বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ ‘How the steel was tempered'(নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির ‘ইস্পাত উপন্যাস’)

SovietBook-Ishpat-part2-NikolaiOstrovsky-cover

বিখ্যাত বিপ্লবী লেখক নিকোলাই আলেক্সিভিচ অস্ত্রোভস্কি এর উপন্যাস ‘How the steel was tempered‘( বাংলায় ‘ইস্পাত’ নামে পরিচিত) নিয়ে ১৯৪২ সালে নির্মিত হয় এই চলচ্চিত্র।

[ নিকোলাই আলেক্সিভিচ অস্ত্রোভস্কি (১৯০৪-১৯৩৬) সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতা যুগের লেখক। তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘ইস্পাত’ (How the Steel Was Tempered – ইস্পাত)। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৩৫ সালে ‘অর্ডার অব লেনিন’-এ (Order of Lenin) ভূষিত হন।

নিকোলাই অস্ত্রোভস্কি ১৯০৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত ইউক্রেনের অস্ট্রস শহরের ভিলিয়া গ্রামে একটি শ্রমিকশ্রেণি পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। নয় বছর বয়স পর্যন্ত সেখানেই তিনি স্কুলে যান এবং ১৯১৪ সালে তার পরিবার সমেত রেল স্থাপনার শহর শেপিতিভকায় চলে যান যেখানে তিনি রেলওয়েতে কাজ করা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ঐ রেল কোম্পানির রকটি শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রের ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে পদন্নতি পান। ১৯১৭ সালে মাত্র তেরো বছর বয়সে তিনি বলশেভিক পার্টির সদস্য হন। সেই সময়ই তিনি একটি মারাত্বক রোগে আক্রান্ত হন যা তাকে পরবর্তীতে কিছুদিনের মধ্যেই অন্ধ এবং শয্যাশায়ী করে দেয়।

দাপ্তরিক নথি অনুযায়ী জার্মানরা যখন ১৯১৮ সালের বসন্তে তার শহর দখলে নিয়ে নেয় তখন তিনি স্থানীয় বলশেবিভ পার্টি সরিয়ে নেন। যুদ্ধে অনেকবার আহত এবং গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তিনি মারাত্বক ভাবে অসুস্থ হন এবং অনেকবার চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হন। তার নিজের লেখা জীবনীতে তিনি কখনই উল্লেখ করেননি যে তিনি রেড আর্মিতে কাজ করেছেন। অসুস্থতার দরূন ১৯২৯ সালের দিকে তিনি চিরতরে তার দৃষ্টিশক্তি হারান। দৃষ্টিশক্তি না থাকার পরেও ১৯৩০ সালের দিকে তিনি তার জীবনের প্রথন উপন্যাস ‘How the steel was tempered‘/ ইস্পাত লেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে তার উপন্যাস এবং লেখার জন্য কমিউনিষ্ট বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান এবং ১৯৩৫ সালে অর্ডার অফ লেনিন সম্মাননায় ভূষিত হন। মারাত্বক অসুস্থতার দরূন ১৯৩৬ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুর আগে তিনি তার উপন্যাস বর্ন অফ দ্যা স্টোর্ম শেষ করে যেতে পারেন নি।

নিকোলাইকে যারা খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম আন্না কারাভায়েভা। তাঁর দায়িত্বেই ‘ইস্পাত’ উপন্যাসটি ‘মলোদায়া গভারদিয়া’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং আন্না ছিলেন সেই পত্রিকার তৎকালীন প্রধান সম্পাদক। ]

8pF6Iv1pqJgbQ6xVOYJ67MpmQpP

Advertisements


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s