঙ্গের বিপদ। এখানে কোনও নাশকতা ঘটিয়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেওয়া সহজ। আর সেটা করতে এই রাজ্যে মাওবাদীদের ব্যাপক জনভিত্তিরও প্রয়োজন নেই।’’

ঘাটশিলার বুরুডিহ লেকের কাছে চিকরি গ্রাম লাগোয়া পাহাড়ে মাওবাদীদের একটি ঘাঁটি থেকে বৃহস্পতিবার রাতে নির্ভুল বাংলায় লেখা বেশ কিছু মমতা-বিরোধী পোস্টার উদ্ধার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। ওই ঘটনার খবর পেয়ে এই রাজ্যের এক শীর্ষ গোয়েন্দা অফিসার বলছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে ছড়ানোর জন্যই ওই সব পোস্টার লেখা হয়েছিল।’’ তাঁর মতে, গত ১৭ জুলাই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বেলপাহাড়ির সভায় বক্তৃতা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাওবাদীরা ওই এলাকার চিড়াকুটিতে পোস্টার ছড়িয়েছিল। ঝাড়খণ্ডেরই কোনও তল্লাটে লেখা পোস্টার মাওবাদীরা চিড়াকুটিতে পৌঁছে দিয়ে যায় বলে অভিমত ওই অফিসারের।

গোয়েন্দাদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের মাওবাদী নেতা, বাঁকুড়ার বারিকুলের খেজুরখেন্না গ্রামের রঞ্জিত পাল ওরফে রাহুলের অনুগামীরা বুরুডিহ লেকের কাছে ঘাঁটি গেড়েছিল। একটা সময়ে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের মাওবাদী নেতা রঞ্জিত পাল সম্প্রতি বেলপাহাড়িরই শিমুলপাল অঞ্চলের পাথরচাকরি ও শাখাভাঙায় সদলবল এসেছিল বলেও গোয়েন্দাদের দাবি। ওই তল্লাট থেকে পোস্টার পড়া চিড়াকুটি যেমন কাছে, তেমনই ঝাড়খণ্ডও পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে।

ঝাড়খণ্ডের চাকুলিয়া, ঘাটশিলার মতো এলাকা বেলপাহাড়ির লাগোয়া। আবার পুরুলিয়ার বরাবাজার ও বান্দোয়ান এলাকার গা ঘেঁষে ঝাড়খণ্ডের পটমদা। যেখানে শচীন নামে এক মাওবাদী নেতা ও তার স্কোয়াডের নিয়মিত গতিবিধির খবর গোয়েন্দাদের কানে এসেছে।

বেলপাহাড়ির মতো পশ্চিমবঙ্গের আর এক একটি মাওবাদী প্রভাবিত এলাকা নয়াগ্রাম। তবে সেটা ঝাড়খণ্ড নয়, ওড়িশা লাগোয়া। নয়াগ্রামের ও পারেই ওড়িশার সুলিয়াপাদা এলাকা। যেখান থেকে মাওবাদীরা মোটর সাইকেলে চড়ে নয়াগ্রামের পাতিনা, রাঙামেটিয়ার মতো তল্লাটে ঢুকে তাদের পুরনো সমর্থকদের বাড়িতে যাচ্ছে বলে গোয়েন্দাদের দাবি।

সিআরপি-র এক কর্তার কথায়, ‘‘মাওবাদীরা পশ্চিমবঙ্গের সে সব জায়গায় ঢুকছে, যেখান থেকে চট করে ঝাড়খণ্ড বা ওড়িশায় ঢুকে পড়া যায়।’’

কলকাতায় গত জুনে এই রাজ্যে পুলিশ, কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সমন্বয়-বৈঠকে উঠে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে ফের সক্রিয় হচ্ছে মাওবাদীরা এবং তারা ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়া লাগোয়া কয়েকটি এলাকায় প্রায় নিয়মিত আনাগোনা শুরু করেছে। এর পর অগস্ট মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ এক সতর্কবার্তায় জানায়, পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর বড় ধরনের হামলা চালানোর ছক কষেছে মাওবাদীরা। আর এ বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই পর্যালোচনা রিপোর্ট।

তবে মন্ত্রকের বক্তব্য, এ-ই প্রথম পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে নিহত মাওবাদীদের সংখ্যা তাদের হাতে নিহত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যার চেয়ে বেশি। এ বছর এখনও পর্যন্ত মাওবাদীদের হাতে নিহত পুলিশ-নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা ৩৯। নিহত মাওবাদীর সংখ্যা সেখানে ৪০। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, নির্ভুল গোয়েন্দা-তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট অভিযানই এই সাফল্যের কারণ।

সুত্রঃ http://www.anandabazar.com/state/special-report-on-maoist-activities-at-jangalmahal-1.211046


ভারতঃ পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার

maobadi-655x360

পুরুলিয়া: ফের মাওবাদী পোস্টার পুরুলিয়ায়৷ জেলার বলরামপুরের কানহা ও বেড়ষা গ্রাম থেকে ওই পোস্টারগুলি উদ্ধার করা হয়৷ ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি-সহ শাসক দলের বিরুদ্ধে এই পোস্টার ছাপা হয়েছে বলে খবর৷ পোস্টারের প্রতিটি কথাই সরকার বিরোধী৷ শুধু দুর্নীতির কথাই নয়, শাসক দলের দুর্নীতিগ্রস্থ স্থানীয় নেতাদেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷

সূত্র: http://www.bengali.kolkata24x7.com/maoist-poster.html


ভারতঃ মাওবাদী নেতা ‘সোনাধার’ সহ তিনজন পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত

মাওবাদী নেতা 'সোনাধার'

মাওবাদী নেতাসোনাধার

২০১৩ সালে ছত্তিসগড়ে সালওয়া জুডুমের নেতা মহেন্দ্র কর্মা সহ ২৫ জন কংগ্রেস নেতা ও কর্মীর খতমের মূল নেতৃত্ব মাওবাদী নেতা ‘সোনাধার’ পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন।

মালকানগিরিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন এই মাওবাদী নেতা সহ তিন জন মাওবাদী । অন্তত পুলিশ এমনটাই দাবী করেছে। সুনাধরের বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী সোনাধার মাওবাদীদের ধরবা ডিভিশন এরিয়া কমিটির সম্পাদক ছিলেন। তবে বাকি দু’জন মাওবাদীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/national/other-states/dreaded-commander-among-three-maoists-killed-in-odisha-encounter/article7668861.ece