পেরুর গণযুদ্ধে শহীদ নারী কমরেড ‘এডিথ লেগোস সায়েয’

কমরেড এডিথ লেগোস সায়েয, পেরুর কমিউনিস্ট পার্টি- শাইনিং পাথ এর একজন সদস্য ছিলেন। তরুণী এই মাওবাদী কমান্ডারকে পেরুর নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করে। এ সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। তিনি জেল কারাগারে বন্দী শত শত কমরেডদের  মুক্ত করতে সফল সাহসী আক্রমণের নেতৃত্বে দিয়েছিলেন। তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে শহরের ৭০ হাজার জনগণের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার জনগণ উপস্থিত ছিলেন। প্যারামিলিটারী গ্রুপ রডরিগো ফ্রাঙ্কো কমান্ড পরে তার সমাধিতেও বোমাবর্ষণ করে।  তিনি একজন ত্যাগী, নিষ্ঠাবান্, সৎ বামপন্থী বিপ্লবী ছিলেন। তিনি আজও পেরুর হাজার হাজার মাওবাদী গেরিলার প্রেরণার উৎস-

জন্ম – ২৭ই নভেম্বর ১৯৬২

শহীদ– ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৮২

1970469_1378362112439704_1935421541_n
edith lagos

edith lagos3

images

tumblr_mzikgw7OHV1sjhsulo1_400

3605352750_55eb08f356_b

lagosfuneral

edithlagos2

EEEEEEEEE

Advertisements

বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ ‘DR BETHUNE/ডাঃ বেথুন’

চলচ্চিত্রটি কানাডার প্রখ্যাত চিকিৎসক বিপ্লবী ডাঃ নর্মান বেথুনের বিপ্লবী জীবন নিয়ে নির্মিত। যিনি চীন বিপ্লবের সময় অকাতরে বিপ্লবীদের সেবা করে যান ও বিপ্লব ক্ষেত্রেই মারা যান। ডা: নর্মান বেথুন এর মৃত্যুতে চীনা কমিউনিষ্ট পার্টি আখ্যায়িত করেছিল “কোন মানুষের মৃত্যু বেলে হাঁসের পালকের মত হাল্কা আর কোন মানুষের মৃত্যু-থাই পাহাড়ের চেয়ে ভারী”।

download

১৮৯০ সালের ৪ মার্চ কানাডায় জন্ম গ্রহণ করেন বিপ্লবী ডাক্তার নর্মান বেথুন। বাবা ছিলেন রেভারেন্ড ম্যালকম নিকলসন বেথুন আর মা ছিলেন এলিজাবেথ অ্যান গুডউইন। ১৯১৬ সালে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শল্যচিকিৎসায় তিনি অসাধারণ দক্ষ হয়ে ওঠেন। সাধারণ গরীব মানুষের জন্য তিনি ছিলেন কমরেড স্বরূপ। গরীবদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করার জন্য কানাডা সরকারের উপর বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েও তিনি তা করতে পারেন নি।১৯৩৬ সালে স্পেনে গৃহযুদ্ধে আহতদের সেবা করার জন্য তিনি বার্সেলোনা ও মাদ্রিদের ওয়ার ফ্রন্টে চলে আসেন। আহত সৈনিকদের বাঁচাবার জন্য তিনিই প্রথম মোবাইল ব্লাড ট্রান্সফিউজিং ভ্যান চালু করেন। পাশাপাশি মানুষকে রক্ত বিজ্ঞানে শিক্ষিত করে তুলে রক্তদানে উৎসাহিত করতে থাকেন। এই সময় তিনি অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কয়েক ধরণে যন্ত্রপাতিও আবিষ্কার করেন, যে গুলো আজও অপারেশন থিয়েটার গুলিতে ব্যবহার করা হয়। যুদ্ধশেষে তিনি কানাডায় ফিরে গেলেও ১৯৩৮ সালের গোড়ার দিকে চীনের জনগণ ও বিপ্লবী মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য চীনে চলে আসেন। এখানেও অসংখ্য আহত মানুষের শল্য চিকিৎসায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলেও তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের শুশ্রূষা করেছেন অক্লান্ত আন্তরিকতার সাথে। এমনি একদিন গভীর রাতে এক রোগীর অস্ত্রোপচার চলা কালে তিনি অসাবধানতাবশত নিজের আঙুল কেটে ফেলেন।গভীর অরণ্যে উপযুক্ত ওষুধের অভাবে সেই কাটা আঙুলে বিষাক্ত সেপ্টিসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১৯৩৯ সালের ১২ নভেম্বর এই মহান চিকিৎসক অকালে প্রাণ হারান। রক্ত বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে ডাঃ নর্মান বেথুনের নাম চির অম্লান হয়ে থাকবে।

e13-110


কলম্বিয়ার মার্কসবাদী ‘ফার্ক’ এর নারী গেরিলাদের কিছু বিরল ছবি –

জুলিয়ানাকে তার প্রেমিক অ্যালেক্সিসের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে৷ ১৬ বছর বয়সে জুলিয়ানের সৎ বাবা তাকে ধর্ষণ করলে সে পালিয়ে গিয়ে ফার্কে যোগ দেয়৷ এ মুহূর্তে ফার্কের সঙ্গে সরকারের যুদ্ধবিরতি চলছে৷ অচিরেই একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে৷ এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কারণে ফার্ক গেরিলাদের জঙ্গলের জীবন সম্পর্কে এ সব বিরল ছবি ও বিষয় জানা গেছে৷

জুলিয়ানাকে তার প্রেমিক অ্যালেক্সিসের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে৷ ১৬ বছর বয়সে জুলিয়ানের সৎ বাবা তাকে ধর্ষণ করলে সে পালিয়ে গিয়ে ফার্কে যোগ দেয়৷ এ মুহূর্তে ফার্কের সঙ্গে সরকারের যুদ্ধবিরতি চলছে৷ অচিরেই একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে৷ এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কারণে ফার্ক গেরিলাদের জঙ্গলের জীবন সম্পর্কে এ সব বিরল ছবি ও বিষয় জানা গেছে৷

 

প্রায় সাত হাজার ফার্ক গেরিলাদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী৷ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সরকারি সেনাদের গতিবিধি শনাক্তকরণ – এ সব কাজ করে নারী গেরিলারা৷ তবে কিউবায় চলা শান্তি আলোচনা সফল হলে পরবর্তীতে কীভাবে জীবন কাটাবে সেই পরিকল্পনা করছে গেরিলারা৷ জুলিয়ানার ইচ্ছা রাজনীতিতে ঢোকা৷

প্রায় সাত হাজার ফার্ক গেরিলাদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী৷ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সরকারি সেনাদের গতিবিধি শনাক্তকরণ – এ সব কাজ করে নারী গেরিলারা৷ তবে কিউবায় চলা শান্তি আলোচনা সফল হলে পরবর্তীতে কীভাবে জীবন কাটাবে সেই পরিকল্পনা করছে গেরিলারা৷ জুলিয়ানার ইচ্ছা রাজনীতিতে ঢোকা৷

 

ফার্ক নারী গেরিলারা অন্য মেয়েদের মতোই ঠোঁটে লিপস্টিক আর নখে নেইলপলিশ দেয়৷ কিন্তু তারা নাকি বেশ কঠোর! কলোম্বিয়ার এক সরকারি সেনা ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে বলেন, ফার্কের হাতে ধরা পড়লে আপনাকে এই প্রার্থনা করতে হবে যেন পুরুষ গেরিলাদের হাতে ধরা পড়েন৷ কেননা নারী গেরিলারা বেশ কঠোর আচরণ করে৷

ফার্ক নারী গেরিলারা অন্য মেয়েদের মতোই ঠোঁটে লিপস্টিক আর নখে নেইলপলিশ দেয়৷ কিন্তু তারা নাকি বেশ কঠোর! কলোম্বিয়ার এক সরকারি সেনা ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে বলেন, ফার্কের হাতে ধরা পড়লে আপনাকে এই প্রার্থনা করতে হবে যেন পুরুষ গেরিলাদের হাতে ধরা পড়েন৷ কেননা নারী গেরিলারা বেশ কঠোর আচরণ করে৷

 

ইনার নাম ইরা কাস্ত্রো৷ ফার্কের মধ্যম পর্যায়ের এই কর্মী অন্য নারী গেরিলাদের কাছে মেন্টরের মতো৷ ছবিই বলে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তার একটা বেশ সখ্যতা রয়েছে৷ কিউবায় তিন বছর ধরে চলা সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় তিনি অংশ নিচ্ছেন৷

ইনার নাম ইরা কাস্ত্রো৷ ফার্কের মধ্যম পর্যায়ের এই কর্মী অন্য নারী গেরিলাদের কাছে মেন্টরের মতো৷ ছবিই বলে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তার একটা বেশ সখ্যতা রয়েছে৷ কিউবায় তিন বছর ধরে চলা সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় তিনি অংশ নিচ্ছেন৷

 

ছবিগুলো তোলা হয়েছে কলোম্বিয়ার গহীন জঙ্গলে অবস্থিত অ্যান্টিওকিয়া ক্যাম্প থেকে৷ ঐ জঙ্গলে বিষধর সাপ সহ রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির উদ্ভট ধরনের ব্যাঙ৷ এখানে পরিবেশের কারণে নারী এবং পুরুষ গেরিলারা একসাথেই গোসল/স্নান করেন-

ক্যাম্পের পরিবেশ – ছবিগুলো তোলা হয়েছে কলোম্বিয়ার গহীন জঙ্গলে অবস্থিত অ্যান্টিওকিয়া ক্যাম্প থেকে৷ ঐ জঙ্গলে বিষধর সাপ সহ রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির উদ্ভট ধরনের ব্যাঙ৷ এখানে নারী এবং পুরুষ গেরিলারা কোন রকম সংকোচ ছাড়াই একসাথেই গোসল/স্নান করেন। 

 

পিস্তলটি পরিষ্কারের পর বৃষ্টির পানি আর আর্দ্রতা থেকে বাঁচাতে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে রাখছে সিন্ডি৷ ১৮ বছর বয়সে ফার্কে যোগ দেয়া সিন্ডি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায়৷ এরপর রাজনীতিতে যোগ দিতে চায়৷ আর চায় জনগণকে শিক্ষিত করে তুলতে৷

পিস্তলটি পরিষ্কারের পর বৃষ্টির পানি আর আর্দ্রতা থেকে বাঁচাতে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে রাখছে সিন্ডি৷ ১৮ বছর বয়সে ফার্কে যোগ দেয়া সিন্ডি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায়৷ এরপর রাজনীতিতে যোগ দিতে চায়৷ আর চায় জনগণকে শিক্ষিত করে তুলতে৷

 

ছবিই বলে দিচ্ছে সব...৷

ছবিই বলে দিচ্ছে সব…৷ অস্ত্রের সঙ্গে বসবাস

 

একজন সন্তানসম্ভবা গেরিলা মা

একজন সন্তানসম্ভবা গেরিলা মা


পেরুর মাওবাদী গেরিলা দল ‘শাইনিং পাথ’ এর গেরিলা প্রশিক্ষণের ভিডিও চিত্র