নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার মে দিবসের পোস্টারিংয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা

13115707_481684308681387_603936475_n (1)

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা

জাতীয় কমিটি

বিবৃতি

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার মে দিবসের পোস্টারিং করার সময় আদাবরের কমরেডদের, আওয়ামী গুন্ডাদের বাঁধা দেয়ার ও পোস্টার ছিরে ফেলার এবং পোস্টার কেড়ে নেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই!”

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, এক বিবৃতির মাধ্যমে আদাবর, ঢাকা শাখায় পোস্টারিং এর সময় আওয়ামী গুন্ডাদের পোস্টারিং এ বাঁধা দেয়ার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, আজ ২৮-৪-২০১৬ সন্ধ্যায় যখন নয়া গনতান্ত্রিক গণমোর্চার আদাবর শাখার কমরেডরা মহান মে দিবসের পোস্টার তাদের শাখায় লাগাচ্ছিলেন তখন আদাবর ১৬ নাম্বার বাজারে আওয়ামী গুন্ডারা প্রথমে পোস্টার লাগানোতে বাঁধ প্রদান করে। এরপরে এক পর্যায়ে কমরেডদের হাত থেকে পোস্টার ও আঠা কেড়ে নেয় তারা। এসময় কমরেডদের তারা গালিগালাজ করে ও পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি প্রদান করে। আওয়ামী দালালেরা বলে, সরকার এত উন্নয়ন করছে তারপরও কেন তারা সরকারের বিরোধীতা করছে। আর যদি এখানে থেকে পোস্টার লাগানোর চেস্টা করা হয় তাহলে পুলিশে দেয়া হবে। এই বাধা প্রদান দেশে চলমান ফ্যাসীবাদী শাসকগোষ্ঠীর শ্রমিক শ্রেনীর তীব্র বিরোধীতাই প্রকাশ পায়।আর এই শাসকগোষ্ঠীরর ই তথাকথিত শ্রমিক সংগঠন গুলো আবার” ঢাকঢোল” পিটিয়ে মে দিবস” উদযাপন” করে। পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবসে যখন কিনা সারা বিশ্বের শ্রমিক শ্রেনী সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হয় তখন এই বাধা প্রদান আমাদের সংগ্রামকে আরো উচ্চতর পর্যায়ে বিকশিত করে।শাসকগোষ্ঠীর শ্রেনী চরিত্র আরো একবার স্পস্ট ভাবে বুঝে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার সময় এসে গেছে। এই সাম্রাজ্যবাদের দালাল দের উচ্ছেদ করে শ্রমিক শ্রেনীর কাংখিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।গড়ে তুলতে হবে এক নয়া গনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা।যেখানে শ্রমিক শ্রেনীর সকল অধিকার আদায় হবে।

বার্তা প্রেরক

তৌহিদুল ইসলাম

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক

Advertisements

রাজনীতিকদের এবং সামন্তপ্রভুদের চরিত্র তুলে ধরায় পাকিস্তানে ‘মালিক’ ছবি নিষিদ্ধ

160428122030_maalik_movie_ban_624x624_maalikmoviefacebook

পাকিস্তানে এই প্রথম দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে কোনো ছবির প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করল।

মালিক ছবিটি ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হচ্ছিল।

ছবিটির যারা বানিয়েছেন তারা বিস্মিত এবং বলছেন তারা জানেন না কেন বইটি নিষিদ্ধ করা হল।

কিন্তু বিবিসির উর্দু বিভাগের সাংবাদিক নশীন আব্বাস বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে বলছেন এই ছবিটি নিষিদ্ধ করা থেকে পাকিস্তানে বর্তমানে কী ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে তার একটা ধারণা পাওয়া যায়।

কী আছে ছবিতে?

‘মালিক’ দেশটির বিশেষ বাহিনীর এক কমান্ডোর কাহিনি যাকে ভাড়া করা হয়েছিল এক দুর্নীতিবাজ সামন্ত প্রভুকে রক্ষা করার জন্য, যে সামন্ত প্রভু পরে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠেন।

ছবিটি কার ‘আঁতে ঘা দিয়েছে’?

কেউ কেউ বলছেন এই ছবিতে মুখ্যমন্ত্রীর চরিত্র – যার নাম সাঈন- তার সঙ্গে খুবই মিল রয়েছে সিন্ধ প্রদেশের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন পত্রিকাকে বলেছেন চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ করার কারণ এতে সাবেক একজন মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাচুর্যপ্রিয় ও দুর্নীতিপরায়ণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সিন্ধের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কন্যা ও সংসদ সদস্য নাফিসা শা এক টুইটার বার্তায় বলেছেন ”মালিক একটি দুরভিসন্ধিমূলক ছবি এবং এটি পাকিস্তানকে বিভক্ত করবে ও জাতীয় ঐক্য নষ্ট করবে। চলচ্চিত্রটির নির্মাতা, যারা এটির অর্থায়ন করেছে, এবং এমনকী যারা এটি দেখানোর ছাড়পত্র দিয়েছে তারা দেশপ্রেমিক নন”।

ছবিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর বিভক্তি তুলে ধরা হয়েছে, কেউ কেউ বলছেন এটা সেনাবাহিনীর প্রচারণার পর্যায়ে চলে গেছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন এতে বেসামরিক সরকারকে এমনভাবে দেখানো হয়েছে যেন তারা সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার ব্যাপারে আন্তরিক নন।

এছাড়াও অভিযোগ আনা হয়েছে যে ছবিটির একটি দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে তার দেহরক্ষী গুলি করেছে। এর সঙ্গে পাঞ্জাবের গর্ভনর সালমান তাসিরকে গুলি করার বাস্তব ঘটনার মিল রয়েছে।

এ পদক্ষেপ কীসের ইঙ্গিত?

ছবিটিতে রাজনীতিকদের এবং সামন্তপ্রভুদের যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তা পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে ক্ষুব্ধ করেছে।

সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি নিয়ে যে কড়া প্রতিক্রিয়া হয়েছে তার থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশটিতে বেসামরিক প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সম্পর্ক নিয়ে যে ভিন্নমত আছে এই ছবি সেই বিতর্ককে আরো সজাগ করে দেবে।

পাকিস্তানে বাক্-স্বাধীনতা ইতিমধ্যেই চাপের মুখে। বহু সাংবাদিক, বিশ্লেষক এবং ভাষ্যকার মনে করেন ধর্ম ও সেনাবাহিনী জাতীয় অনেক বিষয় নিয়ে লেখালিখি করা যাবে না – এসব বিষয় ‘সোজা কথায়’ ছোঁয়া যাবে না, যার অর্থ হল একধরনের আত্ম-নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতিতে বাস করা।


‘মেক্সিকোর ৪৩ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রহস্য উদঘাটনে বাধা দিচ্ছে সরকার’

মেক্সিকোতে নিখোঁজ ৪৩ ছাত্রের স্বজনদের ধারণা, দেশটির সরকার কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চ পদস্থদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

মেক্সিকোতে নিখোঁজ ৪৩ ছাত্রের স্বজনদের ধারণা, দেশটির সরকার কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চ পদস্থদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

মেক্সিকোর সরকারের বিরুদ্ধে ৪৩ জন ছাত্র নিখোঁজের তদন্তে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক তদন্তকারী দল। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিখোঁজ হন এই ৪৩ জন শিক্ষার্থী।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গড়া ইন্টারডিসিপ্লিনারি গ্রুপ অব ইন্ডিপেনডেন্ট এক্সপার্ট বা জিআইইআই তাদের চূড়ান্ত রিপোর্টে বলছে, এ বিষয়ে তাদের সুপারিশ অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি সরকার।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের গুয়েরেরো প্রদেশের ইগুয়েলা শহরে একটি ছাত্র বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে নিখোঁজ হয় এই ৪৩ জন।

বলা হয় শহরের মেয়র হোসে লুইস আবারকার নির্দেশে একদল অসাধু পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে।

এরপর তারা একটি মাদক চক্রের হাতে সেইসব ছাত্রদের তুলে দেয় এবং সেই মাদক চক্রই তাদের হত্যা করে।

হত্যার পর মৃতদেহগুলো নিকটবর্তী কোকুলা শহরের ময়লা ফেলার স্থানে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়।

ছাত্রদের নিখোঁজের পরপর বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তাদের স্বজনেরা। এ নিয়ে সারাদেশ জুড়েই শুরু হয় বিক্ষোভ।

এরপর ২০১৫ সালের মার্চ মাসে নিখোঁজদের স্বজনদের দাবিতে একটি স্বাধীন তদন্ত সংস্থা কাজ শুরু করে।

তদন্ত সংস্থা তাদের কয়েকটি রিপোর্টে জানায় যে, সরকার এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীদের ওপর অত্যাচার করছে এবং সঠিক তদন্তে বাধারও সৃষ্টি করছে।

আন্ত-আমেরিকান মানবাধিকার কমিশন IACHR-এর সদস্য ফ্রান্সিসকো ফক্সের মতে, স্বাধীন তদন্তকারী দল ছাত্রদের মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার যথার্থ প্রমাণ পায়নি।

এমনকি যে সময়টিতে তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- সে সময় পরেও কারো কারো মোবাইল ফোন চালু ছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।

নিখোঁজদের স্বজনদের ধারণা, দেশটির সরকার কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চ পদস্থদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

নিখোঁজ ৪৩ জন ছিলেন শিক্ষানবীশ শিক্ষক এবং তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কিছু নীতির বিরোধীতা করে আসছিল, যে নীতিতে গ্রাম থেকে আসা শিক্ষকদের সাথে পক্ষপাতমূলক আচরণ করা হচ্ছিল।

সূত্রঃ http://www.bbc.com/bengali/news/2016/04/160424_mexico_missing_student


ফোরাম ম্যাগাজিনে বাংলাদেশের(২০০৬) শ্বেত সন্ত্রাস নিয়ে একটি রিপোর্ট

মোফাখখার চৌধুরী

মোফাখখার চৌধুরী

..Members of the outlawed communist parties in Bangladesh — known as “sharbaharas” (proletariat) — are at the top of RAB’s hit list. Right out of the “crossfire” script, on December 17, 2004, BSS reported:
A faction chief of the banned Purba Banglar Communist Party (PBCP), Mofakkhar Hussain Chowdhur, was killed in crossfire in Kushtia in the early hours of today. Chowdhury, known by different names like Shahid Hussain, Madhu Babu, was arrested by a joint team of RAB-3 and RAB-6 from Rupnagar under Mirpur in the capital on December 16 morning, RAB sources said.

After interrogation, he told the RAB that all the faction leaders of the party scheduled to meet in Kushtia on the night of December 16. Accordingly, a team of RAB-3 was going to Kushtia to arrest the other leaders. When the team reached near Kushtia town, armed cadres of Chowdhury’s faction fired at the RAB members. The RAB team returned the fire and the gun battle lasted for half an hour. During the gunfight Chowdhury attempted to flee, but two bullets hit him, killing him on the spot. The RAB members recovered two pistols, two magazines, four bullets, and one LG. Two RAB members were also wounded in shootout and undergoing treatment in a hospital.

Mofakkhar Chowdhury aka Pravakar Master surely belonged to a different category of “criminals.” A valiant freedom fighter during the war of liberation, Mofakkhar was best known as the think-tank of a two-decade-long underground “armed struggle” in Bangladesh’s south-western and northern regions aimed at establishing communism.

Though many in the left-political camp in Bangladesh strongly disagreed with Mofakkhar’s endorsement of “armed struggle,” his authority on Marxist-Leninist literature was legendary. When RAB arrested him, sacks full of books, booklets, leaflets, posters, and party documents were found in his possession. His death was seen as a high-profile political killing.

Earlier this year, after many months of pursuit, I convinced one of Mofakkhar’s deputies (name withheld on request) to allow me an interview. And his version of the story was simply shocking.

In 2001, in the run-up to the general elections, an influential BNP leader — who later became a minister (the very person who allegedly sponsored Bangla Bhai and JMJB) — approached PBCP to work as BNP’s hired gun in the northern part of the country during the elections. Mofakkhar Chowdhury and his council turned down the proposal.

However, one of his deputies, Abdur Rashid Malitha aka Tapon Malitha, seized that opportunity and worked for the 4-party alliance during the elections, inviting serious annoyance of the PBCP high-command.

In 2002, Mofakkhar expelled Tapon Malitha from the party, who later formed PBCP-Janajuddha that became the largest and most feared outlawed communist party in Bangladesh within a year, with active support from the BNP minister already mentioned.

“The so-called anti-sharbahara operation by RAB is an eye-wash,” I was told. “They just go after opponents of the Tapon Malitha faction. Once or twice, Tapon’s own men, whoever he considers a threat, come under crossfire, but largely it’s his enemies.”

In 2003, the minister’s nephew was killed by PBCP cadres. Mofakkhar Chowdhury was held personally responsible for the murder by the minister and Tapon Malitha was given an assignment to avenge the killing. As Malitha failed, the minister brought in Bangla Bhai. Under his sponsorship, Bangla Bhai and JMJB unleashed a cleansing operation against the Mofakkar-led faction of the PBCP in Rajshahi, Naogaon, and Natore, killing more than 36 sharbahara men, mostly followers of Mofakkhar, who, however, escaped the onslaught and fled to Dhaka.

“By assassinating Comrade Pravakar, RAB carried out Tapon Malitha and Bangla Bhai’s unfinished assignment,” Mofakkhar’s deputy told me, “If you go by their directions, you will rule like Tapon, if you don’t you will be taken to the gallows.”

“Political parties (BNP/AL) do use the sharbaharas during elections. And that Bangla Bhai was sponsored by a minister is true, according to my knowledge. But, the claim that RAB follows a hit-list prepared by Tapon Malitha is totally baseless, to some extent it’s hilarious. How can you trust these people: extortionists and dacoits? There is no such hit-list. RAB is engaged in uprooting a tumor that has crippled the life of the region, not carrying out a political campaign,” a former official of RAB-5 (name withheld on request) told me when I checked the claim with him.

Source


ভারতের গণযুদ্ধের ২টি সচিত্র সংবাদ –

Adilabad_2830373e

তেলেঙ্গানা রাজ্যের আদিলাবাদ জেলায় গত বুধবার রাত ৩টার দিকে মাওবাদীরা একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের যানবাহনে আগুন দিয়েছে। পুলিশ বলছে,  আগামী ৪ ও ৫ই মে তেলেঙ্গানা’য় বনধ ডেকেছে মাওবাদীরা, সেই বনধ সফল করতে মাওবাদীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

সূত্রঃ hindustantimes

phpThumb_generated_thumbnail-3

ছত্তিসগড়ে বিজাপুরে গত মঙ্গলবার সকালে নকশালদের সাথে CRPF এর এলিট ইউনিট ও কোবরা ২০৪ ব্যাটেলিয়নের বন্দুকযুদ্ধে একজন কোবরা জওয়ান/CoBRA (Commando Battalion for Resolute Action) আহত হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে নকশালরা গা ঢাকা দেয় বলে PTI কে জানিয়েছে এসপি এলেশেলা।

সূত্রঃ http://indianexpress.com/article/india/india-news-india/cobra-jawan-injured-clash-naxals-bijapur-2770825/


৪ ও ৫ই মে তেলেঙ্গানায় বনধ ডেকেছে মাওবাদীরা

t map new

শোষণ এবং উন্নয়নের নামে জনগণকে স্থানচ্যুতির প্রতিবাদে এবং গ্রিন হান্ট অপারেশনের বিরুদ্ধে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী) আগামী ৪ ও ৫ই মে তেলেঙ্গানা’য় বনধ ডেকেছে।

সিপিআই(মাওবাদী) তেলেঙ্গানা রাজ্য কমিটির দাপ্তরিক প্রতিনিধি জগন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে, বনধ পালন ও সফল করতে জনগণের প্রতি সনির্বন্ধ আবেদন জানান।

তিনি অভিযোগ করেন যে, যখন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স সরকার ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু ফ্যাসিবাদ জোরদার করার চেষ্টায় ছিল, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও জমি, পানি ও শক্তি বিনামূল্যে কর্পোরেটদের দেয়ার প্রস্তাব করেছিল।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/cities/Hyderabad/operation-green-hunt/article8526136.ece


বিপ্লবী চলচ্চিত্র সংবাদঃ মুক্তির অপেক্ষায় “My Days With PEOPLE’S LIBERATION GUERRILLA ARMY”

maoist8

মাওবাদী আন্দোলনের উপর দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চিত্রগ্রহণ করে নির্মিত তথ্যচিত্র, চলচ্চিত্র পরিচালক ‘সৌমিত্র দস্তিদার’ পরিচালিত ‘My Days With PEOPLE’S LIBERATION GUERRILLA ARMY‘ খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে, এমনটাই জানিয়েছেন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছত্তিসগড়ের জঙ্গলে গেরিলাদের সাথে খুব কাছে থেকে অবস্থান করে এর নির্মাণ করেছেন। এতে তৎকালীন আন্দোলনরত প্রধান ২ দল পিপলস ওয়ার গ্রুপ (PWG) এবং মাওবাদী কমিউনিস্ট সেন্টার (এমসিসি) এর সম্পর্কে ভিডিও প্রতিবেদন রয়েছে, এই দুই দল পরে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়। পরিচালক জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড এবং বিহারে মাওবাদীদের বিশাল এলাকা ভ্রমণ করে এই চলচ্চিত্রটির নির্মাণ করতে গিয়ে প্রায় ১৫ বছর সময় লেগেছে, তা ছাড়া চলচ্চিত্রটি ভারতের মৌলিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।