আজ থেকে শুরু হচ্ছে সিপিআই(মাওবাদী)-র ‘PLGA’ সপ্তাহ

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

উড়িষ্যার মাওবাদী প্রভাবিত অনেক জেলায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, কারণ মাওবাদী লাল বিদ্রোহীরা আজ থেকে শুরু করছে পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (PLGA) সপ্তাহ ।

এ উপলক্ষ্যে, রাজ্যগুলির বেশ কয়েকটি অংশে মাওবাদী বিদ্রোহের কার্যক্রমও তীব্র হয়ে উঠেছে, যেখানে মাওবাদীরা বেশ সক্রিয় রয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মালকানগিরি জেলার কান্দামাল, রায়গদাসহ আরো কয়েকটি পকেটের আটটি রুটের বাস সার্ভিস চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করা হয়েছে।

PLGA সপ্তাহ পালনের আহবান জানিয়ে মাওবাদীরা ইতিমধ্যে মালকানগিরি জেলার মহুপদর ও কালীমেলা এলাকায় পোস্টারও লাগিয়েছে।

এদিকে জেলাটির, টোটাগুডা’তে মাওবাদীদের স্থাপন করা লাল রঙয়ের স্থায়ী ক্যাম্প বিল্ডিং সম্ভবত আজ উদ্বোধন করবে মাওবাদীরা। যা নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি মাওবাদীদের একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।

সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যে মাওবাদীদের ঘনীভূত এলাকা এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।
এ নিয়ে সমস্ত যানবাহন এখন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং অপারেশন অভিযান তীব্র করা হয়েছে।

সূত্রঃ http://pragativadi.com/high-alert-maoist-zones-odisha-red-rebels-observe-plga-week/

Advertisements

মাওয়ের কাছে চারুর দূত ‘খুদন মল্লিক’ প্রয়াত

khudan-696x436

নিঃশব্দে চলে গেলেন নকশালবাড়ি কৃযক আন্দোলনের ডাকসাইটে নেতা খুদন মল্লিক। কানু সান্যাল, খোকন মজুমদারদের সঙ্গে এক সময় তাঁর নাম একই মাত্রায় উচ্চারিত হত। বুধবার প্রয়াত হলেন।

পুলিশের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন নেপাল সীমান্তে লুকিয়েছিলেন খুদন। ধরা পড়ার পরেও কখনও তাঁর মুখ থেকে পুলিশ একটি কথাও বের করতে পারেনি। এক সময় নকশালবাড়ির প্রাসাদুজোতের বাসিন্দা এই কৃষক নেতাকে চারু মজুমদার চিনে পাঠিয়েছিলেন। কানু সান্যাল, দীপক বিশ্বাস, খোকন মজুমদার, খুদন মল্লিক বহু কষ্ট করে তিব্বত হয়ে চিনের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে মাও সে তুঙের দেখা হয়েছিল। নকশালপন্থী কৃষক সংগ্রাম সম্পর্কে মাও তাঁদের কাছ থেকেই অবহিত হয়েছিলেন।

এ হেন মাটির সঙ্গে মিশে থাকা নেতা কিন্তু কখনও নকশালবাড়ি আন্দোলন বা সিপিআই এমএলের রাজনীতি থেকে নিজেকে বিচ্যূত করেননি। তিনি যুক্ত ছিলেন কানু সান্যালের দলের সঙ্গে, যদিও অন্য নকশাল গোষ্ঠীগুলির কর্মী-নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন সিপিআইএমএল লিবারেশনের দার্জিলিঙ জেলা সম্পাদক অভিজিৎ মজুমদার। তিনি জানান, গত ২৫ মে নকশালবাড়ি কৃষক সংগ্রাম শুরুর ৫০ বছর উপলক্ষে আয়োজিত পদযাত্রাতেও তিনি শামিল হয়েছিলেন।

খুদনবাবুর বয়স হয়েছিল ৭৫। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর দু’টি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। গত মঙ্গলবার অসম্ভব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

খুদন মল্লিকের মৃত্যুর সঙ্গে একটি অধ্যায়ের অবসান হল। নকশালবাড়ি কৃযক সংগ্রামের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত আর কেউ জীবিত রইলেন না। খুদনবাবু শেষ জীবন পর্যন্ত মাও-এর স্মৃতি ভুলতে পারেননি। সবাইকে সেই কথা শুনিয়ে তৃপ্তি পেতেন।

সূত্রঃ http://www.khaboronline.com/khabor-online/naxalite-leader-khudan-mallick-passes-away/


কাংলেপাক কমিউনিষ্ট পার্টি(কেসিপি)-র সদস্য গ্রেফতার

643046-terrorist

দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মণিপুরের এক মাওবাদীকে ৷ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মণিপুরের মাওবাদী কমিউনিস্ট সংগঠন কাংলেপাক কমিউনিষ্ট পার্টির(কেসিপি) সদস্য ৷ এদিন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা(এনআইএ) তাকে গ্রেফতার করে৷

জানা গিয়েছে, গ্রেফতারকৃত মাওবাদী’র নাম ‘সানাবাম নাওবি সিং’৷ মণিপুরের বাসিন্দা সানাবাম কেসিপির সক্রিয় সদস্য৷ তার বিরুদ্ধে সংগঠনের হয়ে অর্থ জোগাড় করা, অস্ত্র, গোলা, বারুদ ও বিস্ফোরক কেনা এবং তা মাওবাদীদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল তার কাজ ৷ এমনটাই জানিয়েছেন এনআইএর আধিকারকরা৷

এক মামলার তদন্ত নেমে চলতি বছর জানুয়ারি মাসে কেসিপির শীর্ষ স্তরের এক নেতা খৈরম রনজিৎ সিং ও মহিলা সংগঠনের নেত্রী ইরুংগবাম সানাতোম্বি দেবীকে মণিপুর থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ ৷ দু’মাস পর অর্থাৎ মার্চ মাসে এই মামলার তদন্তভার এনআইএকে দেওয়া হয় ৷ তদন্তভার গ্রহণ করার পর সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে জুলাই মাসে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে৷ তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি ধারায় মামলা রুজু করা হয় ৷ সেই মামলাতেই সানাবামকে গ্রেফতার করে এনআইএ আধিকারকরা ৷

সূত্রঃ https://www.kolkata24x7.com/nia-arrests-manipur-based-terrorist-from-delhi.html