ভারতঃ মাওবাদী লিঙ্ক সন্দেহে কবির কলা মঞ্চের শিল্পী দম্পতি গ্রেফতারের প্রতিবাদে মিছিল ও সভা

11329883_757973254315444_2137629074106728376_n

গত বৃহস্পতিবার বারামতিতে পুনে ভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন কবির কলা মঞ্চের (KKM)  শিল্পী দম্পতি  শচিন মালি ও শীতল সাথে’র সমর্থনে বিভিন্ন দলিত ও সামাজিক সংগঠন থেকে প্রায় ২০০ কর্মী গ্রেফতারকৃত এই দম্পতির সমর্থনে এক নীরব কুচকাওয়াজ করে । সিপিআই(মাওবাদী)’র সাথে লিঙ্কের অভিযোগ এনে রাষ্ট্র সন্ত্রাস বিরোধী স্কোয়াড (ATS)  তাদের গ্রেফতার করে। এসব কর্মীরা “শাহির শচীন মালি মুক্তাত ক্রুতি সমিতি, বারামতি” এর ব্যানারে সমবেত হয়ে আর্থার রোড কারাগারে আটক শচীনের মুক্তির দাবি জানান।

শীতল জামিনে মুক্ত আছেন এবং সামাজিক ও বিপ্লবী গান ও কবিতা নিয়ে “শাহীরি জলসা”র গানের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমর্থন চাইছেন। হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিজি কোলসে পাতিলের উপস্থিতিতে মোর্চার এই প্রদক্ষিণ ডঃ বাবা সাহেব আম্বেদকর থেকে শুরু হয়ে নতুন প্রশাসনিক ভবনে এসে শেষ হয়। কোলসেএ সময় তার বক্তৃতায় কর্মীদের শচীন মুক্তির দাবিতে “জেলে ভরো” আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে বলেন। তিনি বলেন, “শচীন ও শীতলকে মিথ্যাভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, এটা দলিত শিল্পীদের নকশাল হিসেবে তকমা দেয়ার একটি ষড়যন্ত্র”।

অনুবাদ সূত্রঃ http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/in-baramati-silent-march-around-artiste-couple-arrested-for-maoist-links/

.

Advertisements

তুর্কি সেনা অভিযানে ১০২ জন কমিউনিস্ট গেরিলা নিহত

B3W9Ie-CQAAIyPm

তুরস্কের গোলযোগপূর্ণ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে গেরিলাদের বিরুদ্ধে চলছে তুর্কি সেনা অভিযান। গত পাঁচ দিনে/র টানা অভিযানে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন অন্তত ১০২ গেরিলা নিহত হয়েছে। তুরস্কের একটি নিরাপত্তা সূত্র এ কথা নিশ্চিত করেছে।

অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে তুরস্কের দু জন সেনা ও পাঁচজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তবে গেরিলা নিহতের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বেড়েছে। গতকাল এ সংখ্যা ছিল ৭০ কিন্তু আজ একদিনেই নিহতের সংখ্যা ৩২ জন বাড়লো।

কমিউনিস্ট পিকেকে গেরিলা

কমিউনিস্ট পিকেকে গেরিলা

গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে তুর্কি সেনাবাহিনী সিরনাক প্রদেশের সিজ্‌রে ও সিলোপি শহরে পিকেকে গেরিলাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। পাশের দিয়ারবাকির শহরেও চলছে এ অভিযান। এসব শহর থেকে কমিউনিস্ট পিকেকে সমর্থকদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য এ অভিযান শুরু হয়েছে। ট্যাংকসহ অন্তত ১০,০০০ সেনা এ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। এদিকে, আজ (রোববার) ইরাকের উত্তর সীমান্তবর্তী কুর্দি গেরিলা অবস্থানে তুরস্ক বিমান হামলা চালিয়েছে।


বিশ্বে বাস্তুহারা মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ছাড়ানোর আশঙ্কা

Bosti-1-700x336

যুদ্ধ, সহিংসতা আর নিপীড়নের কারণে এ বছর বিশ্বে বাস্তুহারা মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর। সেইসঙ্গে, ঘরছাড়া মানুষের সংখ্যা এবছর পূর্বের যেকোন রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা তাদের। শুক্রবার, সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ-সহিংসতা আর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংঘাতের কারণে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা। আর সব হারিয়ে নিঃস্ব এসব মানুষের অনেকেই নিজ দেশে থেকে গেলেও তাদের বেশিরভাগই আবার সীমান্ত অতিক্রম করে পাড়ি জমাচ্ছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

আগামী ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে এ বছরের প্রথম ছয় মাসের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে শুক্রবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা – UNHCR। এতে বলা হয়, যুদ্ধ ও সহিংসতার কারণে বর্তমানে বিশ্বে ১২২ জনের মধ্যে অন্তত একজন গৃহহীন। এভাবে চলতে থাকলে চলতি বছরে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬ কোটিরও বেশী। এমনটাই আশঙ্কা করা হয় ওই প্রতিবেদনে। এদের মধ্যে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ, যা ১৯৯২ সালের পর সবচেয়ে বেশি।

da8174abfee964765126b93c76a80c0f_XL

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার হাইকমিশনার অ্যান্টোনিও গুটেরেস বলেন, ‘বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আশঙ্কার কথা হচ্ছে ২০১৬ সালে এই পরিস্থিতি আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। আর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউরোপীয় কাউন্সিলকে একটি বড় ধরনের পুনর্বাসন প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেসব মানুষ সবকিছু হারিয়ে আজ শরণার্থী হয়েছেন তাদের প্রতি সহনশীলতা দেখাতে হবে, কেননা পরিস্থিতি এর আগে কখনও এতটা খারাপ হয়নি।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৫ এর প্রথম ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা দাড়ায় প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ, যা ২০১৪ সালের একই সময়ের তুলনার প্রায় ২০ লাখ বেশি। এর মধ্যে, ইয়েমেনে গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের কারণে এই দেশটিতে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বলেও জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে।

Bosti

অ্যান্টোনিও গুটেরেস বলেন, ‘প্রতিদিন যে হারে মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন, যেভাবে মানুষ সাগরে প্রাণ হারাচ্ছেন তা যদি দ্রুত সামাল দেয়া না যায়, ভবিষ্যতে ইউরোপের দেশগুলো কিভাবে এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে তা নিয়ে আমি খুবই শঙ্কিত।’

সংস্থাটি আরও জানায়, বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশ প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার শরণার্থীকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে। আর এই পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বলেও ওই প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে।


ভারতঃ কোন্দাগাঁও জেলায় মাওবাদী কম্যান্ডার ‘রানাদের’ নিহত

maoist_journalism_illus_20100412

পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হল মাওবাদী কম্যান্ডার রানাদের। তিনি বায়ানার এরিয়া কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের কোন্দাগাঁও জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলির লড়াইয়ের শেষে জঙ্গলের ভিতর থেকে ইউনিফর্ম পরা ওই কম্যান্ডারের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ছত্তীসগঢ়ের ওই এলাকায় মাওবাদী দমন অভিযানে নেমেছিল জেলা রিজার্ভ গ্রুপ। কেজাম গ্রামের কাছে একটি নির্দিষ্ট এলাকা ঘিরে রাখার সময় মাওবাদীদের মুখোমুখি হয় তারা। দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে যায় গুলির লড়াই। তাতেই নিহত হন এই কম্যান্ডার।

অনুবাদ সূত্রঃ 

http://economictimes.indiatimes.com/news/defence/maoist-commander-gunned-down-in-chhattisgarh/articleshow/50234618.cms


রোদোনিয়াতে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ভূস্বামীদের অপরাধ জনসভায় ঘোষণা

Plenaria

গত ১৪ই ডিসেম্বর রোদোনিয়া ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বহারা কৃষক লীগ(LCP), OAB মানবাধিকার কমিটি এবং Cebraspo-ব্রাজিলিয়ান কেন্দ্র উদ্যোগে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষকরা তাদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও ভূস্বামীদের অপরাধ সম্পর্কে ছাত্র ও অধ্যাপকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সভায় সরকারের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয় কিন্তু তারা উপস্থিত হননি।


Participantes_da_mesa-450x339

Murais-450x338

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.resistenciacamponesa.com/noticias/782-audiencia-publica-denuncia-crimes-do-latifundio-e-terrorismo-de-estado