মাওবাদী মোকাবেলায় সিআইএফের সদর দফতর তৈরি হচ্ছে শালবনিতে

3-counter-insurgency-force

স্থায়ী ঠিকানা পেতে চলেছে মাওবাদী মোকাবিলার বিশেষ বাহিনী ‘কাউন্টার ইনসারজেন্সি ফোর্স’ (সিআইএফ)। বাহিনীর সদর দফতর হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনিতে।  সদর দফতর তৈরি হলে প্রশিক্ষণও হবে এখানেই।

এত দিন কখনও গড়িয়া, কখনও দুর্গাপুর— এই ছিল বাহিনীর সদর দফতর। প্রশিক্ষণ হত সালুয়ার ইএফআর জওয়ানদের জন্য তৈরি ফায়ারিং রেঞ্জে।  তাই ২০১৩ সাল থেকে একটি স্থায়ী ঠিকানার সন্ধান চলছিল বাহিনীর জন্য। শালবনির সরস্বতীপুরে প্রায় দেড়শো একর জমি সেই খোঁজ মিটিয়েছে। ইতিমধ্যেই পাঁচিল তৈরির কাজ শেষ। সিআইএফের আইজি অজয় নন্দা বলেন, “বছর দু’য়েকের মধ্যেই সদর দফতর নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে।  তারপর থেকে এখানেই থাকা, প্রশিক্ষণ— সব হবে।”

অন্ধ্রপ্রদেশে ‘গ্রে হাউন্ড’-এর ধাঁচে জঙ্গলমহলে মাওবাদী মোকাবিলার লক্ষ্যে রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলদের দিয়ে সিআইএফ তৈরি হয়েছিল ২০১০ সালে।  তখন খুন-জখম, ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ ছিল জঙ্গলমহলে নিত্যকার ঘটনা। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে আর নাশকতার ঘটনা ঘটেনি। রাজ্য সরকারেরও দাবি, বর্তমানে জঙ্গলমহলে মাওবাদীরা আর নেই। তবে লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী সক্রিয়তা রয়েছে। সীমানা এলাকায় তাদের গতিবিধিও রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে যাতে মাওবাদীরা জঙ্গলমহলে মাথাচাড়া না দিতে পারে সে জন্য রাজ্য সরকার তৎপর।  তাই মাওবাদী মোকাবিলায় পারদর্শী সিআইএফকে রাখা হচ্ছে।  রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর একাধিক ক্যাম্পও।

রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলদের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের বেছে নেওয়া হয় সিআইএফে। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফায়ারিং রেঞ্জের বাইরে জঙ্গলে গিয়েও চলছে প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণের পর তিন-সাড়ে তিন বছর বাহিনীতে রাখার পর ফিরিয়ে দেওয়া হবে থানায়। আইজি বলেন, “জঙ্গলের প্রতিকূল পরিবেশেও কীভাবে লড়াই করতে হবে, সেই প্রশিক্ষণেই জোর দেওয়া হয়।”

সিআইএফ বাহিনীর এতদিন স্থায়ী কোনও ঠিকানা ছিল না। তার জন্য খোঁজ শুরু হয় ২০১৩-তে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, জঙ্গলমহলের তিন জেলাতেই খোঁজ চলে। কিন্তু সদর দফতরের জন্য ন্যূনতম দেড়শো-দু’শো একর জমি প্রয়োজন ছিল। অবশেষে শালবনির সরস্বতীপুরে জমি পাওয়া যায়। আপাতত, পাঁচিল তোলার কাজ শেষ। এরপর ফায়ারিং রেঞ্জ, ব্যারাক, অফিস, আধিকারিকদের আবাসন, ধাপে ধাপে সব তৈরি হবে।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/district/mednipore/cif-is-headquart-in-salboni-1.437055#popup

Advertisements

মাওবাদী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ৬০০টি স্থানে CCTV ইন্সটল করা হয়েছে

CCTV-Control-Room-570x350

অনূদিতঃ

বিশাখাপত্তনম: ভারতে মাওবাদী আন্দোলন এবং অবৈধ গাঁজা ব্যবসার ওপর কঠোর নজরদারি রাখতে, গ্রামীণ পুলিশ প্রায় ৬০০টি স্থান চিহ্নিত করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাচ্ছে।  এসপি রাহুল দেব শর্মার মতে, ৬০০টি স্থানের মধ্যে প্রায় ২৫০টি মাওবাদী প্রভাবিত।  এসব সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো পুলিশ স্টেশনের ভেতরে ও বাইরেসহ অন্যান্য স্থানে বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল।  এর আগে গ্রামীণ পুলিশ সিসিটিভি’র অনুমোদনের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে সার্ভে করা একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রেরণ করেছিল।

সূত্রঃ http://www.newindianexpress.com/states/andhra_pradesh/CCTVs-to-be-installed-at-600-places-to-control-maoist-movement/2016/07/17/article3532972.ece


ছত্তিসগড় ভিত্তিক নকশাল অঙ্গ সংগঠনের নেটওয়ার্ক দেশব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে

WP_20150201_16_56_20_Smart1

নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)’র ছত্তিসগড় ভিত্তিক একটি অঙ্গ সংগঠন  কলকাতা, মুম্বাই এবং দিল্লি মত মেট্রো এলাকার মধ্যে তাদের নেটওয়ার্ক দ্রুত ছড়িয়ে দিচ্ছে।  এই অঙ্গ সংগঠন ‘জল-জঙ্গল-জমিন’ বা পানি, বন ও ভূমি- উন্নয়নের নামে ক্ষতি থেকে রক্ষা করার আহবান জানিয়ে সরকার বিরোধী সেন্টিমেন্ট তৈরি করছে।  গোয়েন্দা ইউনিট সূত্র জানায়, একই আদর্শের নকশালদের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন নাগপুরেও খুবই সক্রিয়……

সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/city/nagpur/Chhattisgarh-based-Naxal-front-spreads-nationwide-network/articleshow/53245229.cms


তুরস্কঃ দারসিমে প্রতিক্রিয়াশীল সেনাদের উচ্ছেদ করেছে মাওবাদীরা

whereissokolov

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে তুরস্কের দারসিম অঞ্চলে মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MKP) এর সশস্ত্র শাখা পিপলস লিবারেশন আর্মি (HKO) পুলিশ স্টেশনগুলোর বিরুদ্ধে ২টি সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রের ৩ সেনাকে উচ্ছেদ করার দায় স্বীকার করেছে।