ভারতঃ পুলিশ বনাম মাওবাদী

30HYMRM09-Maois_hy_2677030e

Advertisements

২০১৫ সালে তুর্কি সরকারী বাহিনী ৩,১০০জন কমিউনিস্ট ‘পিকেকে’ গেরিলাকে হত্যা করেছে

edrogan-nazi

২০১৫ সালে তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনী ৩ হাজার ১০০ জন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির(পিকেকে) সদস্যকে হত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এক টেলিভিশন বক্তৃতায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোগান এ তথ্য জানিয়েছেন। কমিউনিস্ট পিকেকে গেরিলাদের দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও এ সময় তিনি জানান।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে দেশে ও বিদেশে ৩ হাজার ১০০ বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী। তুরস্কের পর্বত ও শহরগুলোর প্রতিটা ইঞ্চি সন্ত্রাস মুক্ত করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আর পিকেকে গেরিলাদের পাল্টা গেরিলা অভিযানে ২০১৫ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানান এরদোগান। তবে এসব অভিযানে কত সংখ্যক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে তিনি কিছু বলেননি।

tureky-kuds
তুরস্কে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে কমিউনিস্ট ‘পিকেকে’র কয়েক দফা সংঘর্ষ

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে কমিউনিস্ট কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি(‘পিকেকে’)র আরও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার সিজরে সরকারের জারি করা কারফিউ এর মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

একই দিন সিরনাক প্রদেশেও সরকারি বাহিনীর অভিযানের সময় পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। গত জুলাইয়ে আঙ্কারা ও পিকেকের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যায়।

গত তিন দশকের সংঘর্ষে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে চল্লিশ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানায় গণমাধ্যম। সরকারের কারফিউ ও সংঘর্ষের কারণে এসব এলাকায় স্কুল কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে পড়েছে বলে জানায় গণমাধ্যম।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, টানা সংঘাত-সহিংসতায় হুমকির মুখে পড়েছে জনজীবন। অনেকেই এলাকা থেকে পালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানায় তারা।


প্রতিদিন কমরেড সিরাজ সিকদারের কবিতা- (৯) ‘বিদ্রোহ-বিপ্লব’

poster, siraj sikder, 17 X 22 inch, 2 colour, 2005

বিদ্রোহ-বিপ্লব

জনগণ আজ ডাক দিয়েছে

বিদ্রোহ-বিপ্লবের ডাক।

শোষণের ছয় পাহাড়

তারা উপড়ে ফেলবেই।

জনগণ আজ বারুদের স্তূপ

সলতের উষ্ণ আগুনের

আশায় উন্মুখ।

একটি স্ফুলিঙ্গ দাবানল জ্বালাবে।

শোষণের কালো বন

পুড়ে সাফ হয়ে যাবে।

অনেক আত্মত্যাগ

অনেক খুলি-রক্ত-হাড়

আর বেদনার নিষ্ফল ইতিহাস

চাপা পড়ে আছে

বাংলার মাটিতে।

ভারতের উপনিবেশ-

সোভিয়েট আর আমেরিকার লুণ্ঠন

আওয়ামী লীগ আর সংশোধনবাদীদের

বিশ্বাসঘাতকতা।

আরো কত কাহিনী।

দেশটাকে নিয়ে

শকুনে-কুকুরে কামড়া-কামড়ি।

পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়

কত জল বয়ে গেছে।

কত শীত বসন্ত হয়ে গেছে পার।

বৃটিশরা উৎখাত হলো-

এলো পাকিস্তান-

তারাও উৎখাত হলো;

এলো ভারত আর তার তাবেদার।

পদ্মা-মেঘনা-যমুনার উদ্দাম স্রোত

তারা আটকে ফেলতে চায়।

স্রোত আরো উদ্দাম-উত্তাল।

বালির বাঁধ ভেঙ্গে যায়।

গণযুদ্ধের উত্তাল জোয়ারে

এরাও ভেসে যাবে।

ইঁদুরের মত ডুবে মরবে।

জনগণ চায় বিপ্লবী পার্টি

সঠিক নেতৃত্ব।

আমাদের পার্টি

ভিতরের আর বাইরের

শত্রুর শত বাধাবিঘ্ন

পরাজিত করে

বিজয়ের পথে চলেছে।

প্রতিদিনই শক্তিশালী হচ্ছে।

কিন্তু আরো জোরে চলতে হবে।

আরো দ্রুততর।

দিনকে আঁকড়ে ধরতে হবে কমরেড-

ঘন্টাকে আঁকড়ে ধরতে হবে

জনগণের বিদ্রোহ-বিপ্লবে

নেতৃত্ব দিতে হবে আমাদের।

জনগণ আজ ডাক দিয়েছে

বিদ্রোহ-বিপ্লবের ডাক।

 


কলকাতাঃ RADICAL এর গণসংযোগ (২য় দিন)

1

2

3

4

5

6

7