রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী নিয়ে ‘ল্যাম্পপোস্টের’ বিবৃতি

16831878_1891724551045436_2226135035126368921_n

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

১৭/০৯/২০১৭

 

বিষয়: রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর উপর মায়ানমার রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা-হত্যা ও ভূমি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে নিন্দা জ্ঞাপন ও নিজেদের ভূমি রক্ষায় রাজনৈতিক সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান।

পাহাড়ি ঢল-পাহাড় ধ্বস-বন্যাক্রান্ত আমাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির রাষ্ট্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কোন সুবন্দোবস্ত না হতেই পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপর আগুন সন্ত্রাস ও গণহত্যা- এরই প্রেক্ষিতে আমাদের দেশে প্রাণভয়ে আশা রোহিঙ্গা মানুষের অবস্থান ও উভয়ের নিরাপত্তা এবং এই ঘটনাকে ঘিরে বিশ্বরাজনীতিতে বিভিন্ন মেরুকরণ-করণীয় নির্ধারণ জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশ ও মায়ানমারও সাম্রাজ্যবাদের তাবেদার রাষ্ট্র। সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে দেশের জল-জঙ্গল-জমিন-খনি উজাড় করে দিতে উভয় রাষ্ট্রই ভূমি থেকে জনগণকে উচ্ছেদ করতে কম যান না। মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের মতো আমাদের দেশেও সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ও পাহাড়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আগুন-হত্যার স্বীকার। এ হলো রাষ্ট্রের শাসকশ্রেণীর সাথে ব্যাপক জনগণের দ্বন্দ্ব তথা শ্রেণীদ্বন্দ্ব। ধর্মের নামে যে তকমাই শাসকশ্রেণী প্রচার করুক না কেন- এ শ্রেণীযুদ্ধই। ফলে যে শ্রেণীযুদ্ধ শাসকশ্রেণী জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়েছে তার নিষ্পত্তি হতে পারে জনগণের পাল্টা শ্রেণী লড়াই-সংগ্রাম গড়ে তুলবার মধ্য দিয়ে আর উভয় দেশের জনগণ পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে একমাত্র স্ব-স্ব দেশে শ্রেণীসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিপ্লব সংঘটনের প্রক্রিয়ায়। আজ প্রান্তিক এই রোহিঙ্গা জনগণকে সঠিক পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক রাজনীতিকে (মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ) আত্মস্থ করে নিজেদের তৈরি করতে হবে এবং ঐ রাজনীতির আলোকেই বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে হবে ভূমির আধিকার রক্ষায় নচেৎ সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের পদলেহী দালাল সরকারগুলোর মারফত গণস্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়া ছাড়া পথ থাকবে না আর নিজেদের মুক্তি হবে সুদূর পরাহত। তাই, আসুন শ্রেণী রাজনীতিকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরি- জয় জনগণের হবেই।

বার্তা প্রেরক

(নাহিদ সুলতানা লিসা) ০১৭৫৭২৮৪৫৫৮

সম্পাদক- ল্যাম্পপোস্ট

Advertisements

মধ্যপ্রদেশে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্ট

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণের জেরে বাস্তারের বাইরে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের সংযোগস্থল বালাঘাটে নতুন করে প্রভাব তৈরি করতে চাইছে মাওবাদীরা। অতিবাম কার্যকলাপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  সম্প্রতি  এক পর্যালোচনা বৈঠকে নাকি এই বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনটাই জানাচ্ছে  ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বালাঘাটে মাওবাদী কার্যকলাপ বিস্তারের দায়িত্ব নিয়েছেন মাও নেতা বাসবরাজ। ওয়াকিবহল মহলের মতে বাস্তারের নিরাপত্তাবাহিনীর আক্রমণে যথেষ্টই ক্ষতি হয়েছে মাও সংগঠনের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাওবাদী আন্দোলন যে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে তাও স্বীকার করে নিয়েছে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বয়সের কারণে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে যেতে চাইছেন গণপতি। অপেক্ষাকৃত তরুণদের জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বাস্তারের আদিবাসী তরুণ হিদমাকে নেওয়া হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতে  বালাঘাটে মাওবাদীদের নতুন তত্পরতা কেন্দ্র ও রাজ্য উভর সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

সূত্রঃ satdin.in