ঝাড়খণ্ডে পুলিশ-মাওবাদীদের গুলির লড়াই, জখম জওয়ান

mao_web

বেলপাহাড়ি-ঘাটশিলা সীমানায় পুলিশ ও মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ে জখম হলেন এক জওয়ান। আহত জওয়ানকে কপ্টারে করে রাঁচি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শনিবার থেকে যৌথভাবে বাংলা ও ঝাড়খণ্ড পুলিশ তিনদিনের অপারেশন শুরু করেছে। পূর্ব সিংভূমের ঘাটশিলার বাসাডেরা জঙ্গলে এই অপারেশন চলছে।

সিপিআই (মাওবাদী) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ও রাজ্য কমিটির সদস্য অতুল মাহাতোর স্কোয়াড বাসাডেরায় রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। এরপরই জঙ্গলে অভিযান চালায় তারা। শুক্রবার রাতেই সেখানে ঘাঁটি গাড়ে তারা। শনিবার ভোরের আলো ফুটতেই শুরু হয় গুলির লড়াই। সকাল ১১টা থেকে দু’পক্ষের মধ্যে মুখোমুখি লড়াই শুরু হয়।

জখম জওয়ান ওমপ্রকাশ পশ্চিম মেদিনীপুরের কাঁকড়াঝোড়ের সিআরপিএফ ক্যাম্পের কোবরা বাহিনীর সদস্য। এলাহাবাদের বাসিন্দা তিনি। পূর্ব সিংভূমের এসপি (গ্রামীণ) শৈলেন্দ্র বর্ণওয়াল বলেন, আকাশ ও অতুলের স্কোয়াডের সঙ্গে বাহিনীর মুখোমুখি সংঘর্ষে এক জওয়ান জখম হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাসাডেরায় অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই জঙ্গল ঘিরে ফেলেছে। অপারেশন চলছে।

সূত্রঃ http://www.sangbadpratidin.in/gunfight-between-maoists-and-security-forces-rages-in-singhbhum/

 


দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র-ছাত্রী‌দের উপর ফ্যা‌সিস্ট হিন্দুত্ববাদী আক্রমণ- প্রতিবাদের নতুন ধরণ

16804280_1252411101510862_6085345533940956196_o

16835824_1250526045035349_4742206537774145317_o

16836490_10154832393505907_7563802635717891224_o

16864567_1369781586398664_7881807791023165586_n

16904812_1123991944412723_6659173495393523900_o

16904895_10212184889635891_6660937403803912165_o

studentsagainstabvp_facebook_759

16831961_1220017101446919_4009620713472134977_n

গুরমেহের কাউর

গুরমেহের কাউর

দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র-ছাত্রী‌দের উপর ফ্যা‌সিস্ট হিন্দুত্ববাদী আরএসএস-‌বি‌জে‌পি-এবি‌ভি‌পি’র হামলার প্রতিবাদে দেশজু‌ড়ে সোস্যাল মি‌ডিয়ায় প্রতিবাদের নতুন ধরণ ছড়িয়ে পড়েছে।

এ নিয়ে ফের সরব কারগিল শহিদ ক্যাপ্টেন  মনদীপ সিং এর মেয়ে ১৯ বছরের গুরমেহের কাউর। আবারও শুধুই পোস্টার হাতে। এবার  পোস্টার হাতে ফেসবুকে abvp এর বিরুদ্ধে আরো অনেকের মতই সরব গুরমেহের কাউর। এই নির্বাক প্রতিবাদ যেন অত্যন্ত সরব। হাজারো শ্লোগানের থেকেও। এর আগে শান্তির ডাক দিয়ে তাঁর নির্বাক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল ইন্টারনেটে। সেই আবেদন দেখেছেন ১০ লক্ষেরও বেশি দর্শক। একাধিক প্ল্যাকার্ড নিয়ে গুরমেহের ভারত পাকিস্তানের মধ্যে শান্তির প্রয়াসে উদ্যোগী হয়েছেন। গুরমেহের বলেছেন ২ বছর বয়সে বাবা হারিয়ে সব মুসলীমকেই তিনি শত্রু বলে ভাবতেন। ছোট বেলার এক বোরখা পড়া মুসলীম মহিলাকে ছুরি মারতেও পর্যন্ত চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু পরে তার মা তাকে বোঝান পাকিস্তান নয়, যুদ্ধ কেড়ে নিয়েছে তার বাবাকে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, রাষ্ট্রের তৈরি ঘৃণা, গুপ্তচর নিয়োগ, অনেক হয়েছে। এবার এ সব বন্ধ হোক বলে আওয়াজ তুলেছেন গুরমেহের।  সেই গুরমেহের দিল্লিতে avbp এর দাদাগিরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল ।

সূত্রঃ ফেসবুক ও satdin.in


বাংলাদেশঃ জাতীয় গণতা‌ন্ত্রিক ফ্রন্ট(NDF) এর ৭ম জাতীয় স‌ম্মেলন অনুষ্ঠিত

16997162_10212281810386315_1845421254_n

16806968_880581115417135_2401407162887282579_n

16939601_880581175417129_1657901868099392874_n

17028737_10212281807306238_1150308343_n

প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি তাং- ২৫/০২/১৭

সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল এবং তাদের স্বার্থরক্ষাকারী স্বৈরাচারী সরকা‌রের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদী শাস‌ন ও শোষণের বিরু‌দ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গ‌ড়ে তোলার আহ্বান জা‌নি‌য়ে জাতীয় গণতা‌ন্ত্রিক ফ্রন্টের ৭ম জাতীয় স‌ম্মেলন সমাপ্ত।

জাতীয় গণতা‌ন্ত্রিক ফ্রন্টের ৭ম জাতীয় স‌ম্মেলন সকাল ১০টায় উদ্বোধন ঘোষণা করেন ও উদ্বোধনী পর্বে সভাপ‌তিত্ব ক‌রেন ডাঃ এমএ ক‌রিম। দ্বিতীয় প‌র্বে সম্পাদকীয় রি‌পোর্ট পেশ, বিষয় নির্বাচনী ক‌মি‌টির সভা, খাওয়ার বির‌তি ও সম্পাদকীয় রি‌পোর্টের উপর মতামত প্রদান
ও ১৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরপর নতুন ক‌মি‌টির নাম ঘোষণা, শপথ পাঠ ও সভাপ‌তির ভাষ‌ণের মধ্য দি‌য়ে সম্মেলনের সমা‌প্তি ঘো‌ষিত হয়।

স‌ম্মেল‌নের অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আলোচনা কর‌তে গি‌য়ে ব‌লেন, এক‌দি‌কে সাম্রাজ্যবাদ অন্যায় যু‌দ্ধের প্রস্তু‌তি জোরদার কর‌ছে অন্যদি‌কে আমা‌দের মত নয়াউপ‌নি‌বে‌শিক দে‌শে স্বৈরতন্ত্রকে কদর্য রূ‌পে সাম‌নে আন‌ছে যার মূর্ত প্রকাশ হ‌চ্ছে বর্তমান ক্ষমতাসীন মহা‌জোট সরকা‌রের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদী শাসন। আজ তাই প্রয়োজন হ‌চ্ছে সাম্রাজ্যবাদ বি‌রোধী গণতা‌ন্ত্রিক শ‌ক্তির নেতৃ‌ত্বে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম বেগবান করা। স‌ম্মেল‌নে সর্বসম্ম‌তিক্র‌মে ডা, এম, এ ক‌রিমকে সভাপ‌তি, ব্রি‌গেঃ জেনারেল (অবঃ) এম জাহাঙ্গীর হুসাইন‌কে সাধারণ সম্পাদক ও বি, এম, শামীমুল হক‌কে সাংগঠ‌নিক সম্পাদক ক‌রে ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট কমি‌টি ঘোষণা করা হয়।

বার্তা প্রেরক

প্রকাশ দত্ত

সহ-সাধারণ সম্পাদক

০১৯২৪০৪৮১৩৯

 


মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে বন্দী কৃষকের জীবন

4408487670_dd7a022364_b

বাজারে সব ধরনের চালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কেজি প্রতি পাঁচ টাকা হারে। এই খবরটি দেশের অধিকাংশ পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে আমন ধানের মৌসুম শেষ হয়েছে। সামনে আবার এপ্রিল-মে মাসে বোরো ধানের মৌসুম আসছে। এরই মধ্যে বাজারে কী প্রয়োজনে চালের মূল্য হঠাৎ করে কেজি প্রতি পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পেল তার উত্তর রহস্যজনক। বাজারে ধান চালের কোন ঘাটতি নেই। ধান চালের ঘাটতিতে পড়ে দেশে কোন দুর্ভিক্ষাবস্থাও বিরাজ করছে না। তাহলে দাম বৃদ্ধি ঘটলো কোন যুক্তিতে? চালের এই মূল্য বৃদ্ধির জন্য চাতাল মালিকদের দায়ী করা হয়েছে। চাতাল মালিকদের পক্ষ থেকে আবার পাইকারদের দায়ী করা হয়েছে। মধ্যস্বত্বভোগীরা একে অন্যের উপর দায় চাপিয়ে ইতিমধ্যে চালের মূল্য বৃদ্ধি করে নিয়েছে। আসলে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রয়োজন ছিল দাম বাড়ানোর। সে যে যুক্তিতেই হোক না কেন, আর যাদের ওপর দায়ভার চাপানো হোক না কেন বাজারে দাম তো বৃদ্ধি পেল। চালের এই মূল্য বৃদ্ধিতে লাভবান হলো দেশের সকল মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি।
ডিসেম্বরে আমন ধানের মৌসুম শেষ হওয়ায় কৃষক তার উৎপাদিত ধান বাজারে বিক্রী করে দিয়েছে। এখন ধান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী গ্রামীণ ধনী কৃষক, জোতদার, মহাজন, আড়তদার ও চাতাল মালিকদের হাতে। ধনী কৃষক, জোতদার, মহাজন, আড়তদার ইত্যাদি মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি কৃষি উৎপাদনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নয়। কৃষি কাজের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত গ্রামীণ মধ্য কৃষক, গরিব কৃষক ও দিনমজুরেরা। ধান, চাল উৎপাদনের মৌসুমে এরা উৎপাদন চালাতে গিয়ে তারা দেনার দায়ে আবদ্ধ হয়। কৃষি উৎপাদন চালানোর মতো প্রয়োজনীয় পুঁজি এই শ্রেণির হাতে থাকে। উচ্চ ফলনশীল উন্নত জাতের ফসলের চাষ আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে ঠিকই, তবে প্রকৃত কৃষক সকল দিক থেকে সর্বস্বাস্ত হয়ে পড়েছে। সাবেকী প্রদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য বীজ কৃষক উৎপাদন করতো ও সংরক্ষণ করতো। উন্নত জাতের বীজ কৃষক নিজে উৎপাদন করতে পারে না। এখন তাকে উন্নত জাতের বীজ বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হচ্ছে। উন্নত জাতের প্যাকেটজাত বীজ বাজারে পরিবেশন করে বহুজাতিক কোম্পানি ও বিপণন করে মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। কৃষককে শোষণ করে লাভবান হচ্ছে তারাই।

উচ্চ ফলনশীল ফসলের চাষাবাদে জমিতে সেচ ব্যবস্থা অপরিহার্য। এর জন্য দেশে বিভিন্ন ধরনের সেচ যন্ত্র চালু রয়েছে। এই সব সেচ যন্ত্রের মালিক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রামীণ জোতদার, মহাজন বা মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। এই সেচ যন্ত্র চালাতে গেলে জ্বালানির প্রয়োজন। এই জ্বালানির চাহিদা পূরণ করা হয় বিদেশ থেকে আমদানি করে। জমিতে চাষের ক্ষেত্রে পশুর ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে। জমিতে চাষ হয় এখন পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর দিয়ে। এই পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টরের মালিক জোতদার মহাজন বা মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসলের চাষাবাদে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার অপরিহার্য। এই সার অধিকাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। আর কীটনাশক দেশে একেবারেই উৎপাদন হয় না। সার ও কীটনাশক উৎপাদন করে সাম্রাজ্যবাদী দেশের বহুজাতিক কোম্পানি। এই বহুজাতিক কোম্পানি বহুমূল্যে দেশের বাজারে এই সার ও কীটনাশক সরবরাহ করে। আর ব্যবসায়ী নামক মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি তা বিদেশ থেকে আমদানি করে এবং বিপণনের পর্যায়ে তা বহু হাত ঘুরে তা কৃষকের কাছে পৌঁছে থাকে। প্রতিবার হাত বদলের সাথে সাথে মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফাও বৃদ্ধি পায় ও দাম বহুগুণ বৃদ্ধি ঘটে।

আমাদের মতো নয়া ঔপনিবেশিক আধা সামন্তবাদী দেশগুলোতে কৃষি পণ্যের মূল্য নির্ধারিত থাকে, মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে জোতদার, মহাজন, আড়তদার ইত্যাদি মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। মধ্যস্বত্বভোগীরা সিন্ডিকেট করে ফসলের উৎপাদন মৌসুমে কৃষি পণ্যের মূল্য উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কমিয়ে দেয়, তেমনিভাবে আবার কৃষকের হাতে যখন আর কৃষি পণ্য থাকে না তখন কৃষি পণ্যের মূল্য অনেক বাড়িয়ে দেয়। এই কৌশলে মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি কৃষককে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য না দিয়ে কম দামে কিনে নিজেরা মুনাফা অর্জন করে। আবার শাক সবজি ইত্যাদি কাঁচামালের ক্ষেত্রে কৃষককে স্রেফ ফাঁকি দেওয়া হয়। কাঁচামালের আড়তদার, মহাজনরা যে মূল্যে ক্রয় করে বিক্রয়ের সময়ে ভোক্তাদের নিকট থেকে তার চেয়ে দশগুণ বেশি মূল্য আদায় করা হয়। এক কেজি বেগুণ যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীরা তিন টাকা মূলে ক্রয় করে বিক্রয়ের সময়ে তার মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় কেজি প্রতি ৫০ টাকায়। এইভাবে প্রতিটি কাঁচামালের ক্ষেত্রে ক্রেতা ও ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যের ব্যবধান ১০ গুণেরও বেশি হয়। শাক সবজি বিক্রি করে কৃষক মূল্য না পেলেও ভোক্তাকে কিন্তু অনেক বেশি মূল্য দিয়ে বাজার থেকে কিনে খেতে হয়।

এইভাবে আমন ধানের মৌসুম ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে। জানুয়ারি মাসের কৃষকের হাতে বিক্রী করার মতো কিছু ধান অবশিষ্ট থেকে যায়। অবশিষ্ট ধান বিক্রী করে ফেলার ফলে কৃষকের হাতে আর কোন ফসল থাকে না। তখন ফেব্রেুয়ারি মাসে চালের মূল্য এক লাফে কেজি প্রতি পাঁচ টাকা বৃদ্ধি ঘটলো। লাভবান হলো সেই ব্যবসায়ী নামক মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। কৃষক যে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, দিনে দিনে নিঃস্ব হচ্ছে তা আমাদের দেশের সরকার দেখেও দেখছে না। কারণ সরকার তো মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণির প্রতিনিধি। প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে রূপের সরকার আসুক না কেন তারা মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করে। আসলে গোটা দেশটার মালিক বা নিয়ন্ত্রের ক্ষমতা মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণির হাতে। দেশে বিদেশি সাম্রাজ্যবাদী লগ্নি পুঁজির বিনিয়োগ হয়। লগ্নি পুঁজির খাটিয়ে এদেশের মুৎসুদ্দি শ্রেণি যে লুটপাট চালায় তা সাম্রাজ্যবাদী প্রভুর হাতে তুলে দেয়। সাম্রাজ্যবাদীরা সেখান থেকে উচ্ছিষ্ট অংশ এদেশের মুৎসুদ্দি শ্রেণির দিকে ছুড়ে দেয়। মুৎসুদ্দি শ্রেণি সাম্রাজ্যবাদী লগ্নি পুঁজির মালিকদের ছুড়ে দেওয়া উচ্ছিষ্ট ভোগ করে নিজেরা তুষ্ট ও পরিপুষ্ট হয়। আর সরকার সাম্রাজ্যবাদ ও দেশীয় মুৎসুদ্দি শ্রেণির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দু’পয়সা কামিয়ে নিচ্ছে।

সূত্র: সাপ্তাহিক সেবা, বর্ষ-৩৬।।সংখ্যা-০৬, রোববার।। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।।


২৫শে ফেব্রুয়ারিঃ গেরুয়া ফ্যাসিস্ট ঘাঁটি হেদুয়াতে USDF বিক্ষোভ দেখাবে

modi-hitler

দিল্লী ইউনিভার্সিটিতে গেরুয়া ফ্যাসিস্ট তান্ডবের বিরুদ্ধে, গেরুয়া ফ্যাসিস্টদের হুমকিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আগামীকাল স্বঘোষিত গেরুয়া ঘাঁটি হেদুয়াতে দুপুর ২:৩০এ USDF বিক্ষোভ দেখাবে। সমস্ত ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক মানুষদের যোগ দিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

@united student’s democratic front


চারু মজুমদারের সংগৃহীত রচনা সংকলন: নকশালবাড়ীর কৃষক সংগ্রাম – তার আগেও পরে (২য় পর্ব)

500x350_0718bd934ac49f1e112b30cd4cfd4285_charu_majumder

 

নির্বাচনের শিক্ষা ও প্রকৃত মার্কসবাদী-লেনিনবাদীদের দায়িত্ব

১। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: চতুর্থ সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল পরিষ্কার দেখিয়ে দিলো যে ভারতে শাসকশ্রেণীর এক পার্টির একচেটিয়া শাসনের যুগ শেষ হয়ে গেলো। যে কংগ্রেস বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় গত বিশ বছর একচেটিয়া শাসন চালিয়েছে, যার হাতে ছিলো ভোটার লিষ্ট, নির্বাচন কেন্দ্রের সীমানা নির্দ্ধারণ ও নির্বাচনে চাপ সৃষ্টির সামগ্রিক ক্ষমতা, বৃটিশ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের সাহায্য-পুষ্ট হয়ে এবং সোভিয়েত সংশোধনবাদীদের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতায় যে কংগ্রেস দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রতাপ চালিয়েছে, চীন, পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ লাগিয়ে দুইবার উগ্র জাতীয়তাবাদের মুখোশ পুরোপুরি গ্রহণ করেছে, যে কংগ্রেস লাঠিগুলির দমন নীতির সাহায্যে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে দেখিয়েছে যে তার শক্তিই সবচেয়ে বেশী-সেই কংগ্রেস শোচনীয় ভাবে পরাজিত হওয়ায় প্রমাণিত হলো যে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি আপাত দৃষ্টিতে শক্তিশালী মনে হলেও আসলে কাগুজে বাঘ। তাই মানুষের মনে ১৯৪৭ এর ১৫ই আগস্টের মতোই এক জয়ের চেতনা এসেছে।

২। কংগ্রেসের পরাজয়ের কারণ: ২০ বছরের শাসনে কংগ্রেস জনগণের প্রধান শত্রু সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদের শোষণ শেষ তো করতে পারেই নি বরঞ্চ তাকে আরও বাড়িয়েছে। ফলে আমাদের দেশের সমস্ত জনগণের সাথে সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্ততন্ত্রের বিরোধ এতো তীব্র হয়েছে যে তা’ গত কয়েক বৎসর ধরেই ফেটে পড়তে শুরু করেছে। এই বিরোধ যত তীব্র হতে থেকেছে ততই শাসকশ্রেণীর সাথে জনগণ ও শ্রমিকশ্রেণীর বিরোধ, সংখ্যালঘু জাতিগুলির সাথে শাসকশ্রেণীর বিরোধ ফেটে পড়তে থেকেছে এবং তার চাপে সোভিয়েত-মার্কিন শক্তিজোটের সাথে বৃটিশ ও অন্যান্য শক্তি জোটের বিরোধ কার্যকরী হওয়ায় কংগ্রেসের এই শোচনীয় পরাজয় হয়েছে।

৩। আমাদের সামনে সমস্যা: যে বিরোধগুলো তীব্র হয়েছে সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্ততন্ত্র বৃহৎ বুর্জোয়াশ্রেণীর সহযোগিতায় তার সমাধান করতে পারবে না, বিরোধ আরও বেড়ে চলবেই। তার অর্থ নিশ্চয়ই এই নয় যে আপনা আপনি জনগণতান্ত্রিক সরকার কায়েম হয়ে যাবে! কারণ শোষকশ্রেণীর রাষ্ট্রযন্ত্র থেকেই গেল। সেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে খতম না করে জনগণতন্ত্রে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখা সংশোধনবাদী ধারণা ছাড়া আর কিছুই না। এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে খতম করতে পারে একমাত্র শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্ব। নেতৃত্বের দুর্বলতা অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে-কারণ ভারতব্যপী স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভে শ্রমিকশ্রেণীর সচেতন নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত দুর্বল। এই বিক্ষোভগুলির ক্ষণস্থায়ী চরিত্রের থেকে বোঝা যায় যে শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্বের দুর্বলতার ফলে বিক্ষোভ উত্তাল হয়েই দপ করে থেমে গিয়েছে। কোন রাজ্যেই আন্দোলনে স্থায়ীত্ব আসেনি।

৪। আমাদের কাজ: জনগণের বিজয় উল্লাসের পিছনে রয়েছে এ দেশকে সুখী সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসাবে গড়ে তোলার আকাঙ্খা যা পূরণ করার ক্ষমতা অকংগ্রেসী বিকল্প সরকারগুলির নেই। সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্যে গণ্ডীবদ্ধ সরকারের তা থাকতেও পারে না। এই বিকল্প সরকার সম্বন্ধে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই যে মূল সমস্যার অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্ততন্ত্র উচ্ছেদের সংগ্রামে এই সরকারকে ব্যবহার করা। শোষকশ্রেণী সারা ভারতে তাদের পক্ষে আজকের অনিশ্চিত অবস্থা থাকতে দিতে পারে না, তারা সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্ততন্ত্রের পক্ষে অবস্থা গুছিয়ে নিতে চেষ্টা করবেই। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিজোটের মধ্যে বিরোধ থাকা সত্ত্বেও তারা ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতে তাদের শাসন গোছাবার প্রয়োজনীয়তা বেশী করে অনুভব করছে এই জন্যে যে চীনের মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রভাব ভারতে এসে পড়ায় সাম্রাজ্যবাদ ও সংশোধনবাদ কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। তাই সাম্রাজ্যবাদ ও সংশোধনবাদ ঐক্যবদ্ধ হয়ে চীন বিরোধের ভিত্তিতে কেন্দ্র এবং রাজ্যে বিভিন্ন বুর্জোয়া পার্টিগুলির সাথে গোপন কমিউনিস্ট বিরোধী চুক্তি করে সাম্রাজ্যবাদী জোটের পক্ষে নিরাপদ অবস্থার সৃষ্টি করতে চাইবেই। তাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্রের মোহ সৃষ্টি করা। এর জন্যে বিভিন্ন শ্রেণীকে কিছু কিছু সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কিন্তু যাকে যত সুবিধাই দিক, দেশের জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশ কৃষকশ্রেণীকে কোন সুবিধে দেওয়ার ক্ষমতা আর তার নেই। এই কৃষকশ্রেণী আমাদের দেশের জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের প্রধান শক্তি। কৃষক-অঞ্চলে মুক্ত এলাকা গড়ে তোলার কাজই আজ শ্রমিকশ্রেণী ও অন্যান্য বিপ্লবী শ্রেণীর প্রধান দায়িত্ব। শ্রমিকশ্রেণী ও অন্যান্য বিপ্লবী শ্রেণীর শ্রেণী-সংগ্রামকে তীব্রতর করেই গ্রামাঞ্চলে মুক্ত এলাকা গড়ে তোলার কাজ ত্বরান্বিত হতে পারে।

৫। পার্টি: কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বের মধ্যে যে সংশোধনবাদী ঝোঁক রয়েছে তার প্রমাণ বারবার পাওয়া গিয়েছে। পার্টিতে নয়া সংশোধনবাদ চালু করার তারা যে চেষ্টা করেছেন সাম্প্রতিক কার্যকলাপে তা প্রমাণিত হচ্ছে।

(ক) মার্কসবাদ-লেনিনবাদের বর্তমান যুগের সর্বোচ্চরূপ যে মাও সেতুঙ-এর চিন্তাধারা তা আজও নেতৃবৃন্দ গ্রহণ করেন নি। সোভিয়েত সংশোধনবাদীদের মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাথে মিলে বিশ্ব প্রভৃত্বের পরিকল্পনাকে নিন্দা করেন নি। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে সংগ্রাম না করলে এবং মাও সেতুঙের চিন্তাধারাকে সমর্থন না করলে বিপ্লবী আন্দোলনের জোয়ার তোলা যায় না, বিপ্লবী আন্দোলনে শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয় না।

(খ) ভারতবর্ষের বিপ্লবী পরিস্থিতিকে ক্রমাগত অস্বীকার করা হচ্ছে। যার ফলে শ্রমিকশ্রেণীর বিপ্লবী দায়িত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না।

(গ) পার্টির মধ্যে আদর্শগত আলোচনাকে ক্রমাগত বন্ধ রাখা হচ্ছে যার ফলে বিপ্লবী চেতনায় পার্টি সভ্যদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ অবহেলিত হয়েছে।

(ঘ) পার্টির মধ্যে সমালোচনা ও আত্মসমালোচনার আবহাওয়া সৃষ্টি না করে বৈপ্লবিক পার্টি গড়ে তোলার দায়িত্ব কার্যতঃঅস্বীকার করা হচ্ছে।

(ঙ) বিকল্প সরকারের প্রশ্নেও পার্টি নেতৃত্বের বক্তব্যে শ্রেণী-সমন্বয়ের ঝোঁক প্রকাশ পাচ্ছে। কমিউনিস্টদের বিকল্প সরকারে যোগদানের একটাই উদ্দেশ্য হতে পারে, তা হচ্ছে সরকারের মধ্যে থেকে সংগ্রামের আহ্বান দেওয়ার অবস্থা সৃষ্টি করা-সংসদীয় মর্যাদা রক্ষা করা নয়। কিন্তু সে পথ না নিয়ে একদিকে আন্দোলন করতে হবে বলে আবার, মালিকশ্রেণীর ভয়ের কোন কারণ নেই বললে আন্দোলনের লক্ষ্যকেই অস্পষ্ট করা হয়। আন্দোলনকা’র বিরুদ্ধে তার নির্দ্দেশ থাকে না। এবং এ পথ অবশ্যম্ভাবীভাবে শ্রেণীসম্বন্বয়ের পথে নিয়ে যেতে বাধ্য।

কমরেডস, নির্বাচনের আগে ও পরের ঘটনাগুলো সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করছে যে ভারতবর্ষ এক গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে চলেছে। এই সংকটকে গভীর করেছে ভারতের বৈপ্লবিক পরিস্থিতি। রাজনৈতিক সংকট বাড়তে থাকবেই এবং সেই সঙ্গে জনগণের রাজনৈতিক চেতনাও বাড়তে থাকবে। পরিস্থিতি কমিউনিস্ট পার্টির কাছে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দাবী করবে, তাই পার্টিকে সাচ্চা মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টি হিসাবে গড়ে তোলার প্রশ্ন আরও জরুরী হয়ে পড়েছে। পার্টির আভ্যন্তরীণ সংগ্রামকে যত জোরদার করা যাবে তত বেশী সংখ্যক কমরেড আভ্যন্তরীণ আদর্শগত সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করবেন, ভারতীয় বিপ্লবে শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্ব তত বেশী করে প্রতিষ্ঠিত হবে।

৩রা এপ্রিল, ’৬৭

 


১৯৬০ সালঃ কমিউনিস্ট চীনের আর্থ-সামাজিক জীবন- কৃষি ও সংস্কৃতি

 


দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে ABVP-র হামলার প্রতিবাদে Democratic Students’ Union-DU Unit এর বিবৃতি

dsu

ABVP-Delhi Police Nexus stands naked!
Reclaim DU … Let’s put a stop to this hooliganism and reign of muscle raj !

23.2.2017

Everytime the All India ‘Vanar’ Parishad (ABVP) vandalizes a campus anywhere in the country, attacks students and professors or hatches a plan along with sycophant media and state to castigate an entire academic institution, we are left astonished – is there a boundary for the monkey brigade where they stop with their vile agenda and sole program of spreading violence and terror in campuses all over the country?

On 21ST February, the uninvited shameless hooligans of ABVP stormed at a program called ‘Cultures of Protest’, organized by the English department and literary society of Ramjas College of Delhi University and attacked the organizers, abused the participants for daring to ask questions, for their endeavor to keep the culture of dissent on, for going against RSS-BJP-ABVP’s fascist project, for merely raising their support for academic debate. Not only the program was disrupted, violence was unleashed by ABVP by locking the doors of the seminar room, cutting off electricity and throwing stones, bricks, pieces of wood and iron rods which injured some students badly. To fan the mass paranoia and ignite mob fury, the ABVP goons threatened the administration with dire consequences, in case Umar Khalid’s, a research scholar from JNU, presentation on ‘War on Adivasis’ was not cancelled. And Delhi police shamelessly provided them all support by shrugging off responsibility to protect Umar and blamed the organizers. ABVP openly shouted ‘ye andar ki baat hai, police hamare saath hai’ (this is the inside story, police is with us).
Even when the organizers cancelled Umar’s presentation and held a peaceful rally in the college to register their protest, as soon as they started the next session the meaniac, frenzied goons went on a rampage on the corridors of Ramjas – assaulting women, attacking students, locking the common students and professors inside seminar room, breaking windows and chairs. The police refused to guarantee the safety of students attending the seminar and instead of taking action against ABVP mob, it shamelessly escorted the students of Ramjas outside their college. The ABVP goons celebrated their ‘victory’ and on their way tried to disrupt another event at Arts Faculty which was organised by ‘Pinjra Tod’ as a public hearing for problems faced by girls living in PGs. The attack by misogynist ABVP was tackled by Delhi Police by barricading the Pinjra Tod event, not allowing the common students to attend it. The barricades were removed later. The Ramjas seminar was a 2 day event. While it was disrupted on first day, the second day program had to be cancelled due to threats from ABVP.

Yesterday, when the university community of DU came together in protesting against the violence by Vanar Parishad, the riotous Vanars attacked the common students, faculty members and journalists with bricks, stones and hurled abuses. They thrashed their own teachers on streets and hurled abuses! In the morning itself, ABVP entered Ramjas and started beating students who were campaigning for the protest and held them captive for hours to stop them from joining the protest. The police stood as mere spectator, watching frenzied goons running amok the North Campus streets, leaving many students and teachers bleeding and injured. Still the students and teachers continued their rally to Maurice Nagar Police Station where they were continuosly attacked by ABVP in full presence of police. Police refused to register any FIR against their masters i.e. ABVP which is affiliated to RSS-BJP. Instead, the peaceful gathering was brutally lathi charged by the police without any warning and around 300 students were detained by the police in three buses and left at Hauz Khas metro station some hours later. Female students were openly assaulted and abused by male police and heavy police force was deployed in the university. The situation is still very tense in Delhi University and reports are coming of threats and violence by ABVP on common students who stay in the campus.

An important issue which this incident has raised is the rising violence by fascist forces and their ally in the form if police in the campus. ABVP goons have always attacked common students, teachers and activists in the campus and have disrupted seminars, academic programs and public meetings. They have used violence to impose their communal and fascist ideas in the curriculum. While universities are always under the threat of all anti-people governments who do not allow democratic debates in the campuses, BJP-RSS-ABVP use the methods of terror to intimidate students and teachers. The ABVP-university administration-police nexus wants to impose one single ideology upon the campus which is promoted by the current RSS-BJP regime at the Centre. We, on the other hand, believe that university should be a democratic space for multiple ideas and debates. We call upon the karmcharis, students and teachers to unite in the name of democratic culture in the university.
While ABVP calls itself a students’ organization and has controlled Delhi university students union for decades now, it has never raised any issue of the students and has always managed to win elections by money-muscle power. Instead, it plays the greatest role in attacking and intimidating the democratic and progressive organizations and individuals who raise a voice against anti-student policies of the government.

When have we ever heard ABVP protesting against abrupt fee-hike in any campus in the country? When have we ever seen them standing against casteist persecution of a dalit student by an ‘upper’ caste teacher? When have we ever heard the hooligans standing with the students against administration’s tyranny? When has anyone seen them participating in any debate? We would only be befooling ourselves if we expect anything better from the ABVP – we are still living in fools’ paradise, if we expect ABVP to allow space for healthy and democratic discussions – if we think that Saffron brigade would respect democracy and deliberation. It is a clear fight between ‘debate’ and ‘imposition’, ‘deliberation’ against ‘hooliganism’, ‘democracy’ against ‘fascism’. There is no way we can share a ‘democratic space’ with Saffron brigade as they are inherently anti-democratic and they pay heed to no other language but the language of RESISTANCE. If we are to claim our space in DU, to breathe and debate, to deliberate and not getting thrashed by Vanar hooligans – we have to build united resistance against them, decimate their last power base through debates, resistance or force – if they possess muscle and money power, we have intellect – if they have state support, we have all the students, teachers, non teaching staff of our campuses on our side – they are a group of hooligans, we are the university!

Facebook page: Democratic Students’ Union – DU Unit, E-mail id: mailatdsu@gmail.com

dsu

 

1

2


বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ কমিউনিস্ট চীনের লোক সঙ্গীত চলচ্চিত্র ‘Sister Liu’ (১৯৬০ সাল)

দক্ষিণ পশ্চিম চীনের স্বশাসিত অঞ্চল গুয়াংজি যুয়াং এর লোক সঙ্গীতের প্রতীক ‘Sister Liu’ চলচ্চিত্রটি ১৯৬০ সালে কমিউনিস্ট চীনে মুক্তি পায়। মুক্তির পরপরই অসম্ভব জনপ্রিয়তা লাভ করে এটি। এখনো অনেকের হৃদয়ে এই লোক সঙ্গীত চলচ্চিত্রটি গেঁথে আছে-


১৯৬০ সালের দিকে কমিউনিস্ট চীনের কিন্ডারগার্ডেন স্কুল