বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ ‘The Good Fight’

এই তথ্যচিত্রটি আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবকদের একটি গ্রুপ ‘আব্রাহাম লিঙ্কন ব্রিগেড’কে নিয়ে, যারা স্পেনের  ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর ফ্যাসিস্ট সেনাদলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে  গিয়েছিল।

মার্কিন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হ্যারি হেউড, রবার্ট ক্লোনস্কি এবং স্টিভ নেলসন এই ব্রিগেডটিকে সংগঠিত হয়েছিল। স্পেনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে ৩০০০ এর বেশী আফ্রিকান-আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবক বিপ্লবী অংশ নেন, এর মধ্যে ৫০০ জনের উপর বিপ্লবী শহীদ হন

THE GOOD FIGHT: THE ABRAHAM LINCOLN BRIGADE IN THE SPANISH CIVIL WAR, 1984, © First Run Features

 


বাংলাদেশঃ পাবনায় সর্বহারা সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার

chatmohor

পাবনার চাটমোহর উপজেলার নেংড়ি গ্রামে সরিষা খেত থেকে আব্দুস সামাদ (৫০) নামে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক নেতার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুস সামাদের বাড়ি উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের নেংড়ি গ্রামে। তিনি পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক নেতা।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) নুরুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, রাতের কোনো এক সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আব্দুস সামাদকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তারা আব্দুস সামাদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করার পর মৃতদেহ সরিষা খেতে ফেলে রেখে যায়। সকালে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মৃতদেহটি পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/461004.html


বাংলাদেশঃ চুয়াডাঙ্গায় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(লাল পতাকা)’র সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে

chuadanga_100051

চুয়াডাঙ্গায় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(লাল পতাকা)’র সদস্য রবিউল ইসলাম রবিকে (৩৫) অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

জীবননগর থানার পুলিশ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সেনেরহুদা গ্রামের একটি খালের ভেতর তার লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। রবি আলমডাঙ্গা থানার ভালাইপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

জীবননগর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রবিউলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে রবিউলের ভাই মোফা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয় দিয়ে মোবাইলফোনে ভালাইপুর মোড়ে রবিউলকে ডেকে নেয়। রবিউল ভালাইপুর মোড়ে গেলে সাদা পোশাকের একদল লোক হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এর পর বিভিন্ন থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা রবিউলকে আটক করেনি বলে জানায়। সারারাত খোঁজাখুঁজির পর সকালে জানতে পারি রবিউলকে গুলি করে খুন করা হয়েছে।

সূত্রঃ risingbd


পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি-উত্তরাঞ্চল শাখার লিফলেট

Maoist-Flag

Choromponthi_bg_665622626

 

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/456536.html


বাংলাদেশঃ তিন জেলার মিলনস্থলে ‘পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি’র আনাগোনা

মহিদুল ইসলাম (ছদ্মনাম)। পেশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এলাকায় সর্বহারাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রশ্ন শুনেই তার চোখ ছানাবড়া হয়ে ওঠে। বড় বড় চোখ করে এদিক-সেদিক কিছুক্ষণ তাকাতাকি করেন।

এরপর চুপিসারে কিছু কথা বলেন। এইতো সেদিনের কথা। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) রাত অনুমান ১১টা। উত্তরদিক থেকে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি’র ৪০-৫০ জন নারী-পুরুষ সদস্য ভবানীপুর বাজারে আসে। দোকানের টেবিলের ওপর সঙ্গে থাকা অস্ত্রগুলো রাখে। এরপর তারা কয়েকটি দলে ভাগ হয়।

একদল বাজার এলাকায় পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির পোস্টার লাগায়। আরেকদল পার্টির গণ-রাজনৈতিক প্রচারপত্র (লিফলেট) দরজা ও সাটারের নিচ দিয়ে বাজারের প্রতিটি ঘরে রেখে দেয়। আরো দু’টি দলের মধ্যে একদল অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাখে। আরেকদল লোকজনের ওপর চোখ রাখে। এভাবে তারা প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বাজারে অবস্থান নিয়ে কর্মকাণ্ড চালায়। তবে তারা কোনো সাধারণ মানুষের প্রতিপক্ষ নয়। তাই ভয়ের কোনো কারণ নেই। পরে ফাঁকা গুলি চালিয়ে বাজার থেকে পশ্চিম দিকে রানীরহাট সড়ক হয়ে চলে যায়।

এ অবস্থায় ওই ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদককে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আমরা কেমন আছি বুঝতে পারছেন তো? একই কথা বলেন রানীরহাট বাজার এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী।

রোববার (১০ জানুয়ারি) উপজেলার সীমান্তবর্তী ভবানীপুর ও রানীরহাট বাজারে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা হলে এসব তথ্য ওঠে আসে।

সরেজমিনে জানা যায়, সীমান্তবর্তী বগুড়ার শেরপুর, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ এবং নাটোরের সিংড়া উপজেলার মিলনস্থল ভবানীপুর ও রানীরহাট বাজার ঘিরে কয়েক সপ্তাহধরে সর্বহারাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে শেরপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমের গ্রামগুলোতে সর্বহারাদের আনাগোনা ক্রমেই বাড়ছে। কোথাও কোথাও তাদের পদচারণা চলছে গভীর রাত পর্যন্ত। তাদের আনাগোনায় প্রত্যন্ত গ্রামের লোকজন স্বাভাবিক ভাবেই জানেন। গত ৮-১০ দিন ধরে এসব সর্বহারারা নিজেদের উপস্থিতি জানাতে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে বলে একাধিক ব্যক্তি জানান।


এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) সর্বহারারা সশস্ত্র উপস্থিতির মাধ্যমে তাদের জানান দিলো। তবে স্থানীয়রা কেউ তাদের নাম পরিচয় প্রকাশে রাজি হননি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর তাড়াশ উপজেলার গুঁড়পিপুল গ্রামে পুলিশের সঙ্গে সর্বহারাদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ সিংড়ার বামিহাল ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া ১টি শাটারগান ও ১টি দেশীয় পাইগানসহ দুই সর্বহারা সদস্যকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারদের একজন রাজশাহীর চারঘাটা থানার ও অপরজন দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জের বাসিন্দা। তারা এ অঞ্চলে বিভিন্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করছিল। এ গ্রামটি রানীরহাট থেকে মাত্র ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। অপরদিকে এক বছর আগে একই উপজেলার পারিল গ্রামে সর্বহারারা দুই ব্যক্তিকে খতম করে।

সম্প্রতি শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ও ভবানীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রানীরহাট, পাঁচ দেউলি, সিমলা, গোয়াল বিশ্বা ও দোলল, তাড়াশের তালোম ও দেশী গ্রাম, রায়গঞ্জের ধামাইনগর এবং সিংড়ার সুকাশ ও ডাহিয়া ইউনিয়নের জামতৈলহাটসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে সর্বহারা দলের সদস্যরা অবস্থান করছে বলে স্থানীয়রা জানান।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ২০০৫ সালের আগস্ট মাসের শেষ দিকে সন্ধ্যায় ভবানীপুর বাজার ঘেরাও করে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির সশস্ত্র সদস্যরা এক সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াতকে নিমূর্লের ঘোষণা দিয়েছিল। সে সময় কাজে সহযোগিতার জন্য তারা গ্রামবাসীকে আহবান জানায়। এ সময় তারা পার্টির গণ-রাজনৈতিক বুলেটিন ‘গণযুদ্ধ’ প্রচার করে।

জানা যায়, উপজেলার ভবানীপুর, বিশালপুর, মির্জাপুর ও কুসুম্বী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার গ্রামগুলো ওই তিনটি জেলার চারটি উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত। সর্বহারারা বরাবরই এসব দুর্গম এলাকাকে তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নেয়। এই এলাকাগুলো প্রত্যেক থানা পুলিশ স্টেশন থেকে দূরত্ব ২৫-৩০ কিলোমিটার। ফলে সর্বহারারা সাংগঠনিক তৎপরতা করে নির্বিঘ্নে চলে যায়।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, এসব দুর্গম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে সর্বহারারা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব এবং যোগাযোগ অব্যবস্থার কারণে পুলিশ এই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখতে বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছে।

ভবানীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিএম মোস্তফা কামাল বাংলানিউজকে জানান, সর্বহারাদের সশস্ত্র উপস্থিতির কারণে এলাকার জনগণ চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। যদিও তারা সাধারণ মানুষের প্রতিপক্ষ নয় বলে বাজারের লোকজনদের বলে গেছে।

তবে ঘটনার পর থেকে পুলিশ নড়েচড়ে উঠেছে। আগের তুলনায় তারা বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে। ভবানীপুর বাজার ও আশেপাশের এলাকায় টহল পুলিশের কার্যক্রম জোরালো করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিশালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজাহান আলী সাজা বাংলানিউজকে জানান, চোর-ডাকাত, সর্বহারা বা চরমপন্থীসহ সব ধরনের অপরাধীরা সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে রানীরহাট বাজারকে ‘সেভজোন’ মনে করে অপরাধ কর্মকাণ্ড চালাতে চায়। ইতোমধ্যেই পাশের ভবানীপুর বাজারে এসব দলের নামে পোস্টারিং করার খবর পাওয়া গেছে। এতে আমরা উদ্বিগ্ন।

তিনি আরো জানান, এই এলাকার নিরাপত্তা চিন্তা করে ১৯৯৩ সালে এখানে স্বতন্ত্র থানা স্থাপনে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়। সে সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে থানা স্থাপনের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন চলে গেলেও তা আজো পূরণ হয়নি।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. এরফান বাংলানিউজকে জানান, সর্বহারাদের উপস্থিতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। সীমান্তবর্তী পাশের সংশ্লিষ্ট সব থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ঘটনাটি জানানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এই ঘটনার পর থেকে ভবানীপুর ও রানীরহাট বাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। টহল পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া অতিদ্রুত এলাকায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে বলে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/456536.html


ভারতঃ পুলিশের গাড়িতে মাওবাদীদের ল্যান্ডমাইন হামলা, খতম ৫ পুলিশ

Cops on Maoist

রাঁচিঝাড়খণ্ডে পুলিশের উপর ল্যান্ডমাইন হামলা করল মাওবাদী গেরিলারা। খতম হল ৫ পুলিশ কর্মী সহ ৭ জনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।

পুলিশ জানাচ্ছে, বুধবার রাতে ঝাড়খণ্ডের পালামৌ জেলায় গাড়িতে করে নিয়মমাফিক টহল দিচ্ছিল কয়েকজন পুলিশ। কালাপাহাড়িতে পুলিশের ওই টহলদারি গাড়িটি আসতেই সজোরে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই গাড়ির চালক সহ ৫ পুলিশ কর্মীর। গাড়ির ভিতরে থাকা আরও ৬ পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। এছাড়া এই বিস্ফোরণে স্থানীয় দুই বাসিন্দারও মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে বলেও জানান পালামৌর ডিএসপি প্রভাত রঞ্জন। শীর্ষ আধিকারিক সহ পুলিশ কর্মীদের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান পালামৌর ডিআইজি সকেত কুমার।

সূত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/maoists-trigger-land-mine-blast-at-police-vehicle-in-chattarpur-village-palamu-jharkhand.html


ভারতঃ উত্তর-পূর্ব ভারতে মাওবাদীরা দৃঢ়তর হচ্ছে

SevenSisterStates

উত্তর-পূর্ব ভারতের অঞ্চলগুলোতে সরকারের সঙ্গে সবচেয়ে প্রধান বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর যুদ্ধবিরতি চুক্তি বা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার ফলে তাদের শূন্যস্থান গুলো ধীরে ধীরে মাওবাদীরা পূরণ করে নিচ্ছে। মাওবাদীরা এখন আসামে নতুন নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

আসামের পূর্বাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে ১২-১৩বছরের তরুন কিশোরদের সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র দেখানোর মাধ্যমে পার্টিতে নিয়োগ করছে মাওবাদীরা। মাওবাদীরা এসব তরুণদের বিস্তারিত বিবরণ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শেয়ার করছে, এতে তরুণদের শিক্ষা, পারিবারিক পটভূমি ও অবস্থান সম্পর্কে বিবরণে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। যদি মাওবাদীদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ না হয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতে মাওবাদীদের বিদ্রোহ বিশাল আকারে বিকশিত হবে।

অনুবাদ সুত্রঃ http://www.eurasiareview.com/26012016-security-situation-in-northeast-india-forecast-2016/