পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেই কি ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে গেলো: অরুন্ধতী রায়

ArundhatiRoy_1997_lr

ভারতের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদে বহু লেখক তাদের সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন।

সম্প্রতি বুকার পুরস্কার বিজয়ী লেখক অরুন্ধতী রায়ও ওই লেখকদের কাতারে সামিল হয়েছেন।

বিবিসি হিন্দিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এই আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করতেই তিনি সেটা করেছেন।

হিন্দুত্ববাদকে সমালোচনা করায় ভারতে লেখকদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে এবং গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি উত্তর প্রদেশে একজন মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

ভারতে হিন্দুত্ববাদীরা বলছেন, এই পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার কারণে বিশ্বে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

কিন্তু এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে বুকার পুরস্কার বিজয়ী অরুন্ধতী রায় বলছেন, লোকজনকে যখন হত্যা করেন, পিটিয়ে মেরে ফেলেন তণ ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় না? আর পুরস্কার ফেরত দিলেই ভার্মূর্তি নষ্ট হলো গেলো?

সূত্রঃ http://www.bbc.com/bengali/multimedia/2015/11/151106_india_arundhati_final

Advertisements

৫ লাখ মার্কিন নাগরিকের বাসস্থান নেই: সরকারি জরিপ রিপোর্ট

গৃহহীন মার্কিন নাগরিক

গৃহহীন মার্কিন নাগরিক

আমেরিকায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষের বাসস্থান নেই। মার্কিন সরকারের এক জরিপ রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার শিশু রয়েছে যাদের জন্য বসবাসের কোনো সুব্যবস্থা নেই।

মার্কিন সরকারের জরিপ অনুসারে, আমেরিকায় বাড়িভাড়া অনেক বেশি হওয়ায় এবং অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার গতি ধীর হওয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাসস্থানের অভাবে পড়েছে।

মার্কিন সরকারের হাউজিং ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয় গতকাল এ জরিপ প্রকাশ করে। এতে দেখা গেছে- পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার মানুষের বাসস্থান নেই যার এক চতুর্থাংশ শিশু। এরা রাস্তা, গাড়ি অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হয়। অনেকে বন্ধুর বাড়িতে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাড়ির মাটির নিচের কক্ষে জীবনযাপন করে। তবে ধারণা করা হচ্ছে- আমেরিকায় বাসস্থান নেই এমন লোকের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। কারণ সবাইকে এ জরিপের আওতায় আনা যায় নি।


ভারতের আগ্রাসনে পড়েছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি -এটা বোঝা খুব জরুরী: নুরুল কবির

Nurul-Kabir

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের যারা সক্রিয়ভাবে বিরোধীতা করেছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিচার হওয়ার দাবি এদেশের সাধারণ মানুষের।

তবে বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি এই বিচারের বিষয়টি বিলম্বিত করেছে তাদের নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে।

তিনি বলেন, বিলম্বে হলেও বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার  বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে এবং কিছু রায়ও এরইমধ্যে হয়েছে এবং তাতে দেশের মানুষ খুশি। কারণ এরমধ্য দিয়ে একটা অধ্যায়ের নিস্পত্তি হবে।

তবে নিরপেক্ষভাবে যারা চিন্তা করেন তাদের কাছে আওয়ামী লীগের এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে মনে  করেন নুরুল কবির।

তিনি বলেন, এই বিচার প্রক্রিয়ায় যারা কেবলমাত্র আওয়ামী লীগের বিরোধীপক্ষ যারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত তাদেরই মাত্র বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু ওই একই অপরাধের সাথে জড়িত যারা আওয়ামী লীগ বা তাদের মিত্র জোটের মধ্যে আত্মগোপন করে আছে এবং যাদেরকে তারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদের বিচার হচ্ছে না।

ফলে  রাজনৈতিক বিচারের যে প্রশ্নটি উঠেছে তা থেকে আওয়ামী লীগ তখনই মুক্তি পেতে পারে যখন তারা তাদের মধ্যে বা মিত্রজোটের মধ্যে থাকা অপরাধীদের বিচার শুরু করবে।

নুরুল কবির বলেন, সালাউদ্দিন কাদেরের ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে পরিপূর্ণভাবে কোনো বিবৃতি দেয়া হয়েছে বলে আমি মনে করি না। সেখানে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর  আইনজীবীর বক্তব্য কোড করা হয়েছে। ফলে আমার কাছে মনে হয়েছি দলটি তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটির একজন সদস্যের ব্যাপারে পরিপূর্ণভাবে দাঁড়ায়নি।

বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্তের একাংশ এবং সরকারের একটি অংশ ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে চলছে। কারণ ভারত বর্তমান সরকারকে অন্যায়ভাবে তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসিয়েছে এবং এখনও দেশের জনগণের বিপক্ষে গিয়েও ক্ষমতায় রেখেছে। ফলে ভারতের প্রতি একধরণের আনুগত্য রাজনৈতিকভাবে রয়েছে।

 অন্যদিকে তাদের সমর্থকদের একটি বিরাট অংশ ভারতের প্রতি সাংস্কৃতিভাবে একধরণের হীনমন্যতায় ভোগে। আর তারই ফলশ্রুতিতে এ ধরনের একটি পলিসি নেয়া হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রেডিও টেলিভিশন এব সিনেমা হলে যেভাবে হিন্দি গান, সিনেমা, নাটক এবং অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে তাতে বাংলাদেশের নিজ সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ঐতিহ্য ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মুখে পড়েছে তা অনুধাবন করা দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সূত্রঃ http://bangla.irib.ir/home16/%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE/item/79424-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%9D%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0


ভারতঃ তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি(TRS)-র ৬ নেতাকে অপহরণ করেছে মাওবাদীরা

hqdefault

তেলেঙ্গানার খাম্মাম জেলায় মাওবাদীরা ক্ষমতাসীন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস) এর ছয় নেতাকে অপহরণ করেছে। জেলার ২৫০ কিমি দূরে ছত্তিসগড় সীমান্তের নিকটবর্তী চারলা মণ্ডলের মধ্যে পুসুগুপ্পা গ্রাম থেকে সিপিআই(মাওবাদী)র ক্যাডাররা এই ৬ স্থানীয় নেতাদের অপহরণ করে।

গ্রামের মাটিতে পাওয়া সিপিআই-মাওবাদী উল্লেখিত এক চিঠিতে মাওবাদীরা ওয়ারাঙ্গাল জেলায় মিথ্যা বন্দুক যুদ্ধের নামে নৃশংস ভাবে হত্যা করা ২ কমরেডকে হত্যাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবী জানিয়েছে সরকারের কাছে। এ ছাড়াও চিঠিতে আদিলাবাদ থেকে খাম্মাম জেলা পর্যন্ত পুলিসি সাঁড়াশি অভিযান স্থগিত করার দাবী জানানো হয়। মুখপাত্র জগন নামে উল্লেখিত এই চিঠিতে চলমান দমন নীতির জন্য টিআরএস সরকারের নিন্দা জানানো হয়। সরকার তাদের দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হলে, এটা গুরুতর পরিণতি বয়ে আনবে বলে সরকারকে সতর্ক করে দেন এই মুখপাত্র।

অনুবাদ সূত্রঃ http://odishasuntimes.com/2015/11/19/maoists-abduct-six-trs-leaders-in-telangana/


পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাওবাদী নিহত

21slde1

রায়পুর: গত বৃহস্পতিবার সকালে ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত সুকমা জেলায় মাওবাদী-সেনা বন্দুক যুদ্ধে নিহত হল দুই মাওবাদী গেরিলা। ওই অঞ্চলের মাওবাদীদের ১নং মিলিটারি ব্যাটেলিয়নের কম্যান্ডার হিদমাকে অনুসরণ করেই সুকমার দুব্বাকোন্টায় মাওবাদীদের আস্তানার খোঁজ মেলে বলে জানিয়েছে বাস্তারের আইজি এস আর পি কাল্লুরি।

আইজি জানান, বুধবার রাতে দুব্বাকোন্টা গ্রামে এক কমরেডের বিবাহ বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়েছিল হিদমা। সেখান থেকে তাকে অনুসরণ করেই দুব্বাকোন্টায় মাওবাদীদের অবস্থানের খোঁজ পাওয়া যায়। তারপর এদিন সকালে সিআরপিএফের ২০৮ কম্যান্ডো ব্যাটেলিয়ন এবং রাজ্য পুলিশের দুটি দল যৌথভাবে ওই মাওবাদীদের অবস্থানে হামলা চালায়। মাওবাদীরাও পাল্টা জবাব দেয়। দু’পক্ষের মধ্যে জোর গুলির লড়াই চলে। দীর্ঘক্ষণ লড়াই চলার পর ওই এলাকা থেকে  মাওবাদীদের পোশাক পড়া দুটি দেহ, গুলি ভর্তি বন্দুক, রাইফেল এবং কিছু পত্রিকা উদ্ধার করে সিআরপিএফ। পত্রিকাগুলিতে মাওবাদীদের নিয়ে প্রতিবেদন লেখা রয়েছে। যদিও হিদমাকে ধরা যায়নি। তবে মাওবাদীর পোশাক পড়া যে দু’জনের দেহ পাওয়া গিয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষেই মাওবাদী এবং এদিনের গুলির লড়াইয়েই এদের মৃত্যু হয়েছে বলে আইজি জানান।

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.siasat.com/news/two-naxals-gunned-down-encounter-police-871051/


ফিলিপিনে বৃহস্পতিবারও বামপন্থীদের অ্যাপেক বিরোধী বিক্ষোভ

apec-protest

ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিন বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভ করেছে অ্যাপেক বিরোধী শত শত বামপন্থী নেতা।

এদিন ম্যানিলায় ছাত্র, সমাজ ও আদিবাসী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ করলে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এমন সম্মেলনের মাধ্যমে গরিব রাষ্ট্রগুলোর ওপর বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে ধনী রাষ্ট্রগুলো তাদের স্বার্থ হাসিল করে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। এর আগে বুধবারও তারা অ্যাপেক সম্মেলনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে।


ছবিঃ আগামী ২১শে নভেম্বর প্যারিসে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ ও ফ্যাসিবাদী ISIS এর বিরুদ্ধে শহরের বাইরের ( banlieues) জনগণ ও তরুণ প্রলেতারিয়েতদের সাথে ইউরোপিয় মাওবাদীদের সভা

 

affiche meeting banlieue 3 (2)