পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(লাল পতাকা) নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

chuadanga_map_bangladesh

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা জুয়েল রানা ওরফে সুজাউদ্দিন ওরফে জয়বাবুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে চুয়াডাঙ্গার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ আদালতের বিচারক মো. রোকনুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন।

জুয়েল রানা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দলকালক্ষীপুর গ্রামের ইসরাইল হোসেনের ছেলে।

অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন জানান, ২০০৯ সালের ৭ নভেম্বর রাতে জেলার সদর উপজেলার আলোকদিয়া বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনির পেছন থেকে একটি সাটারগানসহ ধরা পড়ে জয়বাবু। এরপর সদর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস হোসেন জুয়েল রানাকে আসামি করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।

সূত্রঃ http://bdnews24.com/samagrabangladesh/detail/samagrabangladesh/1325612

Advertisements

মাওবাদীদের অত্যাধুনিক অস্ত্র সম্ভারে বিস্মিত CRPF বাহিনী

40_mm_under_barrel_grenade_launcher_3

সুকমায় মাওবাদী হামলায় ২৬ জন জওয়ানের নিহতের ৪৮ ঘন্টা পরও বিস্ময়ের ঘোর কাটছে না প্রশাসনের ৷ ছক কষে , অতর্কিতে যে ভাবে এই গেরিলা হামলা চালানো হয়েছে , তাতে হতবাক বাহিনীর কর্তারা ৷ তবে , তার থেকেও বেশি হতবাক এই হামলায় ব্যবহৃত অত্যাধুনিক অস্ত্র -শস্ত্র দেখে ! হামলার তদন্ত করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন , এই প্রথম আইইডি সম্বলিত তীর ব্যবহার করেছে মাওবাদীরা৷ যেমনটা এর আগে কখনও দেখা যায়নি ৷

এছাড়াও , হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (ইউবিজিএল )৷ যা দিয়ে সিআরপিএফের ৭৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানদের দিকে কমপক্ষে ২০০ টি গ্রেনেড ছুড়েছে তারা ৷ গ্রেনেড গুলি সবই ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এবং যথেষ্ট ক্ষমতাশালী ৷ কয়েকটি গ্রেনেডের অবশিষ্ট পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে , টার্গেট ৯ মিটার (৩০ ফুট ) রেঞ্জের মধ্যে থাকলে , তাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা এই গ্রেনেডের রয়েছে ৷ কিন্তু , কী ভাবে বস্তার অঞ্চলের মাওবাদীরা এমন অত্যাধুনিক অস্ত্র হাতে পেল , তা ভেবে পাচ্ছেন না সিআরপিএফ কর্তারা ৷ সিআরপিএফের ডিআইজি ডিপি উপাধ্যায় টেলিফোনে জানিয়েছেন , ‘এই প্রথম আমরা দেখতে পেলাম , মাওবাদীরা আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস ) লাগানো তির ব্যবহার করেছে ৷ এই কৌশল একেবারে নতুন ৷ এই উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক লাগানো তির যেখানে আঘাত হানবে, সেই জায়গার পাশাপাশি আশপাশের এলাকাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে৷ ফলে সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে ৷ ’ সিআরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে , তদন্তে নেমে আধা সামরিক বাহিনীর কর্তারা জানতে পেরেছেন , হামলায় কমপক্ষে ১২০টি আইইডি লাগানো তির ব্যবহার করা হয়েছে ৷ ওই তির যে জওয়ানের গায়ে লেগেছে তাঁর পাশাপাশি পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই চালানো জওয়ানও মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন ৷ পাশাপাশি আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (ইউবিজিএল ) ব্যবহার করেও আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের চমকে দিয়েছে মাওবাদীরা ৷ বাহিনী কর্তার কথায়, ‘এটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ৷ বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়া এটা ব্যবহার করা সম্ভব নয় ৷ যা একমাত্র সেনা বা আধা সেনাদের থাকে ৷ মাওবাদীরা কী করে এই প্রশিক্ষণ পেল , সেটাই ভাবার ৷ ’ সিআরপিএফ কর্তারা মনে করছেন , গত মাসে সুকমায় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর হামলা চালিয়ে যে গ্রেনেড লঞ্চারগুলি লুঠ করেছিল মাওবাদীরা , সেগুলি দিয়েই এই হামলা চালানো হয়েছে৷

এই হামলায় সশস্ত্র মাওবাদীদের দলে অন্তত প্রায় ২০০ জন মহিলা ছিল বলে জানা গিয়েছে ৷ এমন হামলায় এত বেশি সংখ্যায় মহিলা এর আগে কখনও দেখা যায়নি ৷ সূত্রের খবর , সোমবার দুপুরে খাওয়ার সময়, মাথায় কাঠের বোঝা নিয়ে একের পর এক মহিলাকে সেখানে আসতে দেখেন জওয়ানরা ৷ ভাবেন , স্থানীয় মহিলারা বোধহয় কাঠ কুড়োতে এসেছেন জঙ্গলে ৷ কিন্ত্ত , চোখের পলক ফেরার আগেই , ওই কাঠের বোঝা থেকে একে -৪৭ বের করে গুলি চালাতে শুরু করে তারা ৷ ভুল ভাঙার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অধিকাংশ জওয়ান ৷ সিআরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে , সুকমার জঙ্গলে হামলা চালানোর পর ১৩টি একে -৪৭ , ৫টি ইনসাস রাইফেল , ২২টি পিস্তল , ৩৪২০টি তাজা কার্তুজ , একে -৪৭ রাইফেলের ৭৫টি গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন , ২২টি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট , দুটি শক্তিশালী দূরবীন , ৫টি ওয়ারলেস সেট এবং একটি মেটাল ডিটেক্টর লুঠ করে পালিয়ে যায় মাওবাদীরা ৷

সূত্রঃ http://eisamay.indiatimes.com/nation/crpf-is-stunned-by-the-arms-maoists-are-using/articleshow/58396298.cms


আদিবাসী মহিলাদের উপর যৌন অত্যাচারের বদলা নিতেই সুকমা হামলা, দাবি মাওবাদীদের

untitled-13_100063

আদিবাসী মহিলাদের উপর নিরাপত্তা বাহিনীর যৌন অত্যাচারের বদলা নিতেই সুকমায় CRPF এর উপর হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা। দ্য হিন্দুকে পাঠানো এক বার্তায় এমনটাই  দাবি করেছে CPI( মাওবাদী) পার্টির দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটির মুখপাত্র ‘বিকল্প’। শুধু সুকমায় ২৬ জন CRPF জওয়ান নিহত হওয়ার ঘটনাই নয়, এর আগে মার্চেও ১২জন CRPF জওয়ান হত্যার কারণ হিসাবেও আদিবাসী মহিলা ও কিশোরীদের উপর নিরাপত্তা বাহিনীর যৌন অত্যাচারের কারণকে দায়ী করেছে মাওবাদীরা। সুকমায় নিহত জওয়ানদের গোপনাঙ্গ  মাওবাদীরা বিকৃত করেছে বলে যে খবর প্রকাশ হয়েছে তা অস্বীকার করেছেন ওই মাওবাদী মুখপাত্র।  জওয়ানদের তারা শত্রু  বলে মনে করেন না বলে জানিয়েছে মাওবাদীরা। সরকার ও বড় পুঁজির হয়ে লড়াই না করার জন্য জওয়ানদের কাছে আবেদন করেছে মাওবাদীরা।  যদিও অন্তত ১৬ জন মহিলাকে নিরাপত্তা বাহিনী যে ধর্ষণ করেছে তা মনে করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।  আদিবাসী মহিলাদের স্তন টিপে দুধ আছে কিনা তাও দেখার  অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর। (স্তনে  দুধ থাকলে ধরে নেওয়া হবে তাঁর বাচ্চা আছে সে মাওবাদী নয়!) ছত্তিশগড়ে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অত্যাচার চলছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক মানবাধিকার সংগঠনও। ফলে মাওবাদীদের এই অভিযোগ নতুন নয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। যদিও ছত্তিশগড় পুলিসের তরফে  নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে করা মাওবাদীদের সব অভিযোগই অস্বীকার করা হয়েছে।

সূত্রঃ satdin.in

 


কলকাতাঃ যথাযথ মর্যাদার সা‌থে কমরেড নারায়ণ সান্যালের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

‘নারায়ণ সান্যাল’ স্মরণ কমিটির উদ্যোগে আজ ২৭শে এপ্রিল ২০১৭ তারিখে, ভারত সভা হলে, ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিপ্লবী ধারার অক্লান্ত যোদ্ধা, মাওবাদী নেতা কমরেড নারায়ণ সান্যাল ওরফে বিজয়’দার স্মরণসভা যথাযথ মর্যাদার সা‌থে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার শুরু‌তে কম‌রেড বিজয়দার প্রতিকৃ‌তি‌তে মাল্যদান ক‌রেন জেল থে‌কে মু‌ক্তি পাওয়া সি‌পিআই(মাওবাদী) পা‌র্টির নেতা কম‌রেড পূ‌র্ণেন্দু ‌শেখর মুখার্জী (সা‌হেবদা), বিপ্লবী সাংস্কৃ‌তিক কর্মী তথা মাওবাদী তা‌ত্ত্বিক কম‌রেড ভারভারা রাও (ভি‌ভি), কম‌রেড গৌর চক্রবর্তী, কম‌রেড তিলক দাশগুপ্ত, কম‌রেড দর্শন পাল, ডাক্তার বিনায়ক সেন, সি‌পিআই(এম-এল) লিবা‌রেশন, সি‌পিআই(এম-এল) নিউ ডে‌মোক্র্যাসী সহ বি‌ভিন্ন সংগ্রামী বাম দ‌লের নেতৃত্ব এবং কম‌রেড বিজয়দার সাথী রাজ‌নৈ‌তিক ও গণআন্দোল‌নের কর্মীরা। কম‌রেডস পূ‌র্ণেন্দু‌শেখর মুখার্জী, তিলক দাশগুপ্ত, গৌর চক্রবর্তী, ভারভারা রাও ‘‌কে নি‌য়ে গ‌ঠিত সভাপ‌তিমণ্ডলী সভার কাজ প‌রিচালনা ক‌রেন।  বক্তব্য রা‌খেন কম‌রেড ভারভারা রাও, কম‌রেড তিলক দাশগুপ্ত, কম‌রেড দর্শনলাল, কম‌রেড সুশীল ঠাকুর, কম‌রেড পার্থসারথী রায়, কম‌রেড পূ‌র্ণেন্দু‌ শেখর মুখা‌র্জি, কম‌রেড গৌর চক্রবর্তী, কম‌রেড কার্তিক পাল, কম‌রেড সুশান্ত ঝা প্রমুখ, গণসঙ্গীত প‌রি‌বেশন ক‌রেন কম‌রেড নী‌তিশ রায় ও অন্যান্য কম‌রেডরা। বক্তারা কম‌রেড বিজয়দার কমিউনিস্ট সুলভ সরল জীবনযাত্রা, নকশালবা‌ড়ির ধারাবা‌হিকতায় বিহা‌রে সংগ্রাম গ‌ড়ে তোলায় তাঁর ভূ‌মিকা, জোতদার‌দের বা‌হিনী কুখ্যাত রণবীর সেনা, সানলাইট সেনাদের বিরু‌দ্ধে প্রতি‌রোধ গ‌ড়ে তোলার ক্ষে‌ত্রে তাঁর সু‌যোগ্য নেতৃত্বদা‌নের কথা, ঐক্যবদ্ধ সি‌পিআই(মাওবাদী) পা‌র্টি তৈ‌রি‌তে তাঁর ভূ‌মিকার কথা তু‌লে ধ‌রেন। কম‌রেড বিজয়দার স্বপ্ন‌কে বাস্তবা‌য়িত কর‌তে ভার‌তের চলমান বিপ্লবী আন্দোলন‌কে এগি‌য়ে নি‌য়ে যাওয়ার শপথ নি‌য়ে, সর্বহারার লড়াই‌য়ের ‘আন্তর্জা‌তিক’ (‘ইন্টারন্যাশনাল’) সঙ্গীত গে‌য়ে সভা শেষ হয়।