অ্যাপেক সম্মেলন ঘিরে ফিলিপিনের ম্যানিলায় বামপন্থীদের বিক্ষোভ

_86762597_030194262-1

অ্যাপেক সম্মেলন দারিদ্র-পীড়িত রাষ্ট্রগুলোর জন্য উপহাসমূলক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ফিলিপিনের ম্যানিলায় বিক্ষোভ করেছে দেশটির বামপন্থী দল ব্যাগং আলিয়ানসাং মাকাবায়ানের নেতাকর্মীরা। এসময় পুলিশ বামপন্থীদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

অ্যাপেক সম্মেলনের ফলে উন্নয়নশীল ও অপেক্ষাকৃত দারিদ্র-পীড়িত দেশগুলোর কোনো উন্নয়ন তো হয় না উল্টো তাদের অর্থে ধনী রাষ্ট্রগুলো তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটায় বলে মন্তব্য বামপন্থীদের।

এ বছর ম্যানিলা দুইদিনব্যাপী অ্যাপেক সম্মেলনের আয়োজন করলে পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। তবে বামপন্থীরা পুলিশী বাধা অতিক্রম করে সম্মেলন স্থান অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বামপন্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি গরম পানি নিক্ষেপ করে। এসময় বামপন্থীরা অ্যাপেক সম্মেলন বিরোধী স্লোগান দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

6956640-3x2-700x467

Advertisements

কলম্বিয়ায় ২ সেনাকে মুক্তি দিয়েছে বামপন্থী গেরিলা দল ‘ইএলএন’

eln_guerrillas_s_youtube-770x433

কলম্বিয়ার বামপন্থী গেরিলা দল ইএলএন দুই জন সরকারি সেনাকে মুক্তি দিয়েছে। এরা ২৬ অক্টোবর থেকে তাদের হাতে বন্দি ছিলেন।

কলম্বিয়ার বয়াকা রাজ্যে ২৬ অক্টোবর সরকারি বাহিনীর সাথে ইএলএন সংঘর্ষে ১২ জন সেনার মৃত্যু হয় এবং ২ জনকে ইএলএন গেরিলারা ধরে নিয়ে যায়। সোমবার রেডক্রস এর মধ্যস্থতায় তারা মুক্ত হন।

এদিকে মুক্তির পর দুই জন সেনা রেডক্রসকে ধন্যবাদ জানান, তাদের মুক্তির ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্যে এবং তারা জানিয়েছেন ইএলএন গেরিলারা যুদ্ধবন্দী হিসেবে তাদের সাথে সঠিক ব্যবহার করেছে।

মার্কসবাদে অনুপ্রাণিত বামপন্থী গেরিলা দল ইএলএন কলম্বিয়ার সম্পদ ও জমির অসম বন্টনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলম্বিয়া সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছে । হিসাব মতে, বর্তমানে দলটির দুই হাজার যোদ্ধা রয়েছে।


ভারতঃ ছত্তিসগড়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে খ্রিস্টানদের উস্কানি দিচ্ছে মৌলবাদী সঙ্ঘ নেতা

good_friday_2013_26

রায়পুর: ছত্তিশগড়ে কেন মাওবাদীরা কখনও সংখ্যালঘু খ্রিস্টানদের টার্গেট করেনি, সেই প্রশ্ন তুললেন মৌলবাদী আরএসএসের প্রথম সারির নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। তাঁর বক্তব্য, মাওবাদী বামপন্থার মোকাবিলায় ‘সক্রিয় ভূমিকা’ পালন করুন খ্রিস্টানরা।

দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাওবাদীদের আধিপত্য নিয়ে আয়োজিত এক সভার ফাঁকে তিনি বলেন, হিংসা নয়, শুধু শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের পথেই উন্নয়ন হওয়া সম্ভব। মাওবাদী আধিপত্যে বিদীর্ণ ছত্তিশগড়ের প্রেক্ষাপটে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সামনে কয়েকটি প্রশ্ন তুলছি আমি। নকশালরা কোনওদিন গির্জায়, যাজকদের ওপর হামলা করেনি। ওরা কি নকশালদের স্বার্থরক্ষা করে, সেজন্য না কি অন্য কোনও কারণে? 

তিনি বলেন, মিডিয়া, নানা সামাজিক সংগঠন, সরকারি সূত্রে ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের কার্যকলাপের খবর পাওয়া যায়। কিন্তু কখনও কি গির্জাগুলির কর্তৃপক্ষ সরকারকে সেখানকার হিংসাত্মক, বেআইনি কার্যকলাপ সম্পর্কে আগাম সাবধান করে খবর দিয়েছে?

আমি চাই, মাওবাদী ও নকশাল  মোকাবিলায় তাঁরা সক্রিয় হয়ে উঠুন। সেজন্য কথাগুলি বলছি।

সূত্রঃ http://abpananda.abplive.in/national/2015/11/16/article758878.ece/Rss-leader-calls-for-active-role-of-Christians-to-combat-Maoists-in-chattisgarh