৮ কমরেডকে হত্যার প্রতিবাদে ৭ই মার্চ বনধ ডেকেছে সিপিআই(মাওবাদী)

গত ১লা মার্চ তেলেঙ্গনা পুলিশ বাহিনী কর্তৃক ভুয়া এনকাউন্টারের নামে ৮ মাওবাদীকে হত্যার প্রতিবাদে ৭ই মার্চ সোমবার অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গনা ও দণ্ডকারণ্যে বনধ ডেকেছে সিপিআই(মাওবাদী)

কমরেড রাগো ওরফে নাভাথা লাল সালাম!

কমরেড লাছহান্না লাল সালাম!

বত্তেমথোনগু শহীদরা লাল সালাম!!!

ওয়ারাঙ্গাল জেলার পাইদিপল্লী'তে সিপিআই(মাওবাদী)'র শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদী-

ওয়ারাঙ্গাল জেলার পাইদিপল্লী’তে সিপিআই(মাওবাদী)’র শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদী

12806018_1249621821720703_8325631149546944132_n

h


পেরুর গ্রামে-গঞ্জে মাওবাদী নারী গেরিলা যোদ্ধারা

12790913_427220054154062_2206059532665102101_n

কোন কোন “গণ গেরিলা বাহিনী” অধিকাংশই নারী নিয়ে গঠিত। যেখানে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামরিক নির্দেশনায় নারীরাই প্রাধান্য। যে দেশে সামন্ত প্রভু ও তাদের জুলুমবাজ গুন্ডাবাহিনী মাঝে মাঝেই কৃষাণ নারীদের উপর বলাৎকার করে। সেই কিষান নারীদের বিপ্লবী উত্থানে নারী দলনকারী সামন্ত প্রথা এখন এক বজ্র কঠিন হুমকির সম্মুখীন।

পেরুর গ্রাম এলাকায় চলছে বিপ্লবীদের সম্মেলন প্রস্তুতি। সাম্যবাদী কাস্তে হাতুড়ী খচিত লাল পতাকা আর ফেস্টুন উচানো হাতে নারীরা চলছে জোর কদমে। একজন নারীর নেতৃত্বে গ্রামে-গঞ্জে ফিরছে বিপ্লবী শ্লোগানে মুখরিত জনতা- “পেরুর কমিউনিস্ট পার্টি-পিসিপি জিন্দাবাদ!” “পেরুর গণ গেরিলা” বাহিনী জিন্দাবাদ!”

এক তরুণী, মাথায় সাহেবী টুপি, পরনে স্বচ্ছন্দে চলার মতো নীল জিন্স, সংগ্রামী সাথীদের নিয়ে বসা অবস্থায় ক্রোড়ে তার আবদ্ধ বন্দুক। তার বলিষ্ঠ কণ্ঠে উচ্চারিত- “গণ গেরিলা বাহিনীর একজন যোদ্ধা হিসেবে আমি গর্বিত। আমার দল ও বিপ্লবের জন্যে আমি জীবন দিতে প্রস্তুত। আর সারা দেশব্যাপী যে ক্ষমতা আমরা অর্জন করেছি তা রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”

আয়াকুচোতে চলছে আর এক সম্মেলনের প্রস্তুতি। এখানে গণযুদ্ধ শক্তি অর্জন করে চলেছে। এক বিশেষ বিজয় উদযাপনের জন্যে কৃষকরা একত্রিত হয়েছে। বন্দুক সজ্জিত এক তরুণী জনতার ভীড় ঠেলে সামনে বেরিয়ে আসে। তার টুপির অগ্রভাগে এক ফুল। পিঠে বাঁধা ওর কম্বল ও খাদ্য সামগ্রী। মুখে তার অনিশ্চয়তার অভিব্যক্তি; ক্রমান্বয়ে সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাতের উদ্দেশ্যে সে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে বলতে থাকে –

“আজ আমরা জনগণের প্রকাশ্য গণকমিটির(Open Peoples Committee) ঘোষণা দিচ্ছি। চেয়ারম্যান গনজালো বর্তমান শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মানবের দীপ্ত আলোকে নির্দেশনায় আমরা চালিত। চেয়ারম্যান গনজালো’র বিষয়ে কি আপনাদের জানা আছে? পেরুর বীরোচিত সংগ্রামের তিনি অগ্রনায়ক। তিনি শিক্ষকদের শিক্ষক, তিনি মহীয়ানদের মহত্তম, আমাদের সেনপতি। বিজয় মণ্ডিত বিপ্লবের বিগত বছরগুলোর কথা স্মরণ করুন। দেখুন কি করে তিনি সাম্যবাদী চিন্তাধারাকে আত্মস্থ করেছেন। যে কোন ঝড়-ঝঞ্জা, বাঁধা-বিপত্তি ডিঙ্গিয়ে যেতে তিনি লৌহ দৃঢ় উপাখ্যানের সৃষ্টি করেছেন। এক একটি সাফল্য অর্জনে বিপ্লব সংগঠিত করতে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত!

আমাদের কি আছে? কিছুই না। কি আমাদের অভাব? সবকিছুরই। ধনী সমাজ বর্জিত এক নতুন সমাজ আমাদের কাম্য।

পরিপূর্ণ একই সূত্রে বাঁধা এক সমাজ। চেয়ারম্যান গনজালোই দিতে পারেন যার নিরাপত্তা। আমরা মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ রক্ষা ও প্রয়োগের মাধ্যমে উজ্জ্বল চলার পথ সৃষ্টি করবো, চেয়ারম্যান গনজালোকে অনুসরণ করবো।”

সূত্রঃ [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিপ্লবী পত্রিকা – রেভ্যুলেশনারী ওয়ার্কার, লন্ডন থেকে প্রকাশিত “বিশ্ব বিজয়”-(AWTW) এবং ব্রিটেনের টিভি Channel 4 কর্তৃক প্রচারিত পেরুর যুদ্ধের প্রামাণ্যচিত্র সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা অবলম্বনে লিখিত।]


মনিপুরের মাওবাদীরা URF(C)’র চিহ্নিত ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়েছে

manipur63rd

পুলিশ জানাচ্ছে, পূর্ব ইম্ফল জেলার নাপেত পালিতে সন্দেহভাজন যোদ্ধারা সংযুক্ত বিপ্লবী ফ্রন্ট/ United Revolutionary Front (Chingkheinganba) সদস্যদের চিহ্নিত ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়েছে, যারা রাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে তাদের অপারেশন স্থগিত করেছে।

সন্দেহভাজন প্রায় ১০জন যোদ্ধা গত বুধবার রাতে ওই ক্যাম্পে ৩০মিনিট ব্যাপী অপারেশনের সময় অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সজোরে বোমা নিক্ষেপ করে, যদিও কেউ আহত হয় নি, তবে প্রায় ১.৫লাখ  টাকার সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানায়।

পরের দিন সকালে ঘটনাস্থল থেকে ৪০টি খালি কেস সহ একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড , আট রাউন্ড গুলি সহ একটি প্লাস্টিক AK-57 ম্যাগজিন, AK-57 এর সাতটি ও M 16 এর তিনটি প্রজেক্টাইল উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানান।

এদিকে, মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি, মণিপুর, এক বিবৃতিতে গতকাল দাবি করেন যে, তারা এই হামলা করেছিল।

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.business-standard.com/article/pti-stories/militants-attack-designated-camp-of-urf-c-in-manipur-116030401308_1.html


শিশুদের জোরপূর্বক নিয়োগ নিয়ে পুলিশের দাবি সম্পর্কে সিপিআই(মাওবাদী)’র বক্তব্য

Maoist-Flag

টাইমস অব ইন্ডিয়া(TOI) এর সাথে কথা বলার সময় একজন মাওবাদী তাত্ত্বিক, শিশুদের মাওবাদী গেরিলা বাহিনীতে সৈন্য হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে সরকারী প্রচারণার রিপোর্টকে নাকচ করে দিয়ে বলেন, পুলিশি হেফাজতে এই সব মিথ্যে গল্প বলতে পুলিশ বাধ্য করে থাকে। এই মাওবাদী সদস্য বলেন, ‘কাগজ পত্রে সরকারী স্কুলগুলোতে ইউনিফর্ম এবং দুপুরের খাবার বিতরণের কথা রয়েছে,  কিন্তু তার অধিকাংশই কর্মকর্তাদের পকেটে যায় এবং যখনই আমরা ছেলেমেয়েদের শিক্ষাদান করার চেষ্টা করি, তখনই তাদের ‘বাল দাস্তা’ সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।’

উল্লেখ্য যে, এই মাওবাদী সদস্য ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লাতেহার, পালামৌ ও গারহ্বাতে শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে অনেক কাজ করেছেন।

অনুবাদ সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/india/Child-soldiers-reveal-horrors-of-Red-Zone/articleshow/51248463.cms


জার্মানির জনগণ মনে করে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার জন্য দায়ী পুঁজিবাদ

capitalism2

জার্মানির জনগণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই মনে করে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার জন্য দায়ী পুঁজিবাদ । বার্লিনের ফ্রি ইউনিভার্সিটির চালানো এ জরিপের ফল গত মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়। ১ হাজার ৪০০ লোকের ওপর চালানো ওই জরিপে দেখা যায়, জার্মানির সাবেক কমিউনিস্ট পূর্বাঞ্চলের ৫৯ শতাংশ অধিবাসী মনে করে, কমিউনিস্ট ও সাম্যবাদী আদর্শ সমাজের জন্য একটি ভালো আদর্শ। আর কমিউনিস্ট আদর্শকে ভালো মনে করে পশ্চিমের অধিবাসীদের ৩৭ শতাংশ। বার্লিন প্রাচীর পতনের ২৫ বছরের বেশি সময় পরও জার্মানির পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র বাম দল এখনো শক্তিশালী। ৬০ শতাংশের বেশি নাগরিক মনে করে, জার্মানিতে প্রকৃত গণতন্ত্র নেই, কারণ দেশটির রাজনীতিতে শিল্পবাণিজ্য মহলের প্রভাব খুব বেশি।

সুত্রঃ  রয়টার্স