সন্দেহভাজন ৩ মাওবাদী নারী ছদ্মবেশী জীবনে থেকে রিক্রুটের জন্যে প্রচারণা চালাতেন

13781800_951413648297963_578538147150700152_n

অনূদিতঃ

সন্দেহভাজন ৩ মাওবাদী নারী নেতৃত্ব পুলিশের নজরদারী এড়াতে দূরবর্তী প্রত্যন্ত অবস্থান বেছে নিয়েছেন।  

শীর্ষ নারী নেতৃত্ব ‘কালা’ যদিও নিরক্ষর তবুও তিনি অস্ত্র চালনায় পারদর্শী ও মাওবাদী মতাদর্শে সুদক্ষ।   

পুলিশ সুত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক জীবনের আড়ালে থাকা সন্দেহভাজন ৩ মাওবাদী নারী নেতৃত্ব Q BRANCH পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছেন।

এই তিন জনের মধ্যে, কালা ওরফে জানকী(৫২)কে তামিলনাড়ুর মাওবাদী আন্দোলনের সবচেয়ে বিশিষ্ট নেত্রী বলা হয় এবং ধারণা করা হয় তিনি অস্ত্র চালনায় সুপ্রশিক্ষিত।  পার্টির অন্যান্য ক্যাডাররা তাকে ‘আম্মা’ বলেই ডাকেন।  তিনি নিরক্ষর, কিন্তু মাওবাদী মতাদর্শে তার গভীর জ্ঞান ছিল এবং অস্ত্র চালনায় খুব প্রশিক্ষিত বলে কারুর পুলিশের একটি সূত্র জানায়।

তিনি কারুরে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন, কিন্তু জীবনযাত্রার জন্যে প্রায়ই তার স্থান পরিবর্তন করতে হত। পুলিসি নজরদারী এড়াতে তিনি অধিকাংশ এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে অবস্থান করতেন।

সূত্র মতে, মাওবাদীদের সবচেয়ে সাধারণ সভাস্থল হিসেবে ধারণা করা তামিলনাড়ু, কেরালা ও কর্ণাটক জংশনে নতুন মাওবাদীদের অন্যতম প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি।  কালা’র স্বামী মানিকাভাসাগাম একজন মাওবাদী কর্মী, পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী তিনি এখনো পলাতক রয়েছেন।  পুলিশের ধারণা, কালা জনগণের মধ্যে মাওবাদী আন্দোলনের যোগদানের জন্য প্রচারণার কাজে জড়িত ছিলেন।  পুলিশের দাবী, তার বিরুদ্ধে ২৯টি মামলা বিচারাধীন ছিল।

আরেক সন্দেহভাজন মাওবাদী, রেন্না জয়েস মরিয়ম(৩২), মাত্র ১ মাস আগে কাঞ্চীপুরম জেলায় পাদাপাইতে আসে এবং একটি বেসরকারী টেক্সটাইল ফার্মে একজন দর্জি হিসেবে যোগদান করেছেন বলে বলা হয়েছে।  সেখানে ঐ ফার্মে সপ্তাহে শুধুমাত্র কয়েক দিনের জন্য কাজ করত।  বাকি দিনগুলোতে তিনি জনগণকে মাওবাদী আন্দোলনে যোগদানের প্রভাবিত করত বলে কাঞ্চীপুরম পুলিশ সূত্র জানায়।  রেন্না’র স্বামী কান্নানও একজন সন্দেহভাজন মাওবাদী কর্মী, যিনি ২০০২ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন।  উথাঙ্গারাই’তে রাজ্য পুলিশের এক অভিযানে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন।

গ্রেফতার হওয়া ৩য় নারী চন্দ্র(৪২) কারুরে কালা’র সাথেই থাকতেন এবং একজন বাজিকর হিসেবে কাজ করতেন। আটককৃত এই ৩ জন পার্টির অন্যান্য ক্যাডারদের সাথে একটি গোপন যোগাযোগ পদ্ধতির বিকাশ ঘটিয়েছিল, যা পুলিশের সোর্স ব্যাখ্যা করতে অস্বীকার করে।

Q BRANCH এর এসপি এম. মহেস্বরন অভিযুক্ত মাওবাদীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরে তাদের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।  যেহেতু দুই নারী – কালা ও চন্দ্র – বলেন যে, পুলিশ তাদের গ্রেফতারের পর কোন খাবার দেয়নি, তাই ম্যাজিস্ট্রেট তাদের খাবার কিনে দেয়ার জন্যে পুলিশকে নির্দেশ দেন।  ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ দিনের বিচারিক হেফাজতে রাখার জন্য তাদের তিরুছি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেন এবং ৫ই আগস্ট পর্যন্ত মামলাটি স্থগিত করেন।অপরদিকে রেন্নাকে ভেলোর কারাগারে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

সুত্রঃ http://www.newindianexpress.com/states/tamil_nadu/Suspected-Maoists-led-lives-undercover-canvassing-for-recruits/2016/07/23/article3543257.ece

Advertisements


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s