বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ ‘Machuca/মাচুকা’

 ‘মাচুকা/Machuca‘ একটা চিলিয়ান ছবি।

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত চিলির সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট সালভেদর আলেন্দের বিরূদ্ধে ১৯৭৩ সালের শেষদিকে মার্কিন সমর্থিত সমাজের ধনিক শ্রেনীর পৃষ্টপোষকতায় বুর্জোয়া ধ্যানধারী সামরিক নেতা আগস্টো পিনোশের নেতৃত্বে যে মিলিটারী ক্যূ ঘটেছিল তারই পটভুমিকায় নির্মিত এই ছবি। ছবির কাহিনী একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় গড়ে উঠলেও ‘রাজনীতি’ বা ‘সমাজনীতি’ নয়, ছবির মূখ্য উপাদান হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসা তিন কিশোর-কিশোরীর মধ্যেকার বন্ধুত্ব। অত্যন্ত শ্রদ্ধেয়, নীতিবান এবং আপোষহীন চরিত্রাধিকারী ফাদার ম্যাকেনরো পরিচালিত প্রধানত এলিট শ্রেণীর বাচ্চাদের হাইস্কুলে পড়তে আসে গরীব শ্রেণীর পেদ্রো মাচুকা এবং আরো গুটিকয় ছেলে। কিন্তু শ্রেণী বৈষম্যের বাস্তবতায় অভিজাতদের কাছে ওরা প্রত্যকেই একদিকে যেমন হয় লাঞ্ছিত, নির্যাতিত অন্যদিকে নিজেরাও ভোগে আত্মহীনমন্যতায়। এর মাঝেও বস্তিবাসী মাচুকার সাথে ক্রমেই আশ্চর্যরকম বন্ধুত্ব গড়ে উঠে ধনী পরিবারের অন্তর্মূখী চরিত্রের গনযালো’র। সাথে যোগ দেয় মাচুকার প্রতিবেশী সমবয়সী কিশোরী সিলভানা। এভাবে মাচুকা-গনযালো দুই বন্ধু একে অন্যের চোখে নিজেদের থেকে ভিন্ন এক সমাজ, ভিন্ন এক জীবনধারা দেখতে থাকে আর তাদের মাঝখানে ঠাই হয়ে থাকে সিলভানার কোমল-কঠোর সাহচর্য। কিন্তু সবকিছুই পাল্টে যায় সময়ের সাথে, রাজনৈতিক ঘটনাচক্রে, সামাজিক বাস্তবতায়। সমাজতন্ত্রী আর বুর্জোয়াদের সংঘাতে মিলিটারী জায়গা দখল করে, প্রতিবাদীরা হয় নির্যাতিত। একদিকে সমাজে বাড়ে অস্থিরতা, অন্যদিকে সম্পর্কে জন্মে অবিশ্বাস। একপক্ষের যা জয়, অন্যপক্ষের জন্য তা পরাজয় মনে হলেও কঠিন সত্যটা আসলে হলো এই যে- সমাজে ধনী-গরীব, পাওয়া আর না-পাওয়াদের যে ব্যবধান আছে সেটা সবচে বেশী প্রকট হয়ে উঠে তখনি। তাই প্রতিবাদে সিলভানার হয় মৃত্যু, মাচুকার রক্তে বয় ঘৃণা আর গনযালো শেষ পর্যন্ত আড়াল খোজে তার অভিজাত পরিচয়ে। ক্রমবর্ধনশীল সামাজিক বৈষম্যের উৎকট বাস্তবতার মাঝেও ফাদার ম্যাকেনরো যে শ্রেণী-সংহতির উদাহরণ গড়তে চেয়েছিলেন সেটা তাই অধরাই থেকে যায়। রাজনীতি যুগে যুগে এভাবেই কলুষিত করে আসছে মানুষের নিষ্পাপতা আর কোমলতাকে।

jk

Advertisements

ভারতঃ পুলিশের নজরে প্রান্তিক এলাকার ‘সাইবার ক্যাফে’, বিশেষ সফটওয়্যার ইন্সটলের নির্দেশ

image

পুনে: গ্রামাঞ্চলে অবৈধ বা সন্ত্রাসী-সংক্রান্ত কার্যক্রম ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে তথ্য ও নজর রাখতে এখন থেকে সাইবার ক্যাফের প্রতিটি কম্পিউটারে পুনে পুলিশের সরবরাহকৃত একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ইন্দাপুর, লোনাওয়ালা, খান্দালা, বারামতি, শিরুর, জুন্নার, খেদ, মাঞ্ছার সহ অন্যান্য জায়গায় ১২৫টি সাইবার ক্যাফের লাইসেন্স ও পারমিট পুলিশ ইস্যু করেছে।

পুনের গ্রামীণ পুলিশ সুপার জে যাদব জানায়, শহর ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ডেভেলপ করা এই সফটওয়্যারটি প্রতিটি কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ব্রাউজ করা সকল ওয়েবসাইটের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রাখবে। তথ্যগুলো পুলিশ নিয়মিত চেক করবে।  এটি সাইবার অপরাধ সনাক্ত করতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, ‘সুদূরতম সাইবার ক্যাফেটি এখান থেকে ১২৫কিমি দূরে ইন্দাপুরে অবস্থিত। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা আপত্তিকর ওয়েবসাইটের একটি তালিকা প্রস্তুত করছে। যাদব জানায়, সফটওয়্যারটি -আপত্তিকর এমন সব যোগাযোগ রেকর্ড করবে। একই সাথে এটি পরবর্তীতে ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিরূপণে সাহায্য করার জন্য তাদের লগ-ইন এবং লগ-আউটের সময় এতে রেকর্ড করা হবে। সাইবার ক্যাফের মালিকদের গ্রাহকদের সম্পর্কে সকল রেকর্ড রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যা বর্তমানে ম্যানুয়ালি করা হচ্ছে। যাদব বলেন, জেলার ৩৬টি পুলিশ স্টেশন ও স্থানীয় পুলিশ সাইবার ক্যাফে গুলোকে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে সাহায্য করবে। যাদব বলেন, পুলিশ জার্মান বেকারিতে বিস্ফোরণের মত অতীতের দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিয়েছে। মির্জা হিমায়েত বেগ, এই মামলার একমাত্র আসামী, যে উদগির, লাতুর থেকে সাইবার ক্যাফে চালাত। বেগ, অন্যান্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ক্যাফে ব্যবহার করত।

এই ক্ষেত্রে, মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস বিরোধী স্কোয়াড (এটিএস) সম্প্রতি চিহ্নিত শীর্ষ মাওবাদী নেতা কে মুরলিধরণ ওরফে টমাস জোসেফ ওরফে স্কারিয়া ওরফে গোপী ওরফে রাঘবান ওরফে অজিত(৬২) এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইসমাইল হামজা চিরাগপিল্লি ওরফে প্রভিন ওরফে জেমস ম্যাথু (২৯)কে তালেগাঁও দাভাদে থেকে গ্রেফতার করে। অন্য ক্ষেত্রে, এক সুষমা রামতেকে(২৭)কে কিছু নকশাল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার কথিত সংযোগের জন্য পুনের কাছাকাছি পিরাঙ্গুতের মধ্যে গণেশনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অনুবাদ সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/city/pune/Cyber-cafes-in-fringes-under-police-lens/articleshow/50543179.cms


ভারতঃ ছত্তিশগঢ়ে মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই, জখম কনস্টেবল

chhattisgarh-300x284

মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে জখম হল এক পুলিশ কনস্টেবল| মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগঢ়ের সুকমা জেলায়| পুলিশ সূত্রের খবর, মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন জেলা রিজার্ভ বাহিনী (ডিআরজি)-র এক কনস্টেবল| তাঁকে জগদলপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে|
সুকমার এএসপি সন্তোষ সিং জানিয়েছেন, এদিন সকালে সুকমা জেলার টোংপোল থানার কুন্নার ঘন জঙ্গলে মাওবাদী দমন অভিযান চালায় রাজ্য পুলিশ| ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গ্রুপ (ডিআরজি) এবং স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স যৌথভাবে এই অভিযান চালায়| এই দুই বাহিনীর জওয়ানরা যখন পুরো কুন্না জঙ্গল ঘিরে ফেলে, তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদী গেরিলারা| দু’পক্ষের এই গুলি বিনিময়ের সময়ই জখম হন ডিআরজি-র এক কনস্টেবল| এএসপি সন্তোষ সিং বলেছেন, মাওবাদীদের ছোঁড়া একটি গুলি ডিআরজি-র ওই কনস্টেবলের ডান পায়ে লেগেছে| গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই কনস্টেবলকে জগদলপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে|