‘মাওবাদী সহানুভূতিশীল’ সাইবাবার স্থানান্তর ঝুঁকিপূর্ণঃ মহারাষ্ট্র সরকার

freesaibabaredstar

দেবেন্দ্র ফডনবিশ সরকার হুইলচেয়ারে আবদ্ধ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কথিত মাওবাদী সহানুভূতিশীল সাইবাবার  নাগপুর জেল থেকে গাদচিরোলিতে জেলায় স্থানান্তরের বিষয়ে বিরোধিতা করেছে, সরকারের ধারণা মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকার মাওবাদীরা সাইবাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাতে পারে।

সুপ্রিম কোর্ট গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সাইবাবার নির্জন কারাবাসের বিষয়ে মহারাষ্ট্র সরকারকে সাইবাবার জন্যে গাদচিরোলিতে বিকল্প আবাসনের কথা বলেন, কারণ নিষিদ্ধ নকশাল সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি মামলা সেখানে অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

২০১৪ সালের মে মাসে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে গ্রেফতার হওয়া অধ্যাপক সাইবাবা নাগপুর জেলেই বন্দী আছেন। গাদচিরোলিতে তার মামলার কার্যক্রম জন্যে প্রতিবার তাঁকে ১৭০কিমি ভ্রমন করতে হয়।

শীর্ষ আদালতের আগে দেয়া এক হলফনামায় মহারাষ্ট্রের সরকার বলছে, ‘তাদের কাছে গোয়েন্দা তত্থ্য রয়েছে যে মাওবাদীরা সাইবাবাকে মুক্ত করতে একটি প্রচারণা শুরু করেছে। সাইবাবাকে যদি গাদচিরোলিতে কারাগারের বাইরে রাখা হয়, তবে মাওবাদীরা তাঁকে মুক্ত করতে পুলিশের উপর হামলা করতে পারে।’

এটা একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রেস নোটে উল্লেখ করা হয় যে সাইবাবার মুক্তির জন্য একটি দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি করতে ক্যাডারদের আহবান জানানো হয়।

একটি বেঞ্চ, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিশান্ত কাটনেসরকারকে বলেন, “আমরা চাই আপনারা(রাজ্য সরকার) তাঁকে আরামদায়ক অবস্থানে রাখবেন, আমাদের বলুন আপনারা তাকে কিভাবে স্বস্তিপূর্ণ রাখবেন, আপনারা তাঁকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারেননা।”

অনুবাদ সূত্রঃ hindustantimes


পশ্চিমবঙ্গঃ লালগড়ের জঙ্গলে ১১টি রাইফেল উদ্ধার

image

লালগড় থানার ঝিটকার জঙ্গলে গাছের নীচে গর্ত থেকে ১১টি রাইফেল উদ্ধার করল সিআরপিএফের ৬৬ নম্বর ব্যাটালিয়ন৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সেগুলি উদ্ধার করে৷ জোড়াব্রিজের কাছে একটি গাছের প্রায় চার ফুট গভীর গর্তে সেগুলি রাখা ছিল৷ কয়েকদিন আগে ল্যান্ডমাইন, মাওবাদী পোস্টারের পরে এবার অস্ত্র৷

২০১১ সালের পর থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জঙ্গলে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশের দল মাওবাদীদের রেখে যাওয়া বা লুকিয়ে রাখা বিভিন্ন রকম অস্ত্র, বিস্ফোরক একাধিকবার উদ্ধার করেছে৷ মাওবাদীদের সবচেয়ে সহজ আক্রমণের জায়গা ছিল লালগড়ে ঝিটকার জঙ্গলের একমাত্র সরু পিচ রাস্তা৷

ইতিপুর্বে একাধিকবার সেখানে অভিযান চালিয়ে মাইন এবং বন্দুক উদ্ধার হয়েছে৷ ২০০৬ সালে মাইন উদ্ধার করতে গিয়ে এই জঙ্গলেই জওয়ানরা মারা যান। এবারও সেই জঙ্গলেই মাওবাদীদের রাখা অস্ত্র ভাণ্ডারের সন্ধান মিলল।

শনিবার ঝিটকার জঙ্গলে সিআরপিএফের ৬৬ নম্বর ব্যটালিয়নের জাওয়ানরা অভিযান চালান৷ জঙ্গলের ভিতরে জোড়া ব্রিজের কাছে মাটির তলায় পুঁতে রাখা ১১টি রাইফেল-এর সন্ধান মেলে। এগুলি .৩১৫ বোরের রাইফেল৷ তবে সেগুলি নতুন করে লুকানো নাকি পুরনো তা খতিয়ে দেখছে বাহিনী৷

মাত্র দু সপ্তাহ আগেই শালবনীর শিরশিতে বাহিনীর তল্লাশীতে শক্তিশালী মাইন উদ্ধার হয়েছিল, তার পরে ফের মাওবাদীদের নাম করে দু’বার পোস্টার মিলেছে। নির্বাচনের আগে পর পর এই ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে পুলিশ-প্রশাসনকে।

সূত্রঃ http://ebela.in/state/arms-recovered-at-west-midnapore-dgtl-1.319973

 


ফিলিস্তিনি PFLP কমরেড ওমর নায়েফ জায়েদকে হত্যা করা হয়েছে

zayed (1)

বুলগেরিয়ার সোফিয়াস্থ ফিলিস্তিন দুতাবাসে গত শুক্রবার সকালে ফিলিস্তিনের বামপন্থি দল ‘পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ প্যালেস্টাইন’ এর কর্মী, কমরেড ওমর নায়েফ জায়েদেকে আততায়ীরা হত্যা করেছে। তিনি ছিলেন ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগ্রামের আজীবন সংগ্রামী।

কমরেড ওমর নায়েফ জায়েদ, ১৯৯০ সালে ৪০দিনের অনশন চালিয়ে ইহুদিবাদী জেলখানা থেকে পালিয়ে  ফিলিস্তিনি দূতাবাসে আশ্রয় গ্রহণ করেন। গত ২৫ বছর ধরে ইহুদিবাদী ও বুলগেরিয় বাহিনী তাকে হত্যা উদ্দেশ্যে তাদের কাছে হস্তান্তর করার জন্যে চেষ্টা করে গিয়েছিল।

জেরুজালেমে অবৈধ ইহুদিবাদী বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে একটি অপারেশন চালানোর অভিযোগে তার ভাই সহ তাকে ও সাম্প্রতিক সময়ে আবারো কারাবন্দী হওয়া কমরেড সামি মাহরোমকে ইহুদিবাদী বাহিনী বন্দী করেছিল।

ইহুদিবাদী বাহিনী তাকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।