কলকাতাঃ ১১ই জুলাই ‘নারীদেহ ও রাষ্ট্র – কাশ্মীরের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক আলোচনা

Kasmir_Invitn-1-page-001


কলকাতাঃ বস্তারে আদিবাসীদের উপর যুদ্ধ বন্ধ করুন!

13508860_1249807085050136_4223519981420380451_n

13528659_1249791848384993_8812995946814362550_n

13529112_1249791535051691_8670261476112104738_n


গুলশানের বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা’

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা

মোবাইল: ০১৯১৫২২১৯৮০

বিবৃতি

তারিখ: ০৩-০৭-’১৬

গুলশানে জঙ্গী-মৌলবাদীদের বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ধর্মীয় মৌলবাদের স্রষ্টা সাম্রাজ্যবাদ, পৃষ্ঠপোষক দালাল শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন

১ জুলাই’১৬ রাত ৮-৩০ মিঃ এ একদল মৌলবাদী জঙ্গী অস্ত্র-গোলাবরুদসহ গুলশানের একটি অভিজাত রেস্তোরায় ঢুকে দেশি-বিদেশী বেশ কিছু নারী-পুরুষকে জিম্মি করে।  তারা রাতভর দেশি-বিদেশী ২০ জনকে জবাই করে হত্যা করে। পত্রিকায় প্রকাশ অস্ত্রধারীরা জঙ্গী নেতা সাইফুল্লাহ’র মুক্তি এবং হামলাকারী জঙ্গীরা নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার দাবী করেছিল। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন অস্বীকার করছেন জঙ্গীরা কোন শর্ত দেয়নি।  র‌্যাব-এর মহা পরিচালক বেনজির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে কিছু করা যায় কিনা চেষ্টা করছি।  কারণ প্রতিটি জীবন আমাদের কাছে মহামূল্যবান।  কিন্তু শান্তিপূর্ণ উপায়ে তারা কি কি চেষ্টা করেছে তার কোন তথ্য সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেনি।  বরং পুলিশ-প্রশাসন থেকে সাংবাদিকদের শাসিয়েছে এই বলে যে,তারা যেন ঘটনাস্থল থেকে দূরে অবস্থান করে এবং ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার না করেন।  তা না হলে তাদেরকে জিম্মি উদ্ধার কাজে বাধাদানকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।  শেষে দেখা গেল সমস্ত বিভাগের ফোর্স যৌথ অভিযান চালিয়ে ২০ জনের প্রাণের বিনিময়ে ৬ জঙ্গীকে হত্যা করে ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।  বিগত কয়েক বছর যাবত ধর্মীয় মৌলবাদী জঙ্গী গোষ্ঠী প্রগতিশীল লেখক, প্রকাশক এবং মুক্ত মনা ব্লগারদের হত্যা করছে একের পর এক।  আওয়ামী মন্ত্রীরা এমনকি প্রধানমন্ত্রী এর জন্য প্রগতিশীল লেখক-প্রকাশক এবং মুক্তমনা ব্লগারদের ধর্মের অবমাননাকারী বলে বিরোধীতা করে জঙ্গী মৌলবাদীদের পক্ষ নিয়েছে। তার পর একে একে বিদেশী, ধর্মযাজক, পুরোহিত, শিয়াদের উপর হামলা ও হত্যার ঘটনা যখন ঘটে চলেছে এবং প্রতিটি ঘটনায় আইএস তার দায়িত্ব শিকার করেছে ও করছে।  তখনও মন্ত্রীরা তারস্বরে বলছে দেশে কোন আইএস নেই এবং এর দায়ভার তাদের প্রতিপক্ষ বিএনপি-জামাতের উপর চাপিয়ে মূলত মৌলবাদী জঙ্গীদেরই রক্ষা করেছে ও বিকশিত হতে দিয়েছে।  সম্প্রতি সপ্তাহব্যাপী সরকারী অভিযানে জঙ্গী দমনের নামে যে ১৩ হাজার লোক গ্রেপ্তার করেছে যার অধিকাংশই বিএনপি-জামাত এর নেতা-কর্মী। গুলশান ঘটনার ক্ষেত্রেও সরকার একই বক্তব্যের পুনারাবৃত্তি করছে। সরকার বলছে এই হামলার সাথে আইএস’র সম্পর্ক নেই। তারা এটা বলে তাদের উপর মার্কিসসহ সাম্রাজ্যবাদের চাপ এড়াতে চাইছে এবং বিএনপি-জামাত’র কর্ম বলে দেখাতে চাইছে। সারা বিশ্ব জানে এই মৌলবাদী জঙ্গীদের সৃষ্টি ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে চলেছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ।  মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ মৌলবাদকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন দেশে আগ্রাসন ও অনুপ্রবেশের ষড়যন্ত্র করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করছে।  দেশে জঙ্গীদের ধারাবাহিক হত্যাকান্ড এবং সর্বশেষে গুলশান হত্যাকান্ডের সাথে সাম্রাজ্যবাদ এবং দেশীয় শাসকশ্রেণির কোন গোষ্ঠীর যুক্ত থাকাটা অমূলক নয়। দালাল শাসকশ্রেণি ও সরকার দেশে এই মৌলবাদীদের জিইয়ে রাখছে তাদের শ্রেণিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থেই। এদেশে জঙ্গী হামলায় মার্কিনের উদ্বিগ্নতা আজ দৃষ্টিগ্রাহ্য। গুলশান ঘটনায়ও মার্কিনসহ সাম্রাজ্যবাদীরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে যা আওয়ামী লীগের বিপক্ষে এবং বিএনপি’র পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  তাই, কিছু দিন যাবৎ আওয়ামী মন্ত্রীরা এবং প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন এই জঙ্গী হামলার পিছনে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী গুলশানের হত্যাকান্ডের পরও তার ভাষণে বলেছেন দেশী-বিদেশী একটি চক্র বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকগণও বলছেন এই হামলাকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখতে পারছি না। কিন্তু এই মৌলবাদী জঙ্গী তৎপরতা জিইয়ে রেখে বিএনপি-জামাতকে কোনঠাসা করার অপকৌশল আওয়ামী লীগের থাকলেও এখন তা তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুলশান হত্যাকান্ড তার প্রমাণ। আজ প্রধানমন্ত্রী যতই বলুক না কেন জঙ্গীদের তারা নির্মূল করবেন। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব নয়। কারণ ধর্মীয় মৌলবাদীরা বিচ্ছিন্ন কোন গোষ্ঠী নয়, এরা সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার অংশ। এদের সৃষ্টিকারী ও পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, দালাল শাসকশ্রেণি এবং আওয়ামী সরকার নিজে। তারা নিজ নিজ স্বার্থে মৌলবাদীদের ব্যবহার করে। গুলশানের হতাহতরা এদের এই ঘৃন্য রাজনীতির শিকার।  আমরা এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে মনে করি ধর্মীয় মৌলবাদের স্রষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক সাম্রাজ্যবাদ, ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ দালাল শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র ও সরকার উচ্ছেদ ছাড়া ধর্মীয় মৌলবাদকে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়।

বার্তা প্রেরক

বিপ্লব ভট্টাচার্য

সদস্য

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা


13615089_1556569264650692_7192573051506520277_n


গুলশানের হলি আর্টিজান হোটেলে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে রূপান্তরের মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

13570359_504566276393190_58483071_o

রূপান্তর

তাহেরপুর, রাজশাহী

গুলশানের হলি আর্টিজান হোটেলে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে রূপান্তরের মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

গত সোমবার বিকেল ৫ টায় রাজশাহীর তাহেরপুরে রূপান্তরের উদ্যোগে গুলশানের হলি আর্টিজান হোটেলে হামলার প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ।বিকেল ৫টায় হরিতলা বাজার মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে হরিতলা মোড়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে রূপান্তরের সদস্য বিশাল কুমার মহন্তের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক আহনাফ আতিফ অনিক, রূপান্তরের সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ ও রূপান্তরের উপদেষ্টা তামিম।  বক্তারা হলি আর্টিজান হোটেলে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানান।  সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে বলেন ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত যারা জঙ্গিদের পেলেপু্ষে বড় করেছে তাদেরও বিচার করতে হবে।  আর তা হবে জনগনের আদালতে। বক্তারা বলেন বাংলাদেশ খুন-গুম-ধর্ষণ-হত্যার ক্ষেত্রে রেকর্ড করেছে।  এই হত্যাকান্ডের সাথে শাসকগোষ্ঠীর একাংশ জড়িত।বক্তারা বলেন হলি আর্টিজান হামলার পেছনে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদদ রয়েছে।  কারণ আইএস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি।  আজ যখন হত্যাকান্ডগুলো ঘটছে তখন সরকার নানা রকম টালবাহানা করে ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।গণমাধ্যম সম্পর্কে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীরর বক্তব্য থেকে তা স্পষ্ট বোঝা যায়। জনগন এসব ঘটনার পেছনের বিষয়গুলো জানতে শুরু করেছেন।  জনগন জানেন কেন এই হত্যাকান্ডগুলো ঘটছে এবং কারা এর জন্য লাভবান হচ্ছে।  রূপান্তর মনে করে সমাজের আমূল রূপান্তরের মাধ্যমে এসব হত্যাকান্ড -খুন-গুমের অবসান হওয়া সম্ভব।  তাই রূপান্তর সমাজের আমূল রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি মানবিক সমাজের জন্য সংগ্রাম করছে।

বার্তা প্রেরক

তন্ময় তনু

ম্পাদক, রূপান্তর

 13595917_504564796393338_262753696_n

মাওবাদীর হাতে এম-১৬ রাইফেল, উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার

3208fb96113031dac3dc133b44b5ab41

বিহার-ঝাড়খণ্ডের মাওবাদীদের হাতে এম-১৬ রাইফেল-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্রসম্ভার পৌঁছচ্ছে বলে জানাল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। ওই অস্ত্রসম্ভার উত্তর-পূর্বের স্বাধীনতাকামীরা সরবরাহ করছে বলেও জানিয়েছে তারা।  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিষয়টি বিহার ও ঝাড়খণ্ড পুলিশকে জানিয়েছে।  ওই দুই রাজ্যের পুলিশকর্তাদের সতর্ক থাকতেও বলেছে কেন্দ্র।  তবে আধুনিক অস্ত্র হাতে পাওয়ায় গত বছর দেড়েক ধরে কোণঠাসা মাওবাদীরা বড় ধরনের হামলা করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

অস্ত্রপাচার ও পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও জঙ্গি মোকাবিলার জন্য জুলাইয়ে দিল্লিতে বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব ও নাগাল্যান্ডের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস) ও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনআইএ।  এনআইএ-র শীর্ষ কর্তারা সেই বৈঠকে থাকবেন।  বৈঠকে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রাজ্যগুলিকে দেওয়া হবে।  কী ভাবে ওই অস্ত্র ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়েও সেখানে আলোচনা হবে।  পুরো সিন্ডিকেটকে একবারে সমূলে বিনাশ করতে উঠেপড়ে লেগেছে এনআইএ। আর সে কাজে রাজ্যের এটিএস এবং এসটিএফকে সঙ্গে নিয়েই অভিযান চালাতে চাইছেন এনআইএ কর্তারা।

এনআইএ-র তথ্য বলছে, অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ নাগাল্যান্ড থেকে অস্ত্র বিহার-ঝাড়খণ্ড সীমা হয়ে পৌঁছে দিচ্ছে বিহারের মুঙ্গেরে।  বছর কয়েক ধরেই গোয়েন্দারা উত্তর-পূর্বের জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছেন। ২০১০ সালে পটনায় অ্যান্থনি সিমরে গ্রেফতার হয়।  তাকে জেরা করে তাইল্যান্ডের বাসিন্দা উইলির নাম পায় এনআইএ।  সেই উইলিকে থাইল্যান্ড থেকে গ্রেফতার করে দিল্লিতে এনে জেরা করা হয়।

২০১৩ সালে নাগাল্যান্ডের একটি থানায় অস্ত্রপাচার সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেছিল এনআইএ।  গোটা তদন্তে বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও পঞ্জাবের কয়েক জন ব্যবসায়ীর নাম পেয়েছেন তারা। সেই ব্যবসায়ীদের মোবাইল ও ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে অস্ত্রপাচার সংক্রান্ত সিন্ডিকেটের কথা জানতে পেরেছে এনআইএ।  গত কয়েক দিনে সেই ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০-৪০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে।  কলকাতার একটি ব্যাঙ্কের লেনদেনও সেই সূত্রে গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

মুঙ্গেরকে দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র কারবারীরা ‘ট্রানজিট পয়েন্ট’ হিসেবে ব্যবহার করে। গোয়েন্দাদের মতে, সেখানেই এম-১৬ রাইফেল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর মাওবাদীদের হাতে তা পৌঁছে গিয়েছে।  এম-১৬ রাইফেল নিয়ে গোয়েন্দারা চিন্তিত কেন!

পুলিশের এক বড়কর্তার ব্যাখ্যা, ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত এম-১৬ আমেরিকান সৈন্যদের প্রধান অ্যাসল্ট রাইফেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  এত বছর ধরে সেনাদের প্রধান অ্যাসল্ট রাইফেল হিসেবে এই রাইফেলের টিকে থাকা থেকেই বোঝা যায় এর গুরুত্ব।  এখনও পর্যন্ত ৮০ লক্ষের বেশি এম-১৬ তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি সিলেকটিভ ফায়ার অটোমেটিক রাইফেল।  এটি গ্যাস-অপারেটেড, রোটেটিং বোল্ট রাইফেল।  এর ওজন প্রায় সাড়ে ৩ কেজি, গুলি ভরার পরে প্রায় ৪ কেজি।  ব্যারেল লম্বায় ২০ ইঞ্চি।  ম্যাগাজিন ক্যাপসিটি ৩০ রাউন্ড।  প্রায় ৫৫০ মিটার পর্যন্ত অব্যর্থ লক্ষ্য। এর অটোমেটিক রেট অফ ফায়ার ৭৫০-৯০০ রাউন্ড। এতে বিভিন্ন রকম সাইট এবং এম-২০৩ গ্রেনেড লঞ্চারও যুক্ত করা যায়।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/nia-concerned-m-16-in-terrorists-hand-1.423635#