রাজবাড়ীঃ কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(এমএল-লাল পতাকা)-র আঞ্চলিক প্রধান নিহত

92a2b76f06343764ecbedd266682c140-59171d071e047

রাজবাড়ীতে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক প্রধান ও তার সহযোগী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ মে) ভোরে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের পদ্মার রাখাল গাছী চরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

নিহতরা হলেন— নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা) বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান পাবনা জেলার জালালপুর গ্রামের সফি মুন্সির ছেলে রাকিবুল হাসান বাপ্পি (৩০) ও তার সহযোগী রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে লালন মোল্লা (৩৩)।

ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সদস্যরা একটি টুটু রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রাম দা, দুইটি ছোরা, দুইটি এলজি, পিস্তল ও রাইফেলের ৬০ রাউন্ড গুলি, দুইটি মোবাইল, দুইটি টর্চ লাইট, একাধিক লিফলেট, দুইটি ঘড়িসহ মাদকদ্রব্য ও পানীয় উদ্ধার করা হয়।

আহত র‌্যাব সদস্যরা হলেন— ল্যান্স কর্পোরাল হারুন-অর-রশীদ, পিসি সিরাজুল ইসলাম। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ফরিদপুর র‌্যাব-৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব পদ্মার এই দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান চালায়। সেখানে নিষিদ্ধ লাল পতাকা বাহিনীর সদস্যরা মিটিং করছিল। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের মধ্যে আধা ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি হয়। এসময় র‌্যাব ১৩৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। পরে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায়। অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (অপরাধ) সদর সার্কেল মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃতদেহ দু’টির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

সূত্রঃ banglatribune

Advertisements

সুকুমা হামলাঃ ৩টি গ্রামের জনগণ মাওবাদীদের সাথে হামলায় অংশ নিয়েছিল

communist-party-of-india-maoist-cadre-celebrate-the-founding-day-of-their-guerrilla-wing-the-people_s-liberation-guerilla-army-near-chainpur-in-palamu-district-jharkhand-on-decem

The Hindu-র এক সংবাদে জানা যাচ্ছে যে, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) এর অভ্যন্তরীণ তদন্তে পাওয়া প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪শে এপ্রিল ছত্তিসগড়ে সুকুমা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলায় মাওবাদীদের সাথে অন্তত ৩টি গ্রামের জনগণ অংশ নিয়েছিল।

মাওবাদীদের অতর্কিত এই হামলায় ২৫জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হওয়ার ঘটনাটি গত ৭ বছরের মধ্যে মাওবাদীদের সবচেয়ে ভয়ংকর হামলা ছিল।

সরকারী এই তদন্ত রিপোর্টে আরো বলা হচ্ছে, “এই হামলায় বুরকাপাল, চিন্তাগুফা ও কাসালপাড়া গ্রামের জনগণ মাওবাদীদের সাথে এই হামলায় অংশ নেয়ার পাশাপাশি মাওবাদীদের খাদ্য, আশ্রয় প্রদান ও আহতদের সাহায্য প্রদান করে। হামলায় কিছু সংখ্যক আহত সশস্ত্র মাওবাদীদের কাসালপাড়া গ্রামের জনগণ চিকিৎসা সেবা ও ওষুধের যোগান দেয়।

যদিও গ্রামবাসীদের এই ধরনের সাহায্য অস্বাভাবিক ছিল না এবং এটা সাধারণত বামপন্থী চরমপন্থা (LWE) আক্রান্ত এলাকায় এই ধরণের শেল্টার মাওবাদীরা পেয়ে থাকে।”

তবে, গ্রামবাসীরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। “ঐ হামলার সময়টিতে তারা গ্রামে ছিলেন না, সবাই পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে বিজু পোন্দাম(নবান্ন উৎসব) উৎসব পালন করতে গিয়েছিল। কোন গ্রামবাসীই হামলায় যুক্ত ছিল না। যখন আমরা গ্রামে ফিরে আসি তখন গুলির শব্দ শুনতে পাই এবং তৎক্ষণাৎ ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে থাকি” – বলছিলেন মাওবাদীদের সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত বুরকাপাল গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান বিজয়া দুলা।

সম্প্রতি, ছত্তিশগড় পুলিশ, মাওবাদী বিরুদ্ধে নেয়া কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চিন্তাগুফার একজন সাবেক পঞ্চায়েতকে অভিযুক্ত হিসেবে আটকে নেন।

 


সম্পত্তি মালিকানা কী? – ম. সুভরভা ও ব. রমানভ

পপ

বইটি পড়তে বা ডাউনলোড করতে নীচে ক্লিক করুন –

সম্পত্তি মালিকানা কী