মেক্সিকোতে কোকাকোলার বিজ্ঞাপনে বর্ণবাদ ও ঔপনিবেশিক আচরণ

বড়দিন উৎসব (ক্রিসমাস) উপলক্ষে মেক্সিকোতে প্রচারিত কোকাকোলার বিজ্ঞাপন বিতর্কিত হয়েছে। ঐক্য ও আনন্দ বোঝানোর ওই বিজ্ঞাপনে দেশটির কালো আদিবাসীদের প্রতি বর্ণবাদী আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে একটি মানবাধিকার সংস্থা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

কোকাকোলার বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা যায়, একদল শ্বেতাঙ্গ তরুণ ক্রিসমাস ট্রি তৈরি করছে এবং মেক্সিকোর তন্দ্রাপের কালো আদিবাসীদের কাছে কোকাকোলা দিচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কোকাকোলা মনে করেছিল, তাদের বিজ্ঞাপনটি মেক্সিকোবাসীর কাছে সাদরে গৃহীত হবে। তবে এই বিজ্ঞাপনচিত্রে বর্ণবাদী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মেক্সিকোর ভোক্তা অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠন কনজ্যুমার পাওয়ার।

কনজ্যুমার পাওয়ারের আলেজান্দ্রো কালভিলো আল জাজিরাকে বলেন, কোকাকোলার বিজ্ঞাপনে দুই ধরনের মানুষকে বোঝানো হয়েছে। একটি ধরন হলো শ্বেতাঙ্গ, যাঁরা সুখী। এই ব্যক্তিরা আদিবাসী শহরে যায় এবং কোক ও ক্রিসমাস ট্রির মাধ্যমে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়। এ বিষয়টি পুরোপুরি বর্ণবাদী মনোভাব প্রকাশ করে বলে দাবি কালভিলোর।

মেক্সিকোসহ বিশ্বজুড়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমা চেয়ে এরই মধ্যে নিজেদের বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিয়েছে কোকাকোলা।


ভারতঃ তীব্র খরা, মানুষ বেঁচে আছে ঘাসের রুটি খেয়ে (ভিডিও সংবাদ)

ঘাসের রুটি খেয়ে বেঁচে আছে এই শিশুরা। ছবি : এনডিটিভি

ঘাসের রুটি খেয়ে বেঁচে আছে এই শিশুরা। ছবি : এনডিটিভি

একদিকে প্রবল বন্যায় ডুবছে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য আরেকদিকে ভারতেরই আরেকটি রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ছে তীব্র খরায়। ওই এলাকার বহু গ্রামবাসী বেঁচে আছে শুকনো ঘাসের বীজ আর ঘাসের তৈরি রুটি খেয়ে। উত্তরপ্রদেশের ঝলসে যাওয়া এলাকা বুন্ডেলখণ্ডের এমন খবরই তুলে ধরেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভি জানিয়েছে, গত প্রায় এক মাস ধরে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ুর দিকে ঘুরে আছে সংবাদমাধ্যম। এতে  প্রায় অলক্ষ্যেই খরায় বিধ্বস্ত উত্তরপ্রদেশ। রাজ্যের ৭৫টি জেলার মধ্যে ৫০টিকে এরই মধ্যে খরাকবলিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গত বুধবার এনডিটিভি এ রকমই একটি ক্ষরাপীড়িত জেলার গ্রাম বুন্ডেলখণ্ডের ললিতপুর জেলার লালওয়াড়ির চিত্র প্রচার করে।

জানা গেছে, পরপর তিন বছর পর্যাপ্ত ফসল ফলেনি এই গ্রামে। দুইবার অনাবৃষ্টি এবং মাঝের বছরে অকালবৃষ্টিতে করুণ অবস্থা দরিদ্র গ্রামবাসীর। কৃষিভিত্তিক এই গ্রামের অনেক মানুষ এখন কেবল মাঠের শুকনো ঘাস খেয়ে বেঁচে আছে। অন্য সময়ে যে ঘাস আর এর বীজ পশুখাদ্য, এখন সেই  ঘাসের বীজ পাথরে পিষে মাখা হচ্ছে আটার মতো করে। তারপর এর সবুজ মণ্ডকেই রুটির মতো চেহারা  দিয়ে চুলায় সেঁকে বা ভেজে গলধঃকরণ করতে হচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গ্রামবাসীর এখন আরেকটি খাবার নদীর ধারের সামাই ঘাস। সেটাকেই তুলে এনে পানি, তেল আর লবণ দিয়ে বানানো হচ্ছে তরকারি। এই ঘাস এবং ঘাসবীজের রুটি-সবজি খাচ্ছে গ্রামের শিশুরাও।  যারা একটু ‘ধনী’ তাঁরা একটু লেবু চিপে বা আচার দিয়ে খাচ্ছে এই অখাদ্য। এনডিটিভির প্রতিবেদকের দাবি‚ এই খাবার অখাদ্যের চেয়েও খারাপ।

অর্থনীতিবিদদের মতে‚ এই দুর্ভিক্ষ যতটা না প্রাকৃতিক কারণে‚ তার চেয়ে বেশি মানুষের তৈরি। কারণ এই খরাকবলিত এলাকায় গত তিন বছর তীব্র খরা হলেও নেওয়া হয়নি কোনো প্রশাসনিক উদ্যোগ । বেশির ভাগ গ্রামবাসীরই নেই রেশন বা বিপিএল কার্ড। আর তাই অখাদ্য-কুখাদ্য খাওয়া ছাড়া আর গত্যন্তর নেই তাঁদের সামনে।


ছবিঃ জাপানী রেড আর্মি

12313537_1648056575463636_707306213680381518_n

12341491_1648056565463637_7336568128179124378_n

12347719_1648056568796970_5880867381772072998_n

12347842_1648056682130292_7446444448184980924_n

download

Japanese Red Army

511foYUbZEL._AC_UL320_SR250,320_


ভারতঃ ছত্তিসগড়ে সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাম্পে মাওবাদীদের আক্রমণ, জওয়ান খতম

a-crpf-forces_1d1048da-9f1f-11e5-87cb-5268f82dcaeb

মাওবাদীরা গত বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড়ে সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাম্প আক্রমণ করে অন্তত এক জওয়ানকে খতম করেছে।  রেডিও তেহরান সংবাদ সংস্থা অনুযায়ী, নারায়ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নভেম্বর পর্যন্ত ছত্তিসগড়ে মাওবাদীদের ৪১১টি আক্রমনের রেকর্ডের পর এটিই সর্বশেষ।

অনুবাদ সুত্রঃ http://www.ibtimes.co.in/maoists-attack-chhattisgarh-armed-forces-camp-kill-jawan-658837