ফিলিপিনের গোপন নারী সংগঠন ‘Makibaka’ এর ভিডিও সংবাদ-

২৯শে মার্চ ফিলিপাইনের কমিউনিস্ট পার্টির নিউ পিপলস আর্মি(NPA) এর আসন্ন ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রস্থল ম্যানিলায় গত ১৭ই মার্চ.গোপন বিপ্লবী দল ‘নতুন নারী দেশপ্রেমিক আন্দোলন(সংগ্রাম)’/ Makabayang Kilusan ng Bagong Kababaihan (Makibaka) এর সদস্যরা এক ‘আলোকিত র‍্যালী’র অনুষ্ঠান কর্মসূচি পালন করে।

IMG_9919

Advertisements

আই.এস. এবং নারী মুক্তি

screen-shot-2015-03-09-at-1-43-26-pm

ধর্মীয় মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন হিসেবে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত-আলোড়িত শক্তিশালী সংগঠনের নাম ইসলামী স্টেট বা আইএস। এই আইএস এখন এক সময়ের জঙ্গি নেতা ওসামা বিন লাদেনের সংগঠন আল কায়দার চেয়েও শক্তিশালী। আইএস হচ্ছে সুন্নি মুসলিমদের জঙ্গি সংগঠন। আইএস-এর সাথে আল কায়দার পার্থক্য হল আল কায়দার নির্দিষ্ট কোন ভূখণ্ড ছিল না। কিন্তু আইএস ইরাক-সিরিয়া-তুরস্কের তেল সমৃদ্ধ সীমান্ত এলাকা দখল করে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবি করছে। আইএস-এর প্রধান হচ্ছে আবু বকর আল বোগদাদী।

আইএস-এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রচুর তরুণ-তরুণীরা যোগদান করছে। অনেক দেশের নারীরাও এই সংগঠনের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। অনেক নারী নিজের দেশ ত্যাগ করে আইএস-এর ঘাঁটিতে চলে গিয়েছে। কেবলমাত্র পশ্চাৎপদ সামন্ততান্ত্রিক সমাজ উদ্ভূত দেশ থেকেই নয়, আধুনিক পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী ইউরোপ-আমেরিকা থেকেও অনেক মুসলিম নারীরা আইএস-এ যোগ দিচ্ছে। বিভিন্ন মিডিয়ার প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায় সারা বিশ্ব থেকে ৫০০-এর অধিক নারী এই সংগঠনে যোগ দিয়েছে। এর মধ্যে বাঙালি বংশোদ্ভূত দুইজন বৃটিশ বাঙালি নারীও রয়েছে।

 অথচ আইএস-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ-এ দেখা যায়- এদের দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মসূচি পশ্চাৎপদ সামন্ততান্ত্রিক গোষ্ঠীভিত্তিক। যেজন্য নারী প্রশ্নে আইএস-এর সকল কর্মকর্তাই নারীমুক্তি বিরোধী। এমনকি প্রগতি বিরোধী। বহু বিবাহ,নারীদেরকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে করা, দাসী হিসেবে দেখা,যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা প্রভৃতির মধ্য দিয়ে তা প্রকাশিত।

আইএস তাদের হাতে বন্দি নারীদের উপর মধ্যযুগীয় নির্যাতন করছে। তাদেরই সমর্থক নাইজেরিয়ার বোকো হারাম গেরিলারা শতশত স্কুল ছাত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিবাহ করছে, অনেককে গর্ভবতী করেছে।

জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা আইএস-এর বিরুদ্ধে হাজার হাজার নারী ও তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে। ২০১৪ সালের এপ্রিলে “হিউম্যান রাইটস ওয়াচে”র এক প্রতিবেদনে ২০ জন নারীর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়- যারা আইএস-এর নিয়ন্ত্রণ থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। তারা জানান, অপহরণ কিংবা আটককৃতদের মধ্যে যারা অল্প বয়সী নারী তাদেরকে পুরুষ ও বয়স্ক নারীদের থেকে পৃথক করে আইএস। এরপর ঐ কম বয়সী নারীদের পুরস্কার হিসেবে আইএস যোদ্ধাদের দিয়ে দেয়া হয় অথবা দাসী হিসেবে তাদের বিক্রি করে দেয়া হয়। এসব নারীদের অসংখ্যবার ধর্ষণ করা হয় বলে জানান তারা।

উত্তর ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের সাড়ে তিন হাজার নারীকে বন্দি করে। যাদেরকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করছে আইএস। এইসব বন্দি হতভাগ্যদের মধ্য থেকে খুব কম নারীই পালিয়ে আসতে পেরেছে। এমন এক যৌনদাসী ইয়াজিদি নারী হচ্ছেন ১৮ বছর বয়সী  হান্নান (ছদ্মনাম)। আইএস-এর আস্তানা থেকে পালিয়ে এসে বর্ণনা করেছেন তার ভয়ঙ্কর সব স্মৃতি। বিবিসি’র অনলাইন প্রতিবেদন অবলম্বনে ঐ যৌনদাসীর মানবেতর ও নির্মম কাহিনীর সারকথা এখানে তুলে ধরা হলো-

২০১৪ সালের আগষ্টে সিনডার পর্বতে হামলা করে লণ্ডভণ্ড করে দেয় আইএস বাহিনী। তাদের লক্ষ ছিল ইয়াজিদি সম্প্রদায়। সেই দিন অন্যান্য ইয়াজিদি নারী ও শিশুদের সঙ্গে হান্নানকে ধরে নিয়ে যায় আইএস। সেদিন হান্নান প্রাণে বেঁচে গিয়েছিল ঠিকই, তবে তার পরবর্তী জীবন কোন নারীরই কাম্য নয়। হান্নান জানায়, আইএস জঙ্গিরা তাদের অবরোধ করে শুধুমাত্র নারীদের আলাদা করে মসুলে নিয়ে যায়। তাদেরকে মারধর করা হয়। দুই/তিন সপ্তাহ পর একটি বড় হলে নিয়ে আসে। সেখানে আরো প্রায় ২০০ নারী ও কিশোরী ছিল। এখানে এসে আইএস যোদ্ধারা তাদের পছন্দমত যৌনদাসী কিনে নিয়ে যেত।

 যৌন দাসীদের সঙ্গে আচরণ কেমন হবে এ সম্পর্কে আইএস-এর নিজস্ব বিধান রয়েছে। সেই বিধানে বলা হয়েছে খৃস্টান, ইহুদি এবং ইয়াজিদি নারীদের যৌনদাসী হিসেবে গ্রহণ করা যাবে। এদেরকে কেনা-বেচা করা যাবে, উপহার হিসেবে দেয়া যাবে।

প্রশ্ন হচ্ছে এই সব নারীমুক্তি বিরোধী পশ্চাৎপদ প্রতিক্রিয়াশীল কর্মকা- সত্ত্বেও কেন বিভিন্ন দেশের মুসলিম নারীরা এই সংগঠনে যোগদান করছে। তার কয়েকটি কারণ এখানে তুলে ধরা হচ্ছে-

* পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো বিশেষত আমেরিকার নেতৃত্বাধীন জোট আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়াসহ মুসলিম দেশগুলো দখল করে সেখানে নারীদের উপর ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন তথা যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে ‘ক্রুসেড’ অর্থাৎ ধর্মযুদ্ধ ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে যুদ্ধবাজ ইউরোপ-আমেরিকায় বসবাসকারী মুসলিম জনগণকে সর্বদাই জঙ্গি সন্ত্রাসী হিসেবে সন্দেহ করে বিভিন্ন ধরনের নিপীড়ন করা হয়। বিশেষত নারীদের উপর অনেক অপমানজনক কালাকানুন জারী করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ফ্রান্সে মুসলিম নারীদের ঐতিহ্যবাহী হিজাব পরিধানকে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে মুসলিম জনগণ বিশেষত নারী সম্প্রদায় যুদ্ধবাজ সাম্রাজ্যবাদীদের উপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছে। এই ক্ষুব্ধ জনগণ যখন ভিডিওতে দেখে আইএস যোদ্ধারা একজন অমুসলিম আমেরিকান-ইউরোপিয়ানকে তলোয়ার দিয়ে জবাই করছে তখন নির্যাতিতা মুসলিম নারীরা আইএস-এর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। কেউ কেউ সাম্রাজ্যবাদ নিয়ন্ত্রিত তৃতীয় বিশ্বের মুসলিম দেশের পশ্চাৎপদ সামন্ততান্ত্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থা থেকে মৌলবাদী চিন্তার কারণে অনেকে আইএস-এ যোগদান করে। এইসব দেশের শাসকগোষ্ঠী সাম্রাজ্যবাদের দালালরা ক্ষমতায় টিকে থাকা ও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা লালন-পালন করে থাকে। যা আবার পশ্চাৎপদ সামন্ততান্ত্রিক আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা টিকে থাকতে সহায়তা করে।

* আইএস মুসলিম নারীদেরকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে তারা ইসলাম রক্ষার জন্য জিহাদ করছে। এই জিহাদে অংশ নিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে।

আমাদের দেশেও ইতিমধ্যে আইএস-এর অস্তিত্ব ঘোষিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন নামে ইসলামি জঙ্গিবাদের তৎপরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নারীদের অংশগ্রহণও লক্ষ্য করা যায়। এখানকার শাসক সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দালাল আমলা মুৎসুদ্দি-বুর্জোয়া শ্রেণি ক্ষমতায় টিকে থাকতে ও ক্ষমতা দখল করার স্বার্থে ধর্মীয় মৌলবাদকে কখনো দমন করছে। আবার কখনো লালন-পালন করছে।

যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণের বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত। তবে অনেক সময় জনগণের বিদ্রোহ সঠিক বিপ্লবী লাইনের অভাবে বিভ্রান্তিতে পতিত হয়- কখনো ব্যর্থ হয়। যুদ্ধবাজ সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে নারীদের বিশেষত মুসলিম নারীদের ক্ষোভ-বিদ্রোহ ন্যায্য হলেও তারা নারী প্রগতি বিরোধী পশ্চাৎপদ মৌলবাদী সামন্ততান্ত্রিক আইএস-কে বন্ধু মনে করছে। শত্রুকে মিত্র ভেবেছে। আমাদের দেশের নারী সমাজ সহ সকল নারীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

প্রকৃত নারীমুক্তি অর্জন করতে হলে সাম্রাজ্যবাদ এবং তাদেরই লালিত সামন্ততান্ত্রিক মৌলবাদী আইএস এই দুই ফ্রন্টে সংগ্রাম করতে হবে। নারীমুক্তির পথ হচ্ছে সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ। নারীমুক্তির শত্রু হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদ-সামন্তবাদ ও মৌলবাদ। এদেরকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। প্রকৃত নারী মুক্তির জন্য পুনারায় সমাজতন্ত্রের পতাকা উর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। নারী-পুরুষের সমঅধিকার-সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।


পশ্চিমবঙ্গঃ জলের দাবিতে ভোট বয়কট

Water-demand

‘টাকা-পয়সা কিছুই নয়, চাই শুধুই জল।’’ দক্ষিণ দিনাজপুরের খরা ক্লিষ্ট তপন এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে জলের দাবিতেই সরব এলাকারই বাসিন্দারা। তপন বিধানসভা কেন্দ্রের মালঞ্চ পঞ্চায়েতের পাতকোলা সংসদের মানুষের জলের উৎস বলতে এলাকার একটি পুকুর। সংসদের অধীন উত্তর পাতকোলা দক্ষিণ পাতকোলা সহ মোট পনেরোটি গ্রাম। একমাত্র বর্ষার সময় বাদে অন্যান্য সব মরসুমেই এখানে তীব্র জল-সংকটে পুকুরের জল খেয়েই বেঁচে থাকতে হয় এখানকার প্রায় শ’খানেক পরিবার। শ্যাওলা ও নোংরায় ভর্তি৷ ওই পুকুরের জলেই দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় কাজ করেন তাঁরা। অনেক সময়ই পুকুরের জলও খেতে হয় তাঁদের। বছর ছয়েক আগে ‘স্ব-জলধারা’ প্রকল্পের একটি ট্যাংক সেখানে স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে তার জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে, পানীয় জলের জন্য এক কিলোমিটার দূরে মাঠের সাব-মার্শাল অথবা পুকুরের জলেই তাঁদের তৃষ্ণা মেটাতে হচ্ছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে বিডিও সকলের কাছেই লিখিত আবেদন করেও প্রশাসনের কর্তারা কেউ কোনও তৎপরতা দেখায়নি বলে অভিযোগ। ফলে, বাধ্য হয়েই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দান থেকে বিরত থাকবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন বাসিন্দারা।


ছত্তিসগড়ঃ দান্তেওয়াড়াতে মাওবাদীদের IED বিস্ফোরণ, খতম ৭ জওয়ান

443528-ani-chhattisgarh-blast-maoists

আজ ৩০শে মার্চ মাওবাদী গেরিলাদের হামলা হয়েছে ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াড়াতে৷ IED বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৭ CRPF জওয়ানের৷ সাথে আহত হয়েছে আরও কয়েকজন। ঘটনাস্থল মালেওয়াড়া, কুয়াকোদা থানাধীন মাওবাদী প্রভাবিত এই এলাকায় ২৬০ ব্যাটেলিয়নের ২০ জনের CRPF কনভয়ে IED মাইন বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷ ৭ জওয়ানের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছে দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার কে কাশ্যপ৷ রাজ্যের বীজাপুর জেলাতেও মাওবাদীরা CRPF কনভয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়৷ এতে জখম হয়েছেন ২ নিরাপত্তা কর্মী৷ মাওবাদীরা নিহত ও আহতদের অস্ত্র জব্দ করে ঘটনাস্থল থেকে সরে গেছে।

dantewada-chhattisgarh-maoist-attack-vehicle_650x400_51459339105

Dantewada EPS

অনুবাদ সূত্রঃ dnaindia.com


পশ্চিমবঙ্গঃ জঙ্গলমহলে ভোটের জন্য হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

Chopper_B_020116

জঙ্গলমহলে ভোটের নিরাপত্তার জন্য তিনটি হেলিকপ্টার চেয়ে পাঠাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে এই আবেদন জানানো হয়েছে। মূলত জঙ্গল এলাকায় নজরদারি চালানোর জনম্য এগুলি চাওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত চিফ ইলেকটোরাল অফিসার দিব্যেন্দু সরকার জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা হেলিকপ্টার চেয়েছি। যদিও এখনও স্বারষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। জঙ্গলমহলের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে নজরদারি চালাবনে এই হেলিকপ্টারগুলি। কতগুলি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে একস সময়ের মাওবাদী অধ্যুষিত এই জঙ্গলমহলে, সেই চিত্রটা এখনও স্পষ্ট নয়। কিছুদিনের মধ্যেই তা জানানো হবে।

বাংলা, অসমের স্পর্শকাতর এলাকা গুলি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স হয়েছে। কোথা দিয়ে অস্ত্র আদানপ্রদান হতে পারে সেই জায়গাগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রসচিব, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ছিলেন বিহার, অসম ও ওড়িশার প্রতিনিধিরাও।

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/cities/kolkata/ec-seeks-three-choppers-for-polls-in-jangalmahal/article8406912.ece

http://timesofindia.indiatimes.com/city/kolkata/EC-plans-home-to-booth-safety-cover/articleshow/51591646.cms


ছত্তিশগড়ে ৭০০ জওয়ানের অভিযানে নিহত ৩ মাওবাদী

Cops on Maoist

গতকাল ২৯শে মার্চ সকাল ৯.৩০মিনিটের দিকে আধা সামরিক ও পুলিসের  প্রায় ৭০০ জন জওয়ানের চিরুনি তল্লাশির সময় নিহত হল ৩ মাওবাদী। মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার ধাউরাই থানার সুলেঙ্গা তিরকানার জঙ্গলের এই সংঘর্ষ ফের সামনে নিয়ে এলো বাস্তরে সামরিকবাহিনীর কী ভীষণ উপস্থিতি। সম্প্রতি আদিবাসী  মহিলাদের স্তন পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে তারা মাওবাদী কি না। অর্থাত্ যদি তাঁরা বাচ্চার মা হন তা হল তাঁরা মাওবাদী নয় বলে ধারনা নিরাপত্তাবাহিনীর। জানুয়ারি মাসে একাধিক মহিলাকে ধর্ষণ করা অভিযোগ উঠেছে জওয়ানদের বিরুদ্ধে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন এ কোন সভ্য দেশে বাস করছি আমরা?

অনুবাদ সূত্রঃ thehindu.com


ফিলিস্তিনি কমরেড ‘ডাঃ ওয়াদি হাদ্দাদ’ এর ৩৮তম শহীদ বার্ষিকী স্মরণ

wadiehaddad

১৯৭৮ সালের ২৮শে মার্চ, আরব জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ফিলিস্তিনের সমাজতান্ত্রিক ধারার পপুলার ফ্রন্ট ফর দি লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন((PFLP) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কমরেড ডাঃ ওয়াদি হাদ্দাদ এর ৩৮তম শহীদ বার্ষিকী। এই দিনে ফিলিন্তিনি জনগণ, আরব জাতি ও পৃথিবীর সকল মুক্তিকামী আন্দোলন একজন সংগ্রামীকে হারিয়েছেন, যিনি ফিলিস্তিনি জনগণের উপর ইহুদিবাদী দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ইসরায়েলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ পূর্ব জার্মানি’র পূর্ব বার্লিনে চকলেট প্রিয় মহান কমরেড ডাঃ ওয়াদি হাদ্দাদকে বেলজিয়ান চকলেটের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিল। এই কমরেডের নেতৃত্বেই ১৯৬০-৭০ এর দিকে ইসরায়েলী লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানা ও বিমান হাইজ্যাক করা হয়েছিল।

১৯২৭ সালে ফিলিস্তিনে এক অর্থোডক্স খ্রিষ্টান পরিবারে জন্ম নেয়া এই কমরেড বৈরুতের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করেন। কমরেড ডাঃ ওয়াদি হাদ্দাদের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক ধারার (PFLP)ফ্রন্ট ‘শত্রু সর্বত্র’ এই ব্যানারে দখলদারীত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিন ও আন্তর্জাতিকব্যাপী শক্তিশালী বিপ্লবী সামরিক অভিযান চালায়। জাতীয় মুক্তি আন্দোলন এবং বিশ্বজুড়ে সংগ্রামে তাঁর নেতৃত্বে যোগদানকারী কমরেডদের সহযোগিতায় জাপানি রেড আর্মি’র যোদ্ধারা ১৯৭২ সালে লোদ বিমানবন্দরে সাহসী অপারেশন চালায়।

পৃথিবীর মুক্তি সংগ্রামের যোদ্ধা, এই মহান আন্তর্জাতিকতাবাদী কমরেডের প্রতি ‘লাল সংবাদ‘ জানাচ্ছে বিপ্লবী লাল সালাম।।

(অনূদিত)