পুরনো রাষ্ট্রের ধ্বংসের পরই কেবল আমাকে ধর্ষণ ও আমার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ বাস্তবায়িত হবে

nepal_girl_soldier-big-gun

 

পুরনো রাষ্ট্রের ধ্বংসের পরই কেবল আমাকে ধর্ষণ ও আমার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ বাস্তবায়িত হবে

– সংগ্রামী

প্রশ্নঃ আপনার প্রকৃত নাম, বয়স এবং ঠিকানা উল্লেখ করায় আপনার কোন সমস্যা নেইতো?
উত্তরঃ আমার নাম হিমালী গোলে (সংগ্রামী), বয়স ২৩ বছর এবং আমার বাড়ি দোলাখা জেলার ১নং ওয়ার্ডের গৌরীমুদি গ্রাম গণকমিটিতে (VPC)।

প্রশ্নঃ আপনি এখন গণমুক্তি বাহিনীর কোন্ পর্যায়ে কাজ করছেন?
উত্তরঃ আমি এখন নেপাল গণমুক্তি বাহিনীর চতুর্থ ব্যাটালিয়নের অধীন বি-কোম্পানীর সহকারী কমান্ডার হিসেবে কাজ করছি।

প্রশ্নঃ আপনি কীভাবে গণযুদ্ধে যুক্ত হলেন সে সম্পর্কে অনুগ্রহ ক’রে কিছু উল্লেখ করবেন কি?
উত্তরঃ গৌরীমুদিতে পুতালিকাথ স্কুলে যখন পড়ছিলাম তখন UML [ইউ.এম.এল. হলো নেপালের সর্ববৃহৎ সংশোধনবাদী পার্টি।  যা গণযুদ্ধকে বিরোধিতা করছে।  – অনু.]-এর ঘনিষ্ঠ অখিল AKHIL [সর্ব নেপাল জাতীয় স্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নকে সংক্ষেপে অখিল বলা হয়।  – অনু.]-এর অধীনে কয়েক বছর কাজ করেছিলাম যা কিনা ১৯৯১ সালে গঠিত হয়েছিল।  ’৯৭-এ এস.এল.সি. পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবার পর আমি বুঝতে পারলাম যে, ইউ.এম.এল-এর লাইন ভুল।  সে সময়ে আমি উপলব্ধি করতাম যে, গণযুদ্ধে আমার অংশ নেয়া উচিত। ২০০০ সালে খিমতি ব্যাংক দখলের পর মাওবাদী পার্টির কমরেডগণ আমার নিকট আসেন।  আলোচনার পর আমি এতে যোগ দিতে মনস্থির করি। ২০০০ সালের ১০ ও ১১ মে মাইনা পোখারি পুলিশ ফাঁড়ি থেকে আমাদের গ্রামে পুলিশ আসে। তারা আমার বাবা, মা, বড় বোন এবং চাচা সকলকে পিটিয়ে সংজ্ঞাহীন ক’রে ফেলেছিল। আমাকেও পিটিয়ে আমার চাচার বাড়িতে তারা আমাকে ধর্ষণ করতে চেষ্টা করেছিল। প্রথমে আমি তীব্র আর্তনাদ করেছিলাম, বাধা দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমার মুখম-লে ও মাথার খুলিতে পিটিয়ে আমাকে সংজ্ঞাহীন করে। আমার জ্ঞান ফেরার পর আমি দেখলাম যে, ইতোমধ্যেই আমি ধর্ষিতা হয়েছি। আমি আর্তচিৎকার করি; (কিন্তু) তারা আমাকে ঘরের বাইরে আসতে দেয়নি।  রাতে আমি একটি জঙ্গলে পালিয়ে যাই এবং একটি গুহায় আশ্রয় নেই।  তারা সেখানে দু’দিন থাকে, পাঁঠা মেরে খায়, সম্পদ লুট করে এবং রাতে ফিরে যায়। এরপর আমি আমার বাড়িতে ফিরে আসি।
পরের দিন পুলিশ আমাকে ও আমার বাবাকে গ্রেফতার করে এবং আমাদেরকে জেলা পুলিশ সদরদপ্তরে নিয়ে যায়। যে ডি.এস.পি. আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল তাকে আমার উপর পুলিশের সমস্ত অপকর্মের কথা বলি, এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানাই। এরপর আমি সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের মাধ্যমে সমস্ত ঘটনা জনসাধারণ্যে জানাই।  প্রচন্ড চাপের মুখে তারা রাকেশ নামের সহকারী দারোগা (এ.এস.আই.)-কে হাজতে পাঠায়।  আমি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছিলাম, তারা উক্ত এ.এস.আই.-কে ৭ বছরের জেল দেয়।
আমি নভেম্বর, ২০০০-এ কমরেড রিত বাহাদুর খাদকার সাথে কথা বলি।  সেই থেকে, আমি একজন সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে নিরবচ্ছিন্নভাবে গণযুদ্ধে জড়িত আছি।

প্রশ্নঃ ২০০০ সালে যখন পুরনো রাষ্ট্র ভয়ংকর হত্যাকান্ড চালাচ্ছিল, সেই জটিল পরিস্থিতিতে আপনি কী ক’রে ঐরূপ দুঃসাধ্য পথ অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ যখন আমরা ছোট ছিলাম, তখন আমাদের উপর কমিউনিজমের প্রভাব ছিল। আমরা অবিচার, নৃশংসতা ও নিপীড়নের শিকার ছিলাম, এবং আমাদের একটি অনুভূতি ছিল যে আমাদের উচিত এ সবের বিরোধিতা করা। আমার উপর যা ঘটেছিল, দেবী খাদকাসহ অন্য নারীদের ক্ষেত্রেও তা ঘটে।  আমি অনুভব করি যে, এধরনের ঘটনার যথোপযুক্ত প্রতিশোধ নিতে এবং তার অবসান ঘটাতে নিপীড়িত সর্বহারা শ্রেণির ক্ষমতা দরকার এবং ঐ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে অবশ্যই উঠে দাঁড়াতে হবে।  ধর্ষণের ঘটনাও আন্দোলনে যোগ দিতে আমাকে আন্দোলিত করেছিল।

প্রশ্নঃ গণযুদ্ধে যোগদানের পর আপনি কীভাবে এ পর্যন্ত এসেছেন, দয়া ক’রে উল্লেখ করবেন কি?
উত্তরঃ সার্বক্ষণিক কর্মী হবার পর পি.এল.এ.-তে যোগ দিতে আমি আমার ইচ্ছা ব্যক্ত করি।  তারপর, একটি স্কোয়াডে এবং জেলা নারী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করি। কিছুদিন পর, আমি একটি এলাকা পার্টি-কমিটিতে এবং একটি স্কোয়াডে কাজ করি।  যখন পার্টি কোম্পানী গঠন করলো তখন আমি তাতে যোগ দিতে চাই। এবং এখন পর্যন্ত আমি এর অধীনে কাজ ক’রে যাচ্ছি।

প্রশ্নঃ পি.এল.এ.-তে আসার পর কোথায় কোথায় যুদ্ধে আপনি অংশ নিয়েছেন?
উত্তরঃ কিরাতেছাপ, থোকারপা, জারায়োতার, মাইনাপোখারী, খানিভানজিয়াং, ধোবি, ভাকুন্দেবেশি, চৈনপুর, ভিমান, লাহাল, ভোজপুর প্রভৃতিসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে আমি যুদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছি।

প্রশ্নঃ যুদ্ধে প্রথম অংশগ্রহণের সময় আপনি কেমন অনুভব করেছিলেন?
উত্তরঃ যুদ্ধের ফ্রন্টে প্রথম পৌঁছার পূর্বে আমি অনুভব করতাম এটা কেমন হবে; কিন্তু এটা শুরুর সাথে সাথে সাহস উজ্জীবিত হয়েছিল। যখন আমরা,
নিপীড়িতরা, যুদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছিলাম; আর সেজন্য আমি গর্বিত ছিলাম।

প্রশ্নঃ এটা বলা হচ্ছে যে নারীরা পুরুষের সমান যুদ্ধ করতে পারে না?
উত্তরঃ আমি মনে করি না যে, যুদ্ধে আমরা পুরুষের চেয়ে দুর্বল। বরং আমরা, শত-শত বছর ধরে নিপীড়িতরা মনে করি যে, যদি আমরা যুদ্ধ করার সুযোগ পাই তাহলে আমরা সবকিছু করতে পারি। মতাদর্শ আমাদেরকে শক্তি যুগিয়েছে, এবং এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, কেউ যদি সঠিক মতাদর্শ আঁকড়ে ধরে তাহলে সে সবকিছু করতে পারে। শারীরিক সমস্যার সময়ে পার্টি আমাদেরকে ব্যায়াম না করার নির্দেশ দেয়; কিন্তু নারী কমরেডগণ ঐ সময়কালেও তা করেন। আমরা কোন সমস্যা অনুভব করি না। এমনকি, এখন আমি মনে করি না যে আমরা কোনরকম দুর্বল।

প্রশ্নঃ পি.এল.এ.-তে কী পরিমাণ নারী আছে? নারী এবং পুরুষের মধ্যে কোনো পক্ষপাতিত্ব সেখানে আছে কি ?
উত্তরঃ পি.এল.এ.-তে নারী ও পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান। পার্টি একটি সুস্পষ্ট নীতি নিয়েছে; সুতরাং কোন প্রকার পক্ষপাতিত্বের প্রশ্নই ওঠে না।

প্রশ্নঃ যদিও নারীদের সংখ্যা পুরুষের সমান্তরাল। কিন্তু বাহিনীর নেতৃত্বে পুরুষদের প্রাধান্যই দেখা যায়।
উত্তরঃ পি.এল.এ.-তে এখন নারীরা কমান্ডার এবং ব্যাটালিয়ন কমিশারের দায়িত্ব পালন করছেন, তাই বাহিনীর নেতৃত্বে কোন নারী নেই প্রশ্নটা তা নয়।  অন্যদিকে, ’৯৬ সালে গণযুদ্ধ সূচনার পর প্রায় ’০১ সাল পর্যন্ত পি.এল.এ.-তে নারীর সংখ্যা খুবই কম ছিল।  যেহেতু পুরুষ কমরেডগণ দীর্ঘকাল যাবত কাজ করছেন, তাই এটা নিশ্চিত যে, তাদের পক্ষেই বেশি বিনিয়োগ, যোগ্যতা অর্জন- ইত্যাদি ঘটেছে।  কিন্তু নারীরা অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে নিজেদেরকে বিকশিত ক’রে এখন এগিয়ে আসছেন।  আমরা নারীরা, যাদেরকে প্রতিক্রিয়াশীল-ক্ষমতা ভীরু, পলাতক বলে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দাবিয়ে রাখতো, তারা এখন তাদের (শত্রুর) বিরুদ্ধে যুদ্ধকে এক জীবন-যুদ্ধে পরিণত ক’রে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন; এবং যুদ্ধফ্রন্টের প্রত্যেকটি দুঃখ-কষ্ট ও লড়াইকে সাধারণীকরণ করছেন।  আমরা এজন্য গর্বিত।

প্রশ্ন: পি.এল.এ.-এর প্রাত্যহিক রুটিন কীভাবে চলে ?
উত্তর: আমাদের বাহিনীতে খুব ভোরে শারীরিক ব্যায়াম করতে হয়। আমরা নিয়মিতভাবে ড্রিল করি। আমরা সামরিক গাইড, সামরিক রচনাবলী, সংবাদপত্র এবং রাজনৈতিক পুস্তকাদি অধ্যয়ন করি। যারা লেখাপড়া জানেন না, তাদেরকে তা শিক্ষা দেয়া হয়। বহু কমরেড এখানে আসার পর লেখাপড়া শিখেছেন। রান্না, খাওয়া, পাহারা প্রভৃতিসহ সমস্ত করণীয় কাজ, রুটিন মত চলে। আমরা যুদ্ধ সংক্রান্ত কাজ, উন্নয়নমূলক কাজ, জনগণের সেবামূলক কাজ, গণজমায়েত এবং অন্যান্য বিভিন্ন অভিযানেও অংশ নেই।

প্রশ্নঃ যখন আপনারা গ্রামাঞ্চল পরিদর্শন করেন, তখন অন্যান্য নারীরা কীরূপ প্রতিক্রিয়া দেখায় ?
উত্তরঃ যখন আমরা পি.এল.এ.’র পোষাকে গ্রামাঞ্চল পরিদর্শন করি, তখন মায়েরা এবং বোনেরা আমাদেরকে খুব ভালবাসে। শুরুতে যখন তারা আমাদেরকে যোদ্ধার পোষাকে দেখত, তখন পি.এল.এ.-তে নারীদের দেখে তারা আশ্চর্য বোধ করতো, তারা আমাদের দেখতে আসতো এবং বিভিন্ন কৌতূহল প্রকাশ করতো। কিন্তু এখন, কিছু কিছু উঠতি বয়সী বালক ও বালিকারা বলে যে, তারা আমাদের সাথে চলে আসবে; আর কিছু কিছু বৃদ্ধা মায়েরা বলেন, আমরা যদি জোয়ান থাকতাম তাহলে আমরাও তোমাদের মত যুদ্ধ করতে পারতাম।  কিছু ক্ষেত্রে, তারা তাদের উপর নিপীড়ন, অত্যাচার ও শোষণের গল্প শোনায় এবং দাবি করে যে, তাদেরকে যুদ্ধ করার সুযোগ দিতে হবে।

প্রশ্নঃ কিছু লোক বলে যে, পি.এল.এ-তে নারীদের উপর যৌন নিপীড়ন আছে?
উত্তরঃ এটা শুধু এক কাল্পনিক কাহিনী যে, সেখানে যৌন নিপীড়ন আছে।  যারা পি.এল.এ.-কে অপবাদ দিতে চায়, এগুলো তাদের দ্বারা আনীত মিথ্যা অভিযোগ।  পি.এল.এ. মার্কসবাদী নিয়মানুসারে কাজ ক’রে। এখানে প্রেম এবং বিয়েও সংঘটিত হয় এই নিয়মানুসারে। যদি কেউ ত্রুটি করে তাহলে তাদেরকে দারুণভাবে শাস্তি দেয়া হয়।

প্রশ্নঃ আমরা শুনেছি যে, পুরনো রাষ্ট্র আপনার বাবাকে হত্যা করেছে, তিনি কীভাবে নিহত হয়েছেন ?
উত্তরঃ ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৩, আমাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন আমার বাবা রাম বাহাদুর লামা গোলে (৫২) এবং নামডু ভিপিসি-তে তারা তাকে হত্যা করে।  ১৯৯৫ সালের পর তিনি ৪ বছর জেলে ছিলেন।  তিনি ভিপিসি’র প্রধান ছিলেন এবং গণযুদ্ধে অংশ নিচ্ছিলেন।

প্রশ্নঃ যখন আপনি আপনার বাবার হত্যার সংবাদ পেলেন, তখন আপনি কেমন অনুভব করেছিলেন ?
উত্তরঃ কেউ যখন তার নিজের বাবার মৃত্যু সংবাদ শোনে, তখন তার কোন দুঃখ হবে না- এমন প্রশ্ন ওঠে না।  এটা একটা যুদ্ধ; বিপ্লবে শুধু নিজের রক্তই নয়, বহু লোকের রক্ত ঝরেছে।  আজকে বিরাট অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে নেতৃত্ব, ক্যাডার ও জনগণের বড় বড় আত্মত্যাগের থেকে।  এটা যুদ্ধের একটা নিয়ম।  অবশ্যই আমার বাবার মহান মৃত্যুর জন্য আমি গর্বিত হব, এবং অবশ্যই আরো দৃঢ়ভাবে যুদ্ধে লেগে থাকব।  পুরনো রাষ্ট্রের ধ্বংসের মাধ্যমেই কেবল আমাকে ধর্ষণ ও আমার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ বাস্তবে পরিণত হবে।

প্রশ্নঃ পি.এল.এ.-তে যোগদান উপলক্ষে এখন আপনি কেমন বোধ করছেন?
উত্তরঃ আমি মনে করি যে, পি.এল.এ.-তে যোগ দেয়া বেছে নিয়ে ভাল করেছিলাম। কিন্তু আমি মনে করি আমার দেরি হয়েছিল; আরো আগেই আমার যোগদান করা উচিত ছিল।

প্রশ্নঃ আপনি কি আত্মবিশ্বাসী যে লড়াই ক’রে পুরনো রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা সম্ভব হবে ?
উত্তরঃ আমরা জিততে পারি এর উপর প্রশ্ন তোলাটা প্রয়োজনীয় নয়।  এই যুদ্ধ, যা কিনা গতকাল পাথর আর ব্যাটনের মাধ্যমে লড়া হয়েছিল, তা এখন এমন এক মাত্রায় উপনীত হয়েছে যা বাংকার, আমেরিকান অস্ত্রশস্ত্র, পরিকল্পনা এবং আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক প্রশিক্ষণের সজ্জায় সজ্জিত রাজকীয় আমেরিকান বাহিনীকে পরাজিত করার শক্তি অর্জন করেছে।  পুরনো রাষ্ট্র এখন রাজধানী এবং হেডকোয়ার্টারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ……….আমাদের আগামী যুদ্ধ হচ্ছে শেষ এবং নির্ধারক যুদ্ধ।  শত্রু যখন ধ্বংসের মুখে তখন আমাদের আক্রমণ তার বিলোপ পর্যন্ত এগিয়ে যাবে এবং সর্বহারারা বিজয়ের পতাকা প্রজ্জ্বলিত করবে।

প্রশ্নঃ সবশেষে আপনি কি কিছু বলবেন ?
উত্তরঃ আমি পি.এল.এ.-এর একজন নারী যোদ্ধা হিসেবে সমগ্র নারী জাতিসহ সকল জনগণের কাছে এই চূড়ান্ত যুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য আবেদন জানাতে চাই।  আমি ‘জনাদেশ’-এ আমাদের মতামতের জন্য স্থান বরাদ্দ করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই।

সূত্রঃ [নারী মুক্তি/৩নং সংখ্যায় প্রকাশিত ॥ ফেব্রুয়ারি, ’০৫।
সাক্ষাতকারটি নেপালের বিপ্লবী পত্রিকা ‘জনাদেশ’-এর ২৫ মে, ২০০৪ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল।]



Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.